নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

www.facebook.com/abdur.sharif

আবদুর রব শরীফ

বাধা বিঘ্ন না পেরিয়ে বড় হয়েছে কে কবে?

আবদুর রব শরীফ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ক্রাইসিস

২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৮

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পৃথিবী জুড়ে ১৯৪১ সাল থেকে ১৯৪৮ এই ৮ বছরে ইহুদীরা ২৬৯টি সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছিলো,
.
তারপর তারা আবার স্লোগান তুলে, সব মুসলিমরা সন্ত্রাসী না বরং সব সন্ত্রাসী মুসলিম!
.
সন্ত্রাস একটা বৈশ্বিক সমস্যা, সেটাকে পুঁজি করে বাংলাদেশের রাজনীতির মতো সব দোষ বিরোধিদলের উপরে দিয়ে দেওয়া পুরো বিশ্বের জন্য হুমকিস্বরূপ,
.
খোদ যুক্তরাষ্ট্রে ২০০৮ সাল থেকে ২০১৭ সালের জরিপে ৭১ শতাংশ চালিয়েছিলো শ্বেতাঙ্গ সম্প্রদায়!
.
তারপরতো বিশ্ব মিডিয়া স্লোগান তুলেনি, 'সব খ্রিষ্টান সন্ত্রাসী না বরং সব সন্ত্রাসী খ্রিষ্টান!'
.
১৯৪৬ সালের ২২শে জুলাই জেরুসালেমের কিং ডেভিড হোটেলে যখন ইহুদি সন্ত্রাসী গ্রুপ হামলা করে ৯১ জন নিরীহ মানুষ মেরে পেললো তখন তো কেউ বলেনি, 'সব ইহুদী সন্ত্রাসী না বরং সব সন্ত্রাসী ইহুদি!'
.
বিশ্বযুদ্ধগুলো কি মুসলিমরা লাগিয়েছিলো?
.
তেল ক্ষমতা অাধিপত্য বিস্তারের জন্য মারামারি করবেন তা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য শান্তির ধর্ম ইসলামকে পুঁজি করবেন!
.
ব্রিটিশরা নাকি জাতি হিসেবে খুব ভদ্র তাহলে আমদের কেনো তারা ২০০ বছর শাসন লুট করে গেলো ব্যবসার নামে এসে! নাকি তারা আমাদের বাপ লাগে?
.
আসলে মুখে মিষ্টি কথা বলে ভিতর দিয়ে যে চুরি মারে সে ই ভদ্র থাকে, আর সামনাসামনি কেউ চুরি নাড়ালে সে অভদ্র, বেপারটা এমন দাঁড়িয়েছে!
.
আপনারা যখন বলেন মুসলিমরা সন্ত্রাসী, মুসলিমরা সন্ত্রাসী আর আপনারা সাধু সাধক তখন বেপারখানা বড্ড বেপরোয়া মনে হয়!
.
আপনি কি জানেন মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম জঙ্গি সংগঠন হলো ইহুদিদের ‘হাগানাহ’ যা ব্রিটিশদের পৃষ্ঠপোষকতায় সৃষ্টি হয়েছিলো!
.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ফিলিস্তিনি ম্যান্ডেট পাওয়া ব্রিটিশরা বিশ্বাসঘাতকতা করে ১৯১৭ সালে হঠাৎ করেই বেলফোর চুক্তির মাধ্যমে ওই ভূখণ্ডে একটি ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছিলো ব্রিটিশ সরকার!
.
শুরু হলো হাঙ্গামা! এই এক জাতি পুরো বিশ্বের সব জায়গায় গিট্টু হাঙ্গামা লাগিয়ে দিয়ে নিজের ভদ্র লেভাজ নিয়ে দিব্যি আরামে দিন কাটাচ্ছে,
.
আমাদের শোভাকলোণী মসজিদে তৎকালীন কয়েকজনকে দেখতাম ভেজাল লাগিয়ে আস্তে করে কেটে পরে দুই পক্ষের ঝগড়া দেখে মজা পাচ্ছে!
.
সেদিন এক লোকের সন্ধান পেলাম সে নাকি তাদের গোষ্ঠীতে ভেজাল লাগিয়ে রাখে শুধু দিন শেষে বিচারক হওয়ার জন্য!
.
আমরাও এক ফালতু জাতি, যারা ভাইয়ে ভাইয়ের ঝগড়া নিজেরা মিটমাট করতে পারিনা দিনশেষে সে সুযোগ কাজে লাগিয়ে শত্রুরা আমাদের বিচারক হয়ে যায়!
.
আমাদের রাজনীতিবিদরা কাদের নালিশ করে তার একটু বিস্তারিত জানার চেষ্টা করলে বেপরাটা বুঝে যাবেন!
.
কোন আমেরিকার কিংবা ভারতের প্রেসিডেন্টকে দেখেছেন, আমাদের কাছে এসে তাদের বিরোধি দলের নামে নালিশ করতে!
.
মুসলিমরাও সেই আইডেন্টি ক্রাইসিসে ভুগছে! অন্যরা সেই সুযোগ নিয়ে তাদের পুতুলের মতো নাচাচ্ছে! জায়গামতো তাদের সব আছে আর আমাদের কেবলি দাসত্বের মনোভাব!

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৬

চাঁদগাজী বলেছেন:



সন্দ্বীপে কি কোন সমস্যা দেখা দিয়েছে?

২| ২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:১৮

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: এক অন্যায়কে আরেক অন্যায় দিয়ে বৈধতাদান করা ঠিক না। অন্যায় তো অন্যায়ই।

৩| ২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: এ সমস্যা গুলো যুগ যুগ ধরে আছে।

৪| ২৩ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৪৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: সমস্যাটা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.