| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নাহল তরকারি
আমি ধার্মিক। আমি সব কিছু ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী বিচার বিশ্রেশণ করি। আমি সামাজিক রীতিনীতি, সমাজিক কু সংস্কার, আবেগ দিয়ে কোন কিছু বিচার করি না।
রাত যত গভীর হয়, শহরটা ততই যেন নিজের ব্যস্ত মুখোশ খুলে ফেলে। দিনের কোলাহল থেমে গেলে দূরের অসংখ্য আলো জ্বলে ওঠে—মনে হয়, অন্ধকারের বুকজুড়ে কেউ একমুঠো নক্ষত্র ছড়িয়ে দিয়েছে। উপরে একাকী চাঁদ, তার চারপাশে নীরব আকাশ, আর নিচে আলোর নদীতে ভেসে চলেছে শহর। দূরের দালানগুলো তখন আর শুধু ইট-পাথরের কাঠামো মনে হয় না; মনে হয়, প্রতিটি জানালার পেছনে একটি করে গল্প ঘুমিয়ে আছে। কোথাও হয়তো কেউ প্রিয়জনের অপেক্ষায়, কোথাও কোনো বাবা সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবছেন, আবার কোথাও কোনো ক্লান্ত মানুষ দিনের সমস্ত হিসাব ভুলে একটু শান্তি খুঁজছেন।
আর আমি—এই আলো-আঁধারির দূরত্বে দাঁড়িয়ে—শুধু তাকিয়ে থাকি। চাঁদটা আজ খুব কাছে মনে হচ্ছে, অথচ শহরটা কত দূরে! হয়তো জীবনের গল্পও এমনই—কিছু স্বপ্ন হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যায় মনে হয়, অথচ তাদের কাছে পৌঁছাতে পেরিয়ে যেতে হয় অগণিত অন্ধকার রাত। তবু আলো জ্বলে থাকে—শহরের আলো, চাঁদের আলো, আর মানুষের বুকের ভেতর বেঁচে থাকা ছোট্ট আশার আলো। রাত যত গভীরই হোক, কোথাও না কোথাও আলো জ্বলতেই থাকে।
২|
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:২২
মেহবুবা বলেছেন: গভীর উপলব্ধি।
মনে পড়ল ছোটবেলায় যখন রোজা রাখা শুরু করলাম, সেহরীতে উঠে আশে পাশের বাসায় আলো জ্বলল কিনা দেখতাম।
©somewhere in net ltd.
১|
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১৫
শায়মা বলেছেন: বাহ! খুব ভালো হয়েছে তো!!!!!