নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে বিরাজ সত্যসুন্দর ॥

অর্ক

...

অর্ক › বিস্তারিত পোস্টঃ

আর্কাইভ থেকে: তান্নুদের বাড়ি-২

০৭ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:১৪



তারপর তান্নুদের বাড়ি আর যাওয়া হয়নি। যাবার ইচ্ছেও হয়নি। জানি না, ওরা সেখানে আছে কিনা! ঠিকাদারপাড়া নাম জায়গাটার। ঠিকাদাররাই মূলত থাকতো। পাশে ঝুপড়িতে নিঃসঙ্গ এক বাউল বাস করতো; লাকড়ির চুলো, দুয়েকটি তৈজসপত্র, একতারা। খুব গরীব। তান্নুরা বড়োলোক। ওর ভাই রাশিয়াতে গিয়ে মেলা টাকাপয়সা করেছিলো। বাড়ির সামনে ইটের রাস্তা। অল্প দূরে বহু পুরনো মেহগনি গাছ। সেখানে অতিকায় শকুনদের বাস। ভোরে গেলে দেখা যেতো, শতশত শকুনের আনাগোনা। তান্নুদের বাড়ি একবারই গিয়েছিলাম। টোস্ট বিস্কুট খেয়েছিলাম। (চায়ের ব্যাপারটা আজ আর নিশ্চিত হতে পারি না।) নিঃসঙ্গ গরীব বাউলের জন্য দুঃখ হতো। বিকটাকার শকুনদের যমের মতো ভয় পেতাম। তখন ছোটো ছিলাম; পনেরো-ষোলো বয়স। তান্নু আমার সহপাঠী ছিলো। ভীষণ সুন্দরী। যাকে বলে, দুর্ধর্ষ সুন্দরী!

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৯

অর্ক বলেছেন: আমার শৈশবে এরকম বিরাট মেহগনি গাছ ছিলো। ভোরে সেখানে গেলে দেখা যেতো, হাজারো শকুন অনবরত আসছে যাচ্ছে। চারপাশের আকাশ ঢেকে আছে শকুনদের আনাগোনায়। শকুন আর শকুন! দুঃখ হয় যখন শুনি, শকুন বিলুপ্তির পথে। বাংলাদেশে শকুন আর সেভাবে দেখা যায় না!

২| ০৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: পড়লাম ।

০৮ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৩৫

অর্ক বলেছেন: ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.