| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কাশ্মীরের পাহেলগাঁও—যেখানে প্রতিটি ইঞ্চি সেনাবাহিনীর কড়া নজরদারিতে। এমন একটি মিলিটারাইজড জোনে, যেখানে মাত্র ১ কিমি দূরেই আর্মি ক্যাম্প, সেখানে দিনের আলোয় পর্যটকদের ওপর অতর্কিত এমবু*শ! ২৬ জন নিরপরাধ পর্যটক—তাদের মধ্যে কেউ আইবি কর্মকর্তা, কেউ নৌবাহিনীর সদস্য, কেউ বা ইউপিএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। এত নিখুঁত টার্গেটিং কি বাইরের কোনো গোষ্ঠীর পক্ষে আদৌ সম্ভব?
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—সেনাবাহিনী আসে ঘটনার একেবারে শেষে! এটা কি নিছক কাকতালীয়? নাকি পরিকল্পিত নীরবতা?
আরও উদ্বেগের বিষয়—টার্গেট করার আগে ভিকটিমদের ধর্মপরিচয় যাচাই করা হয়! এমন কাজ সম্ভব তখনই, যখন ঘটনাস্থল পুরোপুরি সেনা নিয়ন্ত্রণে থাকা সত্ত্বেও কেউ ‘চোখ বন্ধ করে’ সুযোগ করে দেয়।
এটাই প্রথম না।
১৯৯৯ সালে চিটসিংহপোড়ায় ৩৪ জন শিখকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়, দায় চাপানো হয় প্রতিবেশী দেশের উপর। পরে জানা যায়—ওটা ছিল এক ইনসাইড জব।
২০০৮ সালে হেমন্ত কারকরে উগ্র হি_নদুত্ববাদীদের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর প্রমাণ হাজির করেন। কিছুদিনের মধ্যে তিনি নিহত হন। তদন্ত হারিয়ে যায় অন্ধকারে।
এইসব ঘটনার মধ্যে এক ভয়াবহ মিল আছে—মুসলিমদের টার্গেট বানিয়ে, বাইরের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে, দেশের ভেতরে উগ্র জাতীয়তাবাদ উসকে দেওয়া।
তাহলে পাহেলগাঁও কি সেই পুরনো স্ক্রিপ্টের নতুন কোনো অধ্যায়?
২৬ শে এপ্রিল, ২০২৫ দুপুর ২:৩৯
দৈত্যুষ বলেছেন: হুম,চতুর্দিকের চাপে আছে, চীনও সুযোগের অপেক্ষায়।
২|
২৫ শে এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ৮:৩০
যামিনী সুধা বলেছেন:
ভারত সরকারের কাজ নেই, তাই বসে বসে দু্র্বুদ্ধি করছে! আপনার কাছে ধারা খেয়েছে!
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে এপ্রিল, ২০২৫ বিকাল ৪:৪২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এই সন্দেহ উড়িয়ে দেয়া যায় না। ঘরে ভাইরে চাপ আছে নোদির উপর ! বিধান সভা নির্বাচন সামনে৷