| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অরুনাচল তিব্বতের ছায়া বলেও পরিচিত এ রাজ্য। ভারতের উত্তর পূর্বে চীনের সীমান্তে ঘেষা এ রাজ্যের র য়েছে সমৃদ্ধ ইতিহাস,সংস্কৃতি। তিব্বতের কোল ঘেষাঁ এ রাজ্যে,সবসম য় তিব্বতের সংস্কৃতি প্রভাব ফেলেছে। রাজনৈতিকভাবে ও আলোচনায় থাকে এ রাজ্য। চীন ও ভারত উভয় দেশ এই রাজ্যকে নিজেদের বলে দাবি করে।যদিও ভারতের রাজ্য বলে স্বীকৃত তবু ও চীন এ রাজ্যের উপর নিজেদের দাবি ছাড়ে নি।
লম্বা সময় যাবৎ এ রাজ্যে বৌদ্ধ ধর্ম প্রভাব বিস্তার করে। উপজাতিদের ধর্ম দোনিও পলোর ও ব ড় প্রভাব রয়েছে। তবে গত 60-70 বছর যাবৎ অরুনাচলে খ্রিস্টান মিশনারীদের প্রভাব বেড়েই চলেছে। তাই,ভারতের অভ্যন্তরে রাজ্যটির খ্রিস্টীকরণ নিয়ে বিরুপ মনোভাব দিনকে দিন বেড়েই চলেছে।
অরুনাচলের খ্রিস্টীয়করণ:
অরুনাচলের খ্রিস্টীয়করণের এক লম্বা ইতিহাস রয়েছে। মিশনারীরা ব্রিটিশযুগ থেকেই উত্তরপূর্বের রাজ্যগুলোতে খ্রিস্টধর্মের প্রসারের জন্য কাজ করছে। তাতে কিছুটা সফলতাও তারা পেয়েছে। নাগাল্যান্ড,মেঘালয় ও মিজোরামের বড় এক অংশ খ্রিস্টধর্মের পথে।এ রাজ্যগুলো এখন খ্রিস্টীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ। তবে অরুনাচলে ব্রিটিশ যুগে সফ ল হতে পারে নি মিশনারীরা। ভারত স্বাধীন হ ওয়ার পর এর বিপরীতটাই দেখা যায় অরুনাচল প্রদেশে। আস্তে আস্তে খ্রিস্ট্রধর্মের প্রভাব বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। যেখানে 1951 সালে 1% এর ও কম মানুষ খ্রিস্টান ছিল, এখন তা পৌছেছে 38% র কাছাকাছি। গত ক য়েক দশকে রাজ্যটিতে ব্যাপক খ্রিস্টীয়করণ করা হয়েছে। বিদেশি অর্থ সাহায্যের নামে রাজ্যটির জনমিতিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।
©somewhere in net ltd.