| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ফেনা
মুক্ত ও সাদা মনের মানুষ হতে আগে চাইতাম। এখন আর চাই না। এখন একটু মুক্তি চাই, চাই জীবনটা শেষ হবে এই অপেক্ষার অবসান। [ মৃত্যুটা খুব স্বাভাবিক; বেঁচে থাকাটা অস্বাভাবিক।]

গত এক সপ্তাহ (১৮-২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ছিল ঘটনাবহুল। নতুন সরকারের যাত্রা শুরু, গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পরিবর্তন, বৈদেশিক সম্পর্কের নতুন মাত্রা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত—সবকিছু মিলিয়ে দেশের ভবিষ্যৎ গতিপথ নিয়ে চলছে আলোচনা ও বিশ্লেষণ।
তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত নতুন মন্ত্রিসভা গত ১৮ ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণ করেছে। এই মন্ত্রিসভায় মাত্র ৩ জন নারী সদস্য থাকায় বিভিন্ন মহলে সমালোচনা দেখা দিয়েছে, যা অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির প্রশ্ন উত্থাপন করেছে । সরকারের প্রথম সপ্তাহেই সশস্ত্র বাহিনী এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (ICT) বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা বিচার ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা কাঠামোতে নতুন দিকনির্দেশনা দেবে বলে মনে করা হচ্ছে । এছাড়া, ২০২৪ সালের আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নতুন সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অঙ্গীকারের প্রতিফলন বলে বিবেচিত হচ্ছে । পক্ষান্তরে চাঁদাবাজি, মারামারি, ২০২৪ সালের আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর জুলাই সনদে স্বাক্ষর না করা, ২০২৪ সালের আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের জুলাই সনদের বেশ কিছু বিষয়কে অস্বীকার করা নেয়ে বেশ বেকায়দাতেই আছে সরকার।
বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক গত সপ্তাহে নতুন মাত্রা পেয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের নতুন সরকারের সাথে বহুমুখী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ । জাপানি রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন (২৪ ফেব্রুয়ারি), এবং বাংলাদেশ ও চীন শিক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির অঙ্গীকার করেছে । এই কূটনৈতিক তৎপরতাগুলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা করা যায়।
অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে, গত সপ্তাহে একটি ইতিবাচক খবর এসেছে: বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে (২৫ ফেব্রুয়ারি) । এটি দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক এবং নতুন সরকারের জন্য একটি স্বস্তিদায়ক বার্তা।
তবে, রাজনৈতিক অঙ্গনে কিছু বিভেদও স্পষ্ট হয়েছে। জুলাই জাতীয় সনদের ওপর ভিত্তি করে প্রস্তাবিত গণভোট নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে ভিন্নমত দেখা দিয়েছে । ২০২৪ সালের আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর জুলাই সনদে স্বাক্ষর না করা, ২০২৪ সালের আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের জুলাই সনদের বেশ কিছু বিষয়কে অস্বীকার করা নেয়ে বেশ বেকায়দাতেই আছে সরকার। এটি নতুন সরকারের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হতে পারে, কারণ রাজনৈতিক ঐক্য ছাড়া বড় ধরনের সংস্কার বাস্তবায়ন কঠিন হতে পারে।
গত এক সপ্তাহ বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। নতুন সরকারের প্রাথমিক পদক্ষেপ, বৈদেশিক সম্পর্কের অগ্রগতি এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত যেমন আশার সঞ্চার করেছে, তেমনি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি এবং রাজনৈতিক ঐক্যের চ্যালেঞ্জগুলোও সামনে এসেছে। আগামী দিনগুলোতে এই বিষয়গুলো কীভাবে সমাধান করা হয়, তার ওপরই নির্ভর করবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গতিপথ।
রেফারেন্স
[1] Bangladesh Sangbad Sangstha (BSS). (Unknown). Bangladesh, Malaysia pledge stronger religious cooperation. Retrieved from
[2] Japanese envoy calls on Foreign Minister Khalilur. (2026, February 25 ). en.bd-pratidin.com. Retrieved from
[3] "Building on warm, historic ties between 2 countries": MEA ... (Unknown ). aninews.in. Retrieved from
[4] Forex reserves cross $35b ahead of Eid. (Unknown ). thefinancialexpress.com.bd. Retrieved from
[5] Tangila Tasnim. (Unknown ). thedailystar.net. Retrieved from
[6] Tarique Rahman government carries out changes in armed forces ... (2026, February 24 ). thehindu.com. Retrieved from
[7] Bangladesh referendum: The big post-election flashpoint? (Unknown ). aljazeera.com. Retrieved from
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৩৪
ফেনা বলেছেন: ভাল কিছুর আশাতেই আমাদের থাকতেই হবে। এছাড়া আমাদের আর কোন উপায়ও নাই।
২|
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৫৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এই সরকারের ১০০ দিন পার হলেই বুঝা যাবে তাদের ভবিষ্যৎ !
©somewhere in net ltd.
১|
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:২৩
রাসেল বলেছেন: যথা পূর্বং তথা পরং।
তথাপি ভালো কিছুর আশায় থাকলাম।