| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাজীব নুর
আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।
দেশের সরকার অযোগ্য অদক্ষ হলে, জনগনের শান্তি থাকে না।
দেশের জনগন সারাদিন কাম কাজ করে। অফিসে নানান রকম যন্ত্রনা পোহায়। নানান জক্কি ঝামেলা পোহাতে হয়। অফিসে থাকে না বিদ্যুৎ। জেনারেটরের তেল শেষ হয়ে যায়, তবু বিদ্যুৎ আসে না। বিদ্যুৎ চলে গেলে কামকাজ করা যায় না। সারাদিন অফিসে খাটাখাটনির পর মানুষ দিনশেষে বাসায় যায়। বাসায় গিয়েও শান্তি নেই। চলে যায় বিদ্যুৎ। অফিসে বিদ্যুৎ থাকে না। ঘরে বিদ্যুৎ থাকে না। এদিকে বিদ্যুতের বিলের টাকাও বাড়িয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকলেই বিদ্যুৎ থাকে না, গ্যাস থাকে না, পানিও থাকে না। এর আগেও বিএনপি সরকার যখন ক্ষমতায় ছিলো- তখনও বিদ্যুৎ, পানি আর গ্যাস থাকতো না। এখন আমরা বিনা দ্বিধায় ধরে নিতে পারি- বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে জনগন- বিদ্যুৎ, পানি আর গ্যাস পাবে না। আওয়ামীলীগের আমলে অন্তত বিদ্যুৎ, পানি আর গ্যাস নিয়ে ভোগান্তি হয়নি। এখন বিএনিপি বলে- আওয়ামীলীগ বিদ্যুৎ, পানি আর গ্যাসের বারোটা বাজিয়ে রেখে গেছে। (মিথ্যা কথা) বিএনপি যেন আওয়ামীলীগের ঘারে দোষ চাপাতে পারলেই বাচে। অথচ দেশে আওয়ামীলীগ নেই প্রায় তিন বছর হয়ে গেছে। নিজেদের অযোগ্যতা আর অদক্ষতা ডেকে রাখতে বিএনপি আর কতদিন আওয়ামীলীগের ঘাড়ে দোষ চাবাবে! জনগন তো আর বোকা নয়। তারা সব বুঝে।
সত্যি সত্যি যদি শেখ হাসিনা ডিসেম্বে এসে যায়-
তাহলে কি হবে? যা হবে ভালোই হবে। বিএনপি, জামাত, এনসিপি এবং কথিত জুলাই যোদ্ধারা ঝাপিয়ে পড়বে আওয়ামীলীগের উপর। ফলাফল- মারামারি, কাটাকাটি, জ্বালাও পোড়াও এবং গনগ্রেফতার। সরকার আর্মি নামাবে। আওয়ামীলীগও হাতে চুড়ি পরে বসে থাকবে না। তারাও ঝাঁপিয়ে পড়বে। দেশের সাধারন জনগনের জীবনযাত্রা থেমে যাবে। আসবে হরতাল, অবরোধ এবং কার্ফু। অর্থ্যাত দেশে শুরু হবে অরাজকতা। তাতে ভোগান্তি হবে দেশের খেটে খাওয়া সাধারন মানুষের। আওয়ামীলীগ দেশে ফিরবে ক্ষমতার জন্য নয়। অন্যায়ের শাস্তি দিতে। জামাত শিবির অর্থ্যাত স্বাধীনতা বিরোধীদের সাইজ করার জন্য। ৩২ নম্বর যারা ভেঙ্গেছে তাদের সাইজ করবে। শেখ মুজিবের ভাস্কর্য যারা ভেঙ্গেছে, ভাস্কর্যের গায়ে মুতে দিয়েছে- তাদের সাইজ করবে। ৩২ নম্বরে শ্রদ্ধা জানাতে গেলে, তাদের মারধোর করেছে, তাদের সাইজ করতে। অনেকে শেখ মুজিব, শেখ হাসিনা তাদের নিয়ে ভীষন রকমের বাজে কথা বলেছে, গোপালগঞ্জ গিয়ে মুজিব মুর্দাবাদ বলেছে, তাদের সাইজ করতে। গনভবনে যারা লুটপাট করেছে, অন্তবাস নিয়ে কুৎসিত অঙ্গভঙ্গি করেছে, তাদের সাইজ করার জন্য। যারা অন্যায় করেছে, তাদের শাস্তি না দিলে জাতি কলঙ্ক মুক্ত হবে কি করে?
আওয়ামীলীগ চলে যাওয়ার পর দেশে খারাপ কাজ অনেক বেশি হচ্ছে।
মাদ্রাসাতে বলাৎকার বেশি হচ্ছে। যেন বলাৎকারের উৎসব শুরু হয়েছে। থামছেই না। বলাৎকারের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। হুজুরেরা এত কুৎসিত মানসিকতার কেন? ধরেই নিলাম হুজুরেরা খারাপ। কিন্তু বাবা মা তাদের সন্তানদের কেন মাদ্রাসাতে দিচ্ছে। কেন তারা প্রতিবাদ করছে না? একটা মাদ্রাসার চেয়ে প্রাইমারি স্কুলের মানও অনেক উন্নত। আওয়ামীলীগ না থাকার কারণে দেশের সমস্ত দুষ্টলোকদের সাহস অনেক বেড়ে গেছে। মন্দ লোকেরা ১৭ বছর গর্তে ছিলো, কোনো অন্যায় করার সুযোগ পায়নি। তারা বুঝে গেছে শেখ হাসিনা দেশে নেই। এখন তাদের কেউ কিছু বলবে না। তারা নাচ গান বন্ধের জন্য উঠেপরে লেগেছে। সৌদিতে আমি দেখেছি বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচ গান হচ্ছে। কেন হুজুরেরা নাচ গানের বিরুদ্ধে? নাচ গানের পেছনে না লেগে তাদের উচিৎ ছিলো- বলাৎকারের বিরুদ্ধে মাঠে নামা। হুজুরেরা সঠিক কাজে নেই। শেখ হাসিনা নেই বলে- হুজুরেরা লাইনে নাই। এখন বুঝি আমার শিক্ষক কেন সব সময় ক্লাশে প্রবেশ করেই বলতেন- বাবারা লাইনে থাকিস। শেখ হাসিনা দেশে নেই বলে, কেউ লাইনে নেই। সবাই উজাইছে।
আমার এক গ্রামের চাচা আছেন,
উনি নামাজ পরা লোকদের পছন্দ করেন না। অথচ চাচা মুসলমান। উনি নিজেও নামাজ পড়েন। নামাজ পড়তে পড়তে তার কপালে স্থায়ী দাগ বসে গেছে। চাচার দোকান আছে। সুপার শপের মতো বেশ বড় দোকান। তার দোকানে মোট ৯ জন কর্মচারী। এরা সুযোগ পেলেই চুরী করে। অথচ দোকানে সিসিটিভি ক্যামেরা আছে। চোর যতই চুরী করুক একদিন না একদিন ধরা খাবেই। ৯ জন কর্মচারী সামলাতে গিয়ে চাচা হিমসিম খান। একসময় চাচা তার দোকানে আগ্রহ নিয়ে হুজুর টাইপের লোকজন রাখতেন, তারা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে। চাচার ধারনা নামাজ পড়া লোকজন ভালো হয়। সৎ হয়। চাচার ধারনা ভুল। মুখে দাড়ি, পাঞ্জাবি পরা, নামাজ পড়া লোক চুরী করে বেনামাজিদের চেয়ে হাজার গুন বেশি। এখন চাচা দোকানে নতুন লোক নিয়োগ দেওয়ার আগে ইন্টারভিউ'র সময় চাচা আগেই জিজ্ঞেস করেন- নামাজ পরে কিনা। নামাজি হলে বাদ দিয়ে দেন। চাকরিতে নেন না। নামাজ এবং চুরী একসাথে যায় না। ব্যাক্তিগত ভাবে আমি বিশ্বাস করতাম- যারা নামাজ রোজা করে তারা সাধারন মানুষ থেকে অনেক উন্নত। ভালো। এখন দেখি নামাজ পড়া লোক চুরী করছে, বলাৎকার করছে! ছিঃ।
©somewhere in net ltd.