নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস...খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে...কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়।আমার অদক্ষ কলমে...যদি পারো ভালোবেসো তাকে...ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে,যে অকারণে লিখেছিল মানবশ্রাবণের ধারা....অঝোর

জুল ভার্ন

এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস... খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে... কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়। আমার অদক্ষ কলমে... যদি পারো ভালোবেসো তাকে... ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে, যে অকারণে লিখেছিল মানব শ্রাবণের ধারা.... অঝোর শ্রাবণে।।

জুল ভার্ন › বিস্তারিত পোস্টঃ

মার্কিন সেনা কর্মকর্তা কর্মকর্তার মেজর নিদাল্ল হাসানের মৃত্যুদণ্ড.....

১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



নিদাল হাসান (পুরো নাম: নিদাল মালিক হাসান) হলেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর একজন সাবেক মেজর এবং মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (Psychiatrist)।

২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে সংগঠিত এক ভয়াবহ গণ-গুলি বর্ষণের (Mass Shooting) ঘটনার মূল অপরাধী হিসেবে তিনি পরিচিত।

তিনি প্রায় দুই দশক মার্কিন সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন এবং পরবর্তীতে সামরিক মনোরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৯ সালের ৫ নভেম্বর, ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটির 'সোলজার রেডিনেস প্রসেসিং সেন্টারে' তিনি আকস্মিকভাবে বন্দুক হামলা চালান। সেখানে মোতায়েনের জন্য অপেক্ষারত নিরস্ত্র সেনাদের লক্ষ্য করে তিনি প্রায় ১৪৬ রাউন্ড গুলি ছোড়েন। এই হামলায় ১৩ জন নিহত এবং ৩২ জন গুরুতর আহত হন। পাল্টা গুলি বর্ষণের সময় নিদাল হাসান নিজে বুক থেকে নিচের অংশ পর্যন্ত পক্ষাঘাতগ্রস্ত (Paralyzed) হয়ে পড়েন এবং গ্রেপ্তার হন।

২০১৩ সালে মার্কিন সামরিক আদালতে (Court-Martial) তার বিচার সম্পন্ন হয়। তিনি নিজের অপরাধ স্বীকার করেন। আদালত তাকে ১৩টি হত্যাকাণ্ড এবং ৩২টি হত্যার চেষ্টার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডপ্রদান করে। এরপর থেকে তিনি কানসাসের 'ফোর্ট লিভেনওয়ার্থ' সামরিক কারাগারে বন্দী রয়েছেন।

দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর (পেন্টাগন) ও রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চূড়ান্ত অনুমোদন দেন।

২০২৬ সালের ৩ ডিসেম্বর টেক্সাসের ফোর্ট হুডে ফায়ারিং স্কোয়াডের (গুলি করে) মাধ্যমে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার দিন ধার্য করা হয়েছে।

নিদাল হাসান যুক্তরাষ্ট্রের "সন্ত্রাসবাদ বিরোধী যুদ্ধ" (War on Terror) এবং বিশেষ করে ইরাক ও আফগানিস্তানে মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের তীব্র বিরোধী ছিলেন। হামলার কিছুকাল আগে তাকে আফগানিস্তানে মোতায়েনের (Deployment) জন্য আদেশ দেওয়া হয়েছিল, যা তিনি মানসিকভাবে মেনে নিতে পারেননি।

আদালতে নিদাল হাসান নাকি নিজেই স্বীকার করেন যে, তিনি মার্কিন সেনাদের টার্গেট করেছিলেন যাতে তারা আফগানিস্তানে গিয়ে মুসলিমদের হত্যা করতে না পারে। তিনি তার এই হামলাকে "মুসলিম ভাই ও তাদের নেতৃত্বকে রক্ষা করার একটি জিহাদি প্রয়াস" হিসেবে দাবি করেছিলেন বলে বলা হচ্ছে।

তাঁর এই হামলার কারণ হিসেবে মার্কিন আদালত তাঁকে উগ্রপন্থী চিন্তায় দীক্ষিত হওয়াকে দায়ী করলেও যে কারণটি বলা হচ্ছে না তা হলো- প্রকৃতপক্ষে অন্যায় যুদ্ধে হাজার হাজার মুসলিম হত্যা, মার্কিন সেনাবাহিনীতে তার ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বৈষম্য বা হয়রানি ইত্যাদি কারণে তিনি মানসিক ভারসাম্য রক্ষা করতে না পেরে এমন ঘটনাটি ঘটিয়ে থাকতে পারেন।

কারণ ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করলে উক্ত কয়জনকে হত্যা করে যে মার্কিনীদের অন্যায় যুদ্ধ থামানো যাবে না, তা তিনি না বুঝার কথা না।

(কপি)

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৯

শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু বলেছেন: আজ পত্রিকায় এই নিউজটি পড়লাম, ভেবেছিলাম এবিষয়ে লিখব কিন্তু আপনি লিখে ফেললেন। এনি ওয়ে থ্যাংক ইউ।

১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩১

জুল ভার্ন বলেছেন: সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে মুহুর্তেই দুনিয়ার সব খবর ছড়িয়ে যায়!

২| ১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:৩৪

আলামিন১০৪ বলেছেন: নির্মোহ লিখা-

১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩১

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩| ১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:২৭

নতুন বলেছেন: কোন মানুষ হত্যা কখনোই মানুষ হত্যা করতে পারেনা।

যদি কোন আদর্শ মানুষকে অন্য মানুষ হত্যায় মটিভেট করে তবে সেই আইডিয়াকে আবার বিশ্লেষন করে দেখতে হবে।

আমেরিকা/ইসরাইলের অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে তিনি যদি নিরপরাধ একজন মানুষকে হত্যা করে তিনিও যে সমান একটা অপরাধ করলেন সেই বোধটা তার নেই।

কোন সুস্থ মানুষ এমনটা করতে পারেনা।

১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩২

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.