নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বর্ণমালা বৃষ্টি

বর্ণমালা বৃষ্টি › বিস্তারিত পোস্টঃ

থাইল্যন্ড ডাইরি ০৫

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৮:৫৬

সকাল সকাল উঠে নাস্তা সারলাম। খাবার ভালো। গাড়ি আগে থেকেই রেডি ছিলো হোটেল এর সামনে। কোরাল এ যাব। বের হলাম। গাড়ি নিয়ে গেলো বীচ পর্যন্ত। সেখানে ১টি স্পীড বোট তৈরি করাই ছিলো। উঠে গেলাম বোট এ এবার যাবার পালা। যাওয়ার পথে , কিছুটা আগানোর পর বোট দাড়ালো। সেখানে প্যরাস্যুট এ উড়ে আনন্দ নেয়া যায়। প্রথমে যদিও ভয় পেয়েছিলাম কিন্তু প্যারাসাইলিং যে এত মজার আগে জানতাম না। আমার সাঙ্ঘাতিক মজা লেগেছে। অনেক কেই দেখলাম উপরে উঠে বলছে “ডিপ” আর সাথে সাথে নিচে নামিয়ে পানিতে ১টা ডুব খাওয়ায়। আমার এত সাহস হল না, কিন্তু বেশ মজা করেই জার্নি শেষ করলাম। আমি একবার পলাশ একবার করে উড়লাম আকশে।৫০০ বাথ করে ১০০০ বাথ দিতে হল সেখানে।
সেখানে ১ ঘন্টা পার করে আমরা চলে গেলাম কোরাল এ। অনেক সুন্দর কিন্তু অনেক বেশি লোকজন সেখানে। সেখানে আমাদের কে চার টা পর্যন্ত থাকতে দিলো। আমরা ওয়াটার বাইক চালালাম। বেনানা রাইড করলাম আর ইচ্ছেমত পানিতে দাপাইলাম।বিভিন্ন রাইড ভেদে ভাড়া আলাদা। ৪০০-১২০০ বাথ।
হাতে কেমেরা ছিলো কিন্তু পানিতে দাপানোর কারনে ব্যবহার করতে পারি নাই। ওখানে লকার আছে সেখানে বাথ দিয়ে রেখে যাওয়া যায় সমস্ত জিনিস। সেখান থেকে ফিরলাম। ফিরতে ফিরতে ৫টা। হোটেল এ ফিরে গোসল সেরে আবার বের হলাম। দুপুরের খাবার টা কোরাল এই শেষ করেছিলাম। বিকেল তখন। গাড়ি ভাড়া করলাম ৫০০ বাথ এ। গেলাম আর্ট ইন পেরাডাইস এ। ১টা আর্ট মিউজিউয়াম। সব ৩ডি আর্ট। আমার মত ছবি পাগলা যারা আছে, নিস্নদেহে চলে যেতে পারেন। সেরাম মজা লাগবে :D পুরো মিউজিয়াম ঘুরতে আর ছবি তুলতে সময় পার করলাম প্রায় ২ ঘনটা।
সেখান থেকে আসলাম আবার আর এক যাদুঘর এ। রিপ্লিয বিলিভ ইট অর নট। মিউজিয়াম এর বাইরের ডেকোরেশন ভিতর থেকে সুন্দর। কয়েকটা সেকশন নিয়ে করা এই যাদুঘর টি। তার মধ্যে ছিলো স্কেরি পার্ক- যেটা করা সম্পূর্ণ ভৌতিক থিম এ। টিকিট কেটে ঢুক্তে হয়। এক দিক দিয়ে ঢুকে আর এক দিয়ে বের হতে হয়। এর মদ্ধ্যেই তারা যথা সাধ্য চেস্টা করে ভয় দেখানোর। উফফফ ভয়ঙ্কর। :3
আর একটি ভাগ হল মাদাম তুস। মোমের পুতুল। ছবি তোলার জন্য পারফেক্ট জায়গা।
আমরা ৪ টি অংশের টিকিট কেটেছিলাম। ৩ নাম্বার টা ছিল ইলুশন। ওটাও সুন্দর। বিভিন্ন লাইট, ছোট ছোট রুম এর মধ্যে ইলুশন তৈরি করেছে। ঢুকে শুধু ১টি কথা বের হল, ওয়াও।
শেষের টা ছিলো বিলিভ ইট অর নট। এটা যারা পড়ুয়া মানুষ তাদের জন্য :P ইহজীবনের অনেক আজগুবি জিনিশ এর সংবাদ রাখা আছে। আমার খুব বোরিং লাগসে :D
৪টা ঘুরতে খরচ হয়েছে ১২০০ বাথ জন প্রতি। আমার কাছে একটু বেশি ই মনে হইসে।
যাই হোক এখন একটু বাইরের বিবরন দেই। মার্কেট এর ৩ তলায় যাদুঘর। আমি আর পলাশ হাঁটছি আর ছবি তুলছি। লবি ধরে হাঁটছিলাম। লবির মাঝে ১টা ঘোড়ার গাড়ি। দেখতে দেখতে যাচ্ছি, যেই না পার হলাম এমনি ঢাকনা টা ঠাস ঠাস করে বারি খেতে লাগলো :O আমি সাঙ্ঘাতিক ভয় পাইসিলাম। পরে বুঝলাম সেন্সর লাগানো :3
একই রকম ভাবে পুরা ৩ তলা টা ভৌতিক বেপার দিয়ে সাজানো। ১টা মুরতি বসে আছে, মাইরি :D সামনে গেলাম দেখতে, হাত উঠায়ে বলে হাই :D :D আর এক দফা চিৎকার দিলাম :D লবি দিয়ে হাটি একটু পর পর ভুত আইসা হাজির হয় সমানে, আমি পুরাই লুল :D
যাই হোক রাতে আর এক ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট এ খেয়ে
আবার গেলাম ওয়াকিং স্ট্রীট এ। পরে হোটেল এ ফিরলাম।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.