নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

এই সমাজ- ৭২

২৮ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:১৩



দেশের সরকার অযোগ্য অদক্ষ হলে, জনগনের শান্তি থাকে না।
দেশের জনগন সারাদিন কাম কাজ করে। অফিসে নানান রকম যন্ত্রনা পোহায়। নানান জক্কি ঝামেলা পোহাতে হয়। অফিসে থাকে না বিদ্যুৎ। জেনারেটরের তেল শেষ হয়ে যায়, তবু বিদ্যুৎ আসে না। বিদ্যুৎ চলে গেলে কামকাজ করা যায় না। সারাদিন অফিসে খাটাখাটনির পর মানুষ দিনশেষে বাসায় যায়। বাসায় গিয়েও শান্তি নেই। চলে যায় বিদ্যুৎ। অফিসে বিদ্যুৎ থাকে না। ঘরে বিদ্যুৎ থাকে না। এদিকে বিদ্যুতের বিলের টাকাও বাড়িয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকলেই বিদ্যুৎ থাকে না, গ্যাস থাকে না, পানিও থাকে না। এর আগেও বিএনপি সরকার যখন ক্ষমতায় ছিলো- তখনও বিদ্যুৎ, পানি আর গ্যাস থাকতো না। এখন আমরা বিনা দ্বিধায় ধরে নিতে পারি- বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে জনগন- বিদ্যুৎ, পানি আর গ্যাস পাবে না। আওয়ামীলীগের আমলে অন্তত বিদ্যুৎ, পানি আর গ্যাস নিয়ে ভোগান্তি হয়নি। এখন বিএনিপি বলে- আওয়ামীলীগ বিদ্যুৎ, পানি আর গ্যাসের বারোটা বাজিয়ে রেখে গেছে। (মিথ্যা কথা) বিএনপি যেন আওয়ামীলীগের ঘারে দোষ চাপাতে পারলেই বাচে। অথচ দেশে আওয়ামীলীগ নেই প্রায় তিন বছর হয়ে গেছে। নিজেদের অযোগ্যতা আর অদক্ষতা ডেকে রাখতে বিএনপি আর কতদিন আওয়ামীলীগের ঘাড়ে দোষ চাবাবে! জনগন তো আর বোকা নয়। তারা সব বুঝে।

সত্যি সত্যি যদি শেখ হাসিনা ডিসেম্বে এসে যায়-
তাহলে কি হবে? যা হবে ভালোই হবে। বিএনপি, জামাত, এনসিপি এবং কথিত জুলাই যোদ্ধারা ঝাপিয়ে পড়বে আওয়ামীলীগের উপর। ফলাফল- মারামারি, কাটাকাটি, জ্বালাও পোড়াও এবং গনগ্রেফতার। সরকার আর্মি নামাবে। আওয়ামীলীগও হাতে চুড়ি পরে বসে থাকবে না। তারাও ঝাঁপিয়ে পড়বে। দেশের সাধারন জনগনের জীবনযাত্রা থেমে যাবে। আসবে হরতাল, অবরোধ এবং কার্ফু। অর্থ্যাত দেশে শুরু হবে অরাজকতা। তাতে ভোগান্তি হবে দেশের খেটে খাওয়া সাধারন মানুষের। আওয়ামীলীগ দেশে ফিরবে ক্ষমতার জন্য নয়। অন্যায়ের শাস্তি দিতে। জামাত শিবির অর্থ্যাত স্বাধীনতা বিরোধীদের সাইজ করার জন্য। ৩২ নম্বর যারা ভেঙ্গেছে তাদের সাইজ করবে। শেখ মুজিবের ভাস্কর্য যারা ভেঙ্গেছে, ভাস্কর্যের গায়ে মুতে দিয়েছে- তাদের সাইজ করবে। ৩২ নম্বরে শ্রদ্ধা জানাতে গেলে, তাদের মারধোর করেছে, তাদের সাইজ করতে। অনেকে শেখ মুজিব, শেখ হাসিনা তাদের নিয়ে ভীষন রকমের বাজে কথা বলেছে, গোপালগঞ্জ গিয়ে মুজিব মুর্দাবাদ বলেছে, তাদের সাইজ করতে। গনভবনে যারা লুটপাট করেছে, অন্তবাস নিয়ে কুৎসিত অঙ্গভঙ্গি করেছে, তাদের সাইজ করার জন্য। যারা অন্যায় করেছে, তাদের শাস্তি না দিলে জাতি কলঙ্ক মুক্ত হবে কি করে?

আওয়ামীলীগ চলে যাওয়ার পর দেশে খারাপ কাজ অনেক বেশি হচ্ছে।
মাদ্রাসাতে বলাৎকার বেশি হচ্ছে। যেন বলাৎকারের উৎসব শুরু হয়েছে। থামছেই না। বলাৎকারের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। হুজুরেরা এত কুৎসিত মানসিকতার কেন? ধরেই নিলাম হুজুরেরা খারাপ। কিন্তু বাবা মা তাদের সন্তানদের কেন মাদ্রাসাতে দিচ্ছে। কেন তারা প্রতিবাদ করছে না? একটা মাদ্রাসার চেয়ে প্রাইমারি স্কুলের মানও অনেক উন্নত। আওয়ামীলীগ না থাকার কারণে দেশের সমস্ত দুষ্টলোকদের সাহস অনেক বেড়ে গেছে। মন্দ লোকেরা ১৭ বছর গর্তে ছিলো, কোনো অন্যায় করার সুযোগ পায়নি। তারা বুঝে গেছে শেখ হাসিনা দেশে নেই। এখন তাদের কেউ কিছু বলবে না। তারা নাচ গান বন্ধের জন্য উঠেপরে লেগেছে। সৌদিতে আমি দেখেছি বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচ গান হচ্ছে। কেন হুজুরেরা নাচ গানের বিরুদ্ধে? নাচ গানের পেছনে না লেগে তাদের উচিৎ ছিলো- বলাৎকারের বিরুদ্ধে মাঠে নামা। হুজুরেরা সঠিক কাজে নেই। শেখ হাসিনা নেই বলে- হুজুরেরা লাইনে নাই। এখন বুঝি আমার শিক্ষক কেন সব সময় ক্লাশে প্রবেশ করেই বলতেন- বাবারা লাইনে থাকিস। শেখ হাসিনা দেশে নেই বলে, কেউ লাইনে নেই। সবাই উজাইছে।

আমার এক গ্রামের চাচা আছেন,
উনি নামাজ পরা লোকদের পছন্দ করেন না। অথচ চাচা মুসলমান। উনি নিজেও নামাজ পড়েন। নামাজ পড়তে পড়তে তার কপালে স্থায়ী দাগ বসে গেছে। চাচার দোকান আছে। সুপার শপের মতো বেশ বড় দোকান। তার দোকানে মোট ৯ জন কর্মচারী। এরা সুযোগ পেলেই চুরী করে। অথচ দোকানে সিসিটিভি ক্যামেরা আছে। চোর যতই চুরী করুক একদিন না একদিন ধরা খাবেই। ৯ জন কর্মচারী সামলাতে গিয়ে চাচা হিমসিম খান। একসময় চাচা তার দোকানে আগ্রহ নিয়ে হুজুর টাইপের লোকজন রাখতেন, তারা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে। চাচার ধারনা নামাজ পড়া লোকজন ভালো হয়। সৎ হয়। চাচার ধারনা ভুল। মুখে দাড়ি, পাঞ্জাবি পরা, নামাজ পড়া লোক চুরী করে বেনামাজিদের চেয়ে হাজার গুন বেশি। এখন চাচা দোকানে নতুন লোক নিয়োগ দেওয়ার আগে ইন্টারভিউ'র সময় চাচা আগেই জিজ্ঞেস করেন- নামাজ পরে কিনা। নামাজি হলে বাদ দিয়ে দেন। চাকরিতে নেন না। নামাজ এবং চুরী একসাথে যায় না। ব্যাক্তিগত ভাবে আমি বিশ্বাস করতাম- যারা নামাজ রোজা করে তারা সাধারন মানুষ থেকে অনেক উন্নত। ভালো। এখন দেখি নামাজ পড়া লোক চুরী করছে, বলাৎকার করছে! ছিঃ।

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:২০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার কথা সঠিক, বলৎকারের খবর এখন বেশি দেখা যায়। এর কারণ হলো, আগের সরকারের আমলে এরা ছিল ভিকটিম; মানুষ তাই এসব কথা সহজে বিশ্বাস করত না। এখন তাদেরই সরকার ক্ষমতায়, তাই নানা অপকর্মও বের হয়ে আসছে। আর আপনার চাচার গল্পটা কেন জানি আমার কাছে ভুয়া মনে হয়েছে। নিজে নামাজ পড়েন, কিন্তু নামাজিদের দেখতে পারেন না-বিষয়টা একটু অদ্ভুত। যে চুরি করার, সে নামাজ পড়লেও চুরি করবে, না পড়লেও করবে। এভাবে নামাজকে ভিলিফাই করে লেখা ঠিক নয়। ইসলামে নামাজ পড়া ফরজ কাজ।

২| ২৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:৪৬

মাথা পাগলা বলেছেন: বিএনপি দেশ চালাতে আসে নাই, বিএনপি এসেছে উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলে মৌলবাদীদের হাতে দেশটা তুলে দিতে।

৩| ২৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:০৪

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: এক কথায় এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মাবলম্বীরা তাদের "জাগতিক সুবিধা" পেল কি পেল না তা বিবেচনা করে ধর্ম মানে। "পারলৌকিক সুবিধা" না কিন্তু। যদি পরলোকের কথা ছিটে ফোঁটাও চিন্তা করত তাহলে তো তারা হিপোক্রেসি বা ডাবল স্ট্যান্ডার্ড এর নিরিখে এ পর্যায়ে নেমে যেতো না। আশঙ্কা হয় যে সেদিন বেশি দূরে নয়, যেদিন মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের জায়গায় এমন এক জনগোষ্ঠী আনবেন যারা তার মনোনীত ধর্মের মূল্যায়ন করবে, সম্মান করবে এবং যথাযথ ভাবে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে ধর্মীয় মূল্যবোধের পতাকা সর্বদাই উড্ডীন রাখবে।

/এরা ধর্ম ব্যবসায়ী। সারা বিশ্বের মানুষ যখন কম খরচে হজ করে তখন এদেশের মানুষকে অস্বাভাবিক রকম টাকা পয়সা খরচ করে হজ করতে হয়। অনেকেই হজ করতে পারে না অনেক ধর্ম ব্যবসায়ীর লোভ লালসার কারণে।

/যারা ব্যবসা করে তারা সারা বছর ধরে পণ্যে আর ওজনে ভেজাল দেয়, মজুতদারি করে লাভ বাড়ায়, একজোট হয়ে মিলেঝিলে (সিন্ডিকেশন) নিজেদের সুবিধামতো দ্রব্যমূল্য নির্ধারণ করে। রোজার সময়, যখন দ্রব্যের দাম কিছু কমিয়ে পরকালের লাভ নিশ্চিত করার কথা তখন ওনারা চুটিয়ে ব্যবসা করে। সারা মুসলিম বিশ্ব একদিকে আর আমাদের কথিত মুসলিম ব্যবসায়ীরা আরেকদিকে।

/মুসলিম নারী পর্দা করা নিয়ে সবাই সোচ্চার কিন্তু মুসলিম পুরুষের নিজের চোখের পর্দার কোন খবর নেই। মুসলিম পুরুষদের কাজ কারবার দেখলে মনে হয় নিজেদের কুপ্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করা বা তা বশে রাখার কোন বাধ্যবাধকতাই তাদের নেই।

/ওদিকে মুড়ি মুরকির মত ইমারজেন্সি কন্ট্রাসেপটিভ পিল বিক্রি হয়। কেন এই জিনিস খরিদ করা হয় এবং এর আসল খরিদ্দার কারা আমরা তা সবাই জানি। এ ধরনের প্রগতিশীল ও স্মার্ট জীবনাচরণের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া স্বরূপ "সম্পূর্ণ তিন মিনিটে ব্যথা মুক্ত-এম আর, ডি এন্ড সি" এ জাতীয় পোস্টার/ব্যানার সমৃদ্ধ মেটারনিটি ক্লিনিক গুলোর আজ রমরমা ব্যবসা। ‌ ইমারজেন্সি কন্ট্রাসেপটিভ এর যথেচ্ছ ব্যবহারের কারণে ভবিষ্যতে বৈধভাবে বাচ্চাকাচ্চা কনসিভ করতে না পারার সম্ভাবনা। এর আরেকটা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো মেয়েদের আত্মহত্যা প্রবণতার উল্লম্ফন। সাইকোলজিস্ট/সাইক্রিয়াটিস্টরাও ধুনধুমার ব্যবসা করে যাচ্ছেন।

/একটি বিশেষ ধর্মের সংখ্যাগরিষ্ঠের বসবাস যেমন দেশে আছে তেমনি এদেশের অনেক পুরুষের (বিশেষত কর্মক্ষেত্রের কর্তা ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের হাইপ্রোফাইল গ্রাহক) খাদ্য তালিকায় বাড়তি প্রোটিনের উৎস হিসেবে কচি নারী মাংসের সুবন্দোবস্তও আছে। প্রতিষ্ঠানের পণ্য বিক্রির সাথে সাথে একজন নারী কর্মীকে ভোগ্য পণ্যে রূপান্তরিত হতে হয় আর নারীকর্মীর লাইন ম্যানেজার রোলটা হয়ে দাড়ায় একজন Pimp এর। তো সবাই খুশি। গ্রাহক খেয়ে খুশি, ম্যানেজার খাইয়ে খুশি, নারী কর্মী তার জীবনের অনেক কিছুই বিসর্জন দিয়ে ক্যারিয়ার নিয়ে খুশি। ইহজাগতিক জীবনেই যখন অসংখ্য হুড়পরীর আঞ্জাম তখন মোল্লাদের পারলৌকিক ৭২ হুরপরীর দল কেই বা পোঁছে?

/জমি ভাগাভাগির সময় যখন আসে তখন ইসলাম মানে কয়জন? ধর্মীয় আইন অনুযায়ী বোনদের প্রাপ্য অংশ কি যথাযথভাবে ভাইয়েরা বুঝিয়ে দেন?

/সদকায়ে জারিয়ার নামে বিশালাকার, বাহারি মসজিদ তৈরির জন্য দান খয়রাত লাভের আশায় মানুষের কাছে হাত পাতা হয়।
এমন কি ৫-৬ তলার মসজিদ ভেঙে আবার নতুন করে মসজিদ করে। অথচ এইভাবে অর্থ সম্পদের অপচয় না করে, এই খরচটাই যদি দরিদ্র অসহায় মানুষের শিক্ষার পেছনে খরচ করা হতো, কিছু দরিদ্র ছাত্রের শিক্ষার দায়-দায়িত্ব যদি মসজিদ কমিটির মানুষজন তুলে নিতেন, সেটা কি আরো ভালো হত না। তখন মানুষ ঠিকই উপলব্ধি করতে পারত যে ইসলাম শুধু মৌলভী সাহেবের ওয়াজ মাহফিল আর সাপ্তাহিক খুতবা জন্য নয় বরং ইসলাম মানুষের শিক্ষা লাভের অধিকারটাকে তার বাস্তব জীবনে নিশ্চিত করছে।

/এমনই মুসলমানের দেশ যে, ফজর নামাজের লাইন বহুত কষ্টে সৃষ্টে দুইয়ের মত হয় (কিংবা হয়ও না)। কেন? এটা কি প্রমাণ করে? একেতো ভোরে ঘুম থেকে ওঠার কষ্ট আর অন্যদিকে লোক দেখানোর মাধ্যমে মানুষকে আর নিজের নফসকে সন্তুষ্ট করারও সুযোগ নেই বিধায়.....

/যে সব সুন্নত পালন করা সহজ এবং তা পালন করে, লোক দেখিয়ে, লোকের বাহবা কুড়ানো যায়, লোকের সন্তুষ্টি (আল্লাহর সন্তুষ্টির না কিন্ত......) অর্জন করা যায়, সেসব সুন্নতই সচরাচর আন্তরিকতার সাথে পালন করা হয়। আর যেসব সুন্নাত পালন করতে নিজের পয়সা কড়ি খরচ করতে হয়, আত্মত্যাগ করে অন্যের হক রক্ষা করতে হয়, সেসব সুন্নত পালনে মানুষের খোঁজ অণুবীক্ষণ যন্ত্র ব্যবহার করেও পাওয়া যায় না। ‌

/এমনই মুসলমানের দেশ যে, যে দেশে প্রাপ্তবয়স্ক যে কেউ liquor পারমিট জোগাড় করে আইন মেনেই মদ পান করতে পারে।

/এমনই মুসলমানের দেশ যে দেশে নিত্যপণ্য চিনি তৈরির প্রধান কাঁচামাল আখ পাওয়া যায় না কিন্তু সরকারি ডিস্টিলারির (মদ উৎপাদনের কারখানা Carew & Co) জন্য আখের অভাব নেই। এবং দেশেই মদ বেচে প্রতি বছর এর লাভ বাড়ছে।

তাই মানুষ ৯২% মুসলমানের দেশ বলে যখন moral policing করাকে justify করার চেষ্টা করে তখন হাসি পায়।

এই দক্ষিন এশিয়ায় মুসলিম আছে ঠিকই, কিন্তু ইসলামের মুল্যবোধ/আর্দশ ১৯৪৭ এ যেমন ছিলো না এখনও নেই। হাতে হারিকেন ধরেও সমাজে ইসলাম খুজে পাওয়া যায় না।


আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.