| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শ্রাবণধারা
" আমাদের মতো প্রতিভাহীন লোক ঘরে বসিয়া নানারূপ কল্পনা করে, অবশেষে কার্যক্ষেত্রে নামিয়া ঘাড়ে লাঙল বহিয়া পশ্চাৎ হইতে ল্যাজমলা খাইয়া নতশিরে সহিষ্ণুভাবে প্রাত্যহিক মাটি-ভাঙার কাজ করিয়া সন্ধ্যাবেলায় এক-পেট জাবনা খাইতে পাইলেই সন্তুষ্ট থাকে......."

পৃথিবীজুড়ে মুসলমানদের প্রতি ঘৃণা বাড়ছে। এই বিদ্বেষ শুধু ইসরায়েল বা তার পৃষ্ঠপোষক ডানপন্থী দেশগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। কানাডার মতো তুলনামূলকভাবে মধ্যপন্থী এবং ফিলিস্তিনের প্রতি জোরালো রাজনৈতিক সমর্থন থাকা আয়ারল্যান্ডের মতো উদারপন্থী দেশেও তা বেড়ে চলেছে। ভারত ও মিয়ানমারে এই ঘৃণা আগুনের শিখার মতো ছড়িয়ে পড়েছে। জাপান, থাইল্যান্ড, চীন ও অস্ট্রেলিয়াসহ পৃথিবীর বহু দেশে এই ঘৃণা দিনে দিনে প্রবল হচ্ছে।
ক্রমশ অন্য ধর্মের মানুষের মধ্যে এই ধারণা জোরালো হচ্ছে যে, মুসলমানদের ধর্মের মধ্যেই উগ্রবাদের উপাদান রয়েছে, যা সভ্যতার জন্য হুমকিস্বরূপ। তাঁদের জীবনাচার আধুনিক বিশ্বের মূল্যবোধ ও বাস্তবতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ তো নয়ই, বরং তা বহু ক্ষেত্রে সাংঘর্ষিক।
যখন এই ঘৃণা বাড়ে, তখন উগ্র ডানপন্থীরা সেই আগুনে ঘি ঢালে এবং সেখান থেকে রাজনৈতিক ফায়দা তোলে। ট্রাম্প যে ধরনের রাজনীতি করেন তার কৌশল হিসেবে এই ঘৃণাকে কাজে লাগানোর বিষয়টি প্রতিদিন দেখা যায়। উদাহরণ হিসেবে, কয়েক দিন আগে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশিগানের সিনেটর পদপ্রার্থী আব্দুল এল-সায়েদকে "জিহাদি" বলে অভিহিত করেছেন। আবার তাঁর নামটিও ইচ্ছাকৃতভাবে বদলে তিনি তাকে "মোহাম্মদ এল-সায়েদ" বানিয়েছেন। এল-সায়েদের পুরো নাম আব্দুল রহমান মোহাম্মদ এল-সায়েদ; তাঁর প্রথম নাম মোহাম্মদ নয়। মুসলিম সিনেটর পদপ্রার্থী এল-সায়েদের ধর্মীয় পরিচয়ের সাথে ইসলামপন্থি সন্ত্রাসবাদকে যুক্ত করেই ট্রাম্প ক্ষান্ত হননি, বরং তাঁর নামটিও বিকৃত করেছেন, যাতে তা তাঁর অপপ্রচারকে আরও শক্তিশালী করে।
তবে, মুসলিম সমাজের প্রতি অন্য ধর্মাবলম্বীদের ক্রমবর্ধমান ঘৃণাকে কেবল উগ্র ডানপন্থী রাজনীতির পরিকল্পিত অপপ্রচার কিংবা পশ্চিমা বর্ণবাদ ও ঔপনিবেশিকতার পরিণতি হিসেবে ব্যাখ্যা করলে সমস্যাটির অন্য দিকগুলো আড়ালেই থেকে যায়।
মুসলিম-প্রধান দেশ ও সমাজ সম্পর্কে প্রচলিত গতানুগতিক ধারণাগুলোর অন্যতম হলো শরিয়া আইন, জিহাদ ও সন্ত্রাসবাদকে মুসলমানদের সামগ্রিক পরিচয়ের অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা। এই স্টেরিওটাইপের পেছনে যেমন উগ্র ডানপন্থী রাজনীতির অপপ্রচার, বর্ণবাদ ও বিদ্বেষের ভূমিকা আছে, তেমন মুসলিম সমাজের অভ্যন্তরীণ বাস্তবতাকেও উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। অন্যদিকে, স্বাধীন মতপ্রকাশ, নারী স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রশ্নে মুসলিম সমাজের একটি অংশের বিরোধিতা এবং অগণতান্ত্রিক অবস্থান ইসলাম সম্পর্কে ঘৃণা ও ভীতিকে উসকে দেওয়ার বাস্তব ভিত্তি তৈরি করে। ধর্মীয় অনুভূতির দোহাই দিয়ে মুসলমানেরা যখন মানুষের মৌলিক অধিকার হরণ করে ও তাকে অস্বীকার করে তখন ইসলাম সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা যৌক্তিকভাবেই আরও গভীর হয়।
এসব বিষয়ে মুসলিম সমাজের ভেতরে আত্মসমালোচনা না থাকলে, উগ্র ডানপন্থীরা এগুলোকে নিজেদের অপপ্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতেই থাকবে। এর পরিণতি মুসলিম সমাজকে আরও গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দেবে এবং ইসলামবিদ্বেষ পশ্চিমা সমাজের বাইরেও ছড়িয়ে পড়বে। ফলে বিশ্বের যেখানেই মুসলমানেরা বসবাস করবেন, সেখানেই ভিন্নধর্মাবলম্বী প্রতিবেশীদের মধ্যে তাঁদের প্রতি ভয়, অবিশ্বাস ও বিদ্বেষ বাড়ার আশঙ্কা থাকবে।
এই আলোচনায় শরিয়াহ আইন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ নিয়ে মুসলিম সমাজের আত্মসমালোচনার প্রয়োজনীয়তা বুঝতে সৌদি আরবের একটি সাম্প্রতিক ঘটনার দিকে নজর দেওয়া যাক।
সৌদি আরবের শরিয়া আদালত ২৪ বছর বয়সী এক শ্রীলঙ্কান শ্রমিককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। তাঁর অপরাধ, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে মন্তব্য করেছিলেন।
ঘটনাটি শুরু হয় গত বছর জুন মাসে। শ্রীলঙ্কায় হিন্দুদের একটি তীর্থযাত্রার সময় এক মুসলিম ব্যক্তির কুকুরকে লাথি মারার ভিডিও ভাইরাল হয়। এটা নিয়ে অনলাইনে বিতর্ক ও কাদা ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। সে সময় শ্রীলঙ্কান তামিল এই অভিবাসী শ্রমিক, যিনি নয় মাস আগে কাজের জন্য সৌদি আরবে গিয়েছিলেন, তামিল ভাষায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইসলাম ধর্মের নবীর প্রতি অবমাননাকর একটি মন্তব্য করেন।
তিনি প্রায় সাথে সাথেই মন্তব্যটি মুছে ফেলেন এবং প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। কিন্তু ততক্ষণে কেউ মন্তব্যটির স্ক্রিনশট নিয়ে তাঁর নিয়োগকর্তার কাছে পাঠিয়ে দেয়। বিষয়টি সৌদি কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রথমে একটি ফৌজদারি আদালত তাঁকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও আট লাখ ডলার জরিমানা করে। কিন্তু সৌদি সরকার আপিল করে সাইবার অপরাধ আইনের পরিবর্তে শরিয়া আইনের অধীনে সেই শ্রমিকের আরও কঠোর শাস্তি দাবি করে। আপিল আদালত সেই দাবি মেনে নিয়ে ব্লাসফেমি বা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে তরুণটির মৃত্যুদণ্ড দেয়।
সেপ্টেম্বরের শেষ দিক থেকে পরিবারের সাথে তাঁর আর কোনো যোগাযোগ নেই। তাঁর মা ছেলের প্রাণভিক্ষা চেয়েছেন। শ্রীলঙ্কা সরকার কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং সৌদি সরকারের কাছে ক্ষমার আবেদন করেছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংশ্লিষ্ট দূতাবাস কিংবা পরিবারকে আগাম নোটিশ না দিয়ে সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা অতীতে বহুবার ঘটেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্ম অবমাননাকর মন্তব্যের শাস্তি কি কোনো সভ্য ও বিবেকসম্পন্ন সমাজে মৃত্যুদণ্ড হতে পারে? মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের ন্যূনতম স্বীকৃতি থাকলে এমন শাস্তির নৈতিক বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন ওঠার কথা।
এই সেই শরিয়াতন্ত্রের দেশ, যেখান থেকে ধর্মের নামে উগ্রবাদী মতাদর্শ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হয়। যে দেশের শাসকদের বিরুদ্ধে অন্য দেশের কনস্যুলেটের ভেতরে পেশাদার খুনিদের দিয়ে সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে হত্যার নির্দেশের অভিযোগ আছে। যে দেশে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে যাওয়া নারী গৃহকর্মীরা দিনের পর দিন ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছেন। দেশটির মানবাধিকার পরিস্থিতি এতটাই উদ্বেগজনক যে, নেপালের মতো উন্নয়নশীল দেশও সৌদি আরবের মত দেশে নারী গৃহকর্মী পাঠানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।
সেই দেশের মানবাধিকার লঙ্ঘন, নিপীড়নমূলক শরিয়া আইন ও উগ্রপন্থার পৃষ্ঠপোষকতা নিয়ে প্রশ্ন না তুলে, মুসলিম পরিচয়ের দোহাই দিয়ে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদানকে উৎসাহিত করে যেভাবে প্রপাগান্ডা চালানো হয়েছিল, তা ছিল অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। কোনো দেশের সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিবর্তে যদি ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য হয়, তবে সেটা শুধু রাজনৈতিক অপরিণামদর্শিতা নয়, সেটা একটা স্বাধীন দেশের নৈতিক দেউলিয়াপনাকেও স্পষ্ট করে তোলে।
১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১৫
শ্রাবণধারা বলেছেন: সৌদি আদতেই একটা বর্বর রাষ্ট্র।
মধ্যপ্রাচ্যে গেলে বোঝা যায়, বাংলাদেশের মানুষ সেখানে কী অবর্ণনীয় কষ্ট স্বীকার করে। আর সেখানে নারীদের পাঠানো মানে তাদের নরকে ঠেলে দেওয়া।
২|
১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:৩০
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ধর্মীয় স্বাধীনতা, মানবাধিকার, মতপ্রকাশের অধিকার এবং ধর্মের নামে বৈষম্য ও নিপীড়নের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ
প্রশ্নের অবতারনা দেখা যায় লেখাটিতে। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডের মতো কঠোর শাস্তি
ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধের সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, তা গভীরভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। একই
সঙ্গে, কোনো ধর্মের কিছু অনুসারীর উগ্রতা বা কোনো রাষ্ট্রের দমনমূলক নীতির দায় সামগ্রিকভাবে সেই ধর্মের
সব অনুসারীর ওপর চাপানোও যুক্তিসংগত নয়। আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানের বিবেচনায় উপযুক্ত সমাধান হলো ধর্মীয়
উগ্রবাদের বিরুদ্ধে াআত্মসমালোচনা করে তাদের অমানবিক ধারণা ও কার্যকলাপ দমন কিংবা নিরোতসাহিত
করা , সব মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করা এবং ইসলামবিদ্বেষসহ সব ধরনের ধর্মীয় বিদ্বেষের যুক্তিসন্মত
বিরোধিতা করা সময়ের দাবী ।
১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:২৬
শ্রাবণধারা বলেছেন: ধন্যবাদ ডঃ এম এ আলী ভাই। আপনার সাথে দ্বিমত নেই যে, কোনো দেশের শরিয়া বা দমনমূলক নীতির দায় ধর্মের অনুসারীদের উপর বর্তায় না।
কিন্তু কোনো অন্যায়ের জন্য দায় না বর্তানো আর সেই বর্বরতার বিরুদ্ধে কথা বলার দায়িত্ব এক বিষয় নয়। ধর্মের নামে হওয়া অন্যায় ও নিপীড়নের বিরোধিতা করা, সেগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং আত্মসমালোচনার মাধ্যমে সেগুলো পরিবর্তন করা সেই ধর্মের অনুসারীদের অতি গুরুত্বপূর্ন দায়িত্ব। এই লেখার প্রতিটি প্যারাগ্রাফে এই কথাটিই বলার চেষ্টা করেছি।
৩|
১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৫:৫০
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সৌদি আইন আমাদের দেশে প্রয়োগ করা হোক
তাহলে জনগণ অনুধাবন করবে, সত্যিকার অর্থে
আমরা কতটুকু স্বাধীণতা ভোগ করছি ?
..............................................................................
একজন ব্লগার নিচের মন্তব্য করেছেন , আপনার বক্তব্য কি ?
ব্লগার শ্রাবনধারা ২০২৪ সালে, বাংলাদেশে ক্যু চলাকালী সময়ে ও পরবর্তী সময়ে ক্যু'এর পক্ষের জল্লাদ বাহিনী, যারা শরিয়াতন্ত্রের জন্য জিহাদ করে নিজেদের লোকজনসহ পুলিশ হত্যা করছিলো, তাদের পক্ষে পোষ্ট দিয়েছে ও শতশত মন্তব্য করেছে। এখন কানাডার ভাতে ভিটামিন বেশী যোগ হওয়ায় তিনি শরিয়াতন্ত্রের বিপক্ষে চলে গেছেন।
১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৩৯
শ্রাবণধারা বলেছেন: সৌদি আইনের মতো বর্বর আইন আমাদের দেশে আসতে পারে, তা আমি দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পারি না। এমন আইন আমাদের সবচেয়ে বড় শত্রুর জন্যও চাই না।
আপনি বোধ হয় মন্তব্যের দ্বিতীয় অংশে চাঁদগাজীর মন্তব্য তুলে দিয়েছেন। এই মন্তব্যটি আমার এই লেখা সম্পর্কে কোন কিছুই প্রকাশ করে না। কোনো এক অর্বাচীনের এমন মন্তব্য আপনার মতো একজন সিনিয়র ব্লগার অনর্থক কপি পেস্ট না করলেই পারতেন।
৪|
১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫৪
কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত) বলেছেন: সৌদি রাষ্ট্রের আইন ও বিচারপ্রক্রিয়ার সমালোচনা করা যায়—এবং করা উচিত—কিন্তু সেই সমালোচনাকে বিশ্বের সব মুসলমানের বিরুদ্ধে অভিযোগে রূপান্তর করা যুক্তির বিচারে গ্রহণযোগ্য নয়।
আপনি বিশ্বের মুসলিমদের গবেষণা করুন।
১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৪৬
শ্রাবণধারা বলেছেন: উপরে ডঃ এম এ আলী ভাইকে করা আমার মন্তব্যটি আপনার মন্তব্যের জন্যও প্রযোজ্য।
মুসলিম সম্প্রদায়ের বড় অংশের মধ্যে সমস্যাটা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে যখন কোনটা দায় আর কোনটা দায়িত্ব - সেই পার্থক্যটা তাঁরা বুঝতে পারেন না।
শরিয়া আইন যখন কাউকে অন্যায়ভাবে মৃত্যুদণ্ড দেয়, সেটার দায় আমার উপর বর্তায় না ঠিকই, কিন্তু এটা নিয়ে প্রশ্ন করার দায়িত্ব তখন তৈরি হয়।
৫|
১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১৬
কামাল১৮ বলেছেন: ইসলাম ধর্মের মধ্যে উঘ্রপন্থা প্রকাশ্যেই আছে।অন্যদের ধর্মকে ইসলাম ধর্মবলেই শিকার করে না।তাদেরকে বলে বিধর্মী।
১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৪৮
শ্রাবণধারা বলেছেন: ধন্যবাদ। এই উগ্রপন্থাকে চিহ্নিত করার দায়িত্ব নিয়েছি বলেই তো এই জাতীয় লেখাগুলো অনেকদিন ধরেই লিখছি।
৬|
১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০৭
আলামিন১০৪ বলেছেন: শ্রাবণধারা আপনার যদি কোন দেশের আইন ভালো না লাগে সেই দেশে যাইয়েন না- সৌদি গেলে সেই দেশের আইন মেনে চলতে হবে।
আল্লাহর আইনে- নবী (সঃ) কে কুরুচীপূর্ণভাবে উপহাস করা বা ইসলাম ধর্মের কোন বিষয় নিয়ে ঠাট্রা-মস্করা করা মানে মৃত্যু দন্ডকে মাথা পেতে নেয়া। জেনে বুঝে আপনি ২৩ কেভি কারেন্ট এর লাইনে হাত দিবেন আর মরে গেলে বলবেন কারেন্ট এর দোষ?
১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:২২
শ্রাবণধারা বলেছেন: বিষয়টা আমার কোন দেশের আইন ভালো লাগে সেটা নয়।
মানুষের জন্যই আইন তৈরি করা হয়, আইনের জন্য মানুষ নয়। নবী (সঃ) কে উপহাস করা বা ইসলাম ধর্মের কোনো বিষয় নিয়ে ঠাট্টা করার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হওয়া বর্বরতা এবং জঙ্গিদের আইন। এ ধরনের আইন ও তার সমর্থকেরা সভ্য পৃথিবীর অংশ নয়।
৭|
১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪
কাছের-মানুষ বলেছেন: পোস্টটি যথার্থ হয়েছে! জাতি হিসেবে আমাদের আত্মসমালোচনা করতে হবে।
৮|
১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৪২
কিরকুট বলেছেন: সৌদির লোকজন চামার কিসিমের আর আমাদের দেশের লোকজন লোভী ও আবেগে পেট খারাপের রুগী কিসিমের । এরা ভাবে সউদি যাইয়া পুন্য কামাই করার সাথে সাথে তংকা কামাই হয়ে যাবে । এই দুই কামাই করতে গিয়ে মহিলার হারায় সম্ভ্রম পুরুষে হারায় তার জীবনিশক্তি ।
৯|
১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৩৯
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
ইসলামী উগ্রবাদ নিপাত যাক।
©somewhere in net ltd.
১|
১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:১৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সৌউদি একটা বর্বর রাষ্ট্র । বাংলাদেশের সরকার তার নাগরিকদের দায়িত্ব নিতে পারে না বলে নারীদের এই বেইজ্জতির জীবন ভোগ করতে হচ্ছে ।