নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

খুব সাধারণ একজন মানুষ। বিনয়ে বলা সাধারণ নয়, সত্যিকারের সাধারণ। রূঢ় ভাষায় বললে \"গুড ফর নাথিং\"।

বিষাদ সময়

বিষাদ সময় › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্লাস্টিক সামগ্রী সম্পর্কে জানুন, স্বাস্থ্যঝুঁকি কমান

২৫ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:০৭



দৈনন্দিন জীবনে আমরা প্লাস্টিক সামগ্রী হরহামেশা ব্যবহার করি। কিন্তু এর ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে আমরা কতটুকু জানি। খাবার পণ্যে প্লাস্টিক সামগ্রীর ব্যাবহার পেটের পিড়া, হরমোনের সমস্যা, লিভারের সমস্যা এমনকি অনেক ক্ষেত্রে ক্যানসারের মতো ভয়ঙ্কর রোগের জন্য দায়ী। হয়তো এসব অনেকেরই জানা আছে, তারপরও প্রাত্যাহিক জীবনে প্লাস্টিক কে বর্জন করা আমাদের একবারেই অসম্ভব। কিন্ত প্লাস্টিক সম্পর্কে একটু ভালভাবে জানা থাকলে উপরোক্ত স্বাস্থঝুঁকি কিছুটা হলেও কমানো সম্ভব। এ সম্পর্কে গতকাল অনলাইন পত্রিকা ”অর্থসূচক” এ একটি খবর পড়লাম। খবরটি জনগুরুত্বপূর্ণ মনে হওয়ায় এখানে লিংকসহ খবরটি কপি-পেস্ট করলাম।

বিঃদ্রঃ বিষয়টি জনগুরুত্বপূর্ণ মনে হওয়ায় নিচের অংশটুকু অনলাইন পত্রিকা ”অর্থসূচক” থেকে কপি পেস্ট করা হলো।

মূল খবরের লিংক

বাজার এখন প্লাস্টিকের পণ্যে সয়লাব। পানীয় বোতল, খাবারের প্যাকেট কতকিছুতে প্লাস্টিক। কিন্তু আপনি কি জানেন কোন বোতল কতদিন ব্যবহার করা যায়?

খেয়াল করলে দেখবেন প্লাস্টিক বোতলের তলায় অথবা প্যাকেটের মোড়কে ত্রিকোণ একটি চিহ্ন থাকে। এই চিহ্নে বর্ণনা করা হয়, বোতলটি কতটা বিধিসম্মতভাবে তৈরি। ওই চিহ্নের থাকা সংখ্যা জানায় ওই বোতল কতদিন ব্যবহার করা যাবে, পরিবেশে ওই বোতলের প্রভাব কতটুকু। এটি কেমন নির্ভরযোগ্য তা এই চিহ্নের মধ্যে থাকা সংখ্যা দ্বারা বোঝা যায়। ন্যাচারাল সোসাইটি ওয়েবসাইট থেকে জানা যাচ্ছে, প্লাস্টিক বোতলের ক্রিকোণ তত্ত্ব।





ত্রিকোণের মাঝে ১ সংখ্যা থাকলে : এর মানে বোতলটি মাত্র একবার ব্যবহার করা যাবে। বোতলটিতে পলিথিলিন টেরেপথ্যালেট প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়েছে। তবে একে রিসাইকেল বা রূপান্তর করা যাবে। এ ধরনের বোতল বহু ব্যবহার স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক।

২ থাকলে: এই ধরনের প্লাস্টিক বোতলে ঘন পলিথিন ব্যবহার করা হয়েছে। মূলত শ্যাম্পু ডিটারজেন্ট, গাড়ির তেল, জুসের বোতল রাখার ক্ষেত্রে এই ধরনের বোতল ব্যবহার হয়। এটি তুলনামূলক নিরাপদ। রিসাইকেল করা যাবে।

৩ থাকলে: এই ধরনের বোতল বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ, এই বোতল তৈরি হয় ‘পোলিভিনিল ক্লোরাইড’ বা ‘পিভিসি’ থেকে। এতে অস্থিমজ্জার সমস্যা ও লিভারের সমস্যা ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ‘পিনাট বাটার’ রাখতে এই বোতল ব্যবহার করা হয়।

৪ থাকলে: এই ধরনের প্লাস্টিক বহু ব্যবহারের উপযোগী। বিশেষ করে, প্লাস্টিকের প্যাকেটে এই চিহ্ন প্রচুর দেখা যায়। খুব দামি বোতলে এই চিহ্ন থাকে।




৫ থাকলে : একদম নিরাপদ এবং ব্যবহারের যোগ্য। আইক্রিম কাপ বা সিরাপের বোতল অথবা খাবারের কন্টেনারে এই ধরনের চিহ্ন দেখা যায়।

৬ অথবা ৭ থাকলে : প্লাস্টিকের ‘রেড কার্ড’ বলা হয় একে। এই ধরনের প্লাস্টিক মারাত্মক রকমের ক্ষতিকারক। কারণ এই ধরনের প্লাস্টিক তৈরি হয় পলিস্টিরিন এবং পলিকার্বোনেট বিসপেনল-এ। এটা মানুষের মধ্যে হরমোন সমস্যা তৈরি করে। ক্রমাগত এধরনের প্লাস্টিকের ব্যবহার ক্যানসারের প্রবণতা বাড়ায়।

তাহলে পাঠকেরা এখন থেকে চিহ্ন দেখে প্লাস্টিকের বোতল ব্যবহার করুন। সুস্থ ও নিরাপদ থাকুন।
অর্থসূচক/এসবিটি

মন্তব্য ১৮ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (১৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:২৭

শামচুল হক বলেছেন: উপকারী পোষ্ট।

২৫ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:৫৬

বিষাদ সময় বলেছেন: ব্লগে স্বাগতম। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

২| ২৫ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:১৫

মোহেবুল্লাহ অয়ন বলেছেন: ঝামেলায় পড়লাম দেখি। আমরা তো বেশিরভাগ প্লাস্টিকের বোতলেই পানি খাই বাইরে গেলে।

২৫ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:২১

বিষাদ সময় বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য। আমিও প্লাস্টিক বোতল, প্লাস্টিকের জগে পানি পানি খাই। আমার জগ, অনেক দাম দিয়ে কেনা বোতল সবার নিচেই দেখলাম ৭ নাম্বার লেখা, আজই ওগুলোকে বাতিল করলাম।

৩| ২৫ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:৫২

মোহেবুল্লাহ অয়ন বলেছেন: বাসায় একটা ফুড গ্রেড প্লাস্টিকের বোতল আছে। সেটায় কোন চিহ্নই পাচ্ছি না। :-&

২৫ শে নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:০৪

বিষাদ সময় বলেছেন: আমি এই তথ্য জানার পর বাড়ির সব বোতল জগ পরিক্ষা করেছি, বেশির ভাগ জগ বা বোতলের নিচেই ৭ বা ১ পেয়েছি। আর দু একটি বোতলে কোন নাম্বার পাইনি। শুধু ফ্রিজের সাথে দেয়া একটি বোতলে ৫ পেয়েছি। সত্যি সেলুকাস এ দেশে এসব দেখার মনে হয় কেউ নেই।

৪| ২৫ শে নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:০৭

ক্ষুদ্র মানব বলেছেন: আমার খুবই প্রিয় "লোটো" ব্রান্ডের পানির বোতলের নিচে "৭" লিখা। দামও প্রায় ৩শত টাকা। তাহলেতো লেখা মতে খুবই শংকার বটে। আসলে তথ্যটি আমাদের বি. এস. টি . আই জানে কিনা বা কতটা যুক্তিসংগত?

২৫ শে নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:২২

বিষাদ সময় বলেছেন: বিষয়টি নিয়ে আপনি সচেতন হয়েছেন দেখে ভাল লাগছে। সম্ভব হলে বিষয়টি আরও ভালভাবে যাঁচাই করে প্রিয়জনদের সতর্ক করুন।
আমারও ৩৫০ টাকা দিয়ে কেনা বোতলের নিচে ৭ লেখা। আমি নেটে সার্চ দিয়ে অন্যান্য উৎস থেকেও নাম্বার সম্পর্কে প্রায় একই রকম তথ্য পেয়েছি। আর আমাদের মান নিয়ণ্ত্রণকারী সংস্থাগুলো থাকা দরকার, তাই আছে আর কি!!

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ বৃহৎ মনের ক্ষুদ্র মানব, ভাল থাকুন।

৫| ২৫ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:২২

সুমন কর বলেছেন: শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। গুড পোস্ট।

২৫ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:০৪

বিষাদ সময় বলেছেন: উৎসাহ দেয়ায় আপনাকে ধন্যবাদ। আপনিও আপনার পরচিত, প্রিয়জনদের এ ব্যাপারে সতর্ক করুন। ভাল থাকুন।

৬| ২৫ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:১৯

মনিরা সুলতানা বলেছেন: চমৎকার !!!!
ধন্যবাদ শেয়ারের জন্য ।

২৫ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৪০

বিষাদ সময় বলেছেন: ব্লগে স্বাগতম বোন মনিরা সুলতানা। সাথে পেয়ে সম্মানিত হলাম।
আপনিও বিষয়টি প্রিয়জনদের সাথে শেয়ার করুন। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন সেই কামনা।

৭| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:১৬

সচেতনহ্যাপী বলেছেন: সত্যি বলতে কি, আমি কখন খেয়ালই করি নি।। আর করবো কি, জানলে তো :-P ।।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:০৩

বিষাদ সময় বলেছেন: বুদ্ধিমান হউন, ঠিক কাজটি করুন, প্লাস্টিকের বোতলের তলার নাম্বার দেখে বোতল কিনুন, সেটাই বুদ্ধিমানের কাজ! =p~

৮| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৩৩

গরল বলেছেন: আর একটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা: প্লাস্টিক বা পিইটি যাই বলুন না কেন ওসব পাত্রে কখনও ওভেন এ খাবার গরম করবেন না না রোদে খাবার রাখবেন না তাতে ক্যান্সারের ঝুকি ১০০ ভাগ।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৪১

বিষাদ সময় বলেছেন: ব্লগে স্বাগতম। আপনার তথ্যে পোষ্টটি আরও সমৃদ্ধ হলো, সে কারণে আপনাকে বিশেষ ধন্যবাদ। আশা করি এ বিষয়টিও সবাই খেয়াল রাখবেন। চারিদিকে দুষণ আর সচেতনতার অভাবে রোগ বালাই অনেক বেড়ে গেছে।
ভাল থাকুন।

৯| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৩৯

কালীদাস বলেছেন: আগে জানতাম না। সত্যি হলে তো মহাবিপদ, প্রায় সবাই এখন পেট বতলে পানি খায় :(

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৪৭

বিষাদ সময় বলেছেন: আমিও আগে জানতাম না। জানার পর নেট ঘেটে এর সত্যতা পেলাম। এখন আমিও আছি মহাবিপদে............
সাথে থাকায় শুভেচ্ছা অফুরান................

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.