নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।

এম টি উল্লাহ

উপন্যাস অসমাপ্ত জবানবন্দী, নিরু, গায়েবি শৃঙ্খল, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস ‘মায়ের মুখে মুক্তিযুদ্ধ’ ও ‘একাত্তরের অবুঝ বালক’ এর লেখক। পেশায়-আইনজীবী। কর্মস্থল- হাইকোর্ট।www.facebook.com/mohammad.toriqueullah

এম টি উল্লাহ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ঋণ খেলাপিদের জন্য সুদ মওকুফের বিশেষ সুবিধা দিল সরকার

২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৪৫


ব্যাংকিং খাতের খেলাপি ঋণ কমাতে এবং ঋণ আদায় কার্যক্রম গতিশীল করতে বাংলাদেশ ব্যাংক অনাদায়ী ঋণ আদায় ও সমন্বয়ের জন্য একটি বিশেষ এক্সিট বা প্রস্থান নীতিমালা জারি করেছে। ২৯/০৬/২০২৬ ইং তারিখে প্রকাশিত এই নীতিমালার আওতায় নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে এককালীন অর্থ পরিশোধের মাধ্যমে মন্দ বা ক্ষতিজনক শ্রেণীভুক্ত ঋণ পুরোপুরি সমন্বয় করা যাবে

সুদ মওকুফে বিশাল ছাড়ঃ

প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনা অনুযায়ী, ঋণগ্রহীতাদের সব ধরনের আরোপিত ও অনারোপিত সুদ মওকুফের পথ সহজ করা হয়েছে। আগে সুদ মওকুফ করতে গেলে ব্যাংকের তহবিল ব্যয় (কস্ট অব ফান্ড) আদায় নিশ্চিত করার যে বাধ্যবাধকতা ছিল, তা এবার শিথিল করা হয়েছে। পাশাপাশি রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর আয় খাত বিকলন করে সুদ মওকুফ না করার যে শর্ত ছিল, সেটিও শিথিল থাকবে। অর্থাৎ সরকারি-বেসরকারি সব ব্যাংকই এখন এক্সিট সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে সুদ মওকুফ করতে পারবে।

মূল নীতিমালা ও বিশেষ সুবিধাসময়সীমা: ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই বিশেষ এক্সিট সুবিধা কার্যকর থাকবে।

যোগ্যতা: ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত যেসকল ঋণ 'বদ' বা 'লস' (Bad/Loss) হিসেবে খেলাপি বা শ্রেণীভুক্ত হয়েছে, সেগুলো এর আওতাভুক্ত হবে। এছাড়া ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে পুনর্গঠন বা পুনঃতফসিল করা মন্দ ঋণও এই সুবিধার সুফল পাবে।

এককালীন পরিশোধ: সুবিধা পেতে হলে ঋণগ্রহীতাকে সমুদয় ঋণ দায় এককালীন বা একবারে পরিশোধ করতে হবে।


অযোগ্যতা: কোনো ঋণে যদি তহবিল তছরুপ, জালিয়াতি বা জালিয়াতির প্রমাণ থাকে, তবে সেই ঋণ এই বিশেষ এক্সিট সুবিধার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবে না।

অগ্রাধিকার খাত: কৃষি খাতের স্বল্পমেয়াদি ঋণ এবং কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (CMSME) খাতের ঋণ নিষ্পত্তিতে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে

ব্যাংক যদি না মাসে তখন করণীয়: ব্যাংক সুদ মওকুফ করে এমন সুবিধা দিতে সাধারণত আগ্রহী হয় না। সেক্ষেত্রে মহামান্য হাইকোর্টে রীট দায়ের করে আদেশ নিতে পারেন। রীট দায়েরর পূর্বে কিছু ফর্মালিটি রয়েছে।


-মোহাম্মদ তরিক উল্যাহ
অ্যাডভোকেট
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট
০১৭৩৩৫৯৪২৭০ ( কল করার পূর্বে হোয়াটস্অ্যাপে ম্যাসেজ দিন)

লেখক- আইন বিষয়ক উপন্যাস ‘গায়েবি শৃঙ্খল’, 'নিরু, এবং 'অসমাপ্ত জবানবন্দী''; মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস 'মায়ের মুখে মুক্তিযুদ্ধ' এবং 'একাত্তরের অবুঝ বালক' ।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: ব্যাবসায়ীরা প্রতি জুম্মায় মসজিদের ইমামদের খুতবায় আল্লাহর হক আর বান্দার হক নিয়ে আলোচনা শুনে থাকে। বান্দার হক নষ্ট করলে সেই পাপ আল্লাহও ক্ষমা করে না, যতক্ষন না বান্দা ক্ষমা করে দেয়।

বান্দারা ব্যাংকে যে টাকা রাখে সেটা ব্যাংক আমানত হিসেবে রাখে যেন নির্দিষ্ট সময় পর মূল টাকাটা যেন মূল মালিককে ফেরত দিতে পারে। ব্যাবসায়ী ঋনখেলাপী হয়ে গেলে হক কার নষ্ট হলো? ব্যাংকের নাকি আল্লাহর যে বান্দারা ব্যাংকে টাকা রেখেছিলো তাদের?

যতোই প্রাডোতে চড়ুক আর যত সংখ্যকবার হজ্ব-ওমরা করুক বান্দার হক মেরে খাওয়া এই সকল ঋনখেলাপীরা কি বিচার দিবসে পুলসেরাত পার হতে পারবে?

২| ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১২

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সুবিধা পেতে হলে ঋণগ্রহীতাকে সমুদয় ঋণ দায় এককালীন
বা একবারে পরিশোধ করতে হবে।

.............................................................................
রাজনৈতিক টানা পোড়ন ও ব্যাংকের তারল্য ঘাটতির কারনে
অধিকাংশ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান রুগ্ন হয়ে গেছে, তাদের কাছে
দৈনন্দিন উৎপাদন খরচই নাই, তাহলে এক কালীন অর্থ পরিশোধ
কিভাবে হবে ???

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.