নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অন্যদের সেভাবেই দেখি, নিজেকে যেভাবে দেখতে চাই। যারা জীবনকে উপভোগ করতে চান, আমি তাঁদের একজন। সহজ-সরল চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করি। আর, খুব ভালো আইডিয়া দিতে পারি।

সত্যপথিক শাইয়্যান

আমি একজন চিন্তুক, সমাজ নিয়ে চিন্তা করি! সমাজের ভালোর জন্যে গান-গল্প-ছড়া লিখি ও আইডিয়া শেয়ার করি। আপনি?

সত্যপথিক শাইয়্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

সরকার যেভাবে বাংলাদেশকে হল্যান্ডের মতো উন্নত দেশে পরিণত করতে পারবেন

১৪ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:৫৩

আমি গত এক মাসে এশিয়ার ও ইউরোপের ১২টি দেশের উন্নয়নের ইতিহাস নিয়ে পড়েছি। আমার পড়ার উদ্দেশ্য - ৬টি মহাদেশের ৫০টি দেশের অর্থনৈতিক সংস্কার নিয়ে লেখা। আমি যত দূর বুঝতে পেরেছি, বাংলাদেশ সরকারকে দেশের ব্যবসায়িক সমাজ, শ্রমিক ইউনিয়ন এবং ছাত্র সংগঠনগুলোর সাথে একসাথে বসে একটি দীর্ঘমেয়াদী কর্ম-পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। আর, সেটা যদি সম্ভব হয়, তবেই, বাংলাদেশ হল্যান্ডের মতো একটি উন্নত দেশে পরিণত হতে পারবে।

বাংলাদেশ সরকার যে সিদ্ধান্ত নেয়, তা জনগণকে মেনে নিতে হবে। এখন তা মেনে নিতে হলে, প্রতিটি সরকারকে জনগণের পালস বুঝতে হবে। জনগণের চাহিদা কি তা জানতে হবে। তবেই সম্ভব একটি দেশকে সঠিক ভাবে পরিচালনা করা। সরকারকে বুঝতে হবে,রাজনৈতিক দলগুলোই শুধু জনগণকে নেতৃত্ব দেয় না। জনগণকে আরও যারা নেতৃত্ব দেয় তাঁরা হচ্ছে - ব্যবসায়িক সমাজ, শ্রমিক ইউনিয়ন, এনজিও, ধর্মীয় সংগঠন এবং ছাত্র সংগঠন। তাই, তাঁদেরকেও সরকারের সিদ্ধান্তগুলোর সাথে যুক্ত করতে হবে। এক্ষেত্রে, হল্যান্ডের 'পল্ডার মডেল--কে অনুসরণ করা যেতে পারে।


'পল্ডার মডেল' কি?
হল্যান্ডের সরকার, শ্রমিক ইউনিয়ন এবং ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো - এই তিন পক্ষ প্রতি বছর এক টেবিলে বসে দেশের অর্থনৈতিক নীতি, বেতন কাঠামো এবং কাজের পরিবেশ নির্ধারণ করে।

এই মডেল বাংলাদেশে প্রয়োগ করলে কী হবে?

আমার মতে, সরকার যদি প্রথমে ব্যবসায়িক সমাজ ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর সাথে বসে এই মর্মে ঐক্যমত্যে পৌঁছান যে, ব্যবসায়িক সমাজ পণ্যের মূল্য আকস্মিক বাড়াবেন না, মূল্য বাড়াতে সিন্ডিকেট বানানাবেন না, শ্রমিকদের ১- ৪ মাসের নোটিশ ছাড়া ছাটাই করবেন না, শ্রমিকদের নূন্যতম বেতন নিত্যপণ্যের দাম অনুযায়ী নির্ধারন করবেন আর শ্রমিক সমাজ সরকারকে জানানো ব্যতীত কোন ধর্মঘটের ডাক দিবেন না, সরকার ও মালিকপক্ষের সাথে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বজায় রাখবেন।

সরকার ধর্মীয় সংগঠনগুলোর সাথে মিলে একটি কমিটি করতে পারেন যাতে তাঁরা আন্তঃধর্মীয় শান্তি বজায় রাখবেন, কোন ঘটনা ঘটলে রাজপথে প্রথমেই না গিয়ে 'সরকার - ধর্মীয় সংগঠন কমিটি' তা সামলে নিবে।

এভাবে, ছাত্র সংগঠনগুলোর সাথে মিলেও সরকার একটি কমিটি করতে পারে যাতে রেজাল্ট বিষয়ক, শিক্ষালয় পরিবেশ বিষয়ক যে কোন ঘটনায় এই কমিটি কাজ করতে পারে।

আর এভাবেই বাংলাদেশের সরকার জনগণের অসন্তোষ কমিয়ে দেশকে উন্নত দেশে পরিণত করতে পারবেন।

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:১৫

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বাংলাদেশ সরকার যে সিদ্ধান্ত নেয়, তা জনগণকে মেনে নিতে হবে।
..................................................................................................
ইন্ট্রীম সরকার জনগণকে না জানায়ে গোলামী চুক্তি করেছে তাও মেনে নিতে হবে ???
এখন আবার বর্তমান সরকার, আইনের শাসন নিশ্চিত করার জন্য যেসব কাজ করার
কথা ছিল, তা বন্ধ করে দিয়েছে; তাও মেনে নিতে হবে ?
মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে বলেছে, অথচ রুমিন ফারহানাকে সংসদে সময় দেয়না
এটাও কি মানতে হবে ???
তাহলে নূতন বন্দোবস্ত মানে মব কালচার, এটাই বহাল থাকবে ?

১৪ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:২৪

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:




আপনি যা লিখেছেন, তাতে বাস্তবতা আছে।
তবে, সঠিক ভাবে সামলালে কোন কিছুই জনগণের সিদ্ধান্তের বাইরে যাবে না। হল্যান্ডে যায় নাই, আমাদের দেশেও যাবে না।

পল্ডার মডেলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই উদ্দেশ্য থাকে। সেখানে সাধারণ মানুষের উন্নয়নের সাথে সাথে দেশের উন্নয়নটাও একই সূত্রে গাঁথা হয়।

ভালো থাকুন নিরন্তর।

২| ১৪ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:৫৯

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আজ কেন শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করতে গেল ?
....................................................................
শিক্ষামন্ত্রীর ভূল সিদ্ধান্তের কারনে ।
সারাদেশে পরীক্ষা ১০ দিনের জন্য পিছায়ে দিলে এইসব ঝামেলা হতোনা ।
পরীক্ষা কেন্দ্রে পানি উঠে নাই তাই সেসব অনেক সেন্টারে
পরীক্ষার্থীরা এক কোমর পানি ঠেলে পরীক্ষা দিতে হবে,এটা কেমন বিবেচনা ?
জনগণের পালস তাহলে এই সরকার কিভাবে বুঝবে ?

আবার কেউ কেউ বলছে এরা লীগ সমর্থক !?
এসব বাচ্চা ছেলেরা আবার রাজনীতি করে জানা নাই ।
এধরনের মব তথ্য সন্ত্রাস কোনদিনও সমাজে সুস্হতা আনবেনা ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.