নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অন্যদের সেভাবেই দেখি, নিজেকে যেভাবে দেখতে চাই। যারা জীবনকে উপভোগ করতে চান, আমি তাঁদের একজন। সহজ-সরল চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করি। আর, খুব ভালো আইডিয়া দিতে পারি।

সত্যপথিক শাইয়্যান

আমি একজন চিন্তুক, সমাজ নিয়ে চিন্তা করি! সমাজের ভালোর জন্যে গান-গল্প-ছড়া লিখি ও আইডিয়া শেয়ার করি। আপনি?

সত্যপথিক শাইয়্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

পরম করুণাময়, অশেষ দয়ালু খোদাতায়ালাকে ধন্যবাদ

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৩৩



খোদা আমাকে ক্ষমা করুন। আর, তাঁর কাছে শুকরিয়া জানাই, তিনি আমাকে এবং আমার নিকট আত্মীয়দেরকে উপরের ছবির অসহায় বৃদ্ধের অবস্থায় রাখেননি।

আমার বন্ধুদের কেউ যদি কখনো এরকম খারাপ অবস্থায় থাকেন, তাহলে আমাকে জানাবেন, প্লিজ। অন্তত একবেলা ভাত খাওয়ার ব্যবস্থা করতে পারবো। আর তাও যদি না পারি, কোন হোটেলে খাওয়ার নিমন্ত্রণ করবো। কথা দিচ্ছি।।

এই ছবিটি ২০২৩ সালের ১৭ নভেম্বর আলোকচিত্রী জিএমবি আকাশের ক্যামেরায় ধারণ করা হয়েছিল।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৪৮

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ছবিটি ২০২৩ সালের ১৭ নভেম্বর আলোকচিত্রী জিএমবি আকাশের
...................................................................................................
এমন ঘটনা ঢাকায় অহরহ ঘটছে ।
তাই একবার দেখেছিলাম কোন একজন তার এলাকায় গরীবদের
নিয়মিত অন্তত একবেলা খাবাবেরর আয়োজন করে ।

.................................................................................................................
আপনার এই আর্তি সকল বিত্তবান মানুষের মাঝে মানবতা জাগ্রত করুক প্রার্থনা করি ।

২| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:৩৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




ছবির এই মানুষটি কত সৌভাগ্যমান সে কথাটি একবার ভাবুন ।
আগে একটি সত্য কাহিনী বলি তারপরে এই গল্পের ছবির মানুষটি নিয়ে বলব কথা ।
১৯৯৮ সনের কথা । ঢাকা শহরে একটি চারতলা বাড়ীর ৪র্থ তলায় বাস করি ।
বাসার নীচেই একটি কাঁচা বাজার । বাজারে চাল কিনতে গিয়ে ৫০ কেজি
ওজনের চালের বস্তা কিনেছি পাইকারী দামে । চাল কিনা শেষ , টুকরী হাতে
প্রায় যাটোর্ধ বয়সের একজন মিনতি করে বলল তাকে যেন চালের বস্তাটি
আমার বাড়ীতে বয়ে নিতে দেই । আমি বললাম চাচা আপনি এটা নিতে
পারবেন না , আপনি বরং আমার জন্য একজন শক্ত সামর্থ মানুষ জোগাড়
করে দিন । তিনি বললেন বাবা এই টুকাই মলে আমার থেকে শক্ত মানুষ
পাবেন না । তিনি নাছোর বান্দা । বললাম ঠিক আছে আপনাকে চালের
বস্তা নিয়ে ৪তলা পর্যন্ত যেতে হবে না, নীচ তলা পর্যন্ত নিতে পারেন কিনা
দেখেন । তিনি মুচকী হাসলেন । দোকানদার বলল উনাকে দেন, উনি
পারবেন । কী আর করা, দোকানদার উনার মাথায় বস্তা তুলে দিল ।
বৃদ্ধ বললেন আমি আপনার বাসা চিনি , আরো বলল আপনি আমার
পিছে পিছে আসেন, আপনি আমার সাথে হেটে পারবেন না । সত্যিই
চালের বস্তা মাথায় নিয়ে হনহনিয়ে আমার আগে আগেই বস্তা নিয়ে
সিরি ভেঙ্গে চার তলায় উঠে গেলেন । আমরা সকলেই তা দেখেতো
তাজ্জব বনে গেলাম । গিন্নিতো এ কান্ড দেখে আমার উপর মহা
খাপ্পা , বলে আমার কী কান্ডজ্ঞান বলে কীছু নেই । তার কথা
আর থামেনা আমাকে তো কোন কথায় বলতে দেই না । শেষে
ঐ বৃদ্ধকে ডাইনিং টেবিলে বসিয়ে বলল চাচা পরিতৃপ্ত হয়ে
ভেট ভরে খেয়ে তারপরে যাবেন । কিন্তু আমি ততক্ষনে
ভাবছি ডিক্স প্রলাপ্সের কারনে পাচ কেজি চাউল নিয়ে আমি
সেই প্রায় যুবক বয়সে চারতলায় উঠতে পারিনা, আর এই
বৃদ্ধ মানুষটি ৫০ কেজী চালের বস্তা নিয়ে তরতরিয়ে চার
তলায় উঠে এলো । ভাবলাম ওনার মত সোভাগ্যমান আর
কে আছে যে এখনো এই বয়সে স্বচ্ছন্দে ভারী বোজা নিয়ে
দিনের পর দিন, মাসের পর মাস , বছরের পর বছর
চলতে পারে । মনে মনে আল্লাহর কাছে বললাম আল্লাহ
আমাকেও বৃদ্ধ বয়সে উনার মত শক্ত সামর্থ রেখো ।
আল্লাহ হয়তবা আমার দোয়া কবুল করেছেন । এখন
এই বয়সেও আমি প্রায় ২০/৩০ কেজির শপিং ব্যগ
ভর্তি বাজার নিয়ে দোতলায় উঠে যেতে পারছি । যা আগে
৫ কেজিও পারতাম না । ঐ বৃদ্বই ছিলেন আমার প্রেরণা ।

এখন আসি আপনার পোস্টের ছবিটিতে যেখানে বৃদ্ধ লোকটি
উকি মেরে দুই পায়ে ডাস্ট বিনের পাশে অস্বাস্থ্যকর ঘিঞ্জি পরিবেশে
উচ্ছিস্ট খানা খেয়ে টিকে আছেন । এই পরিবেশে এই খানা
খেলে আমরা সাথে সাথে না হলেও একটু পরেই দৌড়াতে হবে ICDDRB তে।
সে তুলনায় তিনি দিব্বি সেখানে বসে উচ্ছিষ্ট খেয়ে চলেছেন , কী
অসাধারণ ক্ষমতাই না তিনি ধারণ করেন । যাহোক, দোয়া করি
আল্লাহ উনার জন্য প্রয়োজনীয় রুজি রোজগার বাড়িয়ে দিয়ে
সুস্থ সুন্দর জীবন দান করুন । শুধু একবেলা উনাকে খাওয়ালে
চলবেনা , উনাদের জন্য স্থায়ি সুন্দর ব্যবস্থা ও জীবন ধারনের
সুযোগ সুবিধা তৈরী করতে হবে আমি , আপনি সকলে , সমাজ
ও রাস্ট্রকে ।

একটি গণআবেদনময়ি ছবি সমেত পোস্ট দানের জন্য ধন্যবাদ ।

শুভেচ্ছা রইল

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.