| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ঋণাত্মক শূণ্য
নেগেটিভিটিতে বিশ্বাস করি না; তাই এমন নাম বেছে নিলাম, যা বাস্তব নয়!
যারা বিদ্যুৎ বিল পে করেন তারা একটা জিনিষ খুব ভালো করে জানেন যে বাসা বাড়ি সহ প্রায় সব খানেই বিদ্যুৎ বিলের স্লাব থাকে। আমি মূল হিসাবটা জানি না, তাই সঠিক সংখ্যা দিয়ে লিখতে পারছি না, কিন্তু উদাহরণ দিচ্ছি।
ধরেন,
১-১০০ ইউনিট পর্যন্ত বিল ১০ টাকা প্রতি ইউনিট
১০১-৩০০ ইউনিট পর্যন্ত বিল ১৫ টাকা প্রতি ইউনিট
৩০১-৫০০ পর্যন্ত বিল ২০ টাকা প্রতি ইউনিট
এমন থাকে আরকি। অর্থাৎ প্রথম ১০০ ইউনিট আপনি ১০ করে দিবেন, পরের গুলি ১৫ করে (৩০০ পর্যন্ত) এর পরের গুলি ২০ করে।
অনেকেই দেখি এটা নিয়ে আপত্তি দেয়। এদের অনেককেই আমি নিজে প্রশ্ন করে দেখেছি, কেউ কোন কারণ ব্যাখ্যা করতে পারে না যে কেন সরকার বেশী নেয়। বা এটার আসলেই কোন ভালো দিক আছে কি না।
আমি নিজে হিসাব করে দেখেছি এটি মূলত সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য ভালোই। কেন এমন থাকা উচিৎ বলে মনে করি?
অতিরিক্ত ব্যবহারটাকে অনুৎসাহিত করাঃ অনেকেই বেশী ব্যবহার করলে বেশী বিল দিতে হবে এই ভয়ে একটু কম ব্যবহার করে বলে মনে করি। আমার বিশ্বাস সরকারও সেটা করতেই এই কাজ করে।
অবৈধ্য ভাবে ব্যবসায়িক কাজে সাধারণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করা বন্ধ করাঃ আমি নিজে দেখেছি অনেকে নিজের ব্যবসার অনেক কিছুই বাসার বিদ্যুৎ দিয়ে করে, কারণ বাসার বিদ্যুৎ বিল দোকানে বিদ্যুৎ বিলের থেকে কম। যদি এমন স্লাব না থাকতো, এই ব্যবহার প্রচুর বাড়তো।
বিদ্যুৎ বিল কম রাখতেঃ গরীবের উপর যাতে বিদ্যুৎ বিলের চাপ বেশী না পড়ে, সেজন্যও এমন স্লাব কাজ করে বলে মনে করি। কারণ ধরেন ধনী একজনের পক্ষে ৮০০ ইউনিটের বিল দেওয়া সমস্যার না। কিন্তু দরিদ্র একজনের জন্য ২০০ ইউনিটের বিল দেওয়াও কষ্টের। এখন ধনী যদি ৮০০ ইউনিট বিল সমান হারে দেয়, তাতে দরিদ্রের ১০০ ইউনিটের দাম বেড়ে যাবে। কারণ দিন শেষে সরকার বাড়তি বিল সমান হার করবার চেষ্টা করবে।
মোটামুটি এই তিনটা কারণই আমার কাছে যৌক্তিক মনে হয় বিদ্যুতের দাম এমন স্লাব অনুযায়ী করবার জন্য। আরও বহু কারণ হয়ত আছে।
অবশ্যই এর বিপক্ষে বলার মত পয়েন্টও থাকার কথা। কিন্তু আমি এই স্লাব সিষ্টেমের বিপক্ষে যারা বলে তাদের কারও কাছ থেকে কখনও কোন সদুত্তোর পাই নি!
আপনার কি মনে হয়?
২|
০৭ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৬:০৯
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) খুচরা পর্যায়ে
বিদ্যুতের দাম গড়ে ১.৫২ টাকা বৃদ্ধি করেছে।
.......................................................................................
নতুন ট্যারিফ অনুযায়ী, মোট গ্রাহকের ৬৫ শতাংশ বা নিম্ন-ব্যবহারকারী গ্রাহকদের (যারা মাসে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত
বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন) কোনো বিল বাড়ছে না। তবে ৭৬ ইউনিট বা তার বেশি ব্যবহারকারীদের জন্য প্রতি
ইউনিটে ০.৬৯ টাকা থেকে ২.৭৪ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।বিদ্যুতের নতুন মূল্যের মূল তথ্য:দাম বৃদ্ধি: খুচরা পর্যায়ে
বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৬.৬৮% বৃদ্ধি পেয়ে ১০.৬৩ টাকা এবং পাইকারি পর্যায়ে ৮.৩৯ টাকা হয়েছে।নিম্ন আয়ের গ্রাহক: লাইফলাইন (০-৫০ ইউনিট) এবং প্রথম ধাপের (০-৭৫ ইউনিট) আবাসিক গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল বাড়ানোর
সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়েছে। অর্থাৎ, এই স্ল্যাবের বিল আগের মতোই থাকবে।অন্যান্য গ্রাহক: কৃষি, শিল্প, বাণিজ্যিক, হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য গ্রাহক শ্রেণীতে বিদ্যুতের হার বৃদ্ধি কার্যকর হয়েছে। প্রিপেইড মিটার ব্যবহারকারীরা নিয়মানুসারে ০.৫% রিবেট বা ছাড় পাবেন।
কার্যকর সময়: নতুন এই মূল্যহার জুন মাসের বিলিং সাইকেল থেকে কার্যকর হয়েছে।
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৬:০১
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: গরীবের বিল বলতে : ৭৫ ইউনিট ধরা হয়েছে
.........................................................................
আবার বলছে শহরে ৬৫% নাগরিক এই সুবিধা পাবে
যাহা অত্যন্ত মিথ্যা তথ্য ।
গতকাল আমি ৪০০০.০০ রিচার্জ করেছি । তার তথ্য নিচে দেখুন ।
১) মিটার ডিমান্ড চার্জ : ১৬৮.০০ ( সংযোগে র সময় ঐ চার্জ নিয়েছে)
২) মিটার ভাড়া : ৪০.০০ ( মিটার নিজ টাকায় কিনে দিয়েছি )
৩) ভ্যাট : ১৯০.৪৮
অর্থাৎ বিদ্যুৎ এর জন্য পেলাম = ৩৬২০.২৮ টাকা