নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নিজস্ব ভাবনা চিন্তা নিয়ে আমার ভার্চুয়াল জগত!

এস.এম. আজাদ রহমান

মানুষ

এস.এম. আজাদ রহমান › বিস্তারিত পোস্টঃ

ছেড়ে দে মা, কেঁদে বাঁচি!

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:৩২

ছেড়ে দে মা, কেঁদে বাঁচি!

সালমান মুক্তাদির এবার প্রশ্নটা এমন জায়গায় গিয়ে করেছেন, যেটা এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রশ্ন করেছেন-“মামলা করা হয়নি কেন?”

সালমানের পাল্টা প্রশ্ন-
“মামলা কেন নেওয়া হয়নি- এই প্রশ্নটা তো আপনারই করার কথা ছিল!”

ঘটনার পর সালমানের দাবি, তিনি লোকজন নিয়ে রাতেই ক্যান্টনমেন্ট থানায় যান এবং ভোর পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করেন। এরপরও মামলা হয়নি- এমন অভিযোগই তিনি করেছেন।

তাহলে প্রশ্নটা খুবই সরল-
একজন নাগরিক হামলার শিকার হয়ে থানায় গেলেন, দীর্ঘ সময় সেখানে থাকলেন- তারপরও যদি মামলা না হয়, তাহলে কেন মামলা নেওয়া হয়নি?

এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার দায়িত্ব কি ভুক্তভোগীর, নাকি আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার?

সালমানের বক্তব্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গাটা এখানেই।
তিনি বলছেন- দেশের একজন নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। কে বিএনপি, কে অন্য দলের, কে রাজনৈতিকভাবে কার সঙ্গে যুক্ত- এসব তদন্তের বিষয় হতে পারে। কিন্তু প্রথম দায়িত্ব হলো নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধের তদন্ত করা।

আর এখানেই আরেকটি অস্বস্তিকর প্রশ্ন সামনে আসে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যদি বলেন মামলা হয়নি, অথচ ভুক্তভোগী দাবি করেন তিনি রাতেই থানায় গিয়ে মামলা করার চেষ্টা করেছেন- তাহলে মন্ত্রণালয়, পুলিশ ও মাঠপর্যায়ের প্রশাসনের মধ্যে তথ্যের সমন্বয় কোথায়?

সালমান আরও প্রশ্ন তুলেছেন, তিনি বিএনপির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগের কথা বললেই কেন রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রশ্ন সামনে আসে। তিনি জানতে চেয়েছেন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তিনি নাগরিকের নিরাপত্তার বিষয়টি দেখছেন, নাকি রাজনৈতিক ক্ষতি সামলানোর দায়িত্বও নিচ্ছেন? এটি সালমানের বক্তব্য; এর সত্যতা ও অভিযোগের দায় নির্ধারণের বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষ।

এখানে একটা বিষয় পরিষ্কার হওয়া দরকার-
কেউ বিএনপির লোক কি না, সেটা অপরাধের প্রমাণ নয়।
আবার বিএনপির লোক নয়- এটাও অপরাধ না হওয়ার প্রমাণ নয়।

অপরাধী যে-ই হোক, তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়াই রাষ্ট্রের কাজ।
তাই রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে তর্ক না বাড়িয়ে এখন দরকার-
কী ঘটেছিল?
কারা হামলা করেছিল?
কেন করেছিল?
মামলা নিতে দেরি হলো কেন?
এবং যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে?

সালমান মুক্তাদিরের প্রশ্নের আসল জায়গাটা এখানেই।
রাষ্ট্রের কাছে নাগরিকের পরিচয় আগে নয়- নিরাপত্তাই আগে।
আর একজন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে সবচেয়ে কঠিন প্রশ্নটি হওয়া উচিত

“একজন নাগরিক বিপদে পড়ে আপনার রাষ্ট্রযন্ত্রের দরজায় এসে দাঁড়ানোর পরও যদি নিরাপত্তা না পায়, তাহলে দায়টা শেষ পর্যন্ত কার?”
এই প্রশ্নের উত্তর রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে নয়- অ্যাকশন দিয়ে দিতে হবে।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:১৪

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: “মামলা কেন নেওয়া হয়নি- এই প্রশ্নটা তো আপনারই করার কথা ছিল!”
........................................................................................................
আমরা সবাই জানি থানার আচরন ।
অর্থাৎ আইনের শাসন বাস্তবায়ন হলে এমনটা হতোনা :
দেশে সঠিক পথে চলতে হলে, আইন অবশ্যই স্বাধীন ও
শক্তিশালী হতে হবে ।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৫

এস.এম. আজাদ রহমান বলেছেন: দেশে সঠিক পথে চলতে হলে, আইন অবশ্যই স্বাধীন ও শক্তিশালী হতে হবে ।
- নিজেরাই যেখানে শক্তিশালী না. সেখানে আইন কিভাবে শক্তিশালী হবে?

২| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১০

নতুন বলেছেন: সালাউদ্দিন সম্ভবত বিএনপির ইমেজ ধংষের মিশন নিয়েই ভারত থেকে এসেছেন। ;)

উনি চাদাবাজী, সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রনে কাজ না করে যেটা করছেন সেটা বিএনপির ইমেজ খারাপ করছে।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৮

এস.এম. আজাদ রহমান বলেছেন: আচ্ছা বিএনপি'র ইমেজ এটা কি জিনিস? আপনি কি ২০০১ থেকে ২০০৬ এর শাসন দেখেছেন?

৩| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৪০

রাজীব নুর বলেছেন: শিলং সালাদিন একদম ব্যর্থ।
উনাকে দিয়ে হবে না।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৯

এস.এম. আজাদ রহমান বলেছেন: বর্তমান সরকারে কি এমন কেউ আছেন যাকে দিয়ে হবে?

৪| ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৯

নতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন: আচ্ছা বিএনপি'র ইমেজ এটা কি জিনিস? আপনি কি ২০০১ থেকে ২০০৬ এর শাসন দেখেছেন?


লেখক বলেছেন: বর্তমান সরকারে কি এমন কেউ আছেন যাকে দিয়ে হবে?


যদি সত্যিকারের দেশপ্রেমিক দলের কথা যদি বলেন তবে সেটা জামাতীদের বলা যায়। তারা স্বাধীনতার এতো দিন পরেও পাকিপ্রেমে মশগুল। এতো কস্টের পরেও তারা পাকিপ্রেম ছাড়তে পারেনাই। সবাই বুঝতে পারলেও মোনাফেকী ছাড়েনাই। B-)

তাই সাচ্চা দলের মেডেল তারাই পাবে। B-)

বিএনপি আর আমলীগ ধান্বাবাজ।

খালেদা জিয়া আর শেখ হাসিনাকে মাথায় তুলে নিচে বসে সবাই নিজেদের আখের গুছিয়েছে।

বিএনপি ভারত বিরোধীতা বিক্রি করেছে। - নেতারা কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছে।

আমলীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করেছে। - নেতারা কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছে।

বোকা জনগন কোটি পতি নেতাদের পক্ষে মারামারী করে নিজেরা মরেছে। B-)

০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:৩৭

এস.এম. আজাদ রহমান বলেছেন: কি চেতনা বিক্রি হয়েছে সেটাতো ৫ আগষ্ট দেখলাম- চেতনা মেতনা কিছুই না শুধু আওয়ামীলীগের বদনামের জন্য বলার জন্য বলা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.