নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

কোন প্রতিযোগীদের সাথে প্রতিযোগিতায় আল্লাহ প্রথম হয়েছেন?

০৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১২



সূরাঃ ৫৫ রাহমান, ২৬ নং ও ২৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। তাতে সব বিলিন হয়
২৭। আর বাকী থাকে তোমার প্রতিপালকের সত্তা, যিনি মহিমাময়, মহানুভব।

সূরাঃ ৫৭ হাদীদ, ৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩।তিনি প্রথম, তিনি শেষ, তিনি প্রকাশ্য, তিনি গোপন এবং তিনি সব কিছু জানেন।

সূরাঃ ১১২ ইখলাস, ১ নং ও ২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। বল, তিনি আল্লাহ, এক-অদ্বিতীয়।
২। আল্লাহ অমুখাপেক্ষী।

সূরাঃ ৩৬ ইয়াসীন, ৮২ নং আয়াতের অনুবাদ-
৮২। তাঁর কাজ এমন, যখন তিনি কোন কিছু ইচ্ছা করেন তখন বলেন হও, ফলে তা’ হয়ে যায়।

* যারা বিলিন হয় তাদের সাথে প্রতিযোগীতায় বাকী থেকে আল্লাহ প্রথম হয়েছেন। বিলিন হওয়ার কারণ সীমা দাতা না থাকা। সীমা দাতা না থাকায় সবাই অসীম হয়। অসীমদের মাঝে সীমা না দেওয়ায় সকল অসীম একত্রিত হয়ে একজন হন। তাঁর মধ্যে সকল অসীম বিলিন হয়ে তিনি বাকী থাকেন।তাঁর মধ্যে সকল অসীম থাকায় তিনি অমুখাপেক্ষী। সেজন্য সৃষ্টি প্রক্রিয়ায় তাঁর কোন কিছুর জন্য অন্য কারো দারস্ত হতে হয় না। কারণ সকল সৃষ্ঠির সকল উপাদান তাঁর নিজের মধ্যেই অসীম মাত্রায় আছে। তাঁর কাজ এমন, যখন তিনি কোন কিছু ইচ্ছা করেন তখন তিনি এর সীমা দিয়ে বলেন হও, ফলে তা’ হয়ে যায়। তাঁর প্রলয় ধ্বনীতে যখন সব কিছুর সীমা কেটে যাবে তখন সব বিলিন হয়ে তিনি একা থাকবেন। আবার সীমা দিয়ে তিনি সব কিছু ফিরিয়ে আনবেন সবার কাজের হিসাব নিতে এবং প্রতিফল প্রাপকদের প্রতিফল দিতে।



মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:২০

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:



আল্লাহ এবং রাসূলের (সা.) সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহের পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল হয়

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

সূরাঃ ৫৩ নাজম, ৩ নং ও ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩। আর সে মনগড়া কথা বলে না।
৪। এটাতো ওহি যা তার প্রতি ওহি হিসেবেই পাঠানো হয়।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।

সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?

* আল্লাহ এবং রাসূলের (সা.) সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহের পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল হয়।

সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০১। মরুবাসীদের মধ্যে যারা তোমাদের আশেপাশে আছে তাদের কেউ কেউ মুনাফিক। মদীনাবাসীদের মধ্যেও কেউ কেউ মোনাফেকী রোগে আক্রান্ত। তুমি তাদের সম্পর্কে জান না। আমরা তাদের সম্পর্কে জানি।আমারা সিগ্র তাদেরকে দু’বার শাস্তি দেব। এরপর তারা মহা শাস্তির দিকে যাত্রা করবে।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৭। আর যারা মসজিদ নির্মাণ করেছে ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এবং ইতিপূর্বে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম করেছে তার গোপন ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের জন্য, তারা শপথ করেই বলবে তারা ভাল কিছু করার জন্যই ওটা করেছে; আর আল্লাহ সাক্ষি দিচ্ছেন নিশ্চয়ই তারা মিথ্যাবাদী।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।

সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।

সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দ্বীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।

* আল্লাহ এবং রাসূলের (সা.) সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ রাসূলের (সা.) সময় সংকলিত ছিল না। এটি সংকলনের দায়িত্ব ছিল মাওলা হযরত আলীর (রা.) উপর। তিনি অভিন্ন ফিকাহ সংকলন করে আমির হযরত আবু বকর (রা.) কর্তৃক অনুমোদন করিয়ে সারা বিশ্বের ইমামগণের নিকট পাঠিয়ে দিলে আল্লাহর ইবাদতের নিয়ম বিভিন্ন রকম হয়ে যেত না। মাওলা তাঁর দায়িত্ব পালন না করায় মোনাফেক ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) নামে প্রচুর মিথ্যা হাদিস প্রচার করে রাসূল (সা.) প্রচারিত অভিন্ন ফিকাহকে বিভিন্ন রকম করে মুসলিমদেরকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করে ফেলে মুসলিমদের মহাক্ষতি সাধন করে।মাওলা হযরত আলী (রা.) তাঁর দায়িত্ব পালন না করায় মুসলিমদের মহাক্ষতি সাধিত হওয়ায় আল্লাহ তিনি, তাঁর পরিবার, বংশ ও তাঁর ভক্তদের মানুষ হতে রক্ষার দায়িত্ব পালন করেননি।মাওলা হযরত আলীর (রা.)খেলাফত কালে মুসলিম পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হয়ে হাজারে হাজারে নিহত হন। সাহাবা (রা.) ক্ষমাপ্রাপ্ত বিধায় এসব যুদ্ধে সাহাবা (রা.) মুমিন থাকলেও অসাহাবারা কাফের হয়ে যায়। এ কুফুরি বেড়ে যাওয়ায় কারবালায় হযরত ইমাম হোসেন (রা.) তাঁর প্রতিপক্ষে কোন মুমিন খুঁজে পাননি। তারা তাঁর মাথা কেটে ইয়াজিদকে উপহার দেয়। তারপর মাওলা হযরত আলীর (রা.) ভক্তদল বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়ে পখভ্রষ্ট হয়।তখন ইসলামের সুরক্ষায় আখারিন অভিন্ন ফিকাহ সংকলন করে।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।

সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।

* সাহাবার (রা.) শত বছর অভিন্ন ফিকাহ সংকলন প্রস্তত না হওয়ায় তাঁরা ফিতনায় নিমজ্জিত ছিলেন। সাহাবার (রা.) পর আখারিনের শুরায় অভিন্ন ফিকাহ প্রথম সংকলিত হয়। আখারিন উম্মীগণের সাথে মিলিত ছিলেন না। তাঁরা ছিলেন তাঁদের সবচেয়ে নিকটবর্তী। তাঁদের সাথে উম্মীগণের সংযোজক ছিলেন ইমাম আবু হানিফা (র.)। তিনি আবার শতবার আল্লাহর দিদার প্রাপ্ত ছিলেন।

সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।
সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১৩৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৩৯। তোমরা হীন বল হবে না এবং দুঃখিত হবে না। তোমরাই বিজয়ী যদি তোমরা মুমিন হও।

* ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় আব্বসীয় আহলে বাইত আমির খলিফা হারুনুর রশিদ আখারিনের অভিন্ন ফিকাহ পরিশোধন করে হানাফী মাযহাব নামে অনুমোদন করলে দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম কর্তৃক এটি অনুসারিত হয়। হানাফীর যাত্রা শুরুর পর আল্লাহ তাদেরকে একটানা এগারশ বছর মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্ব প্রদান করেন। তারপরও তারা হীনবল হয়নি। নিজের শত্রুকে সন্ত্রস্ত রাখার পরমাণু অস্ত্র হানাফী পাকিস্তানের আছে। ইদানিং ভারত তাদের সাথে পরাজিত হয়েছে। ইদানিং আমেরিকা-ইসরাইল বনাম ইরান যুদ্ধ থামাতে তারা কিছুটা সফল হয়েছে। অধিকাংশ মুসলিম অঞ্চল ও রাষ্ট্র হানাফীদের। আল্লাহ ও রাসূলের (সা.) সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ হানাফী মাযহাবের পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল হয়। অজ্ঞ লোকেরা মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিস দিয়ে হানাফী মাযহাবের সাথে মতভেদে লিপ্ত হয়ে জাহান্নামে চলে যাচ্ছে।

২| ০৯ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:২৮

রাজীব নুর বলেছেন: !

৩| ০৯ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:৪২

রানার ব্লগ বলেছেন: #:-S

৪| ০৯ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:৩০

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:




হযরত আবু বকর (রা.), হযরত ওমর (রা.) ও হযরত ওসমান (রা.) থেকে হযরত আলীর (রা.) ফজিলত সুনিশ্চিতভাবে কম

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

সূরাঃ ২ বাকারা,৩১ নং থেকে ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩১। আর তিনি আদমেকে (আ.) সব জিনিসের নাম শিখালেন। তারপর সেগুলো ফেরেশতাদের সামনে হাজির করলেন। তারপর বললেন, যদি তোমরা সত্যবাদী হও তবে আমাকে এসব বস্তুর নাম বলে দাও।
৩২। তারা বলেছিলো, আপনি মহান পবিত্রময়। আপনি আমাদেরকে যা শিক্ষা দিয়েছেন এর বাইরে আমাদের কোন জ্ঞান নেই। নিশ্চয়ই আপনি সর্ব জ্ঞানী, মহাকৌশলী।
৩৩। তিনি বললেন হে আদম! তুমি তাদেরকে ঐসবের নাম বলে দাও!এরপর যখন সে তাদেরকে ঐগুলোর নাম বলে দিলো, তখন তিনি (আল্লাহ) বললেন, আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, নিশ্চয়ই আমি আকাশ ও পৃথিবীর অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে জানি। আর তোমরা যা প্রকাশ কর এবং যা গোপন কর আমি তাও জানি।

সূরাঃ ৭ আ’রাফ, ১৯ নং থেকে ২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৯। হে আদম! তুমি ও তোমার স্ত্রী জান্নাতে বসবাস কর।আর যা খুশী খাও। আর এ গাছের কাছে যেও না।তাহলে তোমরা যালিমদের মধ্যে গণ্য হবে।
২০। অতঃপর তাদের লজ্জাস্থান যা তাদের নিকট গোপন রাথা হয়েছিল তা’ তাদের কাছে প্রকাশ করার জন্য শয়তান তাদেরকে কুমন্ত্রণা দিল। আর সে বলল, তোমরা না আবার ফেরেশতা হয়ে যাও, অথবা এখানে স্থায়ী হয়ে যাও সেজন্য তোমাদের রব এ গাছ সম্বন্ধে তোমাদেরকে নিষেধ করেছেন।
২১। সে তাদের নিকট কসম করে বলল, আমিতো তোমাদের নছিহতকারীদের একজন।
২২। এভাবে সে তাদেরকে ধোকা দিয়ে নীচু করল।তৎপর যখন তারা সে বৃক্ষফলের মজা গ্রহণ করল তখন তাদের লজ্জাস্থান তাদের নিকট প্রকাশ হয়ে পড়ল।আর তারা নিজেদেরকে জান্নাতের পাতা দ্বারা আবৃত করতে লাগল।তখন তাদের রব তাদেরকে ডেকে বললেন, আমি কি তোমাদেরকে এ গাছের কাছে যেতে মানা করিনি? আর আমি কি বলিনি যে শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য দুশমন?

* চল্লিশ বছরে কিতাব শিক্ষা দেওয়া আল্লাহর সুন্নাত। চল্লিশের কম বয়সের আল্লাহর শিক্ষার্থী হযরত আদম (আ.) শয়তানের ধোকায় পড়েছেন।তাঁকেই আবার চল্লিশের বেশী বয়সে কিতাব শিক্ষা দেওয়ার পর তিনি আর শায়তানের ধোকায় পড়েননি। হযরত ঈসাকে (আ.) চল্লিশের কম বয়সে আল্লাহ কিতাব শিক্ষা দিলেও আল্লাহ তাঁকে নিজের কাছে তুলে নিয়েছেন। চল্লিশের পরে তাঁকে আবার লোকের হেদায়াতের জন্য পাঠানো হবে।হযরত আবু বকর (রা.), হযরত ওমর (রা.) ও হযরত ওসমান (রা.) রাসূলের চল্লিশের বেশী বয়সি শিক্ষার্থী হওয়া বিষয়ে সংবাদ আছে। কিন্তু হযরত আলী (রা.) রাসূলের (সা.) চল্লিশের বেশী বয়সি শিক্ষার্থী ছিলেন না। রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের সময় তাঁর বয়স ছিল তেত্রিশ বছর। সুতরাং আল্লাহর সুন্নাত অনুযায়ী হযরত আবু বকর (রা.), হযরত ওমর (রা.) ও হযরত ওসমান (রা.) থেকে হযরত আলীর (রা.) ফজিলত সুনিশ্চিতভাবে কম।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৩। তোমরা একত্রে আল্লাহর রজ্জু দৃঢ়ভাবে ধর! আর বিচ্ছিন্ন হবে না। তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর।যখন তোমরা শত্রু ছিলে তখন তিনি তোমাদের অন্তরে প্রীতি সঞ্চার করেছেন, ফলে তাঁর দয়ায় তোমরা পরস্পর ভাই হয়ে গেলে।তোমরাতো অগ্নি কুন্ডের প্রান্তে ছিলে, আল্লাহ উহা হতে তোমাদেরকে রক্ষা করেছেন। এভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর নিদর্শনসমূহ স্পষ্টভাবে বিবৃতকরেন যাতে তোমরা সৎপথ পেতে পার।

সূরাঃ ৫৫ রাহমান, ১ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। আর রাহমান (পরম মেহেরবান)।
২। তিনিই শিক্ষা দিয়েছেন কোরআন।
৩। তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন।
৪। তিনিই তাকে শিখিয়েছেন বাইয়ান (ভাব প্রকাশ করতে)।

সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দ্বীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।

* রাসূলের (সা.) চল্লিশের বেশী বয়সি শিক্ষার্থী হযরত আবু বকর (রা.), হযরত ওমর (রা.) ও হযরত ওসমান (রা.) পরম্পর মতভেদ ও পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হননি এবং তাঁরা পরস্পর ঐক্যবদ্ধ ছিলেন। কিন্তু রাসূলের (সা.) চল্লিশের কম বয়সি শিক্ষার্থী হযরত আলী (রা.), হযরত মুয়াবিয়া (রা.) ও হযরত আয়েশা (রা.) পরম্পর মতভেদ ও পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হয়েছেন। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তাঁরা পরম্পর মতভেদ ও পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতেন না। কিন্তু আল্লাহ তাঁদের পরম্পর মতভেদ ও পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত না হওয়ার ইচ্ছা করেননি। কারণ তাঁরা রাসূলের (সা.)চল্লিশের বেশী বয়সি শিক্ষার্থীগণকে শিক্ষক বানিয়ে চল্লিশের বেশী বয়সে তাঁদের শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখেননি। অথচ দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত এলেম তলব করা রাসূলের (সা.) সুন্নাত এবং মোয়াল্লেমের থেকে এলেম তলব করা আল্লাহর সুন্নাত। চল্লিশের বেশী বয়সের এলেম তলবে আল্লাহর সুন্নাত তরক হওয়ায় হযরত আলী (রা.), তাঁর পরিবারের সদস্য, তাঁর বংশ ও অনুসারীদেরকে আল্লাহ মানুষের হাত থেকে রক্ষা করছেন না। তারা বিভিন্ন শিয়ায় বিভক্ত। আল্লাহ তাদের যে ব্যবস্থা করেছেন তাতে তারা লেবানন, ইয়েমেন, শিরিয়া, ইরাক ও ইরানে ভালো অবস্থায় নাই।

সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১১৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৯। হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সাদেকীনদের (সত্যবাদী) সাথে থাক।

* রাসূলের (সা.) বেশী বয়সি শিক্ষার্থী হযরত আবু বকর (রা.), হযরত ওমর (রা.) ও হযরত ওসমানের (রা.) মধ্যে রাসূলের (সা.) সহচরের গুনাগুন কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল অবস্থা বিদ্যমাণ ছিল। কিন্তু রাসূলের (সা.) চল্লিশের কম বয়সি শিক্ষার্থী হযরত আলী (রা.), হযরত মুয়াবিয়া (রা.) ও হযরত আয়েশার (রা.)মধ্যে রাসূলের (সা.) সহচরের গুনাগুন কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল অবস্থা বিদ্যমাণ ছিল না। তাঁরা পরস্পরের সঙ্গে মতভেদ, যুদ্ধ-বিগ্রহ ও অনৈক্যে লিপ্ত ছিলেন। হযরত আলী (রা.) ও হযরত মুয়াবিয়া (রা.) পরস্পরকে লানত দিতেন। আল্লাহর পূর্ব বিধান সাহাবায়ে কেরামের (রা.) প্রতি ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের বিধান থাকায় পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত থাকার পরেও সাহাবায়ে কেরাম (রা.) মুমিন থাকলেও পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হওয়ায় অসাহাবা কাফের হয়ে যায়।রাসূলের (সা.) বেশী বয়সি শিক্ষার্থী হযরত আবু বকর (রা.), হযরত ওমর (রা.) ও হযরত ওসমান (রা.) খেলাফত অভিভক্ত রাখতে পারলেও হযরত আলী (রা.) খেলাফত অভিভক্ত রাখতে সক্ষম হননি। হযরত মুয়াবিয়া (রা.) খেলাফত একত্রিত করতে সক্ষম হলেও তাঁর খেলাফত বাদশাহী আখ্যা পায়। রাসূলের (সা.) চল্লিশের বেশী বয়সি আহলে বাইত শিক্ষার্থী তাঁর চাচা হযরত আব্বাস (রা.) সবার প্রিয় পা্ত্র ছিলেন।এ ইব্রাহিম (আ.) বংশিয় আহলে বাইতের বংশে আল্লাহ একাধারে প্রায় সাড়ে সাতশত বছর মুসলিম বিশ্বের রাজত্ব (আব্বাসীয় খেলাফত) প্রদান করেন। তাঁদের প্রচারিত হানাফী মাযহাবের অনুসারী তুর্কীরা আরো চারশত বছর মুসলিম বিশ্বে রাজত্ব করেছে। এখনো হানাফীদের আয়ত্বে আছে অধিকাংশ মুসলিম অঞ্চল ও দেশ। এমনকি হানাফী পাকিস্তানের নিকট আছে নিজের শত্রু ভারতকে সন্ত্রস্ত রাখার পারমাণবিক অস্ত্র। ইদানিং যুদ্ধে তারা ভারতকে পরাজিত করেছে। আর হানাফী আফগানিস্তান রাশিয়া, আমেরিকা, বৃটিশ ও নেটোকে পরাজিত করেছে। এ হানাফীরা হযরত আবু বকর (রা.), হযরত ওমর (রা.) ও হযরত ওসমান (রা.) থেকে হযরত আলীর (রা.) ফজিলত বেশী বলে মনে করে না।কারণ আল্লাহর সুন্নাতের বিবেচনায় হযরত আবু বকর (রা.), হযরত ওমর (রা.) ও হযরত ওসমান (রা.) থেকে হযরত আলীর (রা.) ফজিলত সুনিশ্চিতভাবে কম।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.