| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
একজন আত্মস্বীকৃত, নৃশংস ও ঘৃণ্য রাজাকার আব্দুল কাদের মোল্লা ওরফে কসাই কাদেরের সঠিক বিচার না হওয়ার প্রতিবাদে গত ৫ ফেব্রুয়ারি শাহবাগে একদল সচেতন ও দেশ প্রেমী ব্লগারদের উদ্যোগে তৈরি হয় একটি প্রতিবাদী মঞ্চ, নাম গণজাগরণ মঞ্চ। ব্লগারদের একটাই দাবি ছিল, চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের সর্বচ্চ শাস্তি ফাঁসির রায় পাওয়া। সেই দাবিতেই চলতে থাকে আন্দোলন।
যেহেতু বাংলাদেশের একটি প্রধান রাজনৈতিক দল বি.এন.পি এর একটি অঙ্গ সঙ্গঠন হল জামাত, আর এই জামাতের প্রধান নেতা গুলোই হল প্রধান ও চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধী তাই শুরু থেকেই গণজাগরণ মঞ্চ-এর ঘোর বিরোধিতা করে আসছিল বি.এন.পি। যুক্তি হিসেবে তারা দেখিয়েছে, শাহবাগ সরকার দলের মদদ পুষ্টদের দ্বারা পরিচালিত, শাহবাগের তরুন প্রজন্ম কেন সরকারের দুর্নীতির কথা শাহবাগে তুলল না, কেন সাগর-রুনি হত্যার বিচারের দাবি উঠলো না, কেন পদ্মা সেতুর দুর্নীতির হিসাব চাইল না শাহবাগ ইত্যাদি। ফলে শাহবাগ বি.এন.পির একাত্মতা পায়নি। তাদের হাজারো চেষ্টা করেও বোঝানো যায়নি যে এটি কোন রাজনৈতিক সামাবেশ নয়।
এই শাহবাগের বিরুদ্ধে টিকতে না পেরে জামাত-শিবির পুনর্গঠিত হয়ে তৈরি করে হেফাজতে ইসলাম নামের নতুন একটি সংগঠন । তারা মানুষের আবেগের উপর ভর করে গত ৬ এপ্রিল মতিঝিলে মহাসমাবেশ ডাকে। সেখানে তারা সরকার ও শাহবাগের তরুণদের নাস্তিক বলে ঘোষণা করে এবং এই নাস্তিকদের বিচার সরকারের কাছে দাবি করে। সেখানে তারা ঘোষণা দেয় এই মহাসমাবেশ কোন রাজনৈতিক সমাবেশ নয়। তাদের একটাই দাবি, নাস্তিক ব্লগারদের ফাঁসি। সেখানে তারাও শাহবাগিদের মত সাগর-রুনি বা পদ্মা সেতু দুর্নীতি বা সরকারের দুর্নীতির কথা তোলে নি। কিন্তু মজার বিষয় হল এই সমাবেশকে বি.এন.পি ঠিকই সমর্থন দিয়েছে।
এটাকি তাদের দ্বিমুখী আর মিথ্যা নীতির প্রমাণ না??? নাকি দেশে সমস্যা তৈরি করাই তাদের প্রধান লক্ষ?? যদি তাই হয়ে থাকে তবে তাদের ধিক শত ধিক.।।।
©somewhere in net ltd.