নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভুয়া মফিজ

ভুয়া মফিজের সাথে ভুয়ামি না করাই ভালো...

ভুয়া মফিজ › বিস্তারিত পোস্টঃ

বুদ্ধিমান হোন, সঠিক কাজটি করুন!!!!

২৫ শে মে, ২০২৬ সকাল ১০:০৮



দক্ষিন স্পেনের আন্দালুসিয়া অঞ্চল।

এপ্রিলের ১৫ তারিখে এক সপ্তাহের জন্য এসেছি; গ্রানাডা, কর্ডোবা আর মালাগার রাস্তাঘাটে ঘুরে বেড়াচ্ছি। লোকাল কুইজিনের স্বাদ নিচ্ছি। বিশ্বখ্যাত স্থানগুলো ঘুরে দেখছি............পুরাই চিল মুডে। এলাকাগুলোকে লিটারেলি ভাজা ভাজা করে ফেলছি। চিল মুড বললাম এই জন্য যে, আগেই ঠিক করে রেখেছি শুধু ঘুরে বেড়াবো আর চিল করবো, অন্য কোন ধরনের প্যারা নিবো না। ফেইসবুকে আমি এমনিতেই ঢুকি না, ব্লগের প্রতি আকর্ষণও কমে গিয়েছে অনেকটাই। কাজেই কোন নিউজ চ্যানেলে আমি যদি না ঢুকি, তাহলে দিন-দুনিয়ার কোন খবরের পক্ষে আমার চৌহদ্দির ধারে-কাছে আসার সাধ্য নাই, ফলে স্ট্রেস বাড়ার কোন সম্ভাবনাও নাই।

২০ তারিখে ফোনে খবর পেলাম, জার্মানীতে থাকা আমার ভাতিজা একজন কন্যা সন্তানের গর্বিত পিতা হয়েছে। আসলে প্যারাকে যতোই দুরে ঠেলার চেষ্টা করি না কেন, সে কোন না কোন ভাবে ঘাড়ে সওয়ার হবেই। এখন ইংল্যান্ডে ফিরে যাওয়ার পর আবার জার্মানীতে যাওয়া লাগবে। কিছু আত্মীয়তার এমনই বাধ্যবাধকতা যে, এড়িয়ে যাওয়ার কোন উপায় নাই একদমই।

এক ছুটি কাটিয়ে এসে আবার ছুটি নেয়া বিরাট দিগদারী একটা ব্যাপার। সপ্তাহ দুয়েক নাকে-মুখে কাজ করে বসকে ম্যানেজ করে ছুটলাম জার্মানী। পারিবারিক দায়িত্ব পালন করে ফিরে এসে আবার নাকে-মুখে কাজ শুরু করলাম যাতে ইজ্জতের উপর কোন হামলা না হয়। কাজের প্রতি আমার অতি আগ্রহ আর একাগ্রতা দেখে শেষে বস বলেই বসলো, মফিজ.........তুমি কি আসলেই বদলায়ে গেছো, নাকি আমারে দেখাইতেছ? টেনশান নেওয়ার কিছু নাই; ধীরে-সুস্থে কাজকাম করো। তোমার টেনশান দেইখা তো আমারই টেনশান হইতেছে!! এতো কাজ করলে হার্টের উপর চাপ পড়বে। শেষে না আবার দীর্ঘদিনের জন্য তোমারে ছুটি দেয়া লাগে!!!!

বসের কথায় সমস্ত শরীরে আহ্লাদী টাইপের একটা শান্তির সু-বাতাস বয়ে গেল। গত বেশ কিছুদিন যাবৎ দিন-দুনিয়ার ব্যাপারে উদাসীন থেকে উথাল-পাথাল কাজ করার সুফল হাতে-নাতে পাওয়া গেল অবশেষে। ব্যাটা এমনিতে বিরাট ঘড়েল হলেও আপাততঃ চেহারা দেখে মনে হলো হাইলি ইমপ্রেসড!! তৎক্ষনাৎ ক্রিসকে কফি কর্ণারে আসতে বললাম। কফি নিয়ে নীচে, স্মোকিং জোনে গিয়ে বিষয়টা সেলিব্রেইট করা দরকার!!!

কফি সহযোগে বিড়ি টিড়ি টেনে ডেস্কে এসে থিতু হয়েছি মাত্র, আমার এক বন্ধু ফোন করলো।

মফিজ, ঘটনা শুনছো? কারিনা মারা গিয়েছে।

ইন্নালিল্লাহ পড়তে গিয়ে থমকালাম। কারিনা মুসলমান বিয়ে করলেও নিজে মুসলমান হয়েছে, এমনটা আমার নলেজে নাই। এখন তার জন্য কি ইন্নালিল্লাহ পড়া যাবে? সঠিক জানি না। কাজে কাজেই খানিকটা কনফিউজড টোনেই বললাম, ইসরে........খুবই খারাপ লাগছে!!! ''যাব উই মেট'' মুভিটা দেখার পর থেকেই সে আমার খুবই প্রিয় অভিনেত্রী। এই বয়সে মারা গেল? ছোট ছোট দুইটা ছেলে। একটার নাম বোধহয় তৈমুর, আরেকটার নাম যেন কি? একদমে কথাগুলো বলে একটু থামলাম। তারপরে বললাম, কিভাবে মারা গেল?

ওই প্রান্তে দেখি কোন সাড়াশব্দ নাই। একেবারে পিনড্রপ সাইলেন্ট যাকে বলে। আমার বলা কথাগুলো হজম করলো সম্ভবতঃ। তারপরে অত্যন্ত শীতল কন্ঠ শোনা গেল, তুমি কি আমার সাথে মশকরা করো? আমি কারিনা কাপুর না, কারিনা কায়সারের কথা বলছি।


আসলে কথায় কথায় কয়দিন আগে আমার বউও বলেছিল যে, কারিনা অসুস্থ। আমি ততোটা মনোযাগ দেই নাই। তখনও ভেবেছিলাম কারিনা কাপুরই হবে। ভেবেছি, বড়লোক মানুষ; ছোটখাটো সমস্যা হবে হয়তো। খুব বেশি হলে কি আর হবে..........কিছু টাকা খরচা করেই বিষয়টা সামাল দিয়ে ফেলবে। বেশ কয়েকদিন সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার কারনে দুনিয়াদারীর ব্যাপারগুলোতে একেবারেই অনাগ্রহী হয়ে গিয়েছিলাম। এখন বিষয়টা বিস্তারিত জেনে খুব খারাপ লাগা শুরু হলো।

মনে পড়লো, কারিনা কায়সারকে একবারই দেখেছিলাম যখন ওর বয়স বছর দুয়েক হবে হয়তো। নাদুস-নুদুস আদুরে একটা মেয়ে। কায়সার ভাইয়ের সাথে আমাদের বাসায় এসেছিল। উনি ছিলেন মোহামেডান আর জাতীয় ফুটবল দলের তারকা খেলোয়াড়। উনার তৎকালীন সতীর্থ জাতীয় দলের গোলকিপার কানন ভাই ছিল আমার দুলাভাইয়ের বন্ধু। সেই সুবাদে সবাই সবার বন্ধু। উনাদের পারিবারিক আরেকটা লিঙ্ক ছিলো আমার............কায়সার হামিদের মা বিশিষ্ট দাবাড়ু রানী হামিদ। আমরা একসাথে ঢাকা মহানগর দাবা লীগে খেলেছি। অবশ্য এ'সবই অতীতের কথা। বহু বহু বছর যাবৎ কোন যোগাযোগ নাই।

সেই মেয়ে এতো অল্প বয়সে চলে গেল। মনের অজান্তেই বুক চিড়ে একটা দীর্ঘানশ্বাস বেড়িয়ে এলো.............আহারে!!! জীবনটা ঠিকমতো শুরু করার আগেই ঝরে গেল!!! ফুড ভ্লগিং কন্টেন্ট ক্রিয়েশানের সুবাদে নিয়মিত স্ট্রীট ফুড খাওয়া, সেখান থেকে হেপাটাইটিস এ / হেপাটাইটিস ই বাধিয়ে লিভার বিকল। না বুঝে, না জেনে আমরা আমাদের শরীরের কতো ক্ষতিই না করি!!! ক্ষতির মাত্রা বাড়তে বাড়তে একপর্যায়ে পয়েন্ট অফ নো রিটার্নে চলে যাই।

বাংলাদেশে বাসায় তৈরী করা খাবারের বাইরে রাস্তাঘাটে, রেস্টুরেন্টে কিংবা দোকানে যাই খাওয়া হোক না কেন, সবই বিষ। এই বিষ নিয়মিত খেতে থাকলে এর মুল্য একটা না একটা সময়ে চুকাতে হবেই। এই আমার কথাই বলি। দেশের সিঙ্গারা আমার অত্যন্ত প্রিয় একটা খাবার। এর ব্যাপারে আমি এতোটাই অবসেসড যে, দেশে যাওয়ার সময়ে প্লেনে বসেই এক্সাইটেড থাকি। প্ল্যান করি বাসায় গিয়ে প্রথম সুযোগেই গরম গরম ধোয়া ওঠা প্রমাণ সাইজের সিঙ্গারা খাওয়ার, সাথে শষা-গাজর-টমাটো-কাচা মরিচ-ধন্যাপাতা দিয়ে তৈরী কুচি কুচি সালাদ..............এক বসায় কমপক্ষে পাচটা খাবো.......এমনটা ভাবতে ভাবতে মুখের লালা গড়িয়ে পড়ে। ফ্লাইটের সুস্বাদু খাবারও পানসে মনে হয়। অথচ এই বস্তুটা একটা আপাদমস্তক বিষ।

বেশ আগে এক ফুড ভ্লগারকে বলতে শুনেছিলাম যে, এটা যেহেতু গরম তেলে ভাজা হচ্ছে, কাজেই রোগ-জীবাণু যা আছে সব মরে শেষ হয়ে যায়। কাজেই এটা নিরাপদ। কি ভয়াবহ অজ্ঞতা!!! আমাদের দেশের অনেকেরই প্রতিদিনের রুটিন স্ন্যাক্স হলো চা-সিঙ্গারা। এটা ভাজার পরে এর উপর যে ধুলা-বালি পড়ে, তার কথা বাদই দেই। যেই তেলে এটা ভাজা হয়, সেটা ট্রান্স ফ্যাট; যা হার্ট-লিভারের জন্য ভয়ানক ক্ষতিকর। এটাতে ব্যবহৃত ময়দা হলো রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট। এর ভেতরের যে আলু, সেটাও কার্বোহাইড্রেট। পুরাই একটা বিষের প্যাকেজ। এই বস্তু নিয়মিত খেলে ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানীগুলোর লাভ বৃদ্ধি ছাড়া আর কোন লাভ নাই।

বহুল আলোচিত ফুচকার কথাই ধরি না কেন!!! দৈনিক ইত্তেফাকের একটা রিপোর্ট বলছে.........ল্যাব টেস্টে এক প্লেট ফুচকা/চটপটিতে ৭ কোটি পর্যন্ত পায়খানার জীবাণু পাওয়া গিয়েছে। সাধে কি এতো টেস্টি হয়!!!!! :P

একইভাবে বাইরের প্রতিটা খাবার ব্যবচ্ছেদ করলে এক ভয়াবহ চিত্র উঠে আসে। দেশে অনেকেরই ফিলোসফি এমন যে, একদিন তো মরতেই হবে, কাজেই এইসব মুখরোচক খাবার না খেয়ে মরার চাইতে খেয়ে মরাই ভালো। কিন্তু এটা ভাবে না যে, মরার আগে কি কি পর্যায়ের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। দেশে কোন পরিবারের একজন সদস্য কায়দামতো একটা অসুখ বাধাতে পারলে তা পুরো পরিবারকে পথে বসানোর জন্য যথেষ্ট। আর মারা যাওয়ার আগে নিজের এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জন্য বোনাস হিসাবে পাওয়া যাবে সীমাহীন নরক যন্ত্রণা।

নামী-দামী রেস্টুরেন্টের খাবারকেও নিরাপদ ভাবার কোন কারন নাই। অভিজাত স্টোরের দামী রুটি-কেক-বিস্কুট, সেটা যদি প্যাকেটজাতও হয়, তবুও সেটা বিষ। সরাসরি বিষ। একটু ভাবেন..........কি কি উপাদান দিয়ে সেইসব খাবার বানানো হয়। আর সেইসব উপাদান আপনার শরীরে ঢুকে কি কি সর্বনাশ করে। নিজের বুদ্ধিতে নিজে মারা খাচ্ছেন, খান; কিন্তু পরিবারসুদ্ধ সবাইকে বিপদে ফেলার কোন অধিকার নিশ্চয়ই আপনার নাই।

অনেক আগের একটা টিভি কমার্শিয়ালের পাঞ্চ লাইন ছিল এমন, ''বুদ্ধিমান হোন, সঠিক কাজটি করুন''। প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও দেশে ঘরের বাইরের যে কোনও খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য এই কথা কয়টা খুবই প্রাসঙ্গিক। মনে রাখবেন, প্রিভেনশান ইজ বেটার দ্যান কিওর!!!! সেই সাথে একটা বহুল প্রচলিত বাংলা প্রবাদও স্মরণে রাখবেন............আজ বুঝলি না, বুঝবি কাল; পাছা থাপড়াবি, পারবি গাল।

পরম করুণাময় কারিনা কায়সারকে উত্তম প্রতিদান দিন। আমিন।।


ফটো ক্রেডিটঃ আমার কমদামী মোবাইল। ফটোটার বিষয়ে কয়েকটা কথা বলা জরুরী। প্রথম দিনে মালাগার টোরেমলিনোস সিটি সেন্টারে স্থাপিত এই সাদা মার্বেল পাথরের ভাস্কর্যটা দেখে ভাবলাম.........পাইছি!!! এইটা নিশ্চিত বিখ্যাত আন্দালুসিয়ান ষাড়ের ভাস্কর্য। সাথে বোনাস হিসাবে আছে ম্যাটাডোর। পরে দেখি, সবই ভুল। ষাড়টা গ্রীক মিথোলজি অনুযায়ী ষাড়ের ভং ধরা দেবতা জিউস। আর ম্যাটাডোর যারে ভাবছি, সে একজন রাজকুমারী, নাম ইউরোপা!! কি তামশা!!! X(

মন্তব্য ৪৪ টি রেটিং +৯/-০

মন্তব্য (৪৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:০৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: ভুয়া মফিজ,




তামাশাই বটে!
সিঙ্গারা, ফুচকা, চটপটি খাবো নাতো, খাবো কি? এদের চেয়ে মজাই বা কি?????? এরা তো সব জাতীয় খাবার! :D
এই প্রসঙ্গে একটা জোকস বলি--- এক কাক একদিন গাব খেতে গিয়ে গাবের আটিই খেয়ে ফেলেছে। তো পেটের ভিত্রে তান্ডব নাচ চলছে। হাগু না করে থাকা যাচ্ছেনা। কাক তো হাগুতে বসেছে কিন্তু গাবের আটি বা বিচি তো বেরুচ্ছে না। দম বন্ধ করে কয়েকবার কোৎ কোৎ করেও কাজ হলোনা। তখন সে প্রতি কোৎ এর সাথে প্রতিজ্ঞা করতে থাকলো- "আর গাব খাবোওওওও না"... আর খাব খাবোওওওও না! আগের চেয়েও অনেক জোরে জোরে কোৎ এর চেষ্টা আর প্রতিজ্ঞার পরে ফুচুৎ করে গাবের আটিটা কাকের মলদ্বার দিয়ে ছিটকে বেড়িয়ে এলো- । আহ কি আরাম....শান্তিতে চিল্লিয়ে উঠলো কাক -- " গাব খাবোনা খাবো কি ? গাবের চেয়ে মজা কি?" :P =p~
আমাদেরও সেই রকম দশা হবার কথা বলে বুদ্ধিমান হওয়ার তরিকা বাৎলাইলেন মনে হয়........ :||

২৫ শে মে, ২০২৬ দুপুর ২:৪৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: কাক নিয়া আপনের জোকটা অসাধারন লাগলো। এই ধরনের কাকরে বলে কাউয়া, আর তাদের আত্মঘাতি চালাকীর কারনে বলা হয় ''কাউয়া চালাক''। এই ধরনের কাউয়ারা বেশি চালাকি করতে গিয়াই ধরা খায়। বেশ কিছু বিখ্যাত মানুষরুপী কাউয়া আছে, তার মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত যে তার নাম কি জানেন? :-B

সিঙ্গারা, ফুচকা, চটপটি খাবো নাতো, খাবো কি? অবশ্যই খাইতে হবে। এগুলির চেয়ে পুষ্টিকর খাবার এই দুইন্যায়ই নাই। :P

২| ২৫ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১:৩৩

করুণাধারা বলেছেন: সিঙ্গাড়া আমারও খুব প্রিয়। কালো কুচকুচে মবিল মেশানো তেলে ভাজে বলে সেই সিঙ্গারার স্বাদ অসাধারণ হয়।

এখন বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টি শেষ হলেই গিয়ে চার-পাঁচটা সিঙ্গারা কিনে এনে খেয়ে তারপরে আপনার পোস্ট নিয়ে কিছু বলবো।

২৫ শে মে, ২০২৬ দুপুর ২:৪৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: কালো কুচকুচে মবিল মেশানো তেলে ভাজে বলে সেই সিঙ্গারার স্বাদ অসাধারণ হয়। হক কথা। আর এর উপরে ধুলাবালির কোটিং পড়লে স্বাদ বহুগুনে বাড়ে। ;)

আপনাদের ওখানে বৃষ্টি, আর আমার এখানে খটখটা রোদ আর গরম। এখন সকাল ৯:৪০। বিকাল তিনটা নাগাদ তাপমাত্রা প্রায় ৩৫ ডিগ্রিতে উঠে যাবে। ভয়াবহ অবস্থা!!!

দেশে তো রেস্টুরেন্টগুলোতে সিঙ্গারা ভাজা হয় সকাল ১০/১১ টার দিকে। দুপুর বেলা কি আর টাটকা ভাজা সিঙ্গারা পাবেন? বাসী সিঙ্গারা খায়া মজা নাই। কথাগুলি জেলাসী থেকে বললাম; কারন জানেনই তো, দেশের মতো মন চাইলেই এখানে সিঙ্গারা পাওয়া এবং খাওয়ার উপায় নাই। :((

৩| ২৫ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:১৮

মায়াস্পর্শ বলেছেন: বাহিরে খাবার খুব কম খাওয়া হয়। মাঝে মাঝে খাই।
বাংলাদেশের বাহিরে থাকি, এখানে না চাইলেও হাইজেন মেইনটেইন করতে হয় হোটেল / রেস্টুরেন্টগুলোর।
মরতে তো হবেই, একটু স্বাস্থকর খাবার খেয়েই মরি।
বাংলাদেশী হোটেলগুলোতে গেলে দেশি নোংরামির একটা ফ্লেভার থাকবেই, তাই আর যাই না।

২৫ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৪:০১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আসলে বিদেশে থাকলে দেশের মতো বাইরের খাবার খাওয়ার সুযোগ কম, কারন দেশের মতো যেখানে সেখানে খাবার পাওয়া যায় না। অবশ্য ব্যাপারটা নির্ভর করে কোন দেশ, সেটার উপরে। তবে আমি 'ইন জেনারেল' বললাম কারন বাংলাদেশীরা তো আর বাংলাদেশের চাইতে পিছিয়ে থাকা দেশে যায় না!!!

মরতে তো হবেই, একটু স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়েই মরি। আমরা বাংলাদেশীরা এতো স্বাস্থ্যকর চিন্তা করলে তো সমস্যাই ছিল না। আমরা ভাবি, মরবোই যখন পছন্দের খাবার খেয়েই মরি। বিষয়টা হলো, দেশের পছন্দের খাবারগুলো সবই মরন ডেকে আনা খাবার!!! X(

বাংলাদেশী হোটেলগুলোতে গেলে দেশি নোংরামির একটা ফ্লেভার থাকবেই, তাই আর যাই না। আপনি কোন দেশে আছেন জানি না, তবে বৃটেনে কোন রেস্টুরেন্টেরই বেশীদিন অস্বাস্থ্যকর স্ট্যাটাস মেইনটেইন করার সুযোগ নাই। নিয়মিত ভিজিট হয়। উল্টাপাল্টা পেলেই বিশাল আকারের ফাইন, এমন কি ট্রেড লাইসেন্সও বাতিল হয়ে যায়। সুতরাং এই ধরনের রিস্ক একেবারে ছ্যাচড়া না হলে কেউ নেয় না।

৪| ২৫ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:২০

শায়মা বলেছেন: আমি নিজেও কারিনা কায়সারকে চিনতাম না। তবে রানী হামিদ আর তার ছেলেকে চিনতাম। আরও চিনতাম তার চাচা চাচীকে। আগাখানের টিচার ছিলো। যাইহোক তুমি কারিনা কায়সারের দাদীর সাথে দাবা খেলেছো শুনে আকাশ থেকে পাতালে পড়লাম ভাইয়ু!!!!!!!!


যাইহোক এমনিতে আমি রাস্তার ফুচকা সিঙ্গারা খাইনা। তবে খাই ইনা বললে তো চলবে না। স্কুলে তো মাঝে মাঝেই ঐ রাস্তার দোনাকের সিঙ্গারাই আনা হয়। আর দু এক সময় পাল্লায় পড়ে ভেলপুরি ফুচকা বা পাপরি চাট! উৎসবের পাপরি চাট খেয়ে ভাবি আহা এক্কেরে ভদ্দরনোক পাপরি চাট খাচ্ছি বুঝি। আসলে যাহা বাহান্ন তাহাই তিপান্ন!!

তবে কারিনা কায়সারের মৃত্যুর পর বাইরের যে কোনো খানাই খেতে গেলেই আমার সন্দিহান চোখ আর মন কেমন যেন পিট পিট করছে।

তবে সাত কূল খেয়ে এক কূলে এসে চোখ পিটপিটায় কি আর হবে!!! :(

২৫ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৪:০১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: একজন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হিসাবে কারিনা কায়সারকে আমিও চিনতাম না। পরে এইসব লিঙ্ক বের হলো আর কি!!!

যাইহোক তুমি কারিনা কায়সারের দাদীর সাথে দাবা খেলেছো শুনে আকাশ থেকে পাতালে পড়লাম ভাইয়ু!!!!!!!! আকাশ থেকে সাবধানে পড়ো। হাত-পা ভাঙ্গলে আমি দায়ী না। এমনিতেই তোমার পায়ে সমস্যা; যদিও এখন আবার নাচানাচি শুরু করছো, তারপরেও সাবধানের মাইর নাই!!!! :P

বিষয়টা হলো, দাবা খেলায় বয়স কোন ব্যাপার না। সবই ব্রেইনের কারুকাজ। আমি জিয়াউর রহমানের সাথেও খেলেছি। আবার ভাইবো না, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কথা বলছি। দাবাড়ু জিয়াউর রহমান........... সে তখন ফিদে মাস্টারও হয় নাই। বয়সে আমার চাইতে অনেক ছোট। :)

আসলে দেশে থাকলে এইসব টেস্টি খাবার একেবারে না খেয়ে থাকা যায় না। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন মাত্রা না ছাড়ায়। যতোটা কম খাওয়া হয় আর কি। মডারেশান ইজ দ্য কি!!!

তবে সাত কূল খেয়ে এক কূলে এসে চোখ পিটপিটায় কি আর হবে!!! :( এইটা ভুল কথা। আমাদের শরীর শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করে। তাকে যত্ন নিলে সে এইসব ভুলত্রুটি খুব দ্রুত শুধরে নেয়ার চেষ্টা করে। যেমন, খুব ভালোভাবে নিয়ম মেনে চললে ৫/৬ মাসের মধ্যে একটা ফ্যাটি লিভার আবার আগের মতো হয়ে যায়। তাই শেষ পর্যায়ে যাওয়ার আগেই আমাদের স্বভাব চরিত্র বদলাতে হবে। অবশ্য যারা খাদক গোত্রের, তাদেরকে এইসব গেয়ানের কথা বলে কোন লাভ নাই। এদেরকেই কাউয়া চালাক বলা হয়!!!! B:-/

৫| ২৫ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৯

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: কায়সার হামিদের মা বিশিষ্ট দাবাড়ু রানী হামিদ।
আমরা একসাথে ঢাকা মহানগর দাবা লীগে খেলেছি।

.....................................................................................
ঐ সময়ে আমি ও দাবা লীগ খেলতাম
রেটিং খুব একটা আহামরি ছিলনা,
একদিন সবাই দেখি আমার টেবিল ঘিরে দাড়াঁয়ে আছে
জনাব সুজাউদ্দিন আমার কাছে কোনঠাসা হয়ে হারছে ।
এরপর আর সময় ও ধৈর্য রাখতে পরি নাই ।
তাহলে আপনার সঙ্গে কি দেখা হয়েছিলো ???

২৫ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৪:১২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: তাহলে আপনার সঙ্গে কি দেখা হয়েছিলো ??? হতেও পারে!!! সেবা প্রকাশনীর কাজি আনোয়ার হোসেনের ভাই কাজি মাহবুব হোসেনও আমাদের সাথে খেলতেন। বেশ ভালো দাবাড়ু ছিলেন।

৬| ২৫ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৩০

আরোগ্য বলেছেন: বহুদিন পর আপনের পোস্ট পাইলাম, ভালা আছেন নি? আমি বি এহন ব্লগে আহনের তেমন টাইম পাই না, যদিও কয়েক মাস আগে থেইকা ব্লগ থেইকা দুর দুর আছি, কিমুন জানি হয়া গেছে সামু। তাবি আহি কারণ সামুর লগে ভালোবাসার সম্পর্ক। যাই হোক আমার বিজি থাকনের কারণ আমার পোস্টে দিসি, আপনের মন্তব্যের অপেক্ষায় আছি, শীঘ্রই আইবেন, ছোট লেখা মাগার কথা গুরুত্বপূর্ণ। !:#P

বর্তমানে নিউজ টিউজও তেমন দেহি না। ভোটের পর আমার মুড ৩৬০ ডিগ্রি এঙ্গেলে বদলাইসে। দুঃখে আর শরমে কেওর লগে পলিটিকাল প্যাচালও পারি না। কারিনা কায়সার যেদিন মারা গেছে তার দুদিন আগে তার সম্পর্কে জানসি। মানুষ মুখের মজায় স্বাস্থ্যের বারোটা বাজায়, আমার ভাইটারে লয়াও চিন্তায় আছি। রুচির এমন বিপর্যয় হইসে ঘরের খাওন ওর স্বাদ লাগে না। ফার্স্ট ফুড আর বাম্বু টাইনা কি যে মজা আমার বুজে আহে না। আল্লাহ সব মানুষরে ভালো খাওনের রুচি আর ভোক দান করুক।

২৮ শে মে, ২০২৬ রাত ৮:৩৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমি আপনের উপ্রে বহুত বিলা!!!

ফেব্রুয়ারী মাসে একটা পোষ্টাইছি, আহেন নাইক্কা। বিম্পির বিপক্ষের লেখা। বিম্পিতে যোগদান করলে ঠিক আছে, পছন্দ নাও হইবার পারে, না-ই আইতে পারেন। তয় যোগদান না করলে কি কারনে আহেন নাই? পোস্টে আয়া কিছু একটা তো কইবেন........নাকি মিছা কইলাম!!! X(

যাউকগ্যা, গত দুইমাসে ব্লগেই আহি নাইক্কা, পোষ্টে ব্যাখ্যা দিছি, পড়ছেন আশা করি!!! অহনেও বহুত বিজি, তয় আপনের পোষ্টে অবশ্যই যামু। ইকটু দেরী হইবার পারে।

আমার ভাইটারে লয়াও চিন্তায় আছি। রুচির এমন বিপর্যয় হইসে ঘরের খাওন ওর স্বাদ লাগে না। পুরান ঢাকার মাইনসের খাওনের ইস্টাইল যেহেতু জানি, অহনই কেয়ারফুল না হইলে কইলাম খবর আছে। আমরা অবশ্য বড় ধরনের রোগ বাধানের আগে কোন কিছুতেই গুরুত্ব দেই না। স্বভাব দোষ। তয় পারলে সাবধান হন।

৭| ২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০০

মিরোরডডল বলেছেন:





ট্রিপ থেকে এসে যদি ছবি ছাড়া এমন একটা পোষ্ট দেয়, সেটা ইনকমপ্লিট মনে হয়। একটা ছবি এনাফ না।
যদিও এটা ছবি ব্লগ বা ভ্রমণ ব্লগ না, তারপরও কিছু ছবি মাস্ট।

জার্মানীতে থাকা আমার ভাতিজা একজন কন্যা সন্তানের গর্বিত পিতা হয়েছে। এখন ইংল্যান্ডে ফিরে যাওয়ার পর আবার জার্মানীতে যাওয়া লাগবে।

Congratulations!
আমাদের ভুম দাদু হয়েছে।
তো দাদুভাই কি নবজাতক নাতনীকে দেখতে যাবে?
এতো ছোট বেবি সব একরকম লাগে দেখতে।
হ্যান্ডেল করাও কঠিন।
বাবু আরেকটু বড় হলে, কয়েক মাস হলে কোলে নিয়ে মজা, গুল্লু গুল্লু, নাদুস নুদুস।

২৯ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: যদিও এটা ছবি ব্লগ বা ভ্রমণ ব্লগ না, তারপরও কিছু ছবি মাস্ট। দুঃখিত। মানতে পারলাম না। ভ্রমণ ব্লগ না দিলে তার মধ্যে ভ্রমন সংক্রান্ত ছবি দিতে যাবো কোন দুঃখে? B:-/

তো দাদুভাই কি নবজাতক নাতনীকে দেখতে যাবে? পোষ্ট ঠিকমতো না পড়ে মন্তব্য করার অভ্যাস কোন ভালো বিষয় না। B:-)

এতো ছোট বেবি সব একরকম লাগে দেখতে। হ্যান্ডেল করাও কঠিন। এই কথায় যুক্তি আছে। জাস্ট বোর্ন বেবী আমি কোলে নেই না। :)

৮| ২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: বুদ্ধিমান হওয়া এবং সঠিক কাজটি করা- এটা হচ্ছে পৃথিবীর সবচাইতে কঠিন কাজ।

২৯ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: বুদ্ধিমান হওয়া এবং সঠিক কাজটি করা- এটা হচ্ছে পৃথিবীর সবচাইতে কঠিন কাজ। প্রচন্ড যুক্তিপূর্ণ কথা বলেছেন যা আপনার মধ্যে সচরাচর দেখা যায় না!!!! :P

৯| ২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৩

রাজীব নুর বলেছেন: দীর্ঘদিন আপনি সামুতে নেই। ভেবেছিলাম আপনি মরে গেছেন।

২৯ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপাততঃ আপনার আশা পূরণ না হওয়াতে দুঃখ প্রকাশ করছি। এই বয়সেই ডায়বিটিস বাধাইছেন। ধুমায়া বাইরের খাবার খান। স্বভাব-চরিত্র না পাল্টাইলে আমার আগেই আপনার পটল তোলার সমূহ সম্ভাবনা!!! ;)

১০| ২৫ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৫৭

করুণাধারা বলেছেন: স্পেন দিয়ে শুরু ফুচকায় শেষ! ভ্রমণ থেকে নাতি, দাবা, হেলথ টিপস! ঝরঝরে লেখা। লাইক করেছি।

নাহ্ ! সিঙ্গারা খাই নাই। একটু সমঝে চলা ভালো।

কারিনা কায়সারকে আগে জানতাম না। এভাবে প্রাণবন্ত একজন মানুষ দূষিত খাবার খেয়ে রোগাক্রান্ত হয়ে মারা গেল, খুবই দুঃখজনক ঘটনা। মেয়েটির বাবা- মা মনে হয় মেয়ের ব‍্যাপারে তেমন সচেতন ছিলেন না।

আপনার এই সচেতনতানূলক পোস্ট পড়ে মনে পড়ল রাশেদ ভাইকে নিয়ে লেখা পোস্টের কথা। কেমন আছেন আপনার রাশেদ ভাই?

২৯ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:৫৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: সিঙ্গারা খাই নাই। একটু সমঝে চলা ভালো। আমি নিজেই সিঙ্গারাতে এডিক্টেড, আপনাকে আর কি বলবো!!! তবে কষ্টার্জিত গেয়ান অর্জনের পরে নিশ্চিতভাবেই খানিকটা হলেও সচেতনতা কাজ করবে। আসলে এসব খাবার ওয়ান্স ইন ব্লু মুন খেলে তেমন একটা অসুবিধা নাই; তবে এটাও নির্ভর করে ইনডিভিজ্যুয়াল পরিস্থিতির উপরে।

মেয়েটির বাবা- মা মনে হয় মেয়ের ব‍্যাপারে তেমন সচেতন ছিলেন না। মোটামুটিভাবে জাতিগতভাবে আমরা প্রোএকটিভ না, রিয়্যাকটিভ। করিনার মা-বাবা তো বাংলাদেশের সমাজের বাইরের কেউ না। আমরা জেনেটিক্যালি এমনভাবে প্রোগ্রামড যে, ঘাড়ের উপর বিপদ না আসা পর্যন্ত সচেতন হওয়া আমাদের মধ্যে নাই।

রাশেদভাই মানসিকভাবে এখনও অসুস্থ; চিকিৎসাও চলমান। তবে এটা অবশ্য বাহ্যিকভাবে বোঝার উপায় নাই। শুধুমাত্র আমরা যারা উনাকে দীর্ঘদিন থেকে চিনি, জানি.........তারাই বুঝতে পারি। ডাক্তার বলেছে এই ট্রমা থেকে অনেকে নাকি বাকী জীবনেও পুরাপুরিভাবে বের হতে পারে না; বিশেষ করে যারা সার্জারির আগে কনফিডেন্টলি নিজেকে সম্পূর্ণ সুস্থ এবং স্বাস্থ্যবান বলে মনে করতো, তারা।

এই ''আফটার সার্জারি মেন্টাল হেলথ'' নিয়ে মনে হয় আপনার আগ্রহ আছে। কোন একবার মন্তব্যে সম্ভবতঃ এমনটা জানিয়েছিলেন। বিস্তারিত কিছু জানতে চাইলে জানায়েন। ব্যাখ্যা করার চেষ্ট করবো, কারন রাশেদ ভাইয়ের ডাক্তারের সাথে আমার দীর্ঘসময় এই বিষয়ে আলাপ হয়েছে।

১১| ০৪ ঠা জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৭

করুণাধারা বলেছেন: আফটার সার্জারি মেন্টাল হেলথ নিয়ে আমার আগ্রহ আছে খুব বেশি! আমার ঘরের লোকের স্ট্যান্টিং এর পর দেখছি উল্টা পাল্টা কথা, মানুষের প্রতি আক্রমনাত্মক কথা বলা বেড়ে গেছে! মাঝে মাঝে খুবই বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ে যাই। এটা কি এই ছোট সার্জারির জন্য হতে পারে বলে মনে করেন? রাশেদ ভাইয়ের তো বড় সার্জারি! সম্ভব হলে আলোচনা করেন কিছু।

০৫ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৩৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: স্টেন্টিং আসলে সার্জারীর মধ্যে পড়ে না। এটা একটা নন-সার্জিকাল প্রসিডিওর। যাইহোক, আলোচনা তো অবশ্যই করা যায়; তবে আগামী মঙ্গলবার রাশেদ ভাইয়ের সাইকিয়াট্রিস্টের সাথে এপোয়েনমেন্ট আছে। সাথে আমার যাওয়ার কথা। ওইদিন ডাক্তারের সাথে আরো আলাপ করবো দেখি। তাইলে আলোচনাটা আরো পোক্ত হবে। :)

ভাইজানের স্টেন্ট লাগানোর কতোদিন হলো? কয়টা স্টেন্ট? আমি নিশ্চিত এটা ডাক্তার জানতে চাইবে প্রথমেই। কারন এইসব কেইসে সময় আর ইন্টেনসিটি একটা বড় ফ্যাক্টর।

১২| ০৫ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:০৫

করুণাধারা বলেছেন: স্টেন্ট লাগানোর প্রায় সাড়ে তিন বছর হয়েছে, দুইটা স্টেন্ট! ডিমেনশিয়ার সমস্যা তো আছেই, এছাড়া মানুষকে খোঁচা মেরে কথা বলা তো আছে। যেমন একজনের চুল নিয়ে খুব হীনমান্যতা আছে, তার সাথে অনেকদিন পর যখন দেখা হল তখন প্রথমেই বললেন "কি ব্যাপার চুল তো পুরোপুরি পড়ে গেছে।" মানুষকে আঘাত দিয়ে কথা বলাটা যে ঠিক নয় এই সেন্সটাই চলে গেছে। হতে পারে এটা মস্তিষ্কের কোন ধরন বদলানো, হয়তো স্টেন্ট লাগানোর সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই! :(

০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৫১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ভাইজানের BMI সহ আরো বেশ কিছু তথ্য জানতে পারলে সুবিধা হতো। তবে পাবলিক ফোরামে ব্যক্তিগত তথ্য খুব বেশি শেয়ার করতে আমি ইনসিস্ট করছি না। সমস্যা হলো, বেশ কিছু তথ্য বা কেইসহিস্ট্রি ছাড়া ডাক্তারের সাথে বাধ্য হয়ে কিছু জেনারালাইজড ডিসকাশান করতে হবে।

মঙ্গলবার আলাপের পরে এই মন্তব্যের লেজেই আলোচনার সারমর্ম তুলে ধরবো ইন শা আল্লাহ!!! :)

২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ১:১৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আলোচনা করার আগে আমার একটা অবজার্ভেশানঃ ভাইজানের যেহেতু ডিমেনশিয়ার সমস্যা আছে, এমন কি হতে পারে না যে, ''চুল নিয়ে খুবই হীনমন্যতায় ভোগা'' মানুষটার এই সমস্যার কথা উনার মনে নাই। এমনিতেই কথার ছলে চুলের প্রসঙ্গ এসেছে; খোচা মারার জন্য না!!! অনেকের আবার মজা করারও টেন্ডেন্সি থাকে। ফলে মজা করতে গিয়ে অন্যের আঘাত পাওয়ার বিষয়টাও অনেক সময়ে মাথায় থাকে না। আমি নিজেও যেহেতু খানিকটা এই টাইপের, তাই বললাম আর কি!!!! :P

ডাক্তারের সাথে আলাপের একটা সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ
প্রথমেই বলি, স্টেন্টিংয়ের পরে মানসিক সমস্যা খুবই কমন একটা বিষয়। হার্টের মতো জটিল আর সংবেদনশীল একটা অঙ্গে কোনকিছু ঢোকানো যে কারো কাছে একটা ভয়াবহ ব্যাপার। এটা অনেকটা বাচা-মরার সাথে সম্পর্কিত, তাই এটার সাথে দ্রুত এডজাস্ট করা বেশ কঠিন। স্টেন্টিংয়ের পরে রোগীরা যে সাইকোলোজিকাল ক্রাইসিসে ভোগে তার ডাক্তারী নাম Cardiac Blues; এটা হওয়ার মূল কারণগুলো হলো আফটার শক বা ট্রমা, হার্টের ব্যাপারে সব সময়ে টেনশান আর কিছু অষুধের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া........যেমন ব্লাড প্রেশার কমানোর জন্য ভাইজান যদি Beta-Blocker জাতীয় অষুধ, ACE inhibitor কিংবা Angiotensin Receptor Blocker জাতীয় কিছু খায় তাহলে সেটা রিভিউ করার জন্য আপনাদের কার্ডিওলজিস্টের সাথে আলাপ করতে পারেন। এছাড়া স্ট্যাটিনও বেশ কিছু সমস্যা তৈরী করে (স্ট্যাটিনের সাথে ডোপামিনের কিন্তু একটা কানেকশান আছে)। বেশিরভাগ রোগীই যদিও কিছুদিন পরে এটা থেকে বেরিয়ে আসে, অল্প কিছু মানুষ বের হতে পারে না। মনে হচ্ছে ভাইজান তাদের মধ্যে একজন। এই কার্ডিয়াক ব্লুজ কন্টিনিউ করতে থাকলে, এবং চার বছর পরেও সেটার লক্ষণ থাকলে সেটাকে বলে Cardiac Distress।

যেহেতু এই সমস্যাগুলো (সবগুলো বা কিছু কিছু.......যেমন ঘন ঘন মুড সুইং, জগৎ-সংসার সম্পর্কে উদাসীনতা, এগ্রেসিভ ব্যবহার বা অগ্র-পশ্চাৎ না ভেবে কথা বলা ইত্যাদি) গত চার বছর ধরে চলে আসছে, তাই সম্ভবতঃ এগুলোর রূপান্তর ঘটেছে ক্লিনিক্যাল অ্যাংজাইটি ডিজঅর্ডার বা বিষণ্নতায়। এটাই কার্ডিয়াক ডিসট্রেসের মূল কথা। এর সুরাহা করা কিন্তু অত্যন্ত জরুরি, কারণ দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ হার্ট ও রক্তনালীতন্ত্রের (কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেম) উপর খারাপ প্রভাব ফেলে। এটা ব্যাপক হরমোনজনিত প্রতিক্রিয়াও সৃষ্টি করে যা কিনা সরাসরি ব্রেইনের অবস্থার অবনতি ঘটায়; ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশ ত্বরান্বিত করে এবং আচরণগত পরিবর্তন ঘটাতে পারে। এখানে কর্টিসল আর ডোপামিনের ভূমিকা আছে। এটা নিয়ে স্টাডি করতে পারেন। কারন দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগীদের জন্য কর্টিসলের মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাওয়াটা অনেক বেশি বিপজ্জনক; অন্যদিকে, ডোপামিনের মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাওয়াটা তাৎক্ষণিক ও তীব্র জরুরি অবস্থার সৃষ্টি করে।

ইমোশনাল সাপোর্ট (তবে ভাইজানের যে এই সাপোর্ট দরকার এটা বুঝতে না দেয়া), উনাকে ক্রিয়েটিভ বা তার পছন্দের কাজে ব্যস্ত রাখা, চিয়ার আপ করা (একটা উদাহরন দেই.......ভাইজান কোন একটা সময়ে হয়তো কোনকিছু রান্না করে আপনাকে খাইয়েছিল.......সেটা স্মরণ করে উনাকে আবার সেটা বানাতে বললেন আর খাওয়ার পরে দিলখোলা প্রশংসা করলেন!!!), উনার পছন্দের কোন কাজে ব্যস্ত থাকতে উৎসাহ দেয়া যেমন, দাবা খেলা (ডিমেনশিয়ার জন্য খুবই উপকারী), গার্ডেনিং। উনার পছন্দ-অপছন্দকে অগ্রাধিকার দেয়া (যেমন উনি যদি কাউকে অপছন্দ করেন তাহলে সেই বাসা বা সেই ব্যক্তিকে যথা-সম্ভব এভয়েড করা, সমমনাদের সাথে যোগাযোগ বাড়ানো)...........মানে আপনাকে ''ধর তক্তা, মারো পেরেক'' স্ট্র্যাটেজি নিতে বলছি না, যতোটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব আর কি!!! আর রুটিন চেক-আপগুলো অনেক সময়ে রোগীকে ভরসা দেয় (পিস অফ মাইন্ড), মনে করায়ে দেয় যে আমি সার্ভেইলেন্সের মধ্যে আছি, ভয়ের কোন কারন নাই। কাজেই সেগুলো সময়মতো করাটা জরুরী। :)

প্রতিদিন ৮ থেকে ৯ঘন্টা ঘুম খুবই জরুরী, এবং সেটা অবশ্যই ''কোয়ালিটি স্লিপ'' হতে হবে।

এই বিষয়ে বৃটিশ হার্ট ফাউন্ডেশানের একটা স্টেটমেন্ট সরাসরি তুলে দিলাম........
Depending on how your symptoms present, a doctor will map your long-term cardiac distress to one of a few official clinical diagnoses:
1. Post-Myocardial Infarction Depression (or Post-Stroke/Post-PCI Depression)
If your primary struggles are the emotional low mood, lack of interest in activities, and deep mental fatigue, it is clinically treated as Clinical Depression triggered by a cardiac event. It means the brain's neurochemicals became disrupted by the trauma of the heart event and never naturally re-regulated.

2. Health-Related Anxiety (Cardiac Anxiety)
If your main struggle is constant worrying, panicking over chest twinges, and obsessively checking your pulse, this is diagnosed as Health Anxiety or Cardiophobia. Your brain has essentially "locked" itself into an ongoing state of hyper-vigilance to protect you from another health scare, but it is now stuck in a false alarm loop.

3. Cardiac Post-Traumatic Stress Disorder (Cardiac PTSD)
Around 15% of heart patients develop PTSD because they view their sudden heart procedure as a near-death experience. Symptoms include sudden flashbacks to the hospital, avoiding reminders of the event, being easily startled, and feeling permanently emotionally numb or detached.

The Good News.............
No matter which specific name your doctor gives it, it is entirely treatable. Your brain has simply formed a long-term habit of fear and exhaustion over the years, and professional medical support—like specialized Cognitive Behavioural Therapy (CBT) and targeted medication—is highly effective at breaking that cycle.

আমি যা যা আলোচনা করলাম সবই হয়তো ভাইজানের সাথে সম্পর্কিত না; তাছাড়া উনার মেডিকেল হিস্ট্রি জানা না থাকায় একটা জেনারালাইজড আলোচনা করলাম। আমি জানি যে, এর বেশিরভাগই আপনার জানা আছে, তারপরেও আলোচনা অনেক সময়ে রিমাইন্ডারের কাজ করে!!!! B-)

খানিকটা শারীরিক সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি.............তাই উত্তর দিতে দেরী হলো। দুঃখিত হইলাম!!! আচ্ছা, আমি যে আপনার কাছে একটা বিচার দিলাম, তার কি হইলো? :-B

১৩| ০৬ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৩৯

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আসলে ইন্না লিল্লাহ যে কোন বিপদ আপদে পড়লে বা বিপদ আপদের খবর শুনলে বলা হয়ে থাকে। হাদিস, কোরআনে মৃত্যুর খবর শুনে ইন্নালিল্লাহ বলার কোন বিধান পাওয়া যায় না। এই দোয়াটা আসলে ঐ ব্যক্তির উদ্দেশ্যে কোন দোয়াও না। এ কারণে নন মুসলিমের ক্ষেত্রে বললেও কোন সমস্যা নাই। ইন্টারনেট থেকে যা পেলাম এই ব্যাপারে;

Yes, you can say "Inna lillahi wa inna ilayhi raji'un" when a non-Muslim passes away. Because the phrase translates to "Indeed we belong to Allah, and indeed to Him we return," it acts as a universal statement of truth and a reminder of mortality for all living beings.

কারও মৃত্যুর সংবাদ শোনার পরে কোন নির্দিষ্ট দোয়া পড়ার বিধান ইসলামে নাই। তবে আমাদের রসুলে করীম (সা) তাঁর এক মেয়ের মৃত্যুর সময়ে নীচের দোয়াটা পড়েছিলেন।

He said: “Inna Lillahi ma akhadha, wa lahu ma a‘ta, wa kullu shay’in ‘indahu bi ajalin musamma (Indeed to Allah belongs what He has taken, to Him belongs what He has given, and everything has an appointed time with Him)

আপনার লেখায় কারিনা মারা গেছে শুনে আমিও ভেবেছিলাম যে এটা মনে হয় কারিনা কাপুর। পরে নেটে খুঁজতে গিয়ে দেখলাম যে কারিনা কাপুর এখনও বেঁচে আছে। হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে যারা মুসলমান নায়ক বা নায়িক এদের বেশীর ভাগই নামে মুসলমান। আপনি জানেন কি না জানি না, ধরমেন্দ্র হেমা মালিনিকে বিয়ে করার সময় উভয়েই মুসলমান হয়েছিলেন। কারণ ভারতের আইনে হিন্দুদের এক সাথে দুইটা বউ রাখা যায় না। কিন্তু উভয়ের কেউই আসলে হিন্দু ধর্ম পরিত্যাগ করেনি।

আপনি এতো বড় দাবা খেলোয়াড় এই কথাটা আরও আগেই ব্লগে বলা উচিত ছিল। আপনি তো সেই রকম মেধাবী দেখা যাচ্ছে। আমি ৮০ র দশকের শেষের দিকে রানী হামিদের বই পড়ে দাবায় উন্নতি করার চেষ্টা করেছিলাম। উনি খুবই প্রতিভাশালী একজন দাবা খেলোয়াড় ছিলেন। চেষ্টা করলে হয়তো গ্র্যান্ড মাস্টার হতে পারতেন। উনার স্বামী কর্নেল হামিদ ৭০ এর দশকের আর্মি ক্যু নিয়ে ১ টা বা কয়েকটা বই লিখেছেন। অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বইটাতে আছে, যেটা আমি পড়েছিলাম। অনেক ভিতরের খবর পাওয়া যায়। উনি অবশ্য ৭১ সালে পাকিস্তানে আটকা পড়েছিলেন। ফলে আর্মিতে বেশী দূর আগাতে পারেন নাই।

আমি মোহামেডানের সমর্থক ছিলাম। কায়সার হামিদ আমার একজন প্রিয় খেলোয়াড়। কাননের কথাও মনে আছে।

পরিবারের উচিত ছিল আগে থেকেই কারিনা কায়সারের খাবারের অভ্যাস সম্পর্কে সচেতন হওয়া।

আগে চিকিৎসা বিজ্ঞান ততটা উন্নত ছিল না, যে কারণে হাসপাতালে কেউ মারা গেলে কম খরচ হত। এখন মৃত ব্যক্তিকে মৃত্যুর আগে লাইফ সাপোর্ট এবং অন্যান্য অনেক ব্যয়বহুল চিকিৎসা দেয়া হয়। ফলে সে রাজার মত জীবন যাপন করতে না পারলেও মারা যায় রাজার মত। কিন্তু পরিবার পরে বিপদে। আমাদের দেশের অনেক বড় বড় হাসপাতাল লাইফ সাপোর্টের ব্যবসা করে।

'বুদ্ধিমান হউন, সঠিক কাজটি করুন' এই বাণীটা সরকার পরিবার পরিকল্পনার কাজে ব্যবহার করতো আগে। আমার এক খালু পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ছিলেন ঐ সময়ে। ওনার ৬ মেয়ে আর ১ ছেলে ছিল। উনি বুদ্ধিমান ছিলেন এবং সঠিক কাজটি করেছিলেন। :) পিউ রিসার্চের প্রাক্কলন অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যা ২৫ কোটি পর্যন্ত যাবে, তারপরে কমতে থাকবে। এখন জন্মহার ২ এর চেয়ে একটু বেশী। ফলে জনসংখ্যা তেমন আর বাড়বে না সামনে। আমার ধারণা এখন নবদম্পতিদের ১০% এর বাচ্চা হয় না। হিন্দুরা ১ জনের বেশী বাচ্চা নেয় না অনেকেই। মুসলমানদের মধ্যেও অনেকে ১ টা নিচ্ছে।

আমাদের দেশে ঘরের বাইরের খাবারের অবস্থা ভয়াবহ। যেগুলি উন্নত দেশে জাঙ্ক ফুড বলে সেগুলিকে আমরা গোগ্রাসে গিলি এবং ফেইসবুকে দেই দেখানোর জন্য। দেশের সরকার এই ব্যাপারে চরম উদাসিন। তাই আমাদের নিজেদেরকেই সাবধান হতে হবে। ২০ থেকে ৩০ বছর আগে জন্ডিসের হার অনেক বেড়ে গিয়েছিল। হয়ত এখনও বেশী। আমার চেনা অনেককে জন্ডিসে ভুগতে দেখেছি। মুলত দূষিত পানি থেকে জন্ডিস বেশী হয়ে থাকে। এই রোগ বেড়ে গেলে প্রাণ হরণ করে। আমাদের দেশের মানুষ এবং সরকারকে সজাগ হতে হবে। সরকার না হলে আমাদের হতে হবে। একটা মানুষের জন্য একটা পরিবার বিপদে পরে।

গ্রীক দেব দেবী নিয়ে কত গল্প, কবিতা, উপন্যাস লেখা হয়েছে। সত্যি না হলেও পড়তে ভালোই লাগে। হিন্দুদের পৌরাণিক কাহিনীও পড়তে ভালো লাগে। স্পেনে নাকি ৭৮১ বছর ইসলামী শাসন ছিল। অথচ এখন সেখানে ইসলামের অবস্থা ভালো না। এটার কারণ জানা আছে নাকি। মসজিদগুলি নাকি সব গির্জা হয়ে গেছে বা পরিত্যক্ত। এই ব্যাপারে একটু আলোকপাত করা যায় নাকি?

০৮ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ইন্না লিল্লাহ.......দোয়া সম্পর্কিত বিষয়টা জানা ছিল না, জানানোর জন্য ধন্যবাদ। আমি আসলে খুব বেশি ডেডিকেটেড মুসলমান না, তার উপরে অলস প্রকৃতির। হিন্দুর ঘরে জন্মাইলে হিন্দুই থাকতাম সম্ভবতঃ। খুব বেশী নড়াচড়া করা আমার স্বভাবে নাই!!! অবশ্য ধর্মেন্দ্র / হেমা মালিনির কেইস হলে ভিন্ন কথা!!!:P

আপনি এতো বড় দাবা খেলোয়াড় এই কথাটা আরও আগেই ব্লগে বলা উচিত ছিল। আপনি তো সেই রকম মেধাবী দেখা যাচ্ছে। আমার দাবা খেলার কথা বলেছিলাম কোন একটা পোষ্ট বা মন্তব্যে, সম্ভবতঃ আপনার নজর এড়ায়ে গিয়েছে। মেধাবী বলছেন, ঠিক আছে। মোগাম্বো খুশ হুয়া!!! তবে আমি খুব বড় খেলোয়াড় ছিলাম না কখনও। কোন টাইটেলই অর্জন করতে পারি নাই। নীচু সারির একটা ক্লাবের ৪নং টেবিলে খেলতাম। সেই সময়ে প্রতিটা দলের ৪ জন খেলোয়াড় ৪টা টেবিলে খেলতো। সবচেয়ে ভালো খেলোয়াড় ১নং টেবিলে এবং এইভাবে বাকিরা ক্রমানুসারে। এখন অবশ্য কি নিয়ম জানি না। তবে ব্রেইনের ধার পরীক্ষা করার জন্য বহু বছর পর বেশ কিছুদিন ধরে অনলাইনে খেলছি। বর্তমান রেটিংও একেবারে খারাপ না। আপনিও চাইলে আবার শুরু করতে পারেন। :)

রানী হামিদ বাংলাদেশের দাবার জগতের প্রথম সুপার স্টার। বাকিদের মতো অল্প বয়সে যদি খেলা শুরু করতেন, তাহলে উনার গ্র্যান্ড মাস্টার হওয়া কেউ ঠেকাতে পারতো না। উনার স্বামী কর্নেল হামিদ যে বই লিখেছেন, তা-ই জানতাম না। আপনি তো দেখছি উনার সম্পর্কে বেশ ভালো খবরাখবর রাখেন!!!

আমি মোহামেডানের ডাই-হার্ড সমর্থক ছিলাম। ঢাকা স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে গিয়ে আবাহনীর সমর্থকদের সাথে বহুবার মারপিটে জড়িয়েছি। সেই সময়ে খেলা দেখতে গিয়ে পুলিশের টিয়ার গ্যাসের মুখে পড়া ছিল নিত্যকার ঘটনা।

শুধু কারিনা কায়সার না, বাংলাদেশের প্রতিটা মানুষ আর তাদের পরিবারের প্রতিটা সদস্যের সচেতন হওয়া খুবই জরুরী। অসচেতনতার কারনে আমাদের খুব বড় বড় মুল্য চুকাতে হয়। সরকার যেহেতু জাঙ্কফুড / স্ট্রীটফুড নিয়ন্ত্রণে কিছুই করবে না, কাজেই আমাদেরই স্ব-উদ্যোগে সচেতনতা বাড়াতে হবে, নয়তো এটা আগামী প্রজন্মকে পঙ্গু করে দিবে। মানুষের এই অসচেতনতার জন্যই বাংলাদেশের চিকিৎসা সেবা আর সেবা নাই, ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। খুবই বড় ব্যবসা!!! X(

'বুদ্ধিমান হউন, সঠিক কাজটি করুন' এই বাণীটা সরকার পরিবার পরিকল্পনার কাজে ব্যবহার করতো আগে। ঠিক বলেছেন। এটা ছিল সেই সময়ের একটা বিখ্যাত সরকারী পাঞ্চ লাইন। এইবার সেইসময়ের একটা বিখ্যাত বেসরকারী পাঞ্চ লাইন বলি..........স্টার কেন খাই? পয়লা নম্বরের তৃপ্তি পাই!!! :-B

আপনার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা খালু নিঃসন্দেহে বুদ্ধিমান ছিলেন এবং সঠিক কাজটি করেছিলেন। তবে আপনার খালা নিশ্চয়ই এই ব্যাপারে মনে মনে দ্বিমত পোষণ করতেন!!! সম্ভবতঃ মনে মনে উনাকে গালাগালিও করতেন!!! ;)

অফিসে বসে বসে এইটুকু লিখে টায়ার্ড হয়ে গিয়েছি। আপনার মন্তব্যের স্পেন অংশটুকুর উত্তর পরে দিবো। আমার তোলা ক্যাথিড্রাল মসজিদের কয়েকটা ফটোও দিবো। আচ্ছা..........ভালো কথা, আপনি কি বিএনপিতে যোগদান করেছেন নাকি? এই পোষ্টের আগের পোষ্টে বিএনপিকে নিয়ে বলা কথাগুলোর কোন আলোচনা-সমালোচনা দেখলাম না কিনা!!! সেইজন্য সন্দেহ হচ্ছে। B-)

১১ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:১৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: স্পেনে নাকি ৭৮১ বছর ইসলামী শাসন ছিল কথা সত্যি। শুধু স্পেন না, পর্তুগাল এবং আধুনিক ফ্রান্সের কিছু অংশও মুসলমানরা দখল করেছিল। ৭১১ সালে তারিক ইবনে জিয়াদের মাধ্যমে ইসলামী শাসন শুরু হয় আর ১৪৯২ সালে এর সমাপ্তি ঘটে। আমি ইস্টাডি কইরা মুসলমানদের পতনের তিনটা কারন পাইছি............মুসলমানদের আরাম আয়েশের দিকে ঝুকে পড়া, নিজেদের মধ্যে অন্তর্কোন্দল আর অনৈক্য, খৃষ্টানদের একতা এবং ঐক্য।

মসজিদগুলি নাকি সব গির্জা হয়ে গেছে বা পরিত্যক্ত বিষয়টা সেইরকমের না। তবে কর্ডোবার বিশ্বখ্যাত মসজিদ, যেটাকে এখন ''ক্যাথেড্রাল মস্ক'' বলে; কারন খৃষ্টান শাসকেরা পরবর্তীতে এটাকে ক্যাথেড্রালে রুপান্তরিত করে। এটা দেখে মুসলমানদের বেকুবীর জন্য আমার মেজাজ চরম খারাপ হয়েছিলো। আপনের উপ্রেও চেইতা আছি, আমার আগের পোষ্ট ইগনোর করার জন্য। তারপরেও এই পোষ্টে আসার জন্য ৫টা ছবি উপহার দিলাম।

নীচের ২টা ছবিতে কোন রিনোভেশানের ছোয়া লাগে নাই। ইভেন দ্বিতীয় ছবিতে কোরআন শরীফের আয়াতের কারুকাজ দেয়ালে দেখবেন (বেশিরভাগই নষ্ট করে ফেলা হয়েছে)।




এই তিনটা ছবিতে মসজিদের ভিতরে খৃষ্টানাইজেশানের নমুনা দেখেন।




১৪| ০৬ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:০৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: ভালো লাগল বেশ কিছু মিশ্র প্রসঙ্গ নিয়ে লেখা আপনার এ বারোয়ারি পোস্টটি পড়তে। আশাকরি জার্মানি থেকে ঘুরে এসেও সেখানকার সফর নিয়ে একটা টাটকা পোস্ট দিবেন।
কারিনা কাপুর আর কারিনা কায়সারকে নিয়ে প্রথমদিকে আমার মনেও কিছুটা দ্বন্দ্ব ছিল। কিন্তু পরে মিডিয়ার ক্রমাগত প্রেসারে সব দ্বন্দ্ব খড়কুটোর ন্যায় ভেসে যায়। তবে মেয়েটির এ মর্মান্তিক মৃত্যু আর সবার মত আমাকেও ব্যথিত করেছে। মানুষের এমন মর্মান্তিক মৃত্যু নিয়েও আমরা কত সহজে জাজমেন্টাল মন্তব্য প্রকাশ করে থাকি!
আপনার অন্যান্য গুণের সাথে একজন ভালো দাবাড়ুর পরিচয়টা প্রকাশ পেয়ে যাওয়াতে তো আপনাকে অভিনন্দন জানাতেই হয়। ঢাকা মহানগর দাবা লীগে খেলতে পারাটাও তো মোটেই কম কথা নয়।

০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৫১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: জার্মানি থেকে ঘুরে এসেছি, তবে সেসব নিয়ে পোস্ট দেয়ার আপাততঃ কোন প্ল্যান নাই খায়রুল ভাই। ব্লগে আগের মতো নিয়মিত হওয়া প্রায় বেসম্ভব এখন। তাছাড়া এটা তো ঘোরাঘুরির ট্রিপ ছিল না। দুইদিনের জন্য গিয়েছিলাম, মোটামুটিভাবে বাসার মধ্যেই ছিলাম এক প্রকার। তাছাড়া আগের মিউনিখ এবং তৎসংলগ্ন এলাকাগুলোতে বেড়ানোর সবগুলো পর্বই তো দিতে পারলাম না!!! একগাদা ছবি আপলোড করতে খুবই অলসতা লাগে আজকাল!!! :(

তবে মেয়েটির এ মর্মান্তিক মৃত্যু আর সবার মত আমাকেও ব্যথিত করেছে। মানুষের এমন মর্মান্তিক মৃত্যু নিয়েও আমরা কত সহজে জাজমেন্টাল মন্তব্য প্রকাশ করে থাকি! খুবই সত্যি কথা বলেছেন।

ভালো শব্দটা খুবই আপেক্ষিক। কার সাথে তুলনা করবেন, বিষয়টা সেটার উপরে নির্ভর করে। মনে করেন, লীগে খেলার সময়ে আমি খেলতাম মূলতঃ ৪ নং টেবিলে। কাজেই প্রথম তিন টেবিলের খেলোয়াড়দের তুলনায় আমি ছিলাম খারাপ। আর নাইভ একজন দাবাড়ুর তুলনায় আমি ভালো!!! :)

১৫| ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৪

মিরোরডডল বলেছেন:





পোষ্ট ঠিকমতো না পড়ে মন্তব্য করার অভ্যাস কোন ভালো বিষয় না।

ভুম সম্ভবত পোষ্ট না পড়ে মন্তব্য করে, তাই অন্যকে নিজের মতো ভাবে :)
আমি অলওয়েজ পোষ্ট পড়েই মন্তব্য করি কিন্তু অনেক সময় লেখা নিয়ে বলার কিছু থাকে না বা বলা হয় না, তারমানে এই না পোষ্ট পড়িনি।

২০ তারিখে ফোনে খবর পেলাম, জার্মানীতে থাকা আমার ভাতিজা একজন কন্যা সন্তানের গর্বিত পিতা হয়েছে। এখন ইংল্যান্ডে ফিরে যাওয়ার পর আবার জার্মানীতে যাওয়া লাগবে।

এটা পড়ে জানলাম দাদু হয়েছে, তাই শুভকামনা জানালাম। নাতনী দেখতে যাবে এটা বলেছি, এখানে সমস্যা কোথায় বুঝলাম না B:-)

কারিনার মৃত্যু বা জাঙ্কফুড এফেক্ট এগুলো নিয়ে কিছু পোষ্ট আগেই এসেছে, সেগুলোতে অলরেডি কমেন্ট করায় সেটা আর এখানে রিপিট করিনি।

মন্তব্যের পর এসে আবার সেটা এক্সপ্লেইন করতে হয়, God help!!!! :((


১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৪০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এক ছুটি কাটিয়ে এসে আবার ছুটি নেয়া বিরাট দিগদারী একটা ব্যাপার। সপ্তাহ দুয়েক নাকে-মুখে কাজ করে বসকে ম্যানেজ করে ছুটলাম জার্মানী। পারিবারিক দায়িত্ব পালন করে ফিরে এসে আবার নাকে-মুখে কাজ শুরু করলাম যাতে ইজ্জতের উপর কোন হামলা না হয়। এটা পোষ্টে আমার ৩য় প্যারার অংশ বিশেষ। পরিস্কার বোঝা যাচ্ছে যে, স্পেন থেকে ফিরে দুই সপ্তাহের মাথায় জার্মানী গিয়েছি নাতনীকে দেখতে।

এখন দেখি, মিডের ''তথাকথিত পোষ্ট পড়া''র পরের মন্তব্য (৭নং)। মিড লিখেছে, Congratulations! আমাদের ভুম দাদু হয়েছে। তো দাদুভাই কি নবজাতক নাতনীকে দেখতে যাবে? মন্তব্যে কি বোঝা যাচ্ছে? মিড ঠিকমতো পোষ্ট পড়েছে, নাকি পড়ার পরে না বুঝেই মন্তব্য করেছে? আমি আর কিছু বলবো না, ব্লগের বিজ্ঞজনদের কাছে বিচার দিলাম। B-)

মন্তব্যের পর এসে আবার সেটা এক্সপ্লেইন করতে হয়, God help!!!! :(( কার কাছ থিকা কি শুনলাম? ও খোদা.........উপর থিকা দড়ি ফালাও। বায়া উইঠা যাই!!!! :((

১৬| ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪১

করুণাধারা বলেছেন: আমি ডাক্তারের সাথে আলাপ করতে বলি নাই তো! খালি বলেছি হৃদয়ে বাড়ি খেলে মাথা কতটুকু নষ্ট হতে পারে! না জানালেও চলে। আজকাল আমি সবকিছুতেই সুদূরের পিয়াসী হয়ে গেছি....

আমার পোস্টে মিড এই মন্তব্য করেছে। আমি কিছু বললাম না, খালি মন্তব্যটা দিয়ে গেলাম।

ভুম বলেছে:
দুঃখের বিষয় হলো, আমার বউ কিছুদিন পর পর সব অপ্রয়োজনীয় জিনিস (তার ভাষায়) বাড়ি থেকে ঝেটিয়ে বিদায় করে!!!

ভুমি যেন কবে আবার আমাদের ভুমকেই এভাবে …………………………

আমি কিন্তু কিছু বলিনি #:-S

১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৪২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: তা বলেন নাই বটে, কিন্তু আপনার সম্ভব হলে আলোচনা করেন কিছু মন্তব্যের পরে আমি যখন বললাম, আলোচনা তো অবশ্যই করা যায়; তবে আগামী মঙ্গলবার রাশেদ ভাইয়ের সাইকিয়াট্রিস্টের সাথে এপোয়েনমেন্ট আছে। সাথে আমার যাওয়ার কথা। ওইদিন ডাক্তারের সাথে আরো আলাপ করবো দেখি। তাইলে আলোচনাটা আরো পোক্ত হবে। সেইসাথে কিছু তথ্যও চাইলাম, তখন মানাও তো করেন নাই। তাই না!!! :)

যদিও আমি ডাক্তারের চাইতে খুব একটা কম জানি না, তারপরেও আলাপ করতে তো দোষ নাই কোন। কি বলেন!!!! :P

মিড আজকাল আমারে দেখতে পারে না। পোষ্ট ঠিকমতো না পড়েই আংসাং মন্তব্য করে!!! বিষয়টা দুঃখজনক। আপনার কাছে বিচার দিলাম। পক্ষপাতহীন বিচার করার আবেদন রইলো। আমার ধারনা, গাড়ি ভাঙ্গার পর থেকে মিডের মনোজগতে বিশাল আকারের ধাক্কা লেগেছে। নাথিং আনলাইকলি!!! ইট হ্যাপেনস!!!! ;)

১৭| ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪

মিরোরডডল বলেছেন:




@ ধারাপু
তুমি যে নীরবে নিভৃতে বিড়ালের মতো নিঃশব্দে এসে এখানে এই কমেন্টটা দিয়ে গেলে, এটা দেখে খুব মজা পেলাম :)

এরকম সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায়না বলে তুমিও যে সাপোর্ট দিলে, সেই কমেন্টটাও কি এনে দিবো কিনা ভাবছি ;)

মৃতপ্রায় সামুতে অনেকদিন পর একটু হাসলাম।
থ্যাংকস আপু।

১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৪৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আচ্ছা.........আমার বউ যদি আমাকে কোনদিন অপ্রয়োজনীয় ভেবে ঝেটিয়ে বিদায় করে, ভাবছি অস্ট্রেলিয়া চলে যাবো। ওখানে আমার একজন শুভাকাঙ্খী বসবাস করে, সাহায্য নিশ্চয়ই করবে!!! :-B

মৃতপ্রায় সামুতে অনেকদিন পর একটু হাসলাম। একটু হাসার দরকার কি? বেশি হাসলে কি কোন ট্যাক্স দিতে হয়? B:-)

১৮| ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৮

করুণাধারা বলেছেন: দিতে পারো। আফটার অল, পরিস্থিতি কোন দিকে যেতে পারে, সেটার আভাস ভুমকে দেয়া সহ ব্লগার হিসেবে আমাদের কর্তব্য। B-)

১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৪৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: সাহি বোলা আপনে!!!! :P

১৯| ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:১৩

মিরোরডডল বলেছেন:




লেখক বলেছেন: এক ছুটি কাটিয়ে এসে আবার ছুটি নেয়া বিরাট দিগদারী একটা ব্যাপার। সপ্তাহ দুয়েক নাকে-মুখে কাজ করে বসকে ম্যানেজ করে ছুটলাম জার্মানী।

আমিতো খুব কম বোঝা একজন মানুষ, বিস্তারিত না বললে বুঝিনা।
জার্মানি গেছে বুঝেছি কিন্তু নাতনীকে দেখা হয়েছে এটা বুঝি নাই।
নাতনী কোলে নিয়ে দাদুভাই একটা পিক দিলে এই ভুল বোঝাবুঝি হয়না।

মিড ঠিকমতো পোষ্ট পড়েছে, নাকি পড়ার পরে না বুঝেই মন্তব্য করেছে?

সেদিন ঠিক বলেনি, কিন্তু এটা ঠিক আছে, পোষ্ট পড়েছি কিন্তু বোঝার ভুল ছিলো।
ওই যে বললাম, আমি খুব কম বুঝি।

লেখক বলেছেন: ও খোদা.........উপর থিকা দড়ি ফালাও। বায়া উইঠা যাই!!!! :((

খোদা কি ভুমের দোয়া কবুল করেছে? দড়ি ফেলেছিলো?
ভুম কি এখন নীচে আছে, নাকি ওপরে উঠে গেছে?
দড়ি ফেললেও বেয়ে উঠতে পারবে বলে মনে হয়না, ছিঁড়ে পড়বে!

ভুম শব্দটা শুনলেই মনে হয়, ওই যে কিছু বাবু আছে অতিরিক্ত মোটা নাদুস নুদুস।
যেখানে বসায়, ওখানেই থপ করে বসে থাকে, ওজনের ভারে নড়াচড়া করতে পারে না, ওরকম 8-|


২৫ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৬:১১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমিতো খুব কম বোঝা একজন মানুষ, বিস্তারিত না বললে বুঝিনা। জার্মানি গেছে বুঝেছি কিন্তু নাতনীকে দেখা হয়েছে এটা বুঝি নাই। মিড বুঝতে পারছে যে সে ধরা পড়ে গিয়েছে। এখন আবজাব কথা বলে পার পাওয়ার চেষ্টা করছে। আমি পোষ্টে ২য় প্যারায় বলেছি........এখন ইংল্যান্ডে ফিরে যাওয়ার পর আবার জার্মানীতে যাওয়া লাগবে। কিছু আত্মীয়তার এমনই বাধ্যবাধকতা যে, এড়িয়ে যাওয়ার কোন উপায় নাই একদমই। আর ৩য় প্যারায় বলেছি..............সপ্তাহ দুয়েক নাকে-মুখে কাজ করে বসকে ম্যানেজ করে ছুটলাম জার্মানী। পারিবারিক দায়িত্ব পালন করে ফিরে এসে আবার নাকে-মুখে কাজ শুরু করলাম যাতে ইজ্জতের উপর কোন হামলা না হয়। এখান থেকে কি বোঝা যাচ্ছে? জার্মানীতে কোন পারিবারিক দায়িত্ব পালনের কথা বলেছি?

যাক, মিড প্রথমে জার্মানীতে যে গিয়েছি, সেটাই বোঝে নাই (৭নং মন্তব্য)। পরবর্তীতে জার্মানি গিয়েছি সেটা বুঝেছে, কিন্তু নাতনীকে দেখতে গিয়েছি তা বুঝে নাই (১৯নং মন্তব্য)। আমার এই প্রতি-মন্তব্য পড়ে সেটাও বুঝে যাবে আশা করি। কিছু মাছ আছে, হাতে ছাই লাগানোর আগ পর্যন্ত পিছলাইতেই থাকে!!!!! :P

ভুম শব্দটা শুনলেই মনে হয়, ওই যে কিছু বাবু আছে অতিরিক্ত মোটা নাদুস নুদুস। যেখানে বসায়, ওখানেই থপ করে বসে থাকে, ওজনের ভারে নড়াচড়া করতে পারে না, ওরকম 8-| এই কথাটা কোন একটা সময়ে প্রযোজ্য ছিল, ঠিক আছে। আমার শিশুকালে বড় বোনের বান্ধবীরা বাসায় এলে আমাকে কোলে নেয়ার চেষ্টা করতো, তবে পারতো না। হে হে হে!!!! বোনকে বলতো, তোর এই ভাইটা পাথরের মতো ভারী!!! অবশ্য তারাও যে সেই সময়ে বড় আর শক্তিশালী ছিল.........বিষয়টা তেমন না!!! :-B

দড়ি ফেললেও বেয়ে উঠতে পারবে বলে মনে হয়না, ছিঁড়ে পড়বে! তবে সেইসব দিন আর এখন নাই। বয়স হিসাবে আমার ওজন নিয়ন্ত্রণেই আছে। ;)

আমার বেকুবীর কারনে খানিকটা শারীরিক সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি.............তাই উত্তর দিতে দেরী হলো। সেইজন্য দুঃখ প্রকাশ করলাম।

২০| ২৪ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: কারিনা কায়সারকে আমি চিনতাম না।

মারা যাওয়ার পর তার কত কত ভিডিও দেখলাম। সুন্দর ছিল মেয়েটা

২৫ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আসলে কারিনা কায়সারকে অনেকেই সেইভাবে চিনতো না। ঘটনা ঘটার পরে নিউজে এসে বিভিন্নভাবে ভাইরাল হয়েছে। আর তার জন্য একটা বড় দায় ছিল কিছু বিকৃতমনস্ক মানুষের কুৎসিৎ মন্তব্য।

মহান আল্লাহ তার গুনাহ মাফ করে জান্নাতবাসী করুন। আমিন।

২১| ২৫ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৬

করুণাধারা বলেছেন: এত বড় এবং বিস্তারিতভাবে লিখতে গেলে দীর্ঘ সময় তো লাগবেই! অনেক ধন্যবাদ, ব্যস্ততা এবং অসুস্থতার মধ্যেও দীর্ঘ সময় ব্যয় করে এমন ভাবে লিখে আমাকে সাহায্য করার জন্য। অনেক কিছুই বুঝতে পেরেছি, এবং অনেক উপকার হয়েছে বুঝতে পেরে। অসংখ্য ধন্যবাদ।

আচ্ছা, আমি যে আপনার কাছে একটা বিচার দিলাম, তার কি হইল?

বিচার তো করতেই পারি কিন্তু বিচার পক্ষপাতহীন হবে কিনা বুঝতে পারতেছি না! অন্য পক্ষের দিকে আমার ঝুঁকে পড়াটা কি আপনার ভালো লাগবে!? :(

আসলে আমারও মনে হয় মিডের মনোজগতে কিছু ধাক্কা লেগেছে (সেটা গাড়ি ভাঙার জন্য কিনা জানিনা)! সেজন্য সে আজকাল ব্লগে কম আসছে। কিন্তু এই যে একবার হলেও আসছে, মন্তব্য করছে এটাই তো আনন্দের বিষয়। পোস্ট না পড়ে মন্তব্য করলে করুক না! একটু ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখলেই তো হয়ে যায়! আফটার অল, ক্ষমা মহৎ ধর্ম! এটাই আমার বিচারের রায়! :)

২৫ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: বিচার তো করতেই পারি কিন্তু বিচার পক্ষপাতহীন হবে কিনা বুঝতে পারতেছি না! আপনি যে পক্ষপাতহীন বিচার করতে পারবেন না, সেটা আমি আগে থেকেই জানি; সে'জন্যেই বলেছিলাম............... আপনার কাছে বিচার দিলাম। পক্ষপাতহীন বিচার করার আবেদন রইলো। আসলে আপনাকে দোষ দেয়া যায় না। মিড ''ধারাপু......ধারাপু'' রব তুলে যে আহ্লাদ আপনার সাথে করে, তাতে পক্ষপাতহীন বিচার করা সম্ভব না!!!! :P

আসলে আমারও মনে হয় মিডের মনোজগতে কিছু ধাক্কা লেগেছে (সেটা গাড়ি ভাঙার জন্য কিনা জানিনা)! মিডকে আমি এমনিতেই ভয় পাই তার স্বপ্ন দেখা-জনিত অলৌকিক ক্ষমতার জন্য। এখন মনোজগতে ধাক্কা খাওয়া মিডের প্রতি ভয়টা আরো বাড়লো গাড়ির ধাক্কার কারনে, কারন ''মহিলা গাড়িচালক''রা সাধারন অর্থে ভয়াবহ হয়। এরা রাস্তায় কখন কি করে বোঝা মুশকিল........পুরাই আনপ্রেডিক্টেবল। আর উল্টাপাল্টা কাজ করার পরে এমনভাবে দাত কেলিয়ে হাসে যে, কিছু বলাও যায় না। একজন ভুক্তভোগী হিসাবে আমি নিজে বেশ কয়েকবার এদের মুখোমুখি হয়েছি!!! X(

একটু ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখলেই তো হয়ে যায়! আফটার অল, ক্ষমা মহৎ ধর্ম! বলছেন!!! আচ্ছা, ক্ষমাই করে দিলাম!!!! ;)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.