| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
দানবিক রাক্ষস
অন্ধদের রাজ্যতে এক চোখা মানুষটি রাজা এবং আমি সেই রাজা। না ঈশ্বর, না পিশাচ—আমি তৃতীয় বিশ্বাস।
তুমি চলে যাওয়ার পর
আমার পৃথিবীটা যেন থেমে গেছে—
এখনো জানালার পাশে দাঁড়ালে
তোমার হাত ধরার অভ্যাসটা
অটোমেটিক উঠে আসে হৃদয়ের ভেতর।
তোমার হাসিটা…
এখনো কানে বাজে যেন কোনো পুরনো সুরের মতো,
যা বুকের ভেতর
নরম ব্যথা ফুলের মতো ফোটে।
তুমি কি জানো?
তোমার হাসির আলোতে আমি
কতবার বাঁচতে শিখেছি।
সন্ধ্যা হলেই আমি খুঁজি
তোমার নুপুরের শব্দ,
তোমার সুগন্ধ,
তোমার মিষ্টি কণ্ঠ—
ভাবি, হয়তো হঠাৎ পিছন থেকে এসে
আমাকে জড়িয়ে ধরবে ,
আর বলবে,…………………।
তুমি নেই—
তবু তোমার উপস্থিতি
আমার শিরা-উপশিরায় বেঁচে আছে।
তোমার দেওয়া ছোট ছোট স্মৃতিগুলো
আমার জীবনের নীরব নক্ষত্র হয়ে গেছে;
যেখানে তাকাই,
তোমার আলোই দেখি।
মাঝে মাঝে ভাবি,
শেষবার যদি তোমাকে বলতাম—
তুমি আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অধ্যায়।
তোমার ভালোবাসা ছাড়া
আমি যে কিছুই নই, জানো?
তুমি ছিলে আমার শান্তি, আমার শক্তি,
আমার ভিতরের নরম মানুষটাকে বাঁচিয়ে রাখা একমাত্র আলো।
এখনও তোমাকে অনুভব করি—
রাতের নিস্তব্ধতায়,
বৃষ্টির টুপটাপ শব্দে,
জানালায় ভেসে আসা ঠান্ডা বাতাসে,
সব জায়গায় তোমার উপস্থিতি ছড়িয়ে আছে,
যেন তুমি বলছো—
“ভালোবাসা কখনো হারিয়ে যায় না…
আমি এখানেই আছি, তোমার পাশে।”
তুমি নেই—
তবু তোমার স্মৃতি আছে,
আমার চিরজীবন হয়ে।
আর আমি বেঁচে থাকব
তোমার ভালোবাসার সেই নরম, ধূসর আলোয়—
যতদিন আমার হৃদয় শব্দ করে বেঁচে থাকে।
©somewhere in net ltd.
১|
২৯ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কবিতা ভালো হয়েছে।