নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার লেখা কারো ভালো লাগলে ০১৮১৫৩৩৮৩৭৫ নাম্বারে বিকাশ কিংবা লোড নতুবা ডাক বিভাগের সেবা নগদে মজুরি পাঠালে আমি গর্ববোধ করবো ৷ আমার জীবনের বেশীরভাগ সময় আমি লিখে কাটাতে চাই, আমার ফেসবুকের ঠিকানা, www.facebook.com/abdur.sharif

আবদুর রব শরীফ

আমার লেখা কারো ভালো লাগলে ০১৮১৫৩৩৮৩৭৫ নাম্বারে বিকাশ কিংবা লোড নতুবা ডাক বিভাগের সেবা নগদে মজুরি পাঠালে আমি গর্ববোধ করবো ৷ আমার জীবনের বেশীরভাগ সময় আমি লিখে কাটাতে চাই, আমার ফেসবুকের ঠিকানা, www.facebook.com/abdur.sharif অথবা Abdur Rob Sharif

আবদুর রব শরীফ › বিস্তারিত পোস্টঃ

শিখরের গল্প

২৮ শে জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৮

সারস পাখি যখন মাছ শিকার করে তখন নিঃশব্দে পানির দিকে তাকিয়ে থাকে,
.
পেটে ক্ষুধা! ছোট ছোট মাছ এসে পায়ে ঠোকর দেয়! নিঃশব্দে সে পানির দিকে তাকিয়ে থাকে!
.
একাগ্রচিত্তে,
.
আশে পাশে মাছ আসে মাছ যায়, খেলা করে, চলে যায়!
.
সে অপেক্ষা করে বড় মাছের জন্য, কঠিনভাবে! নড়ে চড়ে না!
.
সুযোগের অপেক্ষা! একবার বড় মাছ এলেই সে ওমনি নিজের শিকারি রূপ নিয়ে আবির্ভাব হয়!
.
একটা বড় মাছের আশায় সে ছোট ছোট মাছের দিকে খেয়াল রাখে না,
.
অতপর বড় শিকারের স্বাদ থাকে অপেক্ষা ভুলিয়ে দেয়
.
জীবন এমনি, আপনি যখন বড় কিছুর জন্য অপেক্ষা করবেন, ছোট খাট অনেক বিষয় ছেড়ে দিতে হবে!
.
দেখেও না দেখার ভান করতে হবে! কে আপনার পায়ে কামড়ালো! কে নিন্দা কিংবা কাহার পরনিন্দা!
.
যে খেলে সে কখনো দর্শকের দিকে তাকিয়ে থাকতে পারে না অথবা চোখ পড়লে ফিরিয়ে নিতে হয়,
.
সমস্ত দর্শকরা টিকেট কেটে তার খেলা দেখতে আসে, হাসে, কাঁদে, হাততালি দেয়, বোতল নিক্ষেপ করে নতুবা জয়োল্লাস!
.
ছোট খাট বিষয় মাথায় রেখে কখনো জীবনে আগানো যায় না! কিছু বিষয়ের কবর রচনা করে এগুতে হয়,
.
সাময়িক আবেগ, ইচ্ছে কিংবা ফুল শয্যা!!!
.
আরো আগ্রাসি হয়ে নিজেই নিজের উপ্রে স্টিম রোলার চালাতে হয়, এটাই জীবন, রবীন্দ্রনাথ বেঁচে থাকলে লেখার নিচে কমেন্ট করতেন, জীবনের শ্রী!
.
একটাই লক্ষ্য!
.
লক্ষ জিনিস মাথায় নিয়ে কেউ কখনো লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি,
.
বরং একটি লক্ষ্যে পৌঁছাতে গিয়ে লক্ষ জিনিস ছেড়ে এসেছে শিখর চূড়ায়!

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:১৮

রাজীব নুর বলেছেন: স্থানীয় একটা হোটেলে লাঞ্চ করতে গেছি। হাত মুখ ধুয়ে অর্ডার দেয়ার জন্য ওয়েটারের অপেক্ষা করছি। হঠাৎ পাশের টেবিলের জনৈক ভদ্রলোক আর ওয়েটারের কথোপকথন কানে ভেসে আসল।

ভদ্রলোকঃ নাহ! কি কাচ্চি দিলা! খাইয়া খুব একটা জুইত পাইলাম না। এখন ভাত অর্ডার করলাম, মাংসের মধ্যে এত হাড্ডি দেয়?

ওয়েটারঃ দেন স্যার চেঞ্জ কইরা আনি।
ভদ্রলোকঃ আরে দিসো যখন দিসো! চেঞ্জ করার কি আছে। এই হাড্ডি খাইতে মজা! ভাত খাইয়া শেষে চাবাইয়া খাবো। তুমি মাংস লইয়া আসো।

ওয়েটারঃ স্যার, মাপের বাইরে গেলে তো ডাবল প্লেটের পয়সা দিতে হবে।

ভদ্রলোকঃ আহ! খাইয়া শান্তি পাইতেছি না, আর তুমি মিয়া আসো পয়সা নিয়া। এই প্লেটে হাড্ডি দিসো দিসো, ঐ প্লেটে ভালো কইরা মাংস দিবা, নইলে কোন পয়সা দিমু না।

ওয়েটারঃ আইচ্ছা ঠিক আছে স্যার। সাথে কি পাতলা ডাল দিবো?

ভদ্রলোকঃ ডাইল দিবা? দাও। তাইলে সাথে একটু লেবু আর কাঁচা মরিচও দিও। ডাল দিয়া কাঁচা মরিচ ডইলা খাইতে হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.