| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
স্বপ্নের শঙ্খচিল
আমার মনের মাঝে শঙ্খচিল ডানা মেলে প্রতিদিন,ভুলতে পারিনি সেই অভিমান আবার ফিরে আসা তোমার কাছে !
কোয়ান্টাম হৃদয়ে বিগ ব্যাং : স্পেস-টাইমের প্রেমকাব্য (আধুনিক ও রোমান্টিক)
.................................................................................................................
কক্ষপথে ঘোরে আমার একলা মনের ইলেকট্রন,
নেগেটিভ চার্জে মেঘ জমেছে, খুঁজছে আজি কার্বন মাখা অন্যমন।
তুমি যখন পজিটিভ এনার্জিতে, এ যেন এক প্রোটন,
আমাদের বন্ধনে এবার শান্ত হবে এই অবুঝ অতৃপ্ত মন।
তোমার-আমার নিউক্লিয়াসে জাগবে প্রেমের স্পন্দন,
ইলেকট্রন তো আছেই রেডি, প্রোটন আসবে এখন,
তারপর দুজনে মিলে সৃষ্টি করব এক শান্ত নিউট্রন!
ভালোবাসার এই মহাকর্ষে ধন্য ধন্য হবে আমাদের মহাজাগতিক জীবন!
তোমার রূপের আকর্ষণ যেন আইন্সটাইনের আপেক্ষিকতা,
সময় থমকে দাঁড়ায় পাশে, ভুলে যাই সব ব্যাকুলতা।
E = mc² সূত্রে বাড়ে আমাদের প্রেমের ভর,
শক্তির এই রূপান্তরে কেঁপে ওঠে শত শত হৃদয়ের ঘর!
আমাদের মাঝে কাজ করে নিউটনের মহাকর্ষ বল,
দূরত্ব যতই বাড়ুক না কেন, মন যে ব্যাকুল অতল।
প্রেমের থার্মোডাইনামিক্সে এন্ট্রপি আজ আকাশছোঁয়া,
তুমি ছাড়া এই মনে যেন, শুধুই কুয়াশা আর মরিচিকার ধোঁয়া।
কোয়ান্টাম মেকানিক্সের মতো আমাদের এই অদ্ভুত টান,
কখনও কণা, কখনও তরঙ্গ ; গেয়ে ওঠে প্রেমের গান।
সব বাধা ভেঙে আমরা গড়ব এক নতুন রাসায়নিক বন্ধন,
যেখানে ইলেকট্রন, প্রোটন আর নিউট্রন মেটাবে চিরন্তন ক্রন্দন!
তোমার চোখের ওই গভীরতা যেন এক রহস্যময় ব্ল্যাক হোল,
সব যুক্তি, সব প্রতিরোধ সেখানে গিয়ে হারায় তার খোল।
আলোর গতিতেও পালাতে পারি না, এমন তোমার টান,
ইভেন্ট হরাইজন পেরিয়ে সঁপে দিয়েছি আমার এই পরাণ।
আমাদের প্রেম দুমড়ে-মুচড়ে দিয়েছে মহাবিশ্বের স্পেস-টাইম ফ্যাবব্রিক,
তোমার পাশে থাকলে সেকেন্ডগুলো মনে হয় আলোকবর্ষ, চারদিক।
সিঙ্গুলারিটির মতো এক বিন্দুতে মিশে গেছে আমাদের দুই হিয়া,
মহাজাগতিক এই ভালোবাসায় আমরা চলব অনন্তকাল জুড়িয়া!
শূন্যতার মাঝে হঠাৎ জেগে ওঠা এক আদিম বিগ ব্যাং,
তোমার একটা হাসিতেই যেন হৃদয়ে বাজলো খুশির গ্যাং!
অজানা মহাবিস্ফোরণে ছিটকে গেছে আমাদের প্রেমের কণা,
মহাবিশ্ব বাড়ছে বাড়ুক, আমাদের এই টান মোটেই তো কমবে না।
হয়তো এই চেনা মহাবিশ্বের বাইরে আছে কোনো মাল্টিভার্স,
শত কোটি সমান্তরাল জগতে চলছে আমাদের এই প্রেমের রোমান্স।
অন্য কোনো মাত্রায়, অন্য কোনো গ্রহে, অন্য কোনো বা বেশে;
আমি শুধু তোমাকেই ভালোবাসব, প্রোটনের মতো ;শত শত কোটি ব্রহ্মাণ্ডের দেশে!

(বিশেষ ফুট নোট :এই কাপ্রোটনিক ভালবাসার রসায়ন কিছু ব্লগার দেখতে চায়,তাই এই কাব্য রচনা হলো সবার জন্য )
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৩০
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: প্রেম , ভালোবাসা, সংসার কোনটাই সহজ সরল পথে ঘুরেনা
.........................................................................................
আর মহাকাশে !
ইলেকট্রন, প্রোটন আর নিউট্রন পরিক্রমা আমাদের
দিয়েছে অসীম জ্ঞান ভান্ডারের সন্ধান ,
তাইতো তাদের চিরন্তন ক্রন্দন আমাদের বুঝতে হবে ।
২|
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:২৯
মেহবুবা বলেছেন: পুরোটা আর পড়তে পারলাম না, মনে হচ্ছে দাঁত খুলে পড়ে যাবে!
৩|
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:১৯
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এভাবে ছন্দে ছন্দে সায়েন্স শেখালে ছেলেমেয়েদের পড়ার আগ্রহ তৈরি হতো ।
৪|
০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১০
হুমায়রা হারুন বলেছেন: দুর্দান্ত হয়েছে।
শুধু ৮ ন লাইনে 'মহাজাগতিক' শব্দ টা দেখে একটু আঁতকে উঠেছিলাম, এই ভেবে যে কবি কি এবার বলবেন 'মহাজাগতিক চিন্তা'? তারপর দেখলাম, নাহ্ কবি তা বলেন নি। কবি বলেছে 'মহাজাগতিক জীবন।'
৫|
০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১১
হুমায়রা হারুন বলেছেন: সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এভাবে ছন্দে ছন্দে সায়েন্স শেখালে ছেলেমেয়েদের পড়ার আগ্রহ তৈরি হতো ।
আমার মনে হয় প্রেমের আগ্রহ তৈরী হতো। পড়ার চিন্তা তো এমনিতেই মাথায় আসে না।
৬|
০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৪৪
হুমায়রা হারুন বলেছেন: আরেকটি পোষ্টে আপনার মন্তব্যে পেলাম এই কয়েকটি পঙতিঃ
'তোমার কেশের গভীরে, মহাশূন্যের আদিম অন্ধকার,
কৃষ্ণগহ্বরের মতো তার ব্যাকুল করা তীব্র আকর্ষণ;
মহাজাগতিক সেই টান এড়ানো যে সাধ্যের বাইরে আমার,
লুব্ধক নক্ষত্রের মতো তোমাতেই স্থির আমার এই মন।
কোয়ান্টাম কণিকার মতো তুমি আচমকা ছড়াও আলো,
তোমার ওই চিবুকের ভাঁজে আলোর গতিও থমকে যায়;
মহাকর্ষের অমোঘ নিয়মে বেসেছি তোমায় ভালো,
হৃদয়ের সব ইলেকট্রন আজ তোমার কক্ষপথেই হারায়।'
বিশেষ করে ৬ নং পঙতিঃ 'তোমার ওই চিবুকের ভাঁজে আলোর গতিও থমকে যায়;' পড়ে মনে হলো,
আলোর গতি যদি থেমে যায়, তার মানে ঐ চিবুক একটা আস্ত ব্ল্যাকহোল। আর এটা টের পেলে তো ওর কাছাকাছি, কেউ ঘেঁষবে না।
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:০৮
রাজীব নুর বলেছেন: খুবই জটিল হয়েছে।