| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
প্রাচীন ভারতে ধর্ম প্রচারকরা অভিজাত বংশের ছিল। শুধু তাই নয়, দর্শন বিজ্ঞান কাব্য সাহিত্য সবই ছিল তাদের একচেটিয়া। প্রাচীন ভারতীয় রাষ্ট্র ব্যাবস্থায় স্তুতি গায়কদের একটি বিশেষ অবস্থান ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়। তাহারা তাহাদের কবি প্রতিভাকে ধর্মের কাজে লাগাইয়া রাজা ও ধনীর প্রানের ইচ্ছা দেবতাদের নিকট নিবেদন করিত। এ জন্যে তাহারা মোটা রকমের পারিশ্রমিক ও বকশিস পাইত। এভাবে তাহাদের খ্যাতি ও পদোন্নতি হইত। এবং বিশেষ ভাবে দেবতাদের দ্বারা অনুগৃহিত বলিয়াও বিবেচিত হইত। বৈদিক যুগের শেষে এই প্রথা হইয়াছিল যে, পূজা সমস্ত রাষ্ট্রের জন্য প্রয়োজনীয়।
কে হে?
আমি না। আমি না। ইতিহাসবিদ পন্ডিতরা যা বলে’ আর কী?
মঞ্চের আলো হঠাৎ জোরাল হলে নাট্যকার ছুটে আসে। উত্তেজিত। চিৎকার করে ওঠে, এটা অভিনয় হচ্ছে? অভিনয়!
মাঝ বয়সী ভদ্রলোক জিজ্ঞাসু চোখে সম্ভ্রম মেশান গলায়, আপনি...
আমি?
সাফ্ সুত্র ধর্ম পুত্র যুধিষ্ঠীরের নাতি। একা একা ট্রেনে যাই, একা একা বাসে। আর একা একা বেয়ে যাই কৈলাসের সিঁড়ি। একজন কল দিল, ওয়ান স্পেড। অরেক জন টু হার্ডস। আরেক জন পাস। হৈচৈ হুল্লোড় তামাশা, বয়স্ক লোকটা হা হা করে উঠল, বলেছি না আজ ভোগাবে। সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ। আমি তখন একা।
তুই কী? এত বছর যাতায়াত করছিস এখনও তাস খেলাটাও শিখলি না!
আমি কী পিছিয়ে যাচ্ছি? তুমি বলবে, পিছিয়ে নয়, তুমি থেমে গেছ। সময়টা ছুটছে।
কদম কদম বাড়ায়ে যা। খুশি কে গীত গায়ে যা...
২|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:১৫
অড়বরই বলেছেন: ধন্যবাদ। যাব।
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:২৬
জয়তি বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন: প্রাচীন ভারতে ধর্ম প্রচারকরা অভিজাত বংশের ছিল। শুধু তাই নয়, দর্শন বিজ্ঞান কাব্য সাহিত্য সবই ছিল তাদের একচেটিয়া। প্রাচীন ভারতীয় রাষ্ট্র ব্যাবস্থায় স্তুতি গায়কদের একটি বিশেষ অবস্থান ইতিহাস সাক্ষ্য দেয--আপনি কি অভিজাত বলতে উচ্বচ-বর্ণ বোঝাচ্ছেন?
--ভালো লাগল লেখাটি--মনে করা হয় এমনই এক রাজার স্তুতি লিখন জনপ্রিয় হতে থাকে,কবিদের হাতে হাতে ডালপালা বেড়ে যায়--তারপরে এক প্রতিভাবাণ কবির হাতে অমর মহাকাব্য হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।আসবেন আমার ব্লগে--