| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ধানমন্ডি ৩২ যারা ভেঙেছিল, আর যারা বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিল- তারা কি একই?
ধানমন্ডি ৩২ ভাঙা হয়েছিল- কে দেখেনি, কে জানে না, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই।, নাকি তাদের এখন চোখ নেই মন নেই হৃদয় নেই, নাকি তারা মানুষই না! আগুন দেওয়া হয়েছে, সরকারি (আর্মির) বোলডোজার দিয়ে খুচিয়ে খুচিয়ে একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা ধ্বংস করেছে- এসবই ঘটেছে চোখের সামনে, লাইভ হয়েছে সারা পৃথিবী দেখেছে।
এখন সেই ঘটনার বিচার চেয়ে মামলা করতে গিয়ে আদালত বললেন, মামলা গ্রহণ করার মতো উপাদান নেই। উপাদান সেটা কি কেউ বলতে পারেন? আপনারা হয়তো বরে উটবেন যে আমি একাই শত শত প্রমান দিবো - একটু থামুন আপনি কি সত্যিই বিচার চান? এবার একটু ভাবুন।।
আইনের দৃষ্টিতে আদালতের সিদ্ধান্তের নিজস্ব প্রক্রিয়া আছে। কিন্তু ইতিহাসের আদালত আরও কঠিন।
সেই আদালতে প্রশ্নটা অন্যরকম-
যারা হাতুড়ি দিয়ে ধানমন্ডি ৩২ ভেঙেছিল, আর যারা সেই ঘটনার বিচার নিশ্চিত করতে পারেনি- ইতিহাস কি সত্যিই তাদের আলাদা করে দেখবে?
যারা সরাসরি ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে, তাদের দায় এক ধরনের।
আর যারা ক্ষমতা, প্রভাব, দায়িত্ব কিংবা রাজনৈতিক অবস্থান থেকে সেই ধ্বংসযজ্ঞ ঠেকায়নি বা পরবর্তীতে এর যথাযথ জবাবদিহি নিশ্চিত করতে পারেনি- তাদের দায়ের প্রশ্নও ইতিহাস একদিন তুলবে কিন্তু।
কারণ জাতীয় ঐতিহ্য ধ্বংস হলে শুধু ইট-পাথর ভাঙে না;
ভাঙে একটি জাতির স্মৃতি, ইতিহাস ও আত্মপরিচয়ের অংশ।
আজ আদালতে মামলা টিকল না- এতে ধানমন্ডি ৩২ ভাঙার দৃশ্য মুছে যাবে না। ভিডিও মুছে যাবে না। মানুষের স্মৃতি মুছে যাবে না। ইতিহাসের পাতাও সাদা হয়ে যায় না।
হয়তো সময়ের সঙ্গে রাজনৈতিক পরিচয় বদলাবে, ক্ষমতার পালাবদল হবে, অনেক বক্তব্যের ব্যাখ্যাও বদলে যাবে।
কিন্তু ইতিহাস একদিন হিসাব চাইবে-
কারা ভেঙেছিল?
কারা উসকানি দিয়েছিল?
কারা দেখেছিল?
কারা ঠেকাতে পারেনি?
আর কারা ঘটনার পরও সত্য ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হয়েছিল কার আদালত?
সেদিন হয়তো আইনগতভাবে সবাই একই জায়গায় থাকবেন না।
কিন্তু জাতীয় ইতিহাসের বিচারে যারা একটি ঐতিহাসিক স্মৃতিচিহ্নের ধ্বংসের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দায়ী হিসেবে চিহ্নিত হবেন, তাদের নামের পাশে সম্মানের কোনো জায়গা থাকবে না।
ইতিহাস তাদের কাউকে হয়তো বলবে- ধ্বংসকারী।
কাউকে বলবে- নীরব দর্শক।
কাউকে বলবে- ব্যর্থ রক্ষক। ব্যর্থ শাসক !
আর শেষ পর্যন্ত, সময়ই নির্ধারণ করবে-
কারা দেশের ইতিহাসে কী নামে লেখা থাকবে।
“ধ্বংসকারীরা কি ইতিহাসে একা দায়ী থাকবে?”
নাকি বিচারহীনতা সবচেয়ে বেশি দায়ী ইতিহাস এক সময় কথা বলবে, সেদিনের অপেক্ষায় এদেশের জনগণ।
২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:১৮
এস.এম. আজাদ রহমান বলেছেন: আহা যা বললেন - যেন ১০০% মিলে যাচ্ছে! ধন্যবাদ মোহাম্মদ মামুনূর রশীদ ভাই।
২|
২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৫৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: নাকি বিচারহীনতা সবচেয়ে বেশি দায়ী ইতিহাস এক সময়
কথা বলবে, সেদিনের অপেক্ষায় এদেশের জনগণ।
................................................................................
এটাই আমাদের ব্যর্থতা, রক্ষক যদি ভক্ষক হয় ও মব কালচার
উসকে দেয় , ইতিহাস তাদের কোনদিন ক্ষমা করবেনা ।
বৈষম্য থাকবে না , এই আশায় যারা বুকের রক্ত দিয়েছে
তাদের জবাব, প্রতিদান দিতে হবে ।
২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:২০
এস.এম. আজাদ রহমান বলেছেন: আমরা সেই ইতিহাসের অপেক্ষায় থাকবো। ধন্যবাদ
৩|
২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬
রাজীব নুর বলেছেন: ইউনুস এবং সেনাবাহিনী চেয়েছে বলেই ৩২ নম্বর ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে।
৩২ নম্বর ভেঙ্গে ফেলার বিচার কেউ করবে না। সব অন্যায়ের বিচার করবে, শেখ হাসিনা। দেরি হোক যায়নি সময়।
২১ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:৩০
এস.এম. আজাদ রহমান বলেছেন: ধন্যবাদ রাজীব ভাই, তাই যেন হয়।
৪|
২১ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
সব অন্যায়ের বিচার হোক।
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৩৪
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: যে সেনাবাহিনী গণ ভবন, প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়, সাত বীরশ্রেষ্ঠের ভাস্কর্যের (সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যই বেশি বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব পেয়েছে) মতো রাষ্ট্রীয় স্থাপনা সমূহ রক্ষা না করে উল্টো মব লেলিয়ে দিয়ে সেসব রাষ্ট্রীয় স্থাপনার ধ্বংস নিশ্চিত করে সেই সেনাবাহিনী কি আদৌ সেনাবাহিনী আছে? একে কি বাংলাদেশের সেনাবাহিনী বলা যায়? ত্যানা হয়ে গেছে, ন্যাকরা হয়ে গেছে আরও সুনির্দিষ্টভাবে বললে জামায়াতের ত্যানা হয়ে গেছে। এই গোটা ত্যানা বাহিনী এখন জামায়াতের সর্দি, কফ, থুথু, বগলের উৎকট ঘাম আর ওদের পাছায় লেগে থাকা হা/গু পরিষ্কারের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এরা করবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্বে রক্ষা? যাদের মগজের কোষে কোষে “বাংলাদেশ” শব্দটি ইতোমধ্যেই প্রতিস্থাপিত হয়ে গেছে “সাবেক পূর্ব পাকিস্তান/খণ্ডিত পাকিস্তান/অঙ্গহীন পাকিস্তান” শব্দ দ্বারা।
আজ বাংলাদেশ না হয়ে দেশটা পাকিস্তান থাকলে এই সকল গাদ্দার অফিসাররা কি আদৌ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অফিসার পদমর্যাদা অর্জন করতে পারতো? বা অফিসার হলেও কতদূর যেতো........?
নোট:
অবশ্য শিখা অনির্বাণের আগুন আর ৭১ এর সংশ্লিষ্ট যাবতীয় ভাস্কর্য যদি “বেদাত” হয়ে থাকে তবে এসবের ধ্বংস বা discontinuation এর সাথে ত্যানা বাহিনীর প্রতিক্রিয়া/প্রশ্রয়/ইন্ধন শতভাগ aligned/compatible.
সেনা নেতৃত্বের মনস্তত্ত্বে ধূসর হয়ে যাওয়া আমাদের ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ....