| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জেনারেল ওসমানি কেন ১৬ই ডিসেম্বর উপস্থিত ছিলেন না
জেনারেল ওসমানি ছিলেন বাংলাদেশের সেনা বাহিণীর প্রধান, জেনারেল শ্যাম মানিক শ ছিলেন ভারতীয় বাহিণীর প্রধান এবং জেনারেল ইয়াহিয়া ছিল পাকিস্থান বাহিণীর প্রধান। সেনা প্রটোকল অনুযায়ি---
যদি ইয়াহিয়া আত্মসমর্পন করতো তাহোলে সেখানে উপস্থিত হোতেন জেনারেল ওসমানি এবং জেনারেল মানিক শ ।
নিয়াজি ছিল ডেপুটি সেনা প্রধান তাই তার সম রেংকের ভারতীয় বাহিণীর জেনারেল অরোরা এবং মুক্তিবাহিণীর উপপ্রধান এয়ার কমোডর এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন আত্মসমর্পন অনুষ্ঠানে ।
কেন পাকিস্থান বাহিণী মুক্তিবাহিণীর কাছে আত্মসমর্পন করে নি
মুক্তিবাহিণী জাতি সংঘের রিকগনাইজ বাহিণী ছিল না, তাই মুক্তিবাহিণী জেনেভা কনভেনশন মানতে বাধ্য ছিল না এবং আত্মসমর্পনের পরে মুক্তিবাহিণী যদি পাকিস্থান বাহিণীকে কচুকাটা করে ফেলত , তাহলে মুক্তিবাহিণীকে অভিযুক্ত করা যেত না , তাই পাকিস্থান বাহিণীর সেনাদের রক্ষা করার জন্য , তারা ভারতীয় বাহিণীর তত্তাবধানে আত্মসমর্পন করে যৌথ বাহিণীর কাছে ।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:১৩
এ আর ১৫ বলেছেন: আবার পোস্টের বিষয়ের বাহিরে লিখছেন ।
হাদির সমালোচনা করলে আপনার এত লাগে কেন ? আপনি কি শাউয়া মতবাদে বিশ্বাষি । যারা হাদির প্রশংসা করে পোস্ট দিয়েছে , তখন তো সেখানে কোন আপত্তি করেন নি ।
২|
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:২৬
রাজীব নুর বলেছেন: ওসমানি কেন ১৬ই ডিসেম্বর উপস্থিত ছিলেন না? কারণ তখন তিনি অসুস্থ ছিলেন।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৩৭
এ আর ১৫ বলেছেন: অসুস্ত ছিলেন উপ সেনা প্রধান মেজর জেনারেল মুহাম্মদ রব , তাই ২য় উপপ্রধান এ কে খন্দকার সেখানে ঊপস্থিত হন । ওসমানি সাহেব সিলেট অন্চলে ছিলেন এবং সুস্থ ছিলেন ।
৩|
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৩:১১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: হাদির সমালোচনা করলে আপনার এত লাগে কেন ? আপনি কি শাউয়া মতবাদে বিশ্বাষি । যারা হাদির প্রশংসা করে পোস্ট দিয়েছে , তখন তো সেখানে কোন আপত্তি করেন নি
আপনি ওসমান হাদিকে নিয়ে কপি লেখা দেন ; একটা ইনফো আাপনি নিজে থেকে বের করেন নি । হাদিকে খুনের পিছনে আপনি জাশির হাত আছে বলে মনে করেন । হটাত হাদিকে নিয়ে কেন এতো লেখালেখি ? কারণ হলো সেখানে আওয়ামি লিগের হাত আছে বারবার এই কথা আপনাদের শুনতে ভালো লাগছে না । পলিটিকাল কারণে খুন কি হাদি ১ম হলো ?
আমি হাদিকে নিয়ে লিখি না কারণ সে আর বেচে নাই । কিনতু দেশের আইন শৃঙ্খলা যে খুব খারাপ সবসময় লিখেছিু। হাদি সাহেব মারা যাওয়ার আগে কেউই তাকে নিয়ে লিখেনি ।
৪|
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ২:১৫
হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
জেনারেল ওসমানি কেন ১৬ই ডিসেম্বর উপস্থিতি প্রয়জন ছিল না, কারন সেখানে ভারতীয় সেনা চিফ উপস্থিত ছিল না।
এটা প্রটোকলের ব্যাপার।
আর ভারত আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে 'ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ' বললে আমি বিন্দুমাত্র ভুল দেখি না।
বরং 'ভারত ৭১এ মুক্তিযুদ্ধ করেছে' বলা হলে সেটা হাস্যকর হবে।
কারন শত্রুকবলিত ছিল আমাদের বাংলাদেশ, ভারত নয়।
'ভারত মুক্তিযুদ্ধ করেছে বলা হলে সেটা হবে সম্পুর্ন ভুল। তাহলে তো ভারতীয় সেনাদের মুক্তিযোদ্ধা বলতে হয়।
ভারত আমাদের মুক্তিযুদ্ধে সাহায্য করেছে যুদ্ধের শেষদিকে পুর্ব ও পশ্চিম উভয় ফ্রন্টে আক্রমণ করে যুদ্ধে দখলদার পাকিস্তানিদেরকে পরাজিত করেছে। ভারতীয় সেনারা মুক্তিযুদ্ধ করেনি। ভারতীয় সেনারা ভারতকে মুক্ত করেনি।
১৯৭১ সালের ১ মার্চ আমাদের মুক্তিযুদ্ধ শুরু । ভারত–পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। ৩ ডিসেম্বর পাকিস্তান ৩ ডিসেম্বর বিকালে। যুদ্ধে ভারতই প্রথম আক্রান্ত হয়েছিল। পশ্চিমফ্রন্টে। ভারতের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের এগারটি বিমানঘাঁটিতে বিমান হামলা ও ভয়ানকভাবে স্থল হামলা চালায়। করে এই আক্রমণের পর ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক ভাবে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
যুদ্ধের মাত্র ১৩ দিনের মধ্যে পুর্বানচলে ভারত স্পষ্টভাবে বিজয় প্রতিষ্ঠা করে, এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১-এ পাকিস্তান ঢাকায় আত্মসমর্পণের স্মারক স্বাক্ষর করে। তখনো পশ্চিম ফ্রন্টে পাকিস্তানি বাহিনী ভয়াবহ আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছিল। ভারতের দৃষ্টিতে এটা নিশ্চিত ভাবেই ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ।
আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ৭১এ শুরু হলেও মুক্তিযুদ্ধে শুরু ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রদত্ত ৬ দফা জারির দিন থেকে। স্বায়ত্তশাসন পৃথক অর্থনীতি রাজস্ব কর ও শুল্ক পৃথক কারেন্সি ইত্যাদি মানে অলমোষ্ট স্বাধীনতার দাবী।
৭১ এ বাংলাদেশের জনগন মুক্তিযুদ্ধ করেছে। এবং যুদ্ধের শেষদিকে ভারতীয় বাহিনির সাথে একটি জয়েন্ট টাস্কফোর্স মিত্রবাহিনী গঠিন করে ঢাকার পতন ঘটিয়ে যুদ্ধের সমাপ্তি হয়েছে। এবং আত্নসমর্পন দলিলে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ বাহিনীর কাছে আত্নসমর্পন করা হচ্ছে বলে লেখা দলিলে পাকিস্তানের আত্মসমর্পনের দলিলটা দেখেন, দেখবেন সেখানে জেনারেল অরোরার ডেজিগনেশন লেখা হয়েছে পুর্বাঞ্চল মিত্র বাহিনীর একজন কমান্ডার (নট ভারতীয়) , -
‘জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ইন চিফ,
ইন্ডিয়া অ্যান্ড বাংলা দেশ ফোর্সেস ইন দ্য ইস্টার্ন থিয়েটার’,
অর্থাৎ পাকিস্তা সেনারা সেদিন আত্মসমর্পন করেছিল ভারতের সেনাবাহিনীর কাছেও না, বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর কাছেও না, তারা সেদিন আত্মসমর্পন করেছিল মিত্রবাহিনী তথা ভারত এবং বাংলাদেশের সম্মিলিত বাহিনী মিত্র বাহিনীর কাছে,
পদাধিকার বলে সেই সম্মিলিত বাহিনীর একজন শীর্ষ অধিনায়ক অরোরার কাছে। স্বাক্ষর করা দলিলে প্রমান এখনো অটুট।
আমাদের ৭১ এর যুদ্ধ ও মুক্তি সংগ্রামকে আমরা মুক্তিযুদ্ধ বলবো।
ভারতের সাইড থেকে ভারতীয়রা 'ভারত-পাকিস্তান' যুদ্ধ বলবে। সেটা ১০০% সঠিক।
৫|
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ ভোর ৪:৫০
আলামিন১০৪ বলেছেন: ওসমানী তো হেলিকপ্টার স্যাবোটাজে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন নি, এরকমটাই শুনেছিলাম...
ভারত বাংলাদেশের বিজয় ছিনতাই করেছে জানেন তো, পাকিদের বাঙ্গালীদের ভয় দেখিয়ে সারেন্ডার করানো হয়েছিল...নেগোশিয়েন মিটিং এ আরেকটু হইলে নিয়াজি কাপড় নস্ট করে ফেলছিল
৬|
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১১:০৮
রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:২৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: হাদিকে নিয়ে লেখা বাদ দিয়েছেন বিধায় আপনাকে ধন্যবাদ ।