| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নতুন পথ:
পান্জাবের বেশিরভাগ মানুষের কাছে খ্রিস্টান চার্চগুলো নতুন পথ,নতুন বার্তা নিয়ে এসেছে। পান্জাবের খ্রিস্টধর্ম প্রচারকদের বেশিরভাগ ই ধর্মান্তরিত খ্রিস্টান। ভাজিন্দর সিং,অঙ্কুর নারুলা,কান্চন মিত্তালদের মতো ধর্ম প্রচারকরা ধর্মান্তরিত হয়ে খ্রিস্টান হ য়েছে।তাদের চার্চ ও ধর্মীয় সভায় পিছিয়ে পরা জনগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যাই বেশি।তবে জাচ,খাত্রি ও রাজপুত সম্প্রদায়ের মানুষের সংখ্যা ও নেহাত কম নয়। বেশিরভাগ মানুষ মূলত এই চার্চ গুলোতে আর্থিক ও চিকিৎসাগত সাহায্য নিতেই এসে থাকে।
অর্থনৈতিক কারণ:
পান্জাবে দারিদ্র্যতা ও বেকারত্বের হার প্রচন্ড রকমের বেশি। কর্মসংস্থানের সুযোগ অনেক কম।তাই খ্রিস্টান মিশনারী দারিদ্র শ্রেনীকেই টার্গেট করে থাকে। শিখদের মধ্যৈ রবিদাসী,বাগি,মাজহাবী ও রামদাসী সম্প্রদায়ের অধিকাংশ মানুষ দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করে। এ সম্প্রদায়ের মানুষদের চাকরি,অর্থ ও বিদেশে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার নাম করে ধর্মান্তকরণ করা হয়। খ্রিস্টান হলে তারা নানা ধরনের সুযোগ সুবিধা পাবে এ লোভে তারাঁ খ্রিস্টধর্ম গ্রহন করে।
চিকিৎসাগত কারণ:
পান্জাবে প্রাইভেট চিকিৎসাখাতের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক,আর পাবলিকের কথা না বলাই শ্রেয়। এই চার্চগুলোতে যে কোন ধরনের রোগ ভালো করার দাবি করে ধর্মপ্রচারকরা। ক্যান্সার,টিউমার ও হার্টের সমস্যার মতো কঠিন রোগ ও কেবল প্রার্থনার মাধ্যমে ভালো করার দাবি করে তারা। আর এতেই এদের ফাপঁরে পরে অল্প শিক্ষিত পান্জাবের জনগণ। তারা চিকিৎসার মাধ্যমে ভালো হবে এ আশায় ও ধর্মান্তরিত হয়।
খ্রিস্টানদের সংখ্যা কত?
পান্জাবের অমৃতসরে বাস করা গবেষক ডঃরনবীর সিং এর মতে,বর্তমানে পান্জাবে প্রায় 60 লক্ষ খ্রিস্টান রয়েছে।পান্জাবের মাজা অন্চলেই এ খ্রিস্টানদের সংখ্যা বেশি। মাজা এলাকার পাচঁ এলাকাকে এখন খ্রিস্টান বেল্ট বলা হয়। জলন্ধর,অমৃতসরের মত এলাকায় খ্রিস্টানদের সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।প্রতিবছর প্রায় দেড়-দুই লক্ষ মানুষ খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত হচ্ছে।দলিত সম্প্রদায়ের বেশিরভাগ মানুষ এখন নিজেদেরকে খ্রিস্টান বলে পরিচয় দিচ্ছে।তবে তারাঁ কাগজে কলমে নিজেদের আবার শিখ উল্লেখ করছে।কারণ খ্রিস্টান বলে উল্লেখ করলে তারা বিশেষ সুবিধা আর পাবে না,যা সাধারনত দলিত সম্প্রদায়ের মানুষ পেয়ে থাকে।এ থেকে বোঝা যায়,পান্জাবের প্রায় এখন 15-20 শতাংশ মানুষ এখন খ্রিস্টান।
]
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই জুলাই, ২০২৫ রাত ৯:০৩
Swarup Dattatreya blog বলেছেন: হমম