নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভুয়া মফিজ

ভুয়া মফিজের সাথে ভুয়ামি না করাই ভালো...

ভুয়া মফিজ › বিস্তারিত পোস্টঃ

পাহাড়ের নীরব ঘাতক

০৩ রা জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৯




কথায় আছেঃ বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে।।

পোষ্টটা দিয়েছিলাম গ্রুপে, ছবি বাদে। মূল পোষ্টের ছবিগুলো সেখানে দিতে পারিনি। তাই একটু ফাইন টিউন করে এখানে পোষ্টাইলাম। যেখানের পোষ্ট সেখানেই মানায়.....কি বলেন আপনারা?


কি কারনে জানিনা, ছোটবেলা থেকেই পাহাড় আমাকে টানে প্রচন্ডভাবে। তুলনায় সমুদ্র আমার কাছে মোটামুটি একটা একঘেয়ে বিষয়। আশির দশকের শুরুর দিকে আমার জীবনে প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম আর পার্বত্য চট্টগ্রামে বেড়াতে গিয়েছিলাম। হালিশহরে আমার বড়চাচা থাকতেন তখন। উনাদের এবং আমাদের পরিবারের সবাই একসাথে রাঙ্গামাটি আর বান্দরবানও গিয়েছিলাম। এর আগে দেশের পাহাড় দেখা বলতে আমার ঝুলিতে ছিল টাঙ্গাইল, কুমিল্লার ছোটখাট পাহাড় বা টিলা দর্শন। চাচা যখন বললেন, চিটাগাং আয়, দেশের পাহাড় কি জিনিস, দেখবি……বলতে গেলে তারপর থেকেই আব্বার জীবন আমি অতীষ্ঠ করে তুলেছিলাম চিটাগাং যাওয়ার জন্য। ততদিনে অবশ্য দেশের বাইরের বেশকিছু পাহাড়ী এলাকার দর্শন হয়ে গিয়েছে আমার।
ভাবনায় ছিল চট্টগ্রামের পাহাড় আর কি হবে, টাঙ্গাইল, কুমিল্লার মতোই কিছু একটা! শুনে চাচা যেভাবে তাচ্ছিল্যের সাথে ‘টাঙ্গাইল, কুমিল্লার পাহাড়, হুহ!!’ বলেছিলেন তাতেই আমার আগ্রহ যেন শতগুনে বেড়ে গিয়েছিল।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পার হওয়ার পর চট্টগ্রাম ঢুকতেই বামদিকে পাহাড়ের সারি দেখে গাড়ীর জানালায় সেই যে নাক লাগিয়েছিলাম, পরবর্তী দশদিন আমি সেই মুগ্ধতা থেকে আর বের হতে পারিনি। চট্টগ্রাম শহরটা তখন ছিল দারুন সুন্দর। ছিমছাম আর নিরিবিলি পাহাড়ময় একটা শহর।

ঝুকিতে টাইগার পাস;


পরের বার চট্টগ্রাম যাই নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে। পরিস্কার মনে আছে, শহরে ঢুকে আতকে উঠেছিলাম। একেবারে যেন ঢাকার কার্বন কপি! শহরের পাহাড় বেশীরভাগই উধাও। এরপরে অনেকবারই বিভিন্ন কারনে চট্টগ্রাম যাওয়ার কথা উঠেছে, আর আমি বিভিন্নভাবে এড়িয়ে গিয়েছি। আর যাইনি। কক্সবাজারেও কয়েকবার গিয়েছি চট্টগ্রাম এড়িয়ে, বিমানে। কেন? বলতে দ্বিধা নেই, মনের দুঃখে। দার্জিলিংয়ের মতো হতে পারতো যে শহরটা, সেটার একি দশা! এর নাম যদি উন্নতি হয়, তাহলে এ’ধরনের উন্নতি থেকে একশত হাত দূরে থাকা উচিত। প্রকৃতিকে ধ্বংস করলে প্রকৃতিও প্রতিশোধ নিতে ছাড়েনা কখনও। মোটামুটিভাবে গত ত্রিশ/চল্লিশ বছরে চট্টগ্রাম বিভাগে পাহাড় ধসে কি পরিমান প্রানহানি হয়েছে? পাহাড়ধস এর আগেও হতো নিশ্চয়ই। কিন্তু এর ভয়াবহতা বৃদ্ধি পেয়েছে কতোগুন? এর ফ্রিকোয়েন্সিই বা কতোটা বেড়েছে? পরিস্থিতি এখন এমন, বর্ষাকাল এলেই বাংলাদেশের খবরের ওয়েবসাইটগুলো ভয়ে ভয়ে খুলি, না জানি কি দেখবো……..কতোটা প্রানহানি অপেক্ষা করছে এ’বছর!

কোন দোষ না করেও কিছু অসহায় মানুষকে এমন পরিনতি ভোগ করতে হয়;


আমাদের দেশের পাহাড়গুলোতে ধস নামে কেন? সবকিছুর মতো এখানেও দলীয় রাজনীতি। সরকার আর তাদের অনুসারীরা বলবে, এটা প্রাকৃতিক একটা দূর্যোগ। বিরোধীরা বলবে, এটা সরকারের দূর্ণীতি এবং অব্যবস্থাপনার প্রকৃষ্ট উদাহরন…..যেটা একেবারে মিথ্যা নয়। কিন্তু আসল ঘটনা হলো, অন্যদলগুলো যখন ক্ষমতায় ছিল, তারাও সেই একই কাজ করেছে। এদের চুলাচুলি না দেখে বরং বিশেষজ্ঞরা কি বলে দেখি।

মূলতঃ অতিবর্ষণের ফলে পাহাড়ের মাটি আলগা হয়ে ধস নামে। মজার ব্যাপার হলো, যে কেউ বলবে, এটাতো সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক একটা ব্যাপার! এখানে অব্যবস্থাপনা এবং দূর্ণীতির কালোহাত কোথায়? অবৈধভাবে পাহাড়ের মাটি আর গাছপালা কাটা, পাহাড়ের মাটি আলগা হওয়ার প্রধান কারন। এগুলোর বিক্রয়মুল্য অত্যন্ত উচ্চ। একশ্রেণীর ঠিকাদার এই কাজ করে প্রশাসনের ছত্রছায়ায়। এখানে শাসকশ্রেনীর মুনাফা কোথায়, এই মুনাফার ভাগ-বাটোয়ারা নীচ থেকে উপর পর্যন্ত কিভাবে যায় তা আশাকরি ভেঙ্গে বলার দরকার নেই। এদের সীমাহীন লোভের কাছে দেশ তথা মানুষের জান-মাল, দেশের প্রকৃতিক ভারসাম্য, নান্দনিকতা কিছুই গুরুত্বপূর্ণ নয়। এরা দিনশেষে বোঝে শুধু টাকার অংক। এই টাকা দিয়েই তারা বিদেশে গোপনে মোটা ব্যাংক ব্যালেন্স করে, সন্তানের বিদেশে পড়ালেখা নিশ্চিত করে, পরিবারের বিদেশে সু-চিকিৎসাও নিশ্চিত করে। কাজেই দেশ এবং দেশের মানুষ গোল্লায় গেলেও এদের কিছুই যায় আসে না।

পাহাড়ধস আর ধসজনিত জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানোর জন্য কি করা উচিত? সমাধান খুবই সহজ। প্রথমেই সরকার এবং প্রশাসনের সীমাহীন লোভ বন্ধ করা উচিত। তারপর পাহাড়ের মাটি আর গাছপালা কাটা বন্ধ করা উচিত। প্রচুর বনায়ন করা উচিত। সবশেষে, যারা ঝুকির মধ্যে বসবাস করছে, তাদের অন্যত্র সরিয়ে দেয়া উচিত।

পাহাড়ের জায়গাগুলো সরকারের খাস জমির মতো। যে পারে, ছলে-বলে-কৌশলে দখল নেয়। তারপর সেখানে কোনরকমে বাড়ীঘর তৈরী করে গরীব, ভাসমান লোকজনের কাছে ভাড়া দেয়। ক্ষমতাবান না হলে তো এটা সম্ভব না। এই ক্ষমতাবানরা তাদের এই কর্মের কারনে কে ঝুকিতে আছে, কে মরলো কিংবা আহত হলো, এসবের কোন তোয়াক্কা করে না। এ’ব্যাপারে ১৯১৭ সালে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের পাহাড়ের পাদদেশে অপরিকল্পিতভাবে বসতি স্থাপনের কারণে ধসের ঘটনা বাড়ছে বলে জানিয়েছিলেন। তাই দুর্যোগের পর ’রি অ্যাকটিভ’ ভূমিকা না নিয়ে আগে থেকেই ’প্রো অ্যাকটিভ’ ভূমিকা নিতে প্রশাসনকে নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের। আর এসব কাজে রাজনৈতিক কোনো হস্তক্ষেপ সহ্য করা হবে না বলেও জানান মন্ত্রী। এখন আপনারাই বলেন, পাহাড় কেটে ঘরবাড়ী বানিয়ে ফেলা কি একদিনের কাজ? দেশের কেউ আবাসনহীন থাকবে না, এটা সরকারের মন্ত্রী এমপিরা অহরহ বলেন, সেটার বাস্তবায়ন কি পাহাড় কেটে? এইসব কথার কথা আর কতদিন?

২০০৭ সালে পাহাড় ধসে ১২৭ জনের যে মর্মান্তিক প্রাণহানি ঘটে তার প্রেক্ষিতে গঠিত পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির পক্ষ থেকে ৩৬টি সুপারিশ দেওয়া হয়েছিল। সেগুলোর কোন গতি করার ইচ্ছা সরকারের আদৌ আছে নাকি ফাইল চাপা পরে গিয়েছে? সেই কমিটির সুপারিশগুলো বাতিলের কোন খবরও তো নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল ইসলাম বলেছেন, ‘বেশিরভাগ পাহাড় ধস হচ্ছে মনুষ্যসৃষ্ট কারণে। পাহাড়কে পাহাড়ের মতো থাকতে না দিলে ধস নামবেই। যেখানে পাহাড় কেটে ঘরবাড়ি করা হবে, সেখানে পাহাড় ধস তো হবেই।’ বাংলাদেশের পাহাড়গুলোতে মাটির পরিমান বেশী, পাথরের পরিমান কম। সুতরাং মাটি, গাছপালা কাটলে মাটি আলগা হবেই। একটা সুষ্ঠ, দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার বিকল্প অন্ততঃ এ’ক্ষেত্রে নেই। আমাদের দেশে বন, নদী, পাহাড়, খাল-বিল সবকিছু রক্ষারই আইন আছে। তারপরও এগুলো রক্ষা করা যায় না। কেন? এগুলো তো দেশের বাইরে থেকে কেউ এসে দখল করে না, নাকি করে? রক্ষক যখন ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়, তখন আসলে করার কিছুই থাকে না।

বান্দরবান সদর উপজেলার একটা ঘটনা সংক্ষেপে বলি।

উন্নয়ন কাজের নামে সেখানে এসক্যাভেটর দিয়ে পাহাড় কেটে আশপাশের নীচু জায়গা ভরাট করা হচ্ছিল। দু’টা ক্রাইম একসাথে। এ’ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে বান্দরবান পৌরসভার সচিব জানান, পাহাড় কাটার ব্যাপারে উনি কিছুই জানেন না আর এর দায়িত্বও পৌরসভা নিবে না। আর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হলে উনি বলেন, পাহাড় কাটার কোন অনুমতি নেই। অবৈধভাবে পাহাড় কাটা বন্ধে দ্রুতই ব্যবস্থা নেয়া হবে। এদিকে ফলাফল হচ্ছে, ব্যবস্থা নেয়ার আগেই পাহাড় আর জলাশয়ের সমতল ভূমিতে পরিনত হওয়া!!!

কি তামশা! বাত্তি ছাড়াই সব ফকফকা, কি বলেন! অনেক দেশই ঘুরে দেখার সৌভাগ্য হলো, কিন্তু এমনতরো ভাণুমতির খেল আর কোথাও হয় বলে দেখিনি বা শুনিনি। আপনাদের এমন বিরল সৌভাগ্য কখনও হয়ে থাকলে শেয়ার করতে ভূলবেন না যেন!
তামশার একটা নমুনা;


অরন্যে রোদনেরও একটা নমুনা;


এসব রিলিফ যাতে করে না দিতে হয়, তার ব্যবস্থা করা কি খুবই কঠিন?


আমি জানি, এসব লেখা অরন্যে রোদনেরই নামান্তর। তারপরও যখন মনে হয় আর সহ্য করা যাচ্ছে না, তখন লেখি। এ’ছাড়া আমাদের মতো আম-জনতার আর করারও কিছু বোধহয় নেই। এটাও জানি যে, আবারও একদিন কিছু অসহায় মানষের করুণ মৃত্যু হবে কিংবা সহায়সম্বলহীন হবে। নিহতদের পরিবারপ্রতি সরকার হয়তো ২০ হাজার আর আহতদের ১০ হাজার টাকা করে দিবে। অতি আবাদের আমাদের এই দেশে আম-আদমীর দাম তো এর থেকে বেশী কিছু না। হয়তোবা পরিবার প্রতি ৩০ কেজি চাল এবং শুকনা কিছু খাবার দেয়া হবে……কারন দেশে খাদ্যের কোন অভাব নেই। খাদ্যে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ! সরকারের তরফ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে নিহত এবং আহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হবে। তারপর একসময় সবাই সবকিছু ভূলে যাবে, ঘটনার পুনরাবৃত্তি হওয়ার আগে পর্যন্ত। এটাই পাহাড়ে বাস করা দরিদ্র মানুষদের নিয়তি……সেইসঙ্গে অভাগা এই সোনার দেশটা্র নিয়তিও বটে!!!

ছবি ও তথ্যঃ নেট থেকে।

মন্তব্য ৪৮ টি রেটিং +১৩/-০

মন্তব্য (৪৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০২

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: নামাজ পড়ে এসে পোস্টটি পড়বো।

০৩ রা জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: পুরানো বাড়িতে নতুন করে এসেই পোষ্টে আপনার মন্তব্য.......খুবই আনন্দ হচ্ছে!!

আপনার বিস্তারিত মন্তব্যের অপেক্ষায় থাকলাম হেনাভাই! :)

২| ০৩ রা জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৩

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: কিছু মানুষের সীমাহীন লোভের বলি হচ্ছে দরিদ্র মানুষ, তাছাড়া প্রাকৃতিক ভাবসাম্য রক্ষায় পাহাড় কাটা বন্ধ হওয়া জরুরি।

০৩ রা জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: অবশ্যই, সঠিক বলেছেন।
এটা না করলে একদিন প্রাকৃতিক দূর্যোগ একদিক দিয়ে নয়, চতুর্দিক দিয়ে আসবে।

৩| ০৩ রা জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৪

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: ব্লগে প্রবেশ করতে পেরে মনে হলো মরুভূমিতে পানির সন্ধান পেয়ে গেছি। সুন্দর একটি পোস্ট দিয়েছেন। আমাদের দেশে তো সরকারী আমলারা আলকাতরাও চুরি করে,সেখানে ত্রান বা সহায়তা কিভাবে পৌছাবে বলেন। পাহাড়ি এলাকা থেকে গাছ কেটে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর্ মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

০৩ রা জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: সরকারী আমলা, রাজনীতিবিদ.....কেউ কারো থেকে কম না। সব একই গোয়ালের গরু।
দেশকে ধ্বংসের হাত থেকে বাচাতে হলে এদের থামানো খু্বই জরুরী।

৪| ০৩ রা জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৫

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: : বেশ কয়েকদিন ধরে প্রবেশ করতে না পেরে আমি হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। আজকে খুব ভালো লাগছে ।আপনাকে ধন্যবাদ

০৩ রা জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমরা সবাই আজকে খুবই খুশী। মনে হচ্ছে যেন ঈদের আনন্দ! :)

৫| ০৩ রা জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২১

চাঁদগাজী বলেছেন:


পাহাড় হলো জাতীর প্রাকৃতিক সম্পদ, সরকারের লোকেরা সেটা বুঝতে সক্ষম নয়, তারা আজো পাহাড়কে আজও রক্ষা করছে না। ভুমিহীন মানুষের কাছে মৃত্যু ভয় থাকার কথা নয়; তাদেরকে থাকার মতো যায়গা দেয়া কষ্টকর কোন ব্যাপার নয়; কিন্তু সরকারে সেই ধরণের মানুষ নেই।

আমার বাড়ী থেকে ২ মাইল দুরে পাহাড়

০৩ রা জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: কিছু মানুষের সীমাহীন লোভ দেশটাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে আস্তে আস্তে।

আমার বাড়ী থেকে ২ মাইল দুরে পাহাড় আমার সবসময় মনে হয়, পাহাড়ের আশেপাশে যদি আমার একটা বাড়ী থাকতো!! আপনি ভাগ্যবান।

৬| ০৩ রা জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৭

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: জাতিগত ভাবে এসব আত্মঘাতি ভাবনা, সংষ্কৃতি, চর্চা থেকে বেরিয়ে আসতেই হবে।
নইলে প্রকৃতির শাস্তি অবধারিত। আমরা অথবা পরের প্রজন্ম তা ভোগ করবে।

মানুষ তুই মানুষ হ’

আমাদের সংস্কৃতিক দৈন্যতা্ও একটা বড় কারণ। সভ্যতার একটা জাতিগত সংগা থাকে। এবং তাকে উপস্থাপন করতে হয় নান্দনিত ভাবে। যাতে রক্ত মজ্জ্বা তা ঢুকে যায়। যাতে হাজারো লোভ, বয় তুচ্ছ করে সেই সংষ্কৃতিকে লালন করতে চেষ্টা করে।

সেদিন ফেসবুকে দেখলাম একটা গাছকে রাস্তার প্রয়োজনে না কেটে বিশাল আয়োজনে মাটির নীচে ৫-৭ ফিট মাটি সহ ক্রেন দিয়ে সরিয়ে নিচ্ছে! প্রকৃতির প্রতি কি ভালবাসা। তাদের্ও উন্নয় হয়েছে বিশাল বিশাল সড়ক হয়েছে । কিন্তু আমাদের মতো তারা বৃক্ষ কর্তন করেনি।
মেট্রোরেলে জন্য যে হারে মাঝের আইল্যান্ডের গাছ গুলো কাটলো!!!!!!!!!!
উফ !

০৩ রা জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমাদের দেশের পরিচালকরা পান থেকে চুন খসলেও আগে লাভের চিন্তা করে। লাভ ছাড়া তারা একচুলও নড়ে না।
গাছ কাটলেই তো লাভ.....কাজেই সব গাছ কেটে ফেলা হোক।

একটা গাছকে রাস্তার প্রয়োজনে না কেটে বিশাল আয়োজনে মাটির নীচে ৫-৭ ফিট মাটি সহ ক্রেন দিয়ে সরিয়ে নিচ্ছে! প্রকৃতির প্রতি কি ভালবাসা। এটা করলে তো লাভ নেই, এতো কষ্ট না করে কেটে বিক্রি করে দিলে না লাভ। অসুস্থ মন-মানসিকতার লোকজন এরা। X(

৭| ০৩ রা জুলাই, ২০১৯ রাত ৮:০৬

শায়মা বলেছেন: পাহাড়ের এই করুণ কাহিনী সত্যিই কষ্টকর। ভাইয়া সামু ছাড়া আমরা জীবন্মৃত!

০৩ রা জুলাই, ২০১৯ রাত ৮:২৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: 'কতোদিন দেখিনি তোমায়' শিরোনামে একটা গান আছে না মান্না দে'র! তাতে একটা কলি আছে,'প্রিয় যবে দূরে চলে যায়, সে যে আরো প্রিয় হয় জানি'।

এই কথার মানে এতোদিন ঠিকমতো বুঝি নাই.....এবার হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি! :P

৮| ০৩ রা জুলাই, ২০১৯ রাত ৮:২৯

পবিত্র হোসাইন বলেছেন: আমাকে ফেবু গ্রুপ লিঙ্কটা দিবেন প্লিজ।
আমি এতদিন অন্ধের মতো ছিলাম। :((

০৩ রা জুলাই, ২০১৯ রাত ৮:৩২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ওইটা দিয়া কি করবেন এখন?? এই নেন, দিলাম; view this link

৯| ০৩ রা জুলাই, ২০১৯ রাত ৮:৩৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রথম কথা যেন পুনর্জন্ম পেলাম সামুকে ফিরে পেয়ে। আর এই পোস্ট কেবল এখানেই মানায়। আপনার কথার প্রতিধ্বনী করেই বলি 'বন্যেরা বনে সুন্দর,
আর শিশুরা মাতৃক্রোড়ে।"
আপনার আদি বাড়ি কি তাহলে নর্থ 24 পরগনার হালিশহরে?
পাহাড় ধসের প্রধান কারণ সরকারের অন্ধ নগরায়নের স্বপ্ন ও অপরিণামদর্শিতার চিন্তা। ভৌগলিক দিক দিয়ে হিমলয় রেঞ্জের তুলনায় চট্টগ্রামের মাটি অনেক আলগা। নবীন ভঙ্গিল পর্বত হওয়াতেই হিমালয় রেঞ্জে প্রায়ই ভূমিকম্প হওয়াতেই কম্পন থাকাটা স্বাভাবিক। যে কারণে কোন বহুতল নির্মাণ অত্যন্ত বিপদজনক। কিন্তু যে কোন সরকারি পাহাড়ের নিয়ম নীতি কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সৃষ্টিশীলতার আনন্দে আত্মহারা। আর যারি বলি হচ্ছে হাজার হাজার নিরীহ মানুষ, ধ্বংস হচ্ছে পাহাড়, বিপন্ন হচ্ছে পাহাড়ি সংস্কৃতি।

দার্জিলিং বাসস্ট্যান্ডে নেমে পরিবার নিয়ে কাঁধে ভারী ব্যাগ নিয়ে একটু দূরে আগে থেকে বুক করা হোটেলে যেতে হাঁটতেই পারছিলাম না। মনে হল যেন শিয়ালদা স্টেশনে হাঁটছি। এত গেঞ্জি যে চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যাবে না। সে বার ই সংকল্প করেছিলাম যে ঘুরতে নিশ্চয়ই শিয়ালদা স্টেশনে থুরি দার্জিলিং এ যাব না। দার্জিলিং ম্যাল দেখলে এখন আপনার কান্না পাবে। আর শিলিগুড়ি থেকে সেবক রোডের কথা বলেন না। সেখানে কোথাও পাহাড়ের কোন চিত্র নেই সবই নগরায়নের মোড়কে উন্মোচিত।

সচেতনতা বৃদ্ধি পাক। পাহাড়ি সংস্কৃতি অক্ষুন্ন থাকুক।


শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন।


০৩ রা জুলাই, ২০১৯ রাত ৮:৪৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার আদি বাড়ি কি তাহলে নর্থ 24 পরগনার হালিশহরে? নারে ভাই, এটা চট্টগ্রাম শহরের হালিশহর। চব্বিশ পরগনায় যে আরেকটা হালিশহর আছে তাই তো জানি না!

যা বলেছেন, এটাই আসল কথা। এটাই দেশের মাথারা বুঝতে চায় না, কারন তাতে কোন লাভ নাই। দুঃখের কথা আর কি বলবো!

অনেক আগে দার্জিলিং গিয়েছিলাম। আপনাদের দার্জিলিং এও পাহাড় কাটা হয় নাকি? দুঃখজনক।

১০| ০৩ রা জুলাই, ২০১৯ রাত ৮:৪২

রাজীব নুর বলেছেন: গুরুত্ব পূর্ন একটি বিষয় খুব সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন।
সমুদ্র থেকে পাহাড় আমার বেশি ভালো লাগে।

০৩ রা জুলাই, ২০১৯ রাত ৮:৪৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ধন্যবাদ।
তাহলে দেখা যাচ্ছে অন্ততঃ একটা বিষয়ে আপনার সাথে আমার মিল আছে! :)

১১| ০৩ রা জুলাই, ২০১৯ রাত ৮:৫০

ঢাবিয়ান বলেছেন: সময় নিয়ে পরে পড়তে আসব। আপাতত হ্যাপী ব্লগিং =p~

০৩ রা জুলাই, ২০১৯ রাত ৮:৫২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনাকে সম্ভবতঃ গ্রুপে পাইনি। এখানে আবার সবাইকে পাচ্ছি.....মনে খুব আনন্দ। :)

অপেক্ষায় থাকলাম।

১২| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৯ রাত ২:৩৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: বাংলাদেশের মানুষের মাঝে “উদ্বাস্তু / শরণার্থী/ রিফিউজি” স্বভাব প্রবল ভাবে লক্ষ্য করা যায়, যে যেখানে জায়গা জমি পাবে তা দখল করার জন্য উঠে পড়ে লেগে যাবে, পাহাড় দখল তার একটি নমুনা। সাগরের গহীন দ্বীপেও বাংলার জনগণ হাস মুরগী গরু ছাগল মহিষ সহ পরিবার পরিজন নিয়ে কিভাবে পাড়ী দিয়েছে - আর গিনিজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে কেনো তার নাম নাই তা আসলেই ভাবনার বিষয়।

পাহাড় ধ্বসে মৃত্যুর কারণকে বলতে পারি - নেশা খাবি খা মারা যাবি যা।


০৪ ঠা জুলাই, ২০১৯ সকাল ১১:৫৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমাদের ছোট্ট একটা দেশ, তুলনায় মানুষ অত্যাধিক। কাজেই মানুষের মধ্যে জমি দখলের মনোভাব থাকবেই। সমস্যা হলো, প্রশাসনের লোকজন এসবের সাথে জড়িয়ে যায়।
গিনিজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে থাকলে ইংরেজদের নাম থাকা উচিত। দুনিয়ার এমন কোন কোনা নাই, যা এরা কোন একসময় দখল করে নাই। ;)

নেশা খাবি খা মারা যাবি যা। এখানে কিন্তু নেশা খায় একজন, মারা যায় আরেকজন! :)

১৩| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৯ সকাল ১০:৫০

রানার ব্লগ বলেছেন: পাহাড় ধ্বস বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সাভাবিক ব্যাপার কারন বাংলাদেশের পাহাড় বেলে মাটি সমৃধ্য, পাহাড়ের মুলস্তম্ভ পাথরের উপর হলে ভুমি ধ্বস কম হয় কিন্তু বাংলাদেশের পাহাড় পুরটাই মাটি দিয়ে গঠিত। কিছু আছে পাথর দিয়ে কিন্তু ওই যে লোভ যা ছারে না বাপ কে ও। পাহাড় কেটে পাথর বের করা যে অত্যান্ত ভায়ানক অপরাধ এটা আমাদের মাথায়তেই নেই।

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৯ সকাল ১১:৫২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: যে কোনও প্রাকৃতিক দূর্যোগই স্বাভাবিক ব্যাপার। সেজন্যেই এটাকে 'প্রাকৃতিক' বলা হয়। তবে মনুষ্যসৃষ্ট দূর্যোগকে 'প্রাকৃতিক' ট্যাগ দিলে তো হবে না। পাহাড় কাটার ফলে যদি ধস নামে, তখন সেটা আর প্রাকৃতিক থাকে না।

পাহাড় থেকে শুধু পাথরই সংগ্রহ করে না। মাটিও করে। এর একটা বড় অংশ ব্যবহৃত হয় ইটভাটাগুলোতে। বাকীটা পোষ্টেই বলেছি। তবে লোভের কথা যেটা বলেছেন, সেটাই আসল সমস্যা। আমাদের রক্ষকদের লোভ অত্যাধিক!!

১৪| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৯ সকাল ১০:৫৩

নতুন নকিব বলেছেন:



সুন্দর করে তুলে ধরেছেন বিষয়টি। ধন্যবাদ। +++

পাহাড়খেকোদের হাত থেকে আমাদের পাহাড়গুলোকে বাঁচাতে হবে।

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৯ দুপুর ১২:০১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: কেমন আছেন নকীবভাই? ৩/৪ দিনের ব্যাপার, কিন্তু মনে হচ্ছে অনেকনি পর দেখা হলো। :)

পাহাড়খেকোদের হাত থেকে আমাদের পাহাড়গুলোকে বাঁচাতে হবে। কে আর বাচাবে বলেন? যাদের হাতে ক্ষমতা, তারাই তো বাচায় না! :(

১৫| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:২২

নীলপরি বলেছেন: বিষয়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ । আর এই লেখাটা সামুতে পড়তে পারলাম ।

শুভকামনা

০৫ ই জুলাই, ২০১৯ দুপুর ১২:৩১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: বিষয়টা যে গুরুত্বপূর্ণ এটা আমরা বুঝি, ক্ন্তিু যাদের বোঝার কথা তারা বোঝে না। তারা শুধু তাদের লাভটা বোঝে। এটাই দুঃখজনক।

আপনার জন্যও অনেক শুভকামনা রইলো।

১৬| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৯ রাত ৯:০৬

জুন বলেছেন: ছোটবেলায় সীতাকুণ্ড পাহাড়ের কোলে থেকে আমি পাহাড় ভালোবাসতে শিখেছি। তারপর চিটাগং এর টাইগার পাসের কোলে আর চন্দ্রঘোনার টিলায় বসবাস।
পাহাড়ের ক্ষয় রোধ করার জন্য থাইল্যান্ডের রাজকুমারী ভেটিভার ঘাস যার মুল মাটির অনেক গভীরে গিয়ে মাটি ধরে রাখে। যার মাধ্যমে তারা নিজেদের দেশে সফল হয়েছে । সেই প্রোজেক্ট নিয়ে চিটাগং গি সফরে গিয়েছিল কিছুদিন আগে। উনি খুব উতসাহের সাথে এ নিয়ে বলছিলেন। কিন্ত আমাদের দেশের উপস্থিত সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিদের চেহারা দেখে মনে হলো তাদের কোনই আগ্রহ নেই এ বিষয় নিয়ে ভুয়া মফিজ। তারাতো চাচ্ছে এইসব টিলা কেটে সমান করে জমি দখল করা। তাদের কি সৌন্দর্য বা প্রকৃতি নিয়ে বিন্দুমাত্র আগ্রহ আছে?

০৫ ই জুলাই, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: উপস্থিত সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিদের আগ্রহ থাকবে কিভাবে আপা, ওরা রক্ষার চিন্তার বদলে হয়তো সেই মুহুর্তে মনে মনে অংক কষছিল....একটা পাহাড় কাটলে তার পকেটে কত টাকা আসবে!!

তারাতো চাচ্ছে এইসব টিলা কেটে সমান করে জমি দখল করা। তাদের কি সৌন্দর্য বা প্রকৃতি নিয়ে বিন্দুমাত্র আগ্রহ আছে? এটাই হলো আসল কথা। আমার মতে এ'গুলারে ক্রসফায়ারে দেয়া উচিত। এরাও তো এক অর্থে মানুষ খুন করে। একটা দুইটা ....একেবারে গণহত্যা!! X(

১৭| ০৫ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৪:১৬

করুণাধারা বলেছেন: সবকিছু এখন গোগ্রাসে খাওয়া চলছে!! নদী খাচ্ছে, পাহাড় খাচ্ছে, সুন্দরবন খাচ্ছে- সব কেবল খেয়েই যাচ্ছে!! তবে সবচাইতে খারাপ লাগে যখন দেখি পাহাড় কাটার ফলে কিছু দরিদ্র মানুষ ভূমিধসে মারা যায়! এইমাত্র এই পোস্ট পড়ে আসলাম; এখনো মাথা থেকে এই ছোট বাচ্চাটার কথা বের করতে পারি নাই।

view this link

পোস্টে লাইক!

০৫ ই জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: সবকিছু এখন গোগ্রাসে খাওয়া চলছে!! নদী খাচ্ছে, পাহাড় খাচ্ছে, সুন্দরবন খাচ্ছে- সব কেবল খেয়েই যাচ্ছে!! সব যখন খাওয়া শেষ হয়ে যাবে, তখন এরা কি খাবে, তাই ভাবছি। দেশে তখন প্রচুর পরিমানে জ্যান্ত মানুষ ছাড়া খাওয়ার মতো সহজলভ্য আর কিছুই তো থাকবে না। :P

এদের কাজ-কারবার দেখলে রাগ লাগে, দুঃখ লাগে......আবার হাসিও পায়। এসব সর্বগ্রাসী মানুষদেরকে ধরে ধরে যদি সাহারা মরুভুমিতে পাঠিয়ে দেয়া যেতো.....একটা কাজের কাজ হতো। ;)

আপনার শেয়ার করা লেখাটা ফেবুর গ্রুপের পাতায় পড়েছি। তবু শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ....আর লাইকানোর জন্য তো বটেই!! :)

১৮| ০৫ ই জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৬

জুন বলেছেন: view this link Click This Link

লিংক দুটো দেখতে পারেন কিনা বইলেন ভুয়া ।

০৫ ই জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: দু'টাই দেখা যাচ্ছে। সময় নিয়ে আস্তে-ধীরে দেখবো। দারুন দুইটা লিঙ্ক দিয়েছেন.....অসংখ্য ধন্যবাদ।

১৯| ০৫ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৯:০৫

মুক্তা নীল বলেছেন:
অনেকদিন পর ব্লগে ফিরে খুব সুন্দর একটি মন জুড়ানো লেখা পড়লাম।
প্রকৃতি প্রেমী ও প্রতিবাদী লেখার মাঝে আপনি আপনার বিবেককে জাগ্রত করে তুলেছেন এবং আমাদের সবার সামনে তা তুলে ধরেছেন । সত্যি ভাইয়া ভীষণ ভালো লাগলো।
পোস্টে লাইক ।

০৫ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৯:১৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার-আমার বিবেক তো জাগ্রত। তবে যাদেরটা জাগ্রত হলে দেশের উপকার হতো, তারা তো চোখ বন্ধ করে অন্য ধান্ধায় ব্যস্ত। আমাদের এই নীরব অরন্যে রোদনে তাদের বিবেক যদি কখনও জাগ্রত হয়, তখনই হবে এসব বলার সার্থকতা!

আপনার মন্তব্য অনেক দুঃখের মাঝেও এক পশলা শান্তির মতো।

ভালো থাকবেন।

২০| ০৮ ই জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৩

আরোগ্য বলেছেন: উপনিবেশকালে ব্রিটিশরা ভারতবর্ষ থেকে অনেক মূল্যবান জিনিস নিয়ে গেছে কিন্তু এটাও স্বীকার করতে হবে বিনিময়ে তারা কিছু দিয়েও গেছে। কিন্তু বাংলাদেশের মন্ত্রীগণ এদেশকে আবারও উপনিবেশ বানিয়ে জনগণের রক্ত চুষে বিদেশের ব্লাডব্যাংক ( সুইস ব্যাংক) জমা করছে। আপনি বাচলে বাপের নাম, জনগনের মায়রে বাপ।

শুনেছি সরকার কোন এক ঋনখেলাপি কোম্পানিকে সুন্দরবনের কাছাকাছি কিসের যেন কারখানা বানানোর অনুমতি দিয়েছে। শীঘ্রই কারখানা, ব্রীজ ও ফ্লাইওভারেে দেশ ভরে যাবে কিন্তু মানুষ থাকবে কি?

১০ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ১১:২০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: মন্তব্যটা দু'বার এসেছিল, একটা মুছে দিলাম। স্যরি, উত্তর দিতে একটু দেরী হয়ে গেল। ব্যস্ত সময় যাচ্ছে, আশাকরি আগামী মাসে একটু কমবে। :)

ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী এদেশে এসেছিল লাভ করতে, তারা সেটাই করেছে। যেখানে আমাদের লোকজনই নীতি-বিসর্জন দিয়ে ওদের কাছে বিক্রি হয়ে গিয়েছিল, সেখানে ওদের কাছে নৈতিকতা আশা করা ঠিক না। ভারতবর্ষের দায়িত্ব বৃটিশ সরকার নিয়ে নেয়ার পর এ'অন্চলের অনেক উন্নতি হয়েছে বলাই বাহুল্য কিন্তু দিনশেষে ওরাও তো সেই ব্রিটিশই, তাই না!!

সরকার বহুকিছুই করছে, যার অনেককিছুই আমরা, সাধারন জনগন জানি না কিংবা জানলেও সামান্যই।

শীঘ্রই কারখানা, ব্রীজ ও ফ্লাইওভারেে দেশ ভরে যাবে কিন্তু মানুষ থাকবে কি? মানুষ তো থাকবেই, তাদের যাবার জায়গা কই? তবে, প্রশাসন এদেরকে মানুষ ভাবে কিনা, সেটাই বড় প্রশ্ন।

২১| ১২ ই জুলাই, ২০১৯ দুপুর ২:৩১

আখেনাটেন বলেছেন: প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে। আবারও হয়ত শুনব কোনো বিভীষিকার গল্প। মানুষের লোভের কাছে বলী হয়ে যাচ্ছে শত প্রাণ। :(




নেড়ে পাহাড় পছন্দ না। অল্প কিছু পাহাড় ডিঙানোর অভিজ্ঞতা আছে। অসাম। তবে আমার কিন্তু সমুদ্রই ভালো লাগে। সমুদ্রের বিশালতায় ডুব দিয়ে ঝিম মেরে থাকার মজায় মজা। :P

১২ ই জুলাই, ২০১৯ দুপুর ২:৩৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আজই খবরে পড়লাম, পার্বত্য চট্টগ্রামে পর্যটকদের সাবধান করা হয়েছে। কিন্তু যারা পাহাড়ের পাদদেশে থাকে, তাদের কি হবে? ভাবখানা এমন, পর্যটকরা মানুষ, আর ওরা মানুষ না।

কথায় আছে, সমুদ্রের বিশালতার কাছে গেলে মানুষের মন উদার হয়ে যায়। আমার মন অবশ্য এমনিতেই উদার, তাই সমুদ্রের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন পরে না!! :P

ভাবছিলাম আমাদের এলাকায় হারানো বিজ্ঞপ্তি দিয়ে মাইকিং করবো। ভালোই হলো, বেশকিছু টাকা বেচে গেলো। ;)

২২| ১২ ই জুলাই, ২০১৯ দুপুর ২:৪৯

আখেনাটেন বলেছেন: ব্লগার শায়মা হেড়ে গলায় মাইকিং করে জানিয়ে দিয়েছিল যে 'মামু পটল তুলেছে'। দেশে পটলের দাম কম হওয়াতে সেই কথায় বিশ্বাস করে আলু-বেগুন খেয়েই দিন পার করেছি। আপসোস! :P

১২ ই জুলাই, ২০১৯ দুপুর ২:৫৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: দিন তিনেক মাত্র বন্ধ ছিল ব্লগ। ফেবুতে একটা গ্রুপ খোলা হয়েছিল পরপরই। ওখানেই আমরা সাময়িক ব্লগিং করেছি। শায়মার কাছ থেকেই তো সেই গ্রুপের খবর পাই, আর জয়েন করি। আপনাকে পটল তোলার খবর দিল, গ্রুপের খবর দেয় নাই?

২৩| ১২ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৩:০৪

আখেনাটেন বলেছেন: গ্রুপের খবরও দিয়েছিল। কিন্তু আমি আবার ঐ মাধ্যমটাতে ডুমুরের ফুল (যদিও অনেক বছর পর আবার এক্টিভেইট করেছি কিন্তু কদাচিৎ পাড়া দেই)......আর নানান রং-তামাশায় জীবন জড়িয়ে পড়ায় অন্দরেই ঢুকে রইলুম। ফলে সবকিছু থেকেই কিছুটা বিচ্ছিন্ন, শুধু লিংকড ইন, কোরা ছাড়া। :(


১২ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৩:১৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমি আবার ঐ মাধ্যমটাতে ডুমুরের ফুল আমিও!
আমি অবশ্য আমার আসল একাউন্ট ব্যবহার করি নাই। 'ভুয়া মফিজ' নামে আরেকটা আইডি খুলে হাজির হয়েছিলাম। সবাই দেখে খুবই হতাশ আর মনঃক্ষুন্ন হয়েছিল! =p~

যাক, চিন্তা নাই। জীবন আবার স্বাভাবিক হয়ে এসেছে (অবশ্য ব্লগের ব্যানটাকে যদি স্বাভাবিক বলি, তাহলেই!)। :)

২৪| ১৩ ই জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪২

অর্থনীতিবিদ বলেছেন: দীর্ঘ বছর ধরেই অবাধে পাহাড় কাটা চলে আসতেছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় থেকে কিভাবে পরিবেশকে ধ্বংস করা হচ্ছে তা না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। এই সমস্যার মূল অনেক গভীরে। অনেকেই এর কারণ হিসেবে দারিদ্র্য, লোভ, শিক্ষা ও সচেতনতার অভাবকে দায়ী করে থাকেন। এই কারণগুলো দূর করতে অনেক সময় লাগবে। এখন একমাত্র সরকারই ভারসা। সরকার যদি পরিবেশবান্ধব নীতি কঠোরভাবে প্রয়োগ করেন তাহলে হয়তোবা এই পাহাড় কাটার মতো পরিবেশগত সমস্যা আংশিক সমাধান হতেও পারে।

১৪ ই জুলাই, ২০১৯ দুপুর ১২:২১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এখন একমাত্র সরকারই ভারসা সরকারের উপর ভরসা করবেন কিভাবে? সরকারের আশ্রয়-প্রশ্রয় ছাড়া পাহাড় কিভাবে কাটা হবে? সর্ষের মধ্যেই তো ভূত!!! :(

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.