| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সুম১৪৩২
আমি লিখি আমার দেখা, শোনা আর অনুভবের গল্প। কল্পনা আর বাস্তবের মিলনে গড়ে তুলি নতুন এক জগত। কলমে আমি হলো আমার একান্ত লেখা, শুধু আমার নিজের শব্দের ভুবন।

জাফর সাহেব রগচটা মানুষ। খুব অল্পতেই রেগে যান। এমন মানুষদের মুখে হাসি থাকে না, কথাতেও থাকে না নরম সুর। তাঁর এই রাগারাগির কারণেই একদিন স্ত্রী রাগ করে বাসা ছেড়ে চলে গেলেন। সঙ্গে নিয়ে গেলেন তাঁদের তিন মেয়ের মধ্যে দুইজনকে। যে মেয়ে মা’র সঙ্গে যায়নি, সে আর কেউ না — এই গল্পের মূল চরিত্র “তিথি”।
মা চলে যাওয়ার পর তিথিই বাসার সব সামলে নেয়। কাপড় ধোয়া থেকে শুরু করে বাজারের হিসাব—সবই তার ঘাড়ে। এমন সময় একদিন হঠাৎ হাজির হয় গ্রাম থেকে আসা এক ভদ্রলোক, নাম নুরুজ্জামান। কথায় কথায় জানালেন, তিনি ঢাকায় এসেছেন শিক্ষা মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে, গ্রামের একটা স্কুলের ফান্ডিং নিয়ে কথা বলবেন। শুনে সবাই ভাবল, কী ভদ্র, কী দায়িত্ববান মানুষ! কিন্তু পরে বোঝা গেল, ব্যাপারটা তেমন না। তিনি এসেছেন টিভিতে পাতার বাঁশি বাজাতে আর ঢাকার কিছু জায়গা ঘুরে দেখতে।
তিথিদের বাসায় ছোটখাটো কাজও তিনি করে দেন—বাল্ব লাগানো, বাজার থেকে লবণ আনা, আবার কখনো তিথির সঙ্গে বসে গল্প করা। এই গল্পের মধ্যেই একসময় দেখা গেল, তিথির বিয়ের কথা মারুফ নামের এক ছেলের সঙ্গে এগোচ্ছে। কিন্তু হঠাৎ যেন সবকিছু থমকে যায়, বিয়েটা প্রায় ভেঙে যায়। ঠিক তখনই নুরুজ্জামান এসে যেন অদ্ভুত এক জাদু ছড়িয়ে দেন। তাঁর উপস্থিতিতেই যেন ভাঙা সম্পর্কটা জোড়া লেগে যায়। মনে হয়, নুরুজ্জামান না থাকলে বইটার শেষটা এমন সুন্দর হতো না।
মারুফের কথা আর বিস্তারিত বললাম না। সব বলে দিলে তো বইটা পড়ার মজাই থাকবে না। কিছু রহস্য থাকলেই তো গল্পটা জীবন্ত থাকে।
এক কথায়, “তিথির নীল তোয়ালে” একটা অসাধারণ প্রেমের উপন্যাস। বইটা পড়ে মনটা ভালো হয়ে গেল। মনে হলো, এমন গল্প বারবার পড়তে ইচ্ছে করবে।
০১ লা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩৮
সুম১৪৩২ বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ! বইটি পড়ার পর আপনার কেমন লাগলো তা অবশ্যই জানাবেন। আশা করি জাফর সাহেব আর তিথির গল্প আপনার ভালো লাগবে।
২|
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ৯:২৯
কামাল১৮ বলেছেন: হুমায়ূন বাংলাদেশের যুবকদের পড়ার প্রতি মনোযোগি করেছেন।আমি তার নাটকগুলো দেখি।
০১ লা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩৮
সুম১৪৩২ বলেছেন: একদম ঠিক বলেছেন। হুমায়ূন আহমেদের জাদুকরী লেখনী তরুণদের বইমুখী করতে বিশাল ভূমিকা রেখেছে। উনার নাটকের মতো এই "তিথির নীল তোয়ালে" উপন্যাসটিও বেশ চমৎকার। সময় পেলে পড়ে দেখতে পারেন!
৩|
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১১:২৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: রিভিউ ভালো হয়েছে ।
০১ লা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩৯
সুম১৪৩২ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনার অনুপ্রেরণার জন্য! পাশে থাকবেন।
৪|
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৯:৩৬
রাজীব নুর বলেছেন: বইটি পড়েছি। তবে রিভিউ সুন্দর করে লিখতে পারেন নি।
০১ লা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩৯
সুম১৪৩২ বলেছেন: গঠনমূলক সমালোচনার জন্য ধন্যবাদ। আমি হয়তো বইটির গভীরতা পুরোপুরি ফুটিয়ে তুলতে পারিনি। আপনার কাছে রিভিউটি কেন অসম্পূর্ণ মনে হয়েছে তা জানালে পরবর্তী লেখায় আমি নিজেকে আরও সুধরে নেওয়ার চেষ্টা করবো।
৫|
০১ লা জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:০৫
কিরকুট বলেছেন: হুমায়ূন আহমাদের লেখার বৈশিষ্ট হলো তার লেখা অদৃশ্য একটা অতৃপ্তি বাস করে । খানিক টা যেমন তরকারিতে লবন হয়েছে কিন্তু আর একটু দিলে যেন আরো ভালো লাগতো ।
৬|
০১ লা জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৪৭
সুম১৪৩২ বলেছেন: চমৎকার বলেছেন! আসলে ওই অদৃশ্য অতৃপ্তিটাই হুমায়ূন আহমেদের লেখার আসল জাদু। তবে আমার মনে হয়, এই বইটার ফিনিশিংয়ে আপনি সেই তৃপ্তিটুকু পাবেন। মানে এখানে লবণের পরিমাণটা একদম ঠিকঠাক! সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
©somewhere in net ltd.
১|
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ৯:২০
মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্ বলেছেন: ধন্যবাদ এত সুন্দর একটা রিভিউ এর জন্য! আমার এখনই পড়তে ইচ্ছা করছে!