| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বঙ্গবন্ধুর রক্তস্নাত রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ–বাকশালের মাননীয় চেয়ারম্যান জনাব শরীফ মোঃ আমীরুজ্জামান দেশের চলমান সংকটের উপরে এক বিবৃতিতে এ.কে.খন্দকারের লিখিত মুক্তিযুদ্ধের বই,সংবিধানে রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম, হরতাল- অবরোধ ও সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস এবং বঙ্গবন্ধুর খুনীদের উপর আলোকপাত করেছেন।প্রথমেই জনাব এ.কে.খন্দকারের বই সম্পর্কে তিনি পাঠকদের উদ্দেশ্যে বলেন বইটির সারমর্ম যাচাই-বাছাই করতে হলে আজকের থেকে 43 বছর পিছনে ফিরে তাকাতে হবে। 1971 সালে জনাব খন্দকারের বয়স কত ছিল? সেদিন উনি কোন রাজনৈতিক নয় উপপ্রধান সেনাপতি হিসেবে সামরিক বাহিনীতে দ্বায়িত্বে ছিলেন। এই ধরনের দায়িত্বে থেকে মূল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের ধ্যান-ধারনা চিন্তা-চেতনার সাথে কতটা সম্পৃক্ত হওয়া যায়? উনি জনাব এ.কে.খন্দকার 69 এর গণ অভ্যুথ্থান, 70-এর নির্বাচন, বঙ্গবন্ধুর অসহযোগ আন্দোলন এবং ঐতিহাসিক 7ই মার্চের ভাষণ মূল্যায়ন করতে কি করে ব্যর্থ হলেন। উনি কি ভূলে গেছেন বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে পাকিস্থান রাষ্ট্র যন্ত্রের একটা অংশ অচল হয়ে গেছে? উনি সেই সময়কার বিমান বাহিনীর একজন নবীন অফিসার হয়ে কি করে বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা অর্জনকারী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের সমালচনায় মুখর হলেন? বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক 7ই মার্চের ভাষণ শুধু কালজয়ীই নই পৃথিবীর ইতিহাসে এক অন্যতম রাজনৈতিক ভাষণ হিসেবে পরিগণিত। সেই ভাষনেও উনি সন্তষ্ট হননি, তাহলে কি উনাকে প্রশ্ন করা যায় বঙ্গবন্ধুসহ সেদিনের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ তাঁদের কাজকর্ম উনার সহিত শলা-পরামর্শ করেই কি করা উচিত ছিল? উনি কি ঐ সময়ে হেভিওয়েট নেতা ছিলেন? একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে বসে সেই রাষ্ট্রকে ভেঙ্গে একটি জাতির স্বাধীনতা উপহার দেয়া যে কি কঠিন কাজ সেটা বুঝতে জনাব এ.কে.খন্দকার অক্ষম হয়েছেন। 1971 সালে 26 মার্চ ভোর বেলা হতে কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে চট্রগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব আব্দুল হান্নান সাহেব বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষনা সারাদিন পাঠ করেছিলেন সেটাও জনাব এ.কে.খন্দকারের কর্ণ কুহরে প্রবেশ করেনি।পরিশেষে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোপন দলিলের সংরক্ষিত নথিতে দেখা যায় বঙ্গবন্ধু 26 মার্চের প্রথম প্রহরেই স্বাধীনতা ঘোষনা করেছিলেন। এটাও জনাব এ.কে.খন্দকার কি করে অস্বীকার করলেন? আর যদি উনি এতসব জানতেন তাহলে 43 বছর কেন অপেক্ষা করেছিলেন? সর্বোপরি বিশেষ কোন হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য জনাব এ.কে.খন্দকার এই বৃদ্ধ বয়সে সম্পূর্ণ মনগড়া মিথ্যার বেসাতি দিয়ে বইটি রচনা করেছেন কোন সন্দেহ নাই, কিন্ত আমাদের দুঃখ হয় আজ 43 বছর ধরে স্বাধীনতা পক্ষের লোক সেজে অনেক হালুয়া-রুটির ভাগ উনি পেয়েছেন, আজ হটাৎ করে ইতিহাসের খল নায়কদের রাজা বনে গেলেন।
সংবিধানের রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম
সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম সন্নিবেশিত করে দেশের অন্যান্য ধর্মাবলম্বি লোকদের নাগরিক অধিকার খুন্ন করা হয়েছে।রাষ্ট্রের কোন ধর্ম হয় না, কারন রাষ্ট্রযন্ত্র মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডায় যায় না। সর্বোপরি মুক্তিযুদ্ধের মূল্যেবোধের সহিত সাংঘর্ষিক। সুতারাং সংবিধান সংশোধন করে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিল করা হোক।
হরতাল, অবরোধ ও সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস
হরতাল, অবরোধের মত ধ্বংসাত্বক কার্কলাপ কাহারো গনতান্ত্রিক, রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক অধিকার হতে পারে না। প্রয়োজনে গণভোট দিয়ে সংবিধান সংশোধন করে হরতাল, অবরোধ থেকে দেশবাসিকে রক্ষা করুন।
বঙ্গবন্ধুর খুনীদর প্রসঙ্গে
বঙ্গবন্ধুর খুনী রাশেদ চেীধরী যুক্তরাষ্ট্রে এবং মেজর নূর চেীধরী কানাডায় অবস্থান করছে। বাকশালের পক্ষ আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি অনতিবিলম্বে তাদের ফেরৎ দিয়ে নিজেদের গণতান্ত্রিক ও সভ্যতার পরিচয় দিন।
©somewhere in net ltd.