নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সত্যের সন্ধানে - জানতে চাই - বলতে চাই

মোঃ আয়ান মিয়া

প্রবাসী বৃটিশ বাংলাদেশী[email protected]

মোঃ আয়ান মিয়া › বিস্তারিত পোস্টঃ

পীরে এ কামিল হওয়ার ২য় ছবক: কারামতি-“

১২ ই অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১০:৩২

হুজুর যা বলবেন তা শুনতে হবে । হুজুর যদি বলেন: "“আমি স্বাক্ষ্য দিচ্ছি যে, ইবলিস (আ: ) ব্যতীত তোমাদের কোন ইলাহ নেই”" তখন নাউযুবিল্লাহ না বলে চুপ করে হুজুর কেবলা কাবার ধ্যান করতে হবে ।



কোন বুজুর্গ বলিয়াছেন: “যেই ব্যক্তির পীর নাই তাহার পীর শয়তান” ।



হাফেজ রাহমাতুল্লাহি আলাইহি ফরমাইয়াছেন :

কামেল পীরের আদেশ পাইলে নাপাক শারাব দ্বারাও জায়নামাজ রঙ্গিন করিয়া তাহাতে নামাজ পড় ।



১. কামেল পীরের আদেশ নিরাপত্তিতে আদায় করিবে ।



২. প্রকাশ্যে শরীয়াতের খেলাফ হয়, তবুও তুমি নিরাপত্তিতে আদায় করিবে ।



-তিনি সব জানেন, ভালমন্দ সব চিনেন, কম বুঝেন দরুণ প্রকাশ্যে তুমি উহা শরীয়াতের খেলাফ দেখ কিন্তু মুলে খেলাফ নহে।



শা’রানী প্রণীত “আত-ত্বাবাকাতুল কুবরা” –সূফী আউলিয়াদের কারামতের বর্ণনা থেকে :

শা’রানী তা্ঁর সূফী গুরু মুহাম্মদ আল খুজারী সম্পর্কে বলেন:



শায়েখ আবুল ফাযল আসসারসী জানান যে, একদা কোন এক জুমা’-আয় তিনি তাহাদের মাঝে আগমন করলেন ।

অতঃপর তারা তাঁর নিকট খুৎবা দানের আবেদন জানালো । তিনি মিম্বরে আরোহন করলেন আল্লাহর একক প্রসংশা ও গুনকীর্তণের পর বললেন:



“"আমি স্বাক্ষ্য দিচ্ছি যে, ইবলিস (আ: ) ব্যতীত তোমাদের কোন ইলাহ নেই”" ।

অতঃপর জনগন বলে উঠল:

লোকটি কফুরী করেছে ।

তখন তিনি তরবারী উচিয়ে মিম্বর থেকে নেমে পড়লেন ।আর সকল জনগন জামে মসজিদ হ’তে পালিয়ে গেল ।



অতঃপর তিনি আসরের আযান পর্যন্ত মিম্বরে বসে থাকলেন । কারও সাহস হলো না জামে মসজিদে প্রবেশের ।



এরপর পার্শ্ববর্তী শহরের কিছু লোক আসল । প্রত্যেক শহেরর লোকেরা বলল, তিনি তাহাদের নিকট খুৎবা দিয়েছেন ও তাহাদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করেছেন ।



আমারা গুণে দেখলাম সেদিনও তার প্রদত্ত খুৎবা ছিল ৩০ টি । অথচ দেখছি তিনি আমাদের এখানে খুৎবায় বসা ।



একটু আলোচনা:



১. ধারাবাহিক ভাবে যদি ৩০ টি খুৎবা, ৩০টি জায়গায় ৩০মিনিট করে দিতেন, তা হলে মোট সময় লাগতো ১৫ ঘন্টা ।



যেহেতু জুমা’আর সময় কমবেশ ৫/৬ ঘন্টা থাকে, এতে প্রমানিত হয় হুজুর ৩০ টি খুৎবা, ৩০টি জায়গায় এক সংগে দিয়েছিলেন ।অথচ তিনি প্রথম মসজিদে সাগরেদের মাঝে খুৎবায় বসা ছিলেন ।



২. যারা ঈমান নিয়ে মসজিদ থেকে পালাইয়া গিয়াছিল, হাসরের ময়দানে যখন অনেক প্রশ্নের সম্মুখিন হবে তখন তাহাদের পক্ষে কোন উকিল বা সাহায্য কারি থাকবে না ।



পক্ষান্তরে, যারা হুজুর কেবলার বাণী নিরাপত্তিতে: “আমি স্বাক্ষ্য দিচ্ছি যে, ইবলিস (আ: ) ব্যতীত তোমাদের কোন ইলাহ নেই”, মেনে নিয়ে ছিল, তাহারা হাসরের ময়দানে হুজুর কেবলাকে উকিল হিসাবে পাবে এবং পুলসিরাত পাড়করে দিবেন ।



-



পীর এ কামেল হওয়ার প্রথম ছবক: উরুস





মন্তব্য ১০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১০) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১০:৩৮

হাবীব কাইউম বলেছেন: =p~ =p~ =p~

২| ১২ ই অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১০:৪৪

বাদল দিনের গান বলেছেন: মাথা ঠিক আছেতো ভাই?

১২ ই অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১০:৫৬

মোঃ আয়ান মিয়া বলেছেন: প্রথম "আশেক মাশুক বা এস্কে এলাহী", বইটা পড়ুন ভাই, তার পর মাথার অবস্হা বলবো । ধন্যবাদ

৩| ১২ ই অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১০:৫০

বিডি বয়েস বলেছেন: :|| :||

৪| ১২ ই অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:০২

এরেল বলেছেন: দয়াল বাবা কলা খাবা গাছ লাগাইয়া খাও , পরের গাছের কলা দেইখা ক্যামনে চোখ পাকাও :D

৫| ১২ ই অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:১৬

বাদল দিনের গান বলেছেন: মহান সেই কিতাবে কি গুপ্তধন আছে জানাবেন দয়া করে? কোথাকার এক গনজিকা সেবক মাউলানা এসহাক, তার বই এর রেফারেনস দিছ্চেন। ওনার ঐ সব আজগুবি পেচালের ভিত্তি কী? সে আবার রেফারেনস হিসেবে উল্লেখ করবে তারই মত কিছু প্রাক্তণ ভন্ডদের নাম! কিনতু এসব আপনাকে কোরান বা সহিহ হাদিস এ নিয়ে যাবেনা কোনোদিন। কেবল কল্কিতে যথেষ্ট পরিমান টান দিয়া নিলেই এইসবে ছাই ভষ্ম খুজে পাওয়া সম্ভব ।
ভন্ডদের কবল থেকে মুক্ত থাকার শক্তি অর্জন করুন। শুভ কামনা রইল।

১৩ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ৩:০২

মোঃ আয়ান মিয়া বলেছেন: "ভেদে মারেফাত বা ইয়াদে খোদা" একেই লেখকের আরেক খানা কিতাব, যা চিশতিয়া ছাবেরিয়া তরিকার প্রথম ছবক নামে পরিচিত ।

ভাই, প্রথম কিতাব খানার রেফারেন্স দিয়েছিলাম, চরমোনাই পীর ধর্মের প্রাথমিক বিষয় বুঝার জন্য ।

দ্বিতীয় কিতাব খানা পড়ে যদি মজা পান তাহলে আরো ২৭ খানা কিতাব বর্তমান পীরের সাহেবের লিখা, কিনে পড়বেন ।
যে খরচই যাইবে তা আখেরাতের নেকের পাল্লায় উঠিবে । এটা আমার কথা নয়, পীর সাহাবের কিতাবে লিখা আছে ।

যাক, আপনার এই সব কিতাব পড়ার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না ।
আমার ইসলাম ধর্মে কোন পীর তন্ত্র নেই এবং কি কোন উপ ধর্মও নেই। তাই মোর্শেদী ইসলাম অথবা পীর মোর্শেদ,মুরিদ বলে যা কিছু বাজারে পাওয়া যায় তা হচ্ছে একটা বিকৃত ধর্ম ।

এক সময় আরবের লোকেরা ইব্রাহিম (আ: ) ধর্ম কে বিকৃত করে পালন করত কিন্তু বলত তাহারা ইব্রাহিম (আ: ) ধর্ম মধ্যে আছে কিন্তু আমরা তাহাদের কে মুশরিক বলেই জানি ।

হ্যা ভাই, প্রাক্তণ ভন্ড আর বর্তমান ভন্ড, যাদের কে বলছেন, তাহাদের কে নিয়েই এক মহা গুপ্ত ভান্ডার যার মধ্যে আছে মহা এক স্বপ্নের জগত, সে খানে আছে কি ভাবে "ফানাফিল্লাহ" লাভ করা যায় অর্থাৎ আল্লাহর সঙ্গে অবস্থান করা ।
ধন্যবাদ ।

৬| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১০:২৯

ঠোটকাটা বলেছেন: Click This Link

৭| ২১ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:০৬

রুপসী2012 বলেছেন:


এসবের মাধ্যমে মানুষের ঈমাণ নষ্ট হবে।



৮| ১২ ই মার্চ, ২০১৬ ভোর ৪:০৪

সাইফ উদ্দিন আহমেদ (সাইফ) বলেছেন: মারাত্মকভাবে পথভ্রষ্ট এক শ্রেণী। মহান আল্লাহ সুবহান ওয়া তাআলা আমাদেরকে কুফর, বিদাআত ও শিরক থেকে রক্ষা করুন। বলুন আমীন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.