নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বর্ণমালা বৃষ্টি

বর্ণমালা বৃষ্টি › বিস্তারিত পোস্টঃ

থাইল্যন্ড ডাইরি ০৬

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৯:১৭

ডে-৬
সকালের মাঝে গাড়ি এসে হাজির। এশিয়ান হলিডেজ এর গাড়িতে ব্যাংকক দিয়ে আসবে। আমরাও নাস্তা খেয়ে রেডি। আমার ঘুম তখনও কাটে নি।আগের দিনের টায়ার্ড নেস যায় নি। নাস্তা করে গাড়িতে উঠে আমি ঘুম দিলাম।
৯ টায় পাতায়া থেকে ছেঁড়ে ব্যঙ্কক ফিরতে ফিরতে আমাদের প্রায় অনেক সময় লেগে গেলো। প্রথম ব্যঙ্কক এর জ্যাম দেখলাম :D। ১টার পরে হোটেল ম্যানহাতান এ নামলাম। সেখানেও এশিয়ান হলিডেজ এর লোক ছিলো। দিন টি ছিলো শনিবার। ব্যঙ্কক এর একটি হোল সেল মার্কেট বসে শনি এবং রবি বার। সেই হিসেব করেই শনি-রবি রেখেছিলাম ব্যঙ্কক। মার্কেট টির নাম চাতুচাক মার্কেট। কিছুটা আমাদের নিউমার্কেট এর মত। বিশাল এলাকা নিয়ে বসে বাজার। দরদাম করে সস্তায় শপিং করার উপযুক্ত জায়গা। তবে সস্তায় কিনতে হলে বারগেন জানতে হবে। হোটেল থেকে যাতায়াত ও সহজ। ব্যঙ্কক এর ১টা সুবিধা হলো মেট্রো ট্রেইন। অল্প ভাড়া তে ঝামেলা মুক্ত চলাচল। ১-২ কিলো পর পর মেট্রো ট্রেইন এর স্টেশন। সুতরাং হোটেল থেকে যেটা কাছে সেই স্টেশন এ চলে গেলেই ৫ মিনিট পর পর ট্রেন পাওয়া যাবে। আমার প্রথম জার্নি ছিল মেট্রো ট্রেন এ। ২০ মিনিট এর মাথায় পৌঁছে গেলাম চাতুচাক। ঢুকে প্রথম একটু ঘুরলাম। তারপর কেনাকাটা শুরু করলাম। হাতে সময় ছিলো কম। কারন বাজার ৬ টায় বন্ধ হয়ে যায়। তাই যা পারি কিনে নিলাম, বাকিটা আগামি কালের জন্য রেখে দিলাম। সন্ধার পর বের হয়ে ট্যাক্সি নিয়ে গেলাম প্লাতুনাম মার্কেট। সেটাও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। রাতে খাবারের পর হোটেল এ ফিরলাম। ডে ৭
সকাল এ তৈরি হলাম, সাফারি ওয়ার্ল্ড গন্তব্য। সকল প্রস্তুতি এশিয়ান হলিডেজ এর ছিল। এর জন্য ৫ হাজার টাকা বাংলাদেশ থেকে দিয়ে রেখেছিলাম।যাওয়া-আসা, পার্ক এ বিভিন্ন শো দেখা আর দুপুরের খাবার এই ৫০০০ টাকার মধ্যে ছিল। পার্ক এ যেতে যেতে ৮টা বেজে গেল। মাথার উপর কড়া সূর্য। ছাতা নিয়ে যাওয়া ভাল। হাটতে হাটতে দেখতে লাগ্লাম প্রানীদের নিয়ে নানা রকম শো। সাফারি পার্ক ঘুরার পর গাড়ি নিয়েই সাফারি পার্ক ঘুরলাম। কত নিশ্চিন্তে আছে প্রানী গুলো। বিকেলে হোটেল এ ফিরে আরেক দফা গেলাম চাতুচাক মার্কেট এ। সেখান থেকে এম বি কে মার্কেট। ওই দিন্টা ছিলো আমার মার্কেট ডে। যতটুকু বুঝলাম চাতুচাক এর পর সস্তায় সপিং এর জন্য এম বি কে ভালো। যাই হোক আবার হোটেল ফিরলাম। কাল দেশে ফিরে যেতে হবে।
ডে ৮
সকাল ৮টায় গেলাম আবার এম বি কে তে। বাকি কেনাকাটা শেষ করে ট্যক্সি করে রউনা দিলাম সুবরনভুমি তে। তারপর দেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা। আর সেখানেই শেষ আমার থাইল্যান্ড ডায়রি।

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৯:২৭

ধ্রুবক আলো বলেছেন: ডায়রি কথন খুব ভালো লাগলো +
জিব্রা ছবিটা খুব ভালো লাগলো

২| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৯:৪৯

জুন বলেছেন: চাটুচাক স্থানীয় ভাষায় জাটুজাক হলিডে মার্কেট হলেও কিন্ত জিনিসপত্রের মান কোনটাই খারাপ নয় । এবং দামও যে খুব কম তাও না । ওটা ধরতে গেলে ট্যুরিষ্ট স্পট। বুধ বৃহস্পতিবার গেলে দেখবেন নানা রকম গাছের মেলা । বৃক্ষপ্রেমী হলে কোনটা রেখে কোনটা কিনবেন তাই নিয়ে বিভ্রান্তিতে পরতে হবে ।
এমবিকে আমাদের মত মধ্যবিত্তদের জন্য ভালো । সেখানে অনেক দরের অনেক দোকানই আছে, তবে খুব ভালো এবং পন্যের মান নিশ্চিত করে কিছু কিনতে চাইলে গায়ে লাগানো টোকিওতে আপনি সব রকম ব্রান্ডেড জিনিসও পাবেন। রবিন্সনও শপিং এর জন্য একসময় খুবই ভালো ছিল ।
ভালোলাগলো আমার অতি পরিচিত থাইল্যান্ড নিয়ে লেখাটি ।

৩| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৯:৫৭

বর্ণমালা বৃষ্টি বলেছেন: রবিন্সন এর পাশেই ছিল আমার হোটেল। কিন্তু ফিরতে দেরি হয়ে যাওয়াই ঘুরতে পারি নি।

৪| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ১১:০২

অতঃপর হৃদয় বলেছেন: বাহ ভালো লাগলো।

৫| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৭ দুপুর ১২:২৮

আশিক হাসান বলেছেন: সম্পূর্ন ভ্রমন শেষ করলাম, লেখা সাবলীল আমার মত যারা এখনও থাইল্যান্ড যাননি তাদের ভ্রমন পিপাসা বাড়িয়ে দেয়ার জন্য লেখাটা যথেষ্ট। এই সুন্দর ভ্রমনকাহিনী লেখার জন্য লেখিকাকে ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.