নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইবাদতে মানুষের লাভ, না করলেও আল্লাহর কোন ক্ষতি নাই

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৩১



সূরাঃ ১০৩ আসর, ১ নং থেকে ৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। মহাকালের শপথ।
২। মানুষ অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্থ্য
৩। কিন্তু উহারা (ক্ষতিগ্রস্থ্য) নয়, যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে এবং পরস্পরকে সত্যের ও ধৈর্যের উপদেশ দেয়।

সূরাঃ ৫১ যারিয়াত, ৫৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৬। আমি জিন ও মানুষকে এ জন্য সৃষ্টি করেছি যে, তারা আমারই ইবাদত করবে।

সূরাঃ ৭ আ’রাফ, ৪৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৬। উভয়ের মাঝে পর্দা আছে।আর আরাফে কিছু লোক থাকবে যারা প্রত্যেককে তাদের লক্ষণ দ্বারা চিনবে।আর তারা জান্নাকবাসীদেরকে ডেকে বলবে, তোমাদের শান্তি হোক। তারা তখনও জান্নাতে প্রবেশ করেনি, কিন্তু তারা এ বিষয়ে আশ্বস্ত।

সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

* ইহকালের হিসাবে ইবাদত না করাতে মানুষের ক্ষতি দেখা যাচ্ছে না। কিন্তু মহাকাল হিসাবে ইবাদত না করাতে মানুষ অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্থ্য হবে। কারণ তাদেরকে পরকালের মহাকালে আল্লাহর ইবাদত করতে হবে। ইহকালের ক্ষণকালে ইবাদত না করে বাধ্য হয়ে পরকালের মহাকালে ইবাদত করা অবশ্যই ক্ষতি। আল্লাহ মানুষ ও জ্বীনকে তাঁর ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন বিধায় পরকালের মহাকাল জুড়ে তারা আল্লাহর ইবাদত করবে। তবে ইহকালের ক্ষণকালে যারা আল্লাহর ইবাদত করবে পরকালের মহাকালে তাদেরকে আর আল্লাহর ইবাদত করতে হবে না। পরকালের মহাকাল জুড়ে তারা আল্লাহর মেহমান হিসাবে জান্নাতে থাকবে। চিরস্থায়ী জাহান্নাম সাব্যস্ত লোকেরা পৃথিবীতে আবার এসে আল্লাহর ইবাদত করে জান্নাতের যোগ্য হয়ে পরকালে যাওয়ার আরজি জানাবে। তাদের এ আরজি না মঞ্জুর হবে। পরে তারা আরাফে থেকে পরকালের মাহাকালে আল্লাহর ইবাদতের আরজি জানাবে। তাদের এ আরজির সাথে আল্লাহর উদ্দেশ্যের মিল থাকায় তাদের এ আরজি মঞ্জুর হবে। এ ঘটনার সাথে অসংগতি পূর্ণ কোরআনের আয়াত সমূহ তখন মানসুখ হবে এবং নতুন অবস্থা সংক্রান্ত আয়াত মানসুখ আয়াত সমূহের স্থলাভিষিক্ত হবে। বিবিধ কারণে চিরস্থায়ী জাহান্নামী আলেমগণ তখন তাদের ধর্মীয় নেতা হবেন। নতুন অবস্থার প্রেক্ষিতেও জাহান্নাম বিলুপ্ত হবে না। যারা তখন ইবাদত করবে তাদেরকে ভয় দেখাতে তখনও জাহান্নাম বিদ্যমাণ থাকবে। আল্লাহ তখন বলবেন, তারপর যদি ইবাদত না করে তবে তো জাহান্নামে যেতেই হবে। আমার এ বক্তব্য আয়াতের গভীর জ্ঞান অনুযায়ী। সুতরাং এমনটা হবে না বলার সুযোগ নাই।

মন্তব্য ১২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৪:০১

হুমায়রা হারুন বলেছেন: অনেক দিন পর।
কেমন আছেন ভাইয়া?

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৫:৪৩

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আপনি কেমন আছেন?

২| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:২০

হুমায়রা হারুন বলেছেন: আছি এক রকম।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৬

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আর কখনো আমার পোষ্টে মন্তব্য করেছেন কিনা মনে পড়ে না। আজকে মন্তব্য করলেন সেজন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আমি ইসলামী লেখা লেখি। ব্লগে এর পাঠক নেই বললেই চলে। সেজন্য এখানে পোষ্ট দেওয়া হয় না। ফেসবুকের খোলা মন গ্রুপে আমার পাঁচ পোষ্টেই লাইক সংখ্যা এক লক্ষের বেশী। সেজন্য ফেসবুকের গ্রুপ সমূহে পোষ্ট দিয়ে রাইক গণি। আপনার পোষ্ট দেখে মনে হলো কফি বেশ একটা পছন্দ করেন। আমার আবার কফির দিকে তেমন আগ্রহ নাই। আমি দুধ চা পছন্দ করি। ঘরের লোক আমাকে দুধ চা দেয় না। তারা রঙ চা দেয়। এখন সেটাই পান করি।

৩| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:২৮

নাহল তরকারি বলেছেন: লেখাটি পড়ে মনে হলো, ইবাদতকে শুধু দুনিয়ার লাভ-ক্ষতির হিসাব দিয়ে দেখলে বিষয়টির গভীরতা বোঝা সম্ভব নয়। আপনি কোরআনের বিভিন্ন আয়াত একসঙ্গে এনে ইহকাল, পরকাল, ইবাদতের উদ্দেশ্য এবং মানুষের চূড়ান্ত পরিণতি নিয়ে একটি ভিন্নধর্মী চিন্তার অবতারণা করেছেন।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৮

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ইহকালের ভালো থাকা নিয়ে ইবাদতের বিচার হয় না। ইহকালে যারা ইবকাদত করবে পরকালে তাদেরকে আর ইবাদত করতে হবে না। যারা ইহকালে ইবাদত করবে না পরকালের মহাকাল জুড়ে তারা অনন্ত কাল ইবাদত করবে। নিজেদের বোকামির জন্য লোকে তখন নিজেরাই হাসবে।

৪| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শিরোনাম পড়ে অবাক হলাম ।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০১

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: সৈয়দ কি আপনার নাম না খেতাব? নাকি আপনি এমনি এ নামে লিখেন। ওমর খৈয়ামের পোষ্টে আপনাকে বেশ সক্রিয় দেখা যায়। সেখানে গিয়ে আপনার মন্তব্য পড়ে উপভোগ করি। ব্লগ সরব রাখায় আপনার ভূমিকা অনেক। আপনাকে একটা ব্লগ পদক দেওয়া দরকার।

৫| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৬

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আল্লাহ মানুষ ও জ্বীনকে তাঁর ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন বিধায়
পরকালের মহাকাল জুড়ে তারা আল্লাহর ইবাদত করবে।

..........................................................................................
ভালো কথা , যা কিছু বলছেন অনুবাদ করে ।
শুনেছি অনুবাদের অর্থ একেক জন মাওলানা একেক রকম করেন ।
আবার সৌদির ব্যাখ্যার সাথে আমাদের অনেক ব্যাখ্যা মিলেনা ।
একটি সম্পূরক প্রশ্নের জবাব দিন <
ইসলাম র্ধম প্রচার হচ্ছে ১৪০০ বৎসর থেকে, আর বিজ্ঞানীরা বলছেন
৫০০০ বৎসর আগে ও জনবসতি ছিল । তাহলে ঐ সময়ের মানবকূল আল্লাহর ইবাদত
কি জানতনা ও পালনও করে নাই, তাহাদের ভাগ্যে কি হবে ?

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০১

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আল্লাহ বলেছেন তিনি সব জাতির নিকট নবি পাঠিয়েছেন। ভাগ্যের বিষয় একদম সোজা। যারা চিরস্থাযী জাহান্নামী ঘোষিত হবে তারা পরকালের মাহাকাল জুড়ে আল্লাহর ইবাদত করে আল্লাহর উদ্দেশ্য সফল করবে। আমি নিজেও অনুবাদ বুঝি। তথাপি কয়েটা অনুবাদ মিলিয়ে অনুবাদ করি।

৬| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১১

রাজীব নুর বলেছেন: যারা ইবাদত না করে জীবন পার করে দেয়, তাদের ক্ষতিটা কি হয় ইহকালে?

৭| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:২১

নতুন বলেছেন: ইবাদত একটা অপ্রয়োজনিয় জিনিস সৃস্টিকর্তার কাছে।

কারন তিনি কোন কিছুর মুখাপাক্ষি না।

মানুষকে বেহস্ত বা দোজগে পাঠিয়েও সৃস্টিকর্তার কোন লাভ নাই।

আর সবাইকে বেহেস্তে বা দোজগে পাঠানোর পরে সৃস্টিকর্তা কি করবে?

সুস্টিকর্তার কন্সেপ্ট এসেছে যে একা একা এতো কিছু কিভাবে সৃস্টিহয়েছে। কিন্তু সিস্টিকর্ত এই মহাবিশ্ব সৃস্টির পেছনে মটিভিসন কি? না করলেই কি হইতো? করেই বা কি হয়েছে? কেয়ামতের পরেই বা কি হবে?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.