নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস...খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে...কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়।আমার অদক্ষ কলমে...যদি পারো ভালোবেসো তাকে...ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে,যে অকারণে লিখেছিল মানবশ্রাবণের ধারা....অঝোর

জুল ভার্ন

এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস... খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে... কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়। আমার অদক্ষ কলমে... যদি পারো ভালোবেসো তাকে... ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে, যে অকারণে লিখেছিল মানব শ্রাবণের ধারা.... অঝোর শ্রাবণে।।

জুল ভার্ন › বিস্তারিত পোস্টঃ

"আমি কিংবদন্তির কথা বলছি".......

৩০ শে মে, ২০২৬ সকাল ৭:৫৮

আজ ৩০ মে।
বাংলাদেশের ইতিহাসের এক বেদনাবিধুর দিন। আজ সেই মহানায়ক, সেই সৈনিক, সেই রাষ্ট্রনায়কের শাহাদাৎ বার্ষিকী- যিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটির স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও উন্নয়নের জন্য।
তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

১৯৭১ সালের সেই উত্তাল মার্চে যখন জাতি দিকনির্দেশনার অপেক্ষায়, যখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা বাংলার আকাশ-বাতাসকে রক্তাক্ত করে তুলেছে, তখন চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিকামী বাঙালি জাতিকে সাহস, শক্তি ও আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছিলেন।
কিন্তু তিনি শুধু স্বাধীনতার ঘোষক ছিলেন না- তিনি ছিলেন একজন সম্মুখযোদ্ধা। সরাসরি রণাঙ্গনে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ পরিচালনা করেছেন, নেতৃত্ব দিয়েছেন সেক্টরভিত্তিক মুক্তিযুদ্ধকে। স্বাধীন বাংলাদেশের কিংবদন্তি রুপকার বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছ থেকে অর্জন করেছেন "বীর উত্তম" খেতাব।

স্বাধীনতার পর তিনি এমন একটি বাংলাদেশ পেয়েছিলেন, যাকে বিদেশিরা অবজ্ঞাভরে বলত- "তলাবিহীন ঝুড়ি"। সেই হতাশা, দারিদ্র্য ও অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের দেশকে তিনি আত্মনির্ভরশীলতার পথে হাঁটতে শিখিয়েছিলেন। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাল খনন, গ্রামীণ উন্নয়ন, শিল্পায়ন, রপ্তানি বৃদ্ধি, জনশক্তি রপ্তানি- প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি রেখে গেছেন দূরদর্শী নেতৃত্বের অনন্য দৃষ্টান্ত।

তিনি বিশ্বাস করতেন- বাংলাদেশের শক্তি তার জনগণ, তার মাটি এবং তার সশস্ত্র বাহিনী। তাই তিনি দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে শুধু একটি সামরিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নয়, বরং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের অবিচল প্রতীক হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী নতুন আস্থা ও মর্যাদা লাভ করে। মুসলিম বিশ্বেও বাংলাদেশ একটি মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। তিনি মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের অবস্থানকে শক্তিশালী করেছিলেন।

বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শন দিয়ে তিনি জাতিকে আত্মপরিচয়ের নতুন শক্তি দিয়েছিলেন। বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং জনগণের রাজনৈতিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি গণতন্ত্রের ভিত্তি সুদৃঢ় করার চেষ্টা করেছিলেন।

স্বাধীনতা যুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশ পুনর্গঠনে শহীদ জিয়াউর রহমানের অনন্য অবদানঃ

১. তিনি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধারণা প্রচলন করে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলেন।

২. বহুদলীয় রাজনীতি, বাকস্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনেন।

৩. কৃষি উৎপাদন বাড়াতে সেচ ও ‘খাদ্য শস্য উৎপাদন বাড়াও’ কর্মসূচি চালু করেন।

৪. গণশিক্ষা ও পল্লী চিকিৎসা চালু করে গ্রামের মানুষকে শিক্ষা-চিকিৎসায় অগ্রাধিকার দেন।

৫. গ্রাম সরকারকে শক্তিশালী করেন এবং ভিডিপি গঠন করে গ্রামীণ নিরাপত্তা জোরদার করেন।

৬. পেশাদার সেনাবাহিনী গঠন ও পুলিশ, বিডিআর, আনসারকে আধুনিক করেন।

৭. দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতার ভিত্তি স্থাপন করে সার্ক গঠনে ভূমিকা রাখেন।

৮. ভারত-সোভিয়েত নির্ভরতা কমিয়ে চীন, আমেরিকা ও মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক গড়েন।

৯. ইরান-ইরাক যুদ্ধে শান্তি উদ্যোগ নেন এবং OIC-তে বাংলাদেশের সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করেন।

১০. “সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়”- এই পররাষ্ট্রনীতি প্রবর্তন করেন।

১১. শিল্প-বাণিজ্যে বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করে অর্থনীতি সচল করেন।

১২. সেনাবাহিনীর অবকাঠামো, লজিস্টিক সাপোর্ট দিয়ে মাত্র তিন ব্যাটালিয়নের সেনাবাহিনীকে তিন প্লাস ডিভিশনে উন্নীত করেন।

ইতিহাসে কিছু মানুষ শুধু নেতা নন, তারা একটি জাতির আত্মবিশ্বাসের নাম- জিয়াউর রহমান তেমনই এক নাম।
আল্লাহ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)-কে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন।

শহীদ জিয়ার একজন আদর্শের কর্মী হিসাবে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতায়- এক মহান স্বাধীনতা যোদ্ধা, রাষ্ট্রনায়ক ও জাতির গর্বকে স্মরণ করছি।
"প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ,
জীবন বাংলাদেশ আমার মরন বাংলাদেশ"❤️

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।

মন্তব্য ৭ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৭) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

নতুন বলেছেন: ১৯৭১ সালের সেই উত্তাল মার্চে যখন জাতি দিকনির্দেশনার অপেক্ষায়, যখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা বাংলার আকাশ-বাতাসকে রক্তাক্ত করে তুলেছে, তখন চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিকামী বাঙালি জাতিকে সাহস, শক্তি ও আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছিলেন।
কিন্তু তিনি শুধু স্বাধীনতার ঘোষক ছিলেন না- তিনি ছিলেন একজন সম্মুখযোদ্ধা। সরাসরি রণাঙ্গনে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ পরিচালনা করেছেন, নেতৃত্ব দিয়েছেন সেক্টরভিত্তিক মুক্তিযুদ্ধকে। স্বাধীন বাংলাদেশের কিংবদন্তি রুপকার বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছ থেকে অর্জন করেছেন "বীর উত্তম" খেতাব।


মেজর জিয়াউর রহমান ভুমিকা অবশ্যই প্রসংসিনিয়। তিনি প্রসিডেন্ট হিসেবেও অনেক জনপ্রিয় ছিলেন।

তবে উনাকে স্বাধীনতার ঘোষক না বলে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নেতৃত্বে স্বাধীনতার ঘোষনা পত্র পাঠ করেছিলেন বললে সেটা সহী হয় এবং সবাইকে তার যথাযত সন্মান দেওয়া হয়।

সেদিন তিনিও জীবনের ঝুকি নিয়েছিলেন, পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন ফাসীর দড়ীর ভয় না করে।

বিএনপির উচিত হবে বঙ্গবন্ধুরকে যথাযত সন্মান করা, মুক্তিযোদ্ধাদের সন্মান করা।, শেখ হাসিনার যথাযত বিচার করে সাজা দেওয়া। রাজাকারদের সঙ্গ ত্যাগ করা। জাসিদের গদামের উপরে রাখা।

৩১ শে মে, ২০২৬ সকাল ৭:৩৬

জুল ভার্ন বলেছেন: বংগবন্ধু শেখ মুকিবর রহমান বাংলাদেশের অবিংশবাদিত নেতা- তা নিয়ে কারোর কোনো সন্দে নাই।

২| ৩১ শে মে, ২০২৬ রাত ১:১৮

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: তিনি শুধু স্বাধীনতার ঘোষক ছিলেন না- তিনি ছিলেন একজন সম্মুখযোদ্ধা।
............................................................................................................
ইতিহাস বলে , যার যা সম্মান তাকে দেওয়া উচিৎ
এমনটা হলে আমাদের দেশের এত দূর্গতি হতোনা ।
তিনি যখন রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন তখন সকল বিরোধ মিটিংয়ে ফেল্লে
আর আমরা সুষ্ঠু রাষ্ট্র দেখতে পেতাম ।

৩১ শে মে, ২০২৬ সকাল ৭:৩৯

জুল ভার্ন বলেছেন: বংগবন্ধুকে নিয়ে বিএনপির কখনো কোনো অসম্মান ছিলোনা। বরং জিয়াউররহমান, বেগম খালেদা জিয়ে, তারেক রহমান তথা জিয়া পরিবার নিয়ে চরম নোংরামি করে আওয়ামী লীগের এ টু জেড।

৩| ৩১ শে মে, ২০২৬ রাত ১:৫৫

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ভাল লিখেছেন। তবে
জিয়া কি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন?
জিয়া মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, তবে তার অন্তর ছিল পাকিস্তানপন্থী। মুক্তিযুদ্ধ করেছে সত্য, তবে পাকিস্তানী-জামাতি চর হিসেবে।

গতবছর ডালিমের একটি বক্তব্যে এটি আবারো নিশ্চিত হয়। জিয়া রসিদ ডালিমগং কোরান ছুয়ে শপথ নিয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা ও মুজিব হত্যা করার। জিয়া মুজিব হত্যার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীনই মুজিব হত্যার প্ল্যান হচ্ছিল। লাইভ টকশোতে মেজর ডালিম স্পষ্ট ভাবে বলেছে যে জিয়া এবং রশিদ ডালিম ও আরো কিছু সেনা কর্মকর্তা সহ সবাই কোরআনে হাত রেখে মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে গোপনে বিশ্বাসঘাতকতা করার শপথ নিয়েছিল।

এরপর পাকিস্তানী-জামাতি চর হিসেবে -
এবং তার নেতৃত্বে মুজিব হত্যা এবং ক্ষমতা গ্রহনের পর মাত্র এক সপ্তাহের ভেতর জামাতকে পাকিস্তান থেকে নিয়ে আসে, জামাত নেতা গোলামআজম সহ।
এরপর কু পালটা কু এর নামে চার হাজার মুক্তিযোদ্ধা সমর্থক সেনা কর্মকর্তা নৌ, বিমান সেনা হত্যা করেছেন।
এরপর জামাতকে শিল্পপ্রতিষ্ঠান, ব্যাঙ্ক, হাসপাতাল জেলায় জেলায় স্কুল কলেজ কিন্ডারগার্টেন করে দিয়ে প্রতিটি জামাত নেতাকে কোটিপতি বানানো।
আর কি বলবো বলেন।

৩১ শে মে, ২০২৬ সকাল ৭:৫৪

জুল ভার্ন বলেছেন: জিয়া মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন কিনা তা রাজাকারের বাচ্চারা জানবে কি করে? যে দলের নেত্রী ১৫০০ টাকা হারে পাকিভাতা খেয়েছে- তার কাছে ভালো কিছু আশা করা বোকামী! যে যা যারা বংগবন্ধুকে হত্যা করে-তার কথা কথাটা আপনাদের খুব ভালো লেগেছে-তাহলে তারা আপনাদের জ্ঞাতিগুষ্টুকে নির্মম ভাবে হত্যা করেছে- সেটাকেও বৈধ করে নিতে সমস্যা কোথায়।
স্বাধীনতার পর বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর ডালিমের স্ত্রীকে অপহরণ করেছে- গোলাম মোস্তফার ছেলে এবং শেখ কামাল। ব্যাংক ডাকাতি করতে গিয়ে পুলিশের গুলিবিদ্ধ হয়েছিল- শেখ কামাল। সিরাজ শিকদারকে হত্যা করেছিল- শেখ মুজিবের নির্দেশে- যা তিনি সংসদে দাঁড়িয়ে গর্ব করে বলেছিলেন- "কোথায় আজ সিরাজ শিকদার"?

"লাল ঘোড়া দাবিয়ে" ত্রিশ হাজার জাসদ কর্মীদের হত্যা করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। পিলখানায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা হত্যা করেছে শেখ হাসিনা, শেখ তাপস। শেখ হাসিনার নির্দেশে আওয়ামী ল্যাস্পেন্সার সেনা-র‍্যাব-পুলিশ অফিসার দিয়ে হাজার হাজার বিরোধী দলীয় নেতা কর্মী সমর্থকদের হত্যা করেছে, গুম করিয়েছে। এখন হাসিনা পরিবারের সবাই, ১১ জন জেনারেল, তিনজন আইজিপি, অসংখ্য অফিসার এবং অজস্র দলীয় লুটেরাদের নিয়ে পালিয়ে ভারতের আশ্রয়ে প্রশ্রয়ে থেকে এখনো দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। এসব আপনার মতো জ্ঞানপাপীদের নজরে আসবে না।

৪| ৩১ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৪২

নতুন বলেছেন: হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ভাল লিখেছেন। তবে
জিয়া কি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন?
জিয়া মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, তবে তার অন্তর ছিল পাকিস্তানপন্থী। মুক্তিযুদ্ধ করেছে সত্য, তবে পাকিস্তানী-জামাতি চর হিসেবে।
এরপর পাকিস্তানী-জামাতি চর হিসেবে -
এবং তার নেতৃত্বে মুজিব হত্যা এবং ক্ষমতা গ্রহনের পর মাত্র এক সপ্তাহের ভেতর জামাতকে পাকিস্তান থেকে নিয়ে আসে, জামাত নেতা গোলামআজম সহ।


হাকা ভাই আপনি সম্ভবত এই দুই জনকে চেনেন!!!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.