| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মুহা মামুনুর রশীদ সনেট
"যখন তুমি এসেছিলে ভবে, কেঁদে ছিলে তুমি-হেসেছিলো সবে। এমন জীবন তুমি করিবে গঠন, মরনে হাসিবে তুমি-কাঁদিবে ভূবন।"..........."My blog_id
সেনাবাহিনীর দূর্দিন আসছে!!!
ভারত সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা শিব শংকর মেনন ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) লে জেনারেল মইনুল ইসলামের গোপন বৈঠক হয়েছে সিঙ্গাপুরে। ভোটার বিহীন নির্বাচন কালিন সময়ে সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়ার ভুমিকায় অসন্তুষ্ট ভারত সরকারের সাথে তাদের অনুগত বাংলাদেশী এই জেনারেলের বৈঠক এক আগাম সতর্ক সংকেত বলেই মনে করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সেনাপ্রধানকে সরিয়ে দিয়ে নতুন সেনাপ্রধান বানানো ও সেনাবাহিনীকে ভারতীয় বাহিনীর সহায়ক বাহিনী বানানোর প্রক্রিয়া নিয়ে এই আলোচনা হয় বলে জানা গেছে।
সুত্র জানিয়েছে, এই মুহূর্তে সিংগাপুরে অবস্থানরত ভারতীয় এই জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাথে আলোচনার জন্য বেড়ানোর উছিলায় সিজিএস লে জেনারেল মইনুল সিঙ্গাপুরে সপরিবারে যান। উল্লেখ্য চাকুরির রেকর্ডে ভারতীয়দের আশীর্বাদপুষ্ট এবং তাদের বিভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী বাংলাদেশী এ জেনারেল ইতিমধ্যেই সেনাবাহিনি ও দেশপ্রেমিক মহলে আলোচিত ও চিহ্নিত।
সহসাই সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়াকে সরিয়ে দিয়ে নতুন সেনাপ্রধান হিসেবে লে জেনারেল মইনুলকে নিয়োগ দেয়া এবং বাংলাদেশের প্রতি অনুগত দেশপ্রেমিক সেনা জেনারেল, ব্রিগেডিয়ার ও কর্নেল পদমর্যাদার বেশ কিছু কর্মকর্তাকে সরিয়ে দিতে একটি তালিকা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয় বলে সুত্র জানিয়েছে। এছাড়াও সেনাপ্রধান হলে মইনুল ভারতের পরামর্শ মোতাবেক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফরমেশনে ও লজিস্টিক বিষয়াদিতে পরিবর্তন আনবেন বলে শিব শংকরকে আশ্বস্ত করেছেন।
সামরিক সরঞ্জামাদি ও যুদ্ধাস্ত্র ক্রয়ে ভবিষ্যতে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তে ভারতের পরামর্শ মেনে রাশিয়া থেকে ক্রয়ের বিষয়টিও আলোচনায় স্থান পায়। কারণ সহায়ক বাহিনী হিসেবে একই যুদ্ধাস্ত্র না হলে ভবিষ্যতে চীন বা মায়ানমারের সাথে কোন সামরিক সংঘাত হলে সাপ্লাই পেতে বা দিতে সমস্যা হতে পারে মাথায় রেখেই এ কাজটি ভারত করতে চাচ্ছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ভারতীয় বাহিনীর কিছু অফিসারকে বাংলাদেশী সাজিয়ে নিযুক্ত করতে ভারত সক্ষম হয়েছে বলে অন্য একটি সুত্র জানিয়েছে। এই সকল ভারতীয় অফিসারদের দ্বারাই পদোন্নতি ও বদলির বিষয়ে তালিকা বানানো হয়, যা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বাস্তবায়ন করেন।
এদিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে ধীরে ধীরে ভারতীয় বাহিনীর সহায়ক বাহিনীতে পরিণত করার বিষয়ে চীন ও মায়ানমার সেনাবাহিনী উৎকণ্ঠিত বলে জানা গেছে। এমনকি ন্যাটোও এ বিষয়টিকে সুনজরে দেখছে না বলে বিভিন্ন সুত্র জানিয়েছে।
— feeling sick with Md Joinal and 54 others
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৩:৩০
মুহা মামুনুর রশীদ সনেট বলেছেন:
২|
১২ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১১:১৩
ফাহীম দেওয়ান বলেছেন: হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
কোন সুত্রবিহীন ছাগুদের তৈরি এই ভুয়া কাহিনী ফেবু ও ব্লগে হাজার হাজার সেয়ার ও রিপোষ্ট হচ্ছে।
সব আন্দোলন, নাসকতা অবরদ ব্যার্থ হয়ে যাওয়ার পর -
আবার সেই পুরনো অস্ত্র - 'বারত যুযু'
৩|
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১২:৩১
পথহারা নাবিক বলেছেন: ফাহীম দেওয়ান বলেছেন: হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
কোন সুত্রবিহীন ছাগুদের তৈরি এই ভুয়া কাহিনী ফেবু ও ব্লগে হাজার হাজার সেয়ার ও রিপোষ্ট হচ্ছে।
সব আন্দোলন, নাসকতা অবরদ ব্যার্থ হয়ে যাওয়ার পর -
আবার সেই পুরনো অস্ত্র - 'বারত যুযু'
৪|
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৪ ভোর ৪:১৪
জাহাঙ্গীর জান বলেছেন: ভারত নিজেদের খেয়ে বনের মেঘ তাঁড়ানোর ইচ্ছে হয়েছে তাই না ? একটি কথা বলি মিথ্যার ও একটা ক্লাস আছে তাই না ? কিন্তু তোমাদের ক্লাস একবারে নিচু মানের নয় কি?
৫|
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৩:২২
মুহা মামুনুর রশীদ সনেট বলেছেন: এই উক্তিটি অনেক আগে বঙ্গবীর সাহেব কোন এক জায়গায় বলেছিলেন কেন বলেছিলেন তা তার নিজস্ব ব্যাপার আর সবাই কি তার সাথে একমত কিনা তা সকলের নিজস্ব ব্যাপার । তবে জামাত তখন যা উপলব্ধি করেছিলেন তার প্রমাণ এখন সত্যিকারভাবেই দেখতে পারছি । ভারত চায় বাংলাদেশে এক ভারতেরই সেবাদাসমুলক শাসক থাকবে যা ভারত বলবে তাই পালন করবে এবং সর্বদা ভারতের প্রয়োজনকেই প্রধান্য দিবে।
এতদিন পরে এসে বিষয়টা পরিষ্কার হতে শুরু করেছে । তাহলে পাকিস্তানীদের শোষণ ও শাসন থেকে মুক্তি লাভ করে আমরা কি পেলাম ভারতের গোলামী ??? এই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে ।
১৯৭১ সালে পাক বাহিণী বাংলাদেশীদের উপর যে ভাবে গুলি অত্যাচার ধর্ষন করেছিল তারই প্রতিধ্বনি দেখতে পাচ্ছি এই আওয়ামীদের কার্যকলাপের মাঝে । তাহলে সেই পাক হানাদার বাহিনীর সাথে আওয়ামী হানাদের বাহিনীদের মাঝে পার্থক্য কিসের ???
এখন এসব প্রশ্নের জবাব খোজার সময় এসেছে জনাব বঙ্গবীর সাহেব যেভাবে উপলব্ধি করেছেন দেশ ্রেপমিক সকলকেই আমাদেরক্রে উপলব্ধি করতে হবে এবং দেশের সমুহ সর্বনাশ থেকে বাচানোর জন্য সকলকেই এগিয়ে আসতে হবে আর মুক্তিযোদ্ধা বা কোন বীর সৈনিক মানুষকে বেরেয়ে আসার ডাক দিতে হবে। সময় খুব কম তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তত তাড়াতড়ি এই কাজ অমাদেরকে সমবেতভাবে করতে হবে।
৬|
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৩:২৭
মুহা মামুনুর রশীদ সনেট বলেছেন:
৭|
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৫:৫৪
আহসানের ব্লগ বলেছেন: এতো সূত্র পান কই ?
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১১:০৩
হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
কোন সুত্রবিহীন ছাগুদের তৈরি এই ভুয়া কাহিনী ফেবু ও ব্লগে হাজার হাজার সেয়ার ও রিপোষ্ট হচ্ছে।
সব আন্দোলন, নাসকতা অবরদ ব্যার্থ হয়ে যাওয়ার পর -
আবার সেই পুরনো অস্ত্র - 'বারত যুযু'