| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাজীব নুর
আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।
নিয়তি। নিয়তি মানুষকে ভুল পথে নিয়ে যায়।
আসলে মানুষ কি করবে, কি হবে সবই অলরেডি ঘটে গেছে। আপাতত মানুষ শুধু রোল প্লে করে যাচ্ছে। বিনা দ্বিধায় বলা যায়- মানুষের সবই পূর্ব নির্ধারিত। ইসলাম ধর্ম মতে, আল্লাহপাক মানুষের সব কিছু জন্মের আগেই লিখে রেখেছেন। এখন মানুষের কিচ্ছু করার নেই। আল্লাহই ভালো জানেন মানুষ কেন জেনে শুনে ভুল পথে পা বাড়ায়। সব কিছু আল্লাহর ইশারায় হয়। আল্লাহর ইচ্ছায় আমরা বেচে আছি। আল্লাহর নির্দেশ ছাড়া গাছের পাতাও নড়ে না। কাজেই মানুষ ভালো মন্দ যা করে সব আল্লাহর ইচ্ছায়।
আমি জানি সিগারেট খারাপ। তবু প্রতিদিন সিগারেট খাচ্ছি।
নিয়তি মানুষকে টেনে নিয়ে যায়। নিয়তির উপর মানুষের কোনো হাত নেই। বরং খারাপ কাজেই মানুষের আনন্দ বেশি। এক কবি বলেছেন, মন্দ কাজে আনন্দ বেশি। পৃথিবীর মজাই মন্দ কাজে। এই সমাজে খারাপ লোকের সংখ্যা বেশি। আবেগের কথা, ধর্মের কথা বাদ দিয়ে আসল কথা হলো- যারা খারাপ, তারা খারাপ কাজ করবেই। এদের কেউ থামাতে পারবে না। শুধু শুধু ধর্মের দোহাই দিয়ে কোনো লাভ নেই। দুনিয়াতে আগে ধর্ম আসে নাই। আগে এসেছে মানুষ। মানুষই তাদের অপার্থিব ধর্ম বানিয়ে নিয়েছে। অলৌকিক ঈশ্বর বানিয়ে নিয়েছে। আর এই ভুলের কারনে ধর্ম আজ নানান রকম ক্যাচাল করেই যাচ্ছে। মানুষ হত্যা হচ্ছে।
দেশে এখন বিএনপি সরকার। প্রচুর চাদাবাজি চলছে।
ব্যবসায়ীরা শান্তিতে ব্যবসা করতে পারছে না। চাদাবাজরা ব্যবসায়ীদের কাছে লাখ লাখ টাকা চাদা চাইছে। না দিলে নানান রকম হুমকি ধামকি দিচ্ছে। বিএনপি সরকারের উচিৎ চাদাবাজি বন্ধ করা। নইলে তাদের কপালে দুখ আছে। জনগণ একবার খেপে গেলে আর রক্ষা নাই। চাদাবাজি না করে শালারা রিকশা চালিয়ে খা। অবশ্য একথাও সত্য ওরা ১৭ বছর তারা চাদাবাজি করার সুযোগ পায়নি। ওরা দীর্ঘদিনের ভূখা। এদিকে দেশে গ্যাস নেই, বিদ্যুৎ নেই। বিএনপির অতীত ইতিহাস তো ভালো না। তাদের সময়ে দেশ বারবার দূর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হতো। এবারও হবে।
মেয়েরা ভুল মানুষের প্রেমে পড়ে।
তারপর সারাজীবন ধরে কাদে। চুরি করা খারাপ জেনেও মানুষ চুরি করছে। ছিনতাই করছে। ঘুষ খাচ্ছে। হুজুররা বলাৎকার করছে। ৩২ নম্বর বাড়ি ভেঙে ফেললো। কথিত জুলাই যোদ্ধারা পুলিশ হত্যা করলো। থানায় আগুন দিলো। পুলিশের অস্ত্র লুটপাট করলো। গণভবনে লুটপাট করলো। শত অন্যায় করলো। অথচ ওদের কোনো বিচার কতা হলো না। ইউনুস একটা ইতর। ইউনুস চেয়েছে বলেই, ৩২ নম্বর ভেঙে ফেলা হয়েছে। শেখ মুজিবের ভাস্কর্য ভেঙে ফেলা হয়েছে। যারাই অন্যায় করবে, তাদের কেউ পার পাবে না। শাস্তি পেতেই হবে। বহু বছর পর হলেও শাস্তি পেতে হবে। মনে রাখতে হবে, বহু বছর পর রাজাকার আর মুজিব হত্যাকারীদের বিচার হয়েছে।
বর্তমান যুগটাই খারাপ। এই যুগে সবাই সবাইকে ঠকাচ্ছে।
কেউ কাউকে ঠকাতে পারলেই ভাবে জিতে গেছি। মানুষ নাদান নয়। এখন মানুষ জেনে শুনে বুঝেই মন্দ কাজ করে। মূলত মানুষ ছোটবেলা থেকে সঠিক পারিবারিক শিক্ষা পায়নি। আমাদের দেশে লেখাপড়ার মান অত্যন্ত খারাপ। আমাদের দেশের মানুষ গুলো ইতর। এদের কাছে ভালো কিছু আশা করা অন্যায়। কাউকেই বিশ্বাস করলেই ঠকতে হবে। জঞ্জালে ভরা পুরো দেশ। যদি আল্লাহপাক হেদায়েত না দেয়, তাহলে এই জাতির উন্নতির কোনো আশা নেই। পুরো জাতি বেলাইনে চলে গেছে। দিন শেষে যা ঘটার ঘটবে। কেউ আটকাতে পারিবে না।
একটা গল্প বলি- এক লোকের ইচ্ছা সে কোনোদিন মরবে না।
যে করেই হোক তাকে বেচে থাকতে হবে। এজন্য সে অসুস্থ কারো মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এলেই সে সামনে দাড়িয়ে থাকে। তার ইচ্ছা সে আজরাইল কে ধরবে। ধরবেই। কারো মৃত্যুর সংবাদ শুনলেই সে দৌড়ে যায়। কিন্তু আজরাইলের দেখা পায় না। আজরাইলকে পেলে সে ধরবে। এবং জেনে নিবে, সে কবে তার জান কবচ করবে? এবং কিভাবে! লোকটার ভাগ্য ভালো। একবার সে সত্যি সত্যি আজরাইলকে ধরে ফেলে। তারপর তার কাছে জানতে চায়, আমার জান কিভাবে নিবেন। মানে আমার মৃত্যু কিভাবে হবে? আজরাইল বলে না। চুপ করে থাকে। সে আজরাইলের পা ধরে রেখেছে। আজকরাইল বলে স্যার এরকম বলার নিয়ম নেই। প্লীজ আমাকে ক্ষমা করুন। আমি বলিতে পারিব না। লোকটা আজরাইলে পা ধরে রেখেছে না বলা পর্যন্ত ছাড়বে না। শেষমেষ কোনো উপায় না দেখে আজরাই বলল- তার মৃত্যু কিভাবে হইবে।
আজরাইল বললো, একটা ঘোড়া আসবে।
সেই ঘোড়ায় কেউ উঠতে পারবে না। আপনি উঠবেন এবং ঘোড়ার উপর থেকে পড়ে আপনার মৃত্যু হবে। লোকটার চোখে মুখে হাসি। সে ঠিক করলো আর কোনোদিন ঘোড়ায় উঠবে না। তার মৃত্যুও হবে না। সে সবাইকে বলে দিলে, কোনো একদিন একটা ঘোড়া আসবে। এবং আমাকে সেই ঘোড়ায় উঠতে দিবেন না। জায়গায় জায়গায় সাইনবোর্ড টানিয়া দিলো। ঘোড়া যদি আমি উঠতে চাই, আমাকে ঘোড়ায় উঠতে দিবেন না। এরপর অনেক বছর চলে গেলো। অনেক কিছু অতীত হলো। সাইনবোর্ড নষ্ট হয়ে গেলো। লোকজন ঘোড়ার কথা ভুলে গেলো। একদিন এক ঘোড়া এলো। খুব রাগি ঘোড়া। সেই ঘোড়ায় কেউ উঠতে পারে না। তখন লোকটা বলল, আমি উঠবো এই রাগি ঘোড়ায়। লোকটা ঘোড়ায় উঠে এবং ঘোড়া থেকে পড়ে মারা যায়। অর্থাৎ যা ঘটার ঘটবেই। কারো কিচ্ছু করার নেই।
২|
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:২৪
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
ভুলশীল মানুষ।
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
‘মুখ ঢাকবি না, মাইর হবে’
এটা কোন সভ্য দেশের পুলিশের ভাষা হতে পারে না।
পুলিশ হচ্ছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাদের কোন মাইর দেয়া কিংবা বিচার করার ক্ষমতা নেই।
বিচার করবে বিচার বিভাগ। তা কার্যকর করা হবে যথা নিয়মে।
কিন্তু পুলিশ কি এই ধরনের ভাষা ব্যবহার করতে পারে?