নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

www.facebook.com/abdur.sharif

আবদুর রব শরীফ

বাধা বিঘ্ন না পেরিয়ে বড় হয়েছে কে কবে?

আবদুর রব শরীফ › বিস্তারিত পোস্টঃ

বেধড়ক

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৪৩

আমার মামা যখন ঋণ শোধ করতে জমি বিক্রি করার কথা ছোট্ট মামাতো ভাইকে শেয়ার করে সে তখন তার কাছে জমানো টাকা নিয়ে মামার কাছে আসে,
.
সেগুলো বিনিময়ে যাতে জমি না বিক্রী করে!
.
আমার এক বড় ভাই একটু কালো তার বউ তাকে খোটা দিলে ছোট্ট দুই মেয়ে এসে বাবাকে গামছা দিয়ে ঘষে, ফর্সা বানিয়ে আম্মুকে দেখিয়ে দিবে তাই!!!
.
বাচ্চাগুলোর কর্মকান্ডগুলো কিউট,
.
সংসারে সুখের জন্য ওরা নিজেদের অবস্থান থেকে অনেক কিছু করার চেষ্টা করে!
.
বাবা মা দাদা দাদীকে সুখে দেখতে ওদেরও ভালো লাগে,
.
যে শিশুটা বৃদ্ধাশ্রম বুঝে না তারও মন খারাপ হয় দাদা দাদীকে নানা নানীকে বাসায় না দেখে, সে ও যোগ বিয়োগ করে হিসেব মিলাতে পারে না কেনো তারা এতো বড় ঘর রেখে নীল দেয়ালের ছোট্ট খুপরিতে থাকে!
.
ছোট্ট ছেলেগুলো একদিন বড় হয়, তাদের অনেকে পাল্টে যায়!
.
শ্যামলী ফুটওভার ব্রিজে মারা যাওয়া ভিক্ষুকটি ভিক্ষার টাকা থেকে তার সন্তানকে বিকাশ করতেন কিন্তু সাংবাদিকরা তাকে ফোন করলে সে তার মাকে অস্বীকার করলো পুনরায় কিছু টাকা পাওয়া গেছে কিন্তু ওয়ারিশ পাওয়া যাচ্ছেনা শুনে সে মা মা বলে চিল্লায় উঠে বললো আসতেছি,
.
ছোট্ট ছেলে মেয়েগুলো একদিন বড় হয় এভাবে স্বার্থপর হয়ে উঠে
.
গত বছর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বাড়িঘর সম্পত্তি লিখে না দেয়ায় ছেলে মাকে বেদড়ক পিটিয়েছিলো,
.
মাত্র কয়েকদিন আগে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া কারার অভিযোগে ঠাকুরগাঁওয়ে বৃদ্ধ মাকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করেছিলো ছেলে,
.
সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরে গরুকে খড় না দেওয়ায় বৃদ্ধ বাবা মাকে বেধড়ক পিটিয়েছিলো তারি সন্তান,
.
ফুলপুর উপজেলার সাহাপুরে নাতীর কান্নার কারণ জানতে চাওয়ার অপরাধে বৃদ্ধ মাকে পুত্র এবং পুত্রবধু মিলে বেধড়ক....!
.
হাতিয়ায় নেশার টাকা ও জমির অংশ নিজের নামে লিখিত না পাওয়ায় বৃদ্ধ মাকে বেধড়ক পিটিয়ে দু’হাত ভেঙে দিয়েছিলো ছেলে,
.
সোনারগাঁ পৌরসভার দত্তপাড়া গ্রামে বৃদ্ধা মাকে বেধড়ক পিটিয়ে বাড়ী ছাড়া করেছিলো পুত্র,
.
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার ডাঙ্গীপাড়া ইউনিয়নে খেতে চাওয়ায় বৃদ্ধ মাকে পুত্র ও পুত্রবধূ মিলে বেধড়ক....!
.
বৃদ্ধ বয়সে মা বাবাকে বেধড়ক পিটিনোর খবর প্রতিনিয়ত বাংলাদেশে ঘটে চলছে,
.
জীবন পাতার এমন সব খবর রয়ে যাচ্ছে অগোচরে!
.
এভাবে বেধড়ক পিটান খাওয়া কিংবা অপমান হওয়ার ভয়ে অনেকে স্বেচ্ছায় বৃদ্ধাশ্রমে শান্তিতে মরতে গিয়ে থাকেন,
.
ছেলে হয়তো বলে আমাদের সাথে সুখে থাকতে পারতেন, বাবা হাসতে হাসতে, আমি ওখানেই অনেক সুখে থাকবো, একদম টেনশন করিসনা!
.
আমার তো বয়স হয়েছে, কথাবার্ত কিংবা খেলাধুলা, হৈ হুল্লর করার জন্য সঙ্গী লাগবে, শুনেছি সেখানে সবাই মিলে অনেক মজার গল্প গুজব করে.... ওহ্ খোকা, একদম টেনশন করবি না!
.
পরের গল্পটা কেবলি, অনেকগুলো বুড়োর একসাথে নীরবে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকার......!

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:০৫

রাজীব নুর বলেছেন: মানব জীবন এরকমই।

২| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:০৯

[email protected] বলেছেন: First of all parents shouldn't raise their children expecting something in return. That is just selfish - they didn't ask to be born. Plan and learn to take care of yourself and be happy and proud if your children becomes good human beings.

If they do take care of you then it is a bonus but personally I don't want to be burden others.

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.