নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একদিন বাংলাদেশ জাগবেই ।।

দেশের স্বাধীনতা-স্বার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে লেখালেখির দ্বারা যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছি, যাবো-ইনশাল্লাহ ।।

অপ্রিয় সত্যের বাহক

প্রকৃতি আমাকে যা দিয়েছে আমি তাতেই খুশি । অল্পতে তুষ্ট থাকার মতো একটা ভালো অভ্যাস আমার আছে । আমি প্রচন্ড ব্যক্তিত্ববোধ আত্মমর্যাদাবোধ সম্পন্ন মানুষ । আমার ব্যক্তিত্বে কেউ আঘাত করলে আমি স্পষ্ট ভাষায় তা ফিরিয়ে দেই । আমি দেশকে প্রচন্ড রকম ভালোবাসি । দেশের স্বাধীনতা-স্বার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে আমি সবকিছু করতে পারি । আমি প্রচন্ডভাবে বিশ্বাস করি- একদিন বাংলাদেশ জাগবে ।।

অপ্রিয় সত্যের বাহক › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমি,একটি ছোট ছেলে ও মুমূর্ষ মানবতা এবং প্যালেস্টাইন ।।

১০ ই জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৩:০১

ছোট্ট একটি গ্রামের

ভেতর দিয়ে

হেঁটে যাচ্ছিলাম ।

হঠাত্ পায়ের নিচের

রাস্তা কেঁপে উঠলো ।

বুকের ভেতর চিনচিনে

ব্যথা অনুভব করলাম ।



পা ফেলতে ভয়

করতেছিলো ।

সেন্ট্রাল রোড থেকে

একটু সামনে পা রাখতেই

একটি বিরাট আকারের

দানব দেখতে পেলাম ।

দানবটা একটু অদ্ভুতই ।

ধীরে ধীরে চলছে সে ।



আমি পাশের একটি

শহরের ভাঙ্গা দেয়ালের

পাশে লুকালাম ।

বুকের চিনচিনে ব্যথাটা

ক্রমেই বাড়তেছিলো ।

ঝাপসা হয়ে আসছিলো

চারপাশ ।



হঠাত্ বিকট শব্দ হলো ।

শহরটা কেঁপে উঠলাম ।

তারপর আর কিছু মনে

ছিলনা ।

একটা সময় জ্ঞান ফিরলো ।

হাতে থাকা ঘড়ির দিকে

তাকালাম ।

মিনিট পাঁচেকের মতো

অচেতন ছিলাম ।

ভাঙা দেয়ালটার ফাঁকা

দিয়ে বড় রাস্তার দিকে

তাকালাম ।

দেখলাম দানবটা এখনো

আছে ।



দানবের পিছনে ছোট

ছোট আরো কিছু দানব

দেখতে পাচ্ছিলাম ।

তাদের দেখে মনে হল

তারা খুব হিংস্র ।

তাদের চোখগুলিকে রক্তের

মতো লাল মনে হচ্ছিল ।

আমি ভয়ে চুপসে গেলাম ।

নিজেকে বড্ড অসহায়

আর অবুঝ লাগছিলো ।

বারবার মনে হচ্ছিল

আমি কেন দানব

হলাম না ।

দানব হতে পারলে সব

খারাপ দানবকে মেরে

ফেলতাম ।



সবাই পালাচ্ছিল ।

হঠাত্ ঝাপসা চোখে

দেখলাম ছোট্ট একটা

ছেলে দুইহাতে কয়েকটি

ঢিল নিয়ে বিরাট

দানবের সামনে দাঁড়ালো ।

আমি চিত্কার করে

তাকে পিছে ফিরতে বললাম ।

কিন্তু আমার চিত্কার

আমিই শুনতে পেলাম না ।



কিয়ত্ক্ষণ পরে আমি

একটি ছেলের তীব্র

সাহসের পরিচয় পেলাম,

পেলাম দানবের সামনে

শক্তি নিয়ে প্রতিরোধের

ভিত ।

১০-১২ বছরের ঐ

ছেলেটি দানবের দিকে

ঢিল ছুঁড়ছিলো ।

তাকে দেখে মনে

হচ্ছিল দানবটি তার

সব কেড়ে নিয়েছে ।

কিছু করতে না পেরে

ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ আর

প্রতিশোদের তীব্র আগুন

নিভাতে সে রাস্তা থেকে

কুঁড়িয়ে নেওয়া ইটের

টুকরো ছুঁড়তেছিলো ।



আমি বারবার অসহায়

ছেলেটির দিকে তাকালাম ।

ক্ষণিকের জন্য তার

চোখ দেখলে পেলাম ।

দেখলাম সেখানে লেখা

আছে মা হারানোর গল্প,

আছে বাবা আদরের

ছোট ভাই,

বড় বোন হারানোর গল্প ।

দানবেরা আগেই সব

শেষ করে দিয়েছে ।

ছোট্ট এ শিশুটি হয়তো

প্রাণে বেঁচে ফিরেছিলো

কিংবা আলমারির

পিছে লুকিয়ে

দেখেছে দানবের তীব্র

নির্দয়তা,

চোখের সামনেই ছোট

ছোট দানবেরা তার

বোনকে ধর্ষণ করলো,

রক্তাক্তে দেহ নিয়ে তাঁর

আদরের বোন আলমারির

পিছে থাকা ভাইটির

দিকে একবার তাকিয়েছিলো ।

তারপর স্তব্ধ হয়ে

গেলো সব ।



বড় দানবের থেকে

ছোট দানবগুলো

বেশি হিংস্র ।

আলমারির পিছন থেকে

বেরিয়ে ছেলেটি সোজা

এ রাস্তায় চলে এসেছ

ধর্ষিত বোনের প্রতিশোধ

নিতে কয়েক টুকরো

ইট দিয়ে ।



হঠাত্ চিত্কার শুনলাম

আর্তনাদের ।

ঝাপসা চোখে তাকালাম

ছেলেটির দিকে ।

বড় দানবটির বুলেটের

আঘাতে রক্তাক্ত ছেলেটির

বুক আমায় নির্বাক

করে দিল ।

মুহর্তেই মাটিতে পড়ে

গেল ছেলেটি ।

নিস্তব্ধ হয়ে গেলো সব ।



আর কিছু মনে নেই

আমার ।.....।।

......................

......................

এই হচ্ছে জ্বলতে থাকা

প্যালেস্টাইনের কথা ।

ইসরাইলের বড় বড়

কামান আর সৈন্য নামক

ছোট দানবে মুচড়ে খাচ্ছে প্যালেস্টাইনের

রক্ত ।



আল্লাহ আমার মুসলিম

ভাইদের রক্ষা করো ।।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৩:৪২

মোঃ রতন বলেছেন: আমিন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.