নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একজন সাম্প্রদায়িক বলছি।

আবীর রায়

আবীর রায় › বিস্তারিত পোস্টঃ

সংখ্যাগুরুর মাথাব্যথা!

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:৩৪

উগ্র মুসলিম সমাজ প্রায়শই বলে থাকে এদেশে হিন্দু মাত্র এক পার্সেন্ট। তর্কের খাতিরে ধরেই নিলাম বাংলাদেশে হিন্দুরা মোট জনসংখ্যার মাত্র একভাগ। তাহলে মাত্র এই এক ভাগ হিন্দুদের নিয়ে ওদের সবার ঘুম হারাম কেনো? এই অল্পসংখ্যক সংখ্যালঘু নিয়ে সংখ্যাগুরুদের এত মাথাব্যথার হেতু কি?
তারা শতাধিক সাংবাদিক নিয়োগ করেছে, ব্লগ তৈরি করেছে, টিভি চ্যানেল খুলেছে, হাজার হাজার ইন্টারনেট ও ফেসবুক একটিভিস্ট টাকা দিয়ে পুষছে যাদের একটাই লক্ষ্য, হিন্দুদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানো!

লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করছে বুদ্ধিজীবিদের পিছনে, জেনো তারা কৌশলে বই পুস্তকে হিন্দুবিদ্ধেষ ঢুকিয়ে দেয়, জেনো হিন্দুদের নিয়ে কুৎসা রটায়। তারা হিন্দুদের মধ্যে দালাল তৈরি করছে, হিন্দুদের মুসলিম বানানোর জন্য পুরষ্কার ঘোষণা করছে, আরো কত কি!

প্রশ্নটা হলো এই গুটিকয়েক (তাদের মতানুসারে) হিন্দুকে ডিফেন্ড করার জন্য ওদের এত আয়োজন কেনো? কেনো এই কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগ?

এসবের কারণ;
প্রথমত, উপরে উপরে যাই বলুক তারা ঠিকি জানে যে এদেশে হিন্দু জনসংখ্যা মোটেই একভাগ নয়। বরং তারচেয়ে ঢের বেশি।
দ্বিতীয়ত, এদেশের হিন্দুদের মেধা, বুদ্ধি, এবং প্রজ্ঞা। ওরা অভিজ্ঞতা থেকে ভালো ভাবেই বুঝেছে, একটা শিক্ষিত হিন্দুর কাছে মাদ্রাসায় পড়া এক হাজার মুসলিম কিছুই না।
সুতারং এই শিক্ষিত হিন্দু সমাজ জ্ঞানার্জন, চাকুরীসহ সব দিক থেকে স্বাভাবিক ভাবেই এগিয়ে থাকবে ( অতিকথন মনেহলে বিসিএস, বুয়েট, মেডিকেল সহ বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর ভর্তি পরীক্ষার দিকে একটু চোখ বুলিয়ে নিন)। ওদের ঐ তথাকথিত শিক্ষিত আধাজঙ্গীরা জীবনেও এই প্রজ্ঞাবান হিন্দু সমাজের সাথে পেরে উঠবেনা।

যা ওদের মিথ্যে ইতিহাস আর গল্প দিয়ে গড়া ধর্মীয় ভিত্তিকে আস্তে আস্তে নরবরে করে দিবে। কারণ তাতে সমাজ পরিচালনার ভার স্বাভাবিক ভাবেই শিক্ষিত হিন্দুর হাতে চলে যাবে। তাতে ক্রমেই ফাঁস হতে থাকবে ওদের মিথ্যের জাল।

তাই তো এত আয়োজন, তাই তো এই কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগ। এ উদ্দেশ্যই বাস্তবায়ন করেন শিক্ষক সমাজ এবং শিক্ষাবোর্ডগুলো। তারা হিন্দু শিক্ষার্থীদের শান্তিতে পড়ালেখা করতে দেয়না, জোর করে আল্লার নাম বলাচ্ছে, গরু খাওয়ানো হচ্ছে, ইচ্ছে করে নাম্বার কম দিচ্ছে, হিন্দু ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাঝে পরীক্ষা রাখছে।

কিন্তু তাতে কি? এত কিছু করেও কি কোন লাভ হচ্ছে? বরং তাতে প্রতিযোগিতা প্রিয় হিন্দু শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রস্তুতি আরো বাড়িয়ে নেয় পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য।
এখন চিন্তা করুন এ বাধাগুলো না আসলে হিন্দুদের উন্নতি কোথায় পৌছে যেত। হয়ত তখন এই দশ ভাগ হিন্দুই সংখ্যাগুরুর নব্বই ভাগের সমান হয়ে দাঁড়াত। সেটাই ওদের ভীতির কারণ।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.