| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
গোপালগন্জে যা হচ্ছে তা নিয়ে কিছু বলা দরকার। বিষ য়টা এমন ন য় যে,আমি এ ব্যাপারে অনেক কিছু জানি কিংবা বুঝি। তবে আর 8-10 সাধারন মানুষের মতো গোপালগন্জের ঘটনা আমার ও উদ্বেগের কারণ হ য়ে দাড়িঁয়েছে। 5 আগস্ট আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর থেকেই বলতে হবে গোপালগন্জের অবস্থা থমথমে। বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ একটি জেলা হিসেবে গোপালগঞ্জ সবসময় বিবেচিত হয়ে থাকে। বিশেষকরে,শেখ পরিবারের নিজস্ব ঘাটি হিসেবে গোপালগঞ্জের সুনাম কিংবা বদনাম সবসম য় র য়েছে। শেখ হাসিনার গদি ছাড়ার পর থেকেই গোপালগন্জে নিয়ে আলোচনা বেড়ে গেছে। গত বছর ও এধরনের পরিস্থিতির সূত্রপাত হ য়েছিল। কিন্তু এবারের ঘটনাটা যেন আগেরবারের চেয়ে আলাদা। হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে,চারিদিকে চলছে সংঘর্ষ। তা এখন এমন অবস্থায় যে,সরকারি সূত্র মতে চারজন নিহত হ য়েছে। কিছু সূত্র মতে,মৃতের সংখ্যা প্রায় 20 জনের কাছাকাছি। সংঘর্ষের কারনে গোপালগন্জের পরিস্থিতি থমথমে। এনসিপির নেতারা তাদের জীবন নিয়ে বেচেঁ ফিরেছে সেটাই তাদের ভাগ্য। পরিস্থিতি সামলাতে সেনাবাহিনীকে গুলি পর্যন্ত করতে হয়েছে। পরিস্থিতি যে ভ য়াবহ তা সহজে বোঝা যাচ্ছে। এ অবস্থার জন্য ছাত্রলীগ ও পূর্ববর্তী সরকারের নেতাদের দোষারোপ করা হচ্ছে। তাদের নির্মূল করার ঘোষনা দেওয়া হচ্ছে। তবে ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে,এতে অন্য রাজনৈতিক দলের নেতাদের দোষ ও কিন্তু কম নয়। সরকার পতনের পর হতেই গোপালগন্জের মানুষদের বিভিন্ন ভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে। গোপালগন্জের নাম পরিবর্তনের ডাক দেওয়া হচ্ছে,যদি এর প্রথম কৃতিত্ব যায় বেগম খালেদা জিয়াকে। তার পথ অনুসরন করে এনসিপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারা গোপালগন্জকে হেনস্থা করার চেষ্টা করে। একথা সতিৎ যে,গোপালগন্জে এখন ও শক্তিশালী আওয়ামী উপস্থিতি আছে,তবে এর মানে এ ন য় যে তারা সবাই ফ্যাসিস্ট কিংবা স্বৈরাচারী। কিন্তু,এনসিপির কতিপ য় নেতার গোপালগন্জের বিরুদ্ধে যুদ্ধাংদেহি মনোভাব ও গোপালগন্জকে জ য় করার বাসনা হীতে বিপরীত হয়েছে। যা আমরা এখন হাতে নাতে প্রমান পাচ্ছি। সর্বত্র এখন ভ য়ের মহল,ধ্বংসের রাজ্য। এতেই প্রশ্ন জাগে?
গোপালগন্জ থাকবে তো?
©somewhere in net ltd.