নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একদিন বাংলাদেশ জাগবেই ।।

দেশের স্বাধীনতা-স্বার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে লেখালেখির দ্বারা যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছি, যাবো-ইনশাল্লাহ ।।

অপ্রিয় সত্যের বাহক

প্রকৃতি আমাকে যা দিয়েছে আমি তাতেই খুশি । অল্পতে তুষ্ট থাকার মতো একটা ভালো অভ্যাস আমার আছে । আমি প্রচন্ড ব্যক্তিত্ববোধ আত্মমর্যাদাবোধ সম্পন্ন মানুষ । আমার ব্যক্তিত্বে কেউ আঘাত করলে আমি স্পষ্ট ভাষায় তা ফিরিয়ে দেই । আমি দেশকে প্রচন্ড রকম ভালোবাসি । দেশের স্বাধীনতা-স্বার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে আমি সবকিছু করতে পারি । আমি প্রচন্ডভাবে বিশ্বাস করি- একদিন বাংলাদেশ জাগবে ।।

অপ্রিয় সত্যের বাহক › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রসঙ্গ র্যাবঃ বিলপ্তি নয়,চাই সংস্কার ।।

২৯ শে মে, ২০১৪ সকাল ৮:৪৪

খোকা ঘুমালো

পাড়া জুড়ালো

র্যাব এলো দেশে

সন্ত্রাসীরা ধান খেয়েছে

খাজনা দিবো কিসে...।।

নন্দীত কথাসাহিত্যিক

হুমায়ূন আহমেদ তাঁর

"হলুদ হিমু কালো র্যাব"

বইতে র্যাবকে এভাবেই

তুলে ধরছে ।

পুরো বইটা জুড়েই তিনি

র্যাবকে নিয়ে চরম

রসিকতায় মেতেছিলেন ।

তিনি তীব্র নিন্দা করেছিলেন

র্যাবের বিনা বিচারে

ক্রসফায়ারের বিরুদ্ধে ।

তিনি তাঁর বইতে বলেছিলেনঃ

"প্রকৃতি অনেক যত্নে একটি

মানুষ তৈরী করে,নির্বিচারে

পাখীর মতো গুলি করে

সেই মানুষটিকে মারার

অধিকার মানুষের নেই ।"

র্যাব প্রকতপক্ষেই বেশি

বেড়ে গেছে ।

র্যাবকে ক্ষান্ত করতে হবে ।

এখন প্রশ্ন হলো কীভাবে

র্যাবকে পাল্টাতে হবে ?

র্যাবকে বাতিল করে

দিয়ে কোনো সমস্যার

সমাধান হবেনা ।

কারন র্যাবের ভিতর

খারাপ মনমানসিকতার

ব্যক্তি আছে ।

কর্মক্ষেত্র বদলালেও এদের

মানসিকতা পাল্টাবে না ।

তাই প্রথমেই র্যাবের

ক্ষমতার দৈর্ঘ্য কমাতে হবে ।

র্যাবকে একটা নির্দিষ্ট

সীমানার মধ্যে রাখতে

হবে ।

যেমনঃ

১।যেখানে-সেখানে র্যাবের

আনাগোনা কমিয়ে আনতে

হবে ।

২।অনুমতি ব্যতিত এক

রাউন্ড গুলিও যেনো

খরচ না করে সে ব্যবস্থা

করতে হবে ।

৩।সামান্য চোর ধরতেও

যেনো র্যাবকে ডাকা না

হয় ।

৪।রাজনৈতিক সহিংসতা

এড়াতে র্যাবকে ব্যবহার

করা যাবেনা ।

সে জন্য পুলিশ আছে ।

৫।র্যাবের দপ্তর আলাদা

করতে হবে ।

পুলিশের সাথে থাকতে থাকতে

তাদের মন মানসিকতা খারাপ

হয়ে যায় ।

তখন পুলিশের অপকর্ম

মনোভাব তারা পেয়ে যায় ।



এ ধরনের নানা

প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে

র্যাব নামক ভয়ংকর

আতংক থেকে দেশ ও

দেশের মানুষকে রক্ষা

করা যাবে ।

খালেদা জিয়ার

"বিলপ্ত করতে

হবে র্যাবকে"

নীতির সাথে

আমি একমত নয় ।

র্যাব শব্দটা আছে বলেই

সন্ত্রাসীরা থেমে যায় ।

ভীত থাকে সন্ত্রাসীরা ।

আর র্যাবের ক্ষমতা

পুলিশকে দিলে পুলিশ

অপকর্ম করবে

কয়েকগুন বেশি ।

অতঃপর র্যাবের ক্ষমতা

কমিয়ে তাদের সেনাবাহিনীর

মতো রেখে দেওয়া হোক ।

সামান্য ব্যাপারে রাস্তায়

আসাটা র্যাবের অনুচিত ।

প্রয়োজন ব্যতিত র্যাব

রাজপথে থাকবেনা ।

র্যাব ব্যস্ত থাকবে সন্ত্রাসী

ধরতে ।

তাই র্যাবের

সংস্কার চাই,বিলপ্তি নয় ।।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.