নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভাবি বেশি, বলি কম, শুনি বেশি, দেখি আরো বেশি, তবু জানি কম, লিখি বেহিসেবি। না বেশি, না কম।

অনুপমা নিশো

মানুষ হিসেবে নিজের উপর আস্থা আছে। অমানুষ নই। নতুনকে বরন করার চেষ্টার মধ্য দিয়ে নিজেকে আধুনিক করে তুলতে পণ করেছি। চিন্তা, চেতনা, জ্ঞ্যান ও চর্চায় আধুনিকতাই পারে মুক্ত বুদ্ধির বিকাশ ঘটাতে। আমি এই বিশ্বাসের উপর ভর করে পথ চলছি। মানবিকতাকেও ধরে রাখা চাই। প্রত্যেকে মোরা প্রত্যেকের তরে। বিশ্বজগতের একনিষ্ঠ ছাত্র। আজীবন ছাত্রত্তের দাবীদার। জানার যেমন শেষ নেই, শেখারও শেষ নেই। ব্যক্তি জীবনে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করি। জীবনের সকল ক্ষেত্র থেকেই সকল অভিজ্ঞতা থেকেই শেখার চেষ্টা করে যাচ্ছি। একটু আধটু লিখি, যা আছে লোক চক্ষুর অন্তরালে।

অনুপমা নিশো › বিস্তারিত পোস্টঃ

মহিলা সিট

২৪ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:০৯

শিশুমেলা থেকে বাসে উঠলাম। বৈশাখী বাস। প্রথমসারির মহিলা সিটের ভেতর একটা ফাঁকা পেয়ে বসে পড়লাম। শ্যামলী থেকে দুজন মহিলা উঠলেন। আমার পেছনের সারিতে একজন পুরুষ বসে ছিলেন। মহিলাদের একজন পুরুষটিকে সিট ছাড়তে বললেন।
জনৈক ভদ্রলোক: পিছনের সিটগুলায় মহিলা বসছে কেন?
জনৈক ভদ্রমহিলা: মহিলা সিট ছেড়ে দেন। ওগুলায় পুরষও লেখা নাই, মহিলাও লেখা নাই। এগুলায় মহিলা সিট লেখা আছে।
জনৈক ভদ্রলোক: পিছনের মহিলাদের বলেন সিট ছেড়ে দিতে!!
২য় জনৈক ভদ্রলোক: আরে ভাই সিট ছাড়েন না, দেশের প্রেসিডেন্টও মহিলা। ছেড়ে দেন।
২য় জনৈক ভদ্রমহিলা: ছুড়া গেরাইম্যা। বুঝেনা।
জনৈক ভদ্রলোক: (সিট ছাড়তে ছাড়তে) সব সিটেই মহিলা বসতে পারে। পুরুষরা মহিলা সিটে বসতে পারেনা।
৩য় জনৈক ভদ্রমহিলা: বেয়াদব ছেলে।
৩য় জনৈক ভদ্রলোক: ওই ছেলেটা যখন বাসে উঠছে তখন পিছনের আরো সিট ফাঁকা ছিল। তবু এখানে বসছে।
২য় জনৈক ভদ্রমহিলা: ছুড়া গেরাইম্যা।
তো কি হল? এখানে অনেকরকম বিতর্ক হয়ে থাকে। নারী-পুরুষ সমান অধিকার। বাসে তাহলে মহিলা সিট লেখা থাকে কেন!! যেকোন সিটে যেকোন মানুষই বসতে পারে। হুম পারে। কিছু কিছু মানুষ শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে থাকেন। পুরুষদের বেলায় বয়স আর নারীরা বাই ডিফল্ট দুর্বল হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকে। সাধারণীকরণ হয়ে তাকে এভাবেই। অনেক নারীই এটা মেনে নেন। অনেকেকে বলতেও শুনি মেয়েরা এত রাস্তা দাড়িয়ে যেতে পারে নাকি!! পারে। পারবে। ঘরের বার হতে পেরেছে। পড়াশুনা করার অধিকার অর্জন করেছে। কামাই করতে শিখেছে। একদিন নিজে সব সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। নারীরাও বাসে দাড়িয়ে যান। মহিলা সিটটা সম্প্রদান কারকে তাকে দেয়া একটা সম্পত্তি গোছের কিছু নয়। এটা তার নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠার, জোরগলায় নিজের দাবি জানাবার একটা উপায়। এটা কি বোঝেন? বুঝে নেন। মহিলা প্রেসিডেন্ট বলেই সব মহিলাদের ঝুলিতে যাবে এটা ভাবার কোন কারণ দেখিনা। উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট একটা সময়ের দাবী। এর নামে রাজনৈতিক মহলে অনেকেই নাম কিনছেন। কারোর দিতে হবেনা। নারীরাই এগিয়ে যাবে। ডোন্ট বি জেলাস গাইজ!! কারোর বোঝাপড়ায় ভুল থাকলে সে ‘গেরাইম্যা হয়ে যায় না’। গ্রামের মানুষ ভালোই বোঝেন। নারীসকল, আপনাদের ভাষা আর জ্ঞানটাকেও যুগোপযোগী করার সময় এসেছে। সচেতন হোন। নারী হিসেবে সুবিধা পাবার মনোভাবের সাথে নারী অধিকার যায়না। দুটো ভিন্ন বিষয়। ঠিকআছে?

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:০২

অতঃপর হৃদয় বলেছেন: হুম, সব ই বুজলাম।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.