নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার সম্পর্কে: https://t.ly/atJCp এছাড়া, বইটই-এ: https://boitoi.com.bd/author/2548/&

দারাশিকো

লেখালিখির প্রতি ভালোবাসা থেকে লিখি

দারাশিকো › বিস্তারিত পোস্টঃ

The Notebook: সাদামাটা গল্পের অসাধারণ চিত্রায়ন

০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১০:৩০



প্রত্যেকটা 'গ্রেট' ভালোবাসার পেছনে থাকে একটি করে 'গ্রেট' গল্প - এমন একটা ট্যাগলাইন নিয়ে যে সিনেমা সেটাকে খুব একটা গ্রেট বলতে পারছি না যদিও সিনেমাটা অনেকের কাছেই 'গ্রেট' রোমান্টিক মুভি। অনেকের কাছে 'দেখার মতো ভালো মুভি' এমনটি শোনার পরে আর আইএমডিবি'র রেটিঙ দেখে 'গ্রেট' মুভি দেখতে বসেছিলাম। সিনেমাটা সত্যিই অসাধারণ তবে সেটা তার গল্পের জন্য নয় বরঙ তার চিত্রায়নের জন্য।



একদম শুরুর দু'মিনিট দেখুন, আপনিও স্বীকার করবেন



গল্পটা বলা যাক। এক বুড়ো আর এক বুড়ি, বুড়ো বুড়িকে একটা গল্প পড়ে শোনায় - অ্যালি এবং নোয়া'র প্রেমের গল্প। সময়টা অনেক আগে, ৪০ এর দশকে। ধনীর দুলালী অ্যালি সিব্রুক নামক শহরে বেড়াতে এলে উচ্ছ্বল তরুন নোয়া তার প্রেমে পতিত হয়, নানান বীরত্ব প্রকাশ করে প্রেম নিবেদন করে, অ্যালীও ফিরিয়ে দেয় না। যৌবনের একদম প্রারম্ভে উদ্দাম প্রেমে মাতোয়ারা হয় দুজন। বাঁধ সাধে বড়লোক বাবা-মা। কন্যাকে বোঝানোর চেষ্টায় নোয়া'র সাথে অ্যালীর সাময়িক বিচ্ছেদ ঘটে এবং পরদিন অ্যালী তার বাবা-মা সহ সীব্রুক ছেড়ে চলে যায়।

তারপরের সময় কেটে যায় দ্রুত। নোয়া পুরো একটি বছর চিঠি লিখলেও তার একটিও পৌছায় না অ্যালীর মায়ের কারণে। সাতটি বছর কেটে যায়। আবার দেখা হয় নোয়ার সাথে অ্যালীর, কিন্তু তখন অ্যালী লন নামক এক ধনী সম্ভ্রান্ত ছেলের বাগদত্তা। নোয়ার সাথে দেখা করতে যায় অ্যালী, কিন্তু ফিরতে পারে না, পুরোনো সেই প্রেমের বাধনে বাধা পড়ে আবার। সুখে শান্তিতে বসবাস করতে থাকে তারা।

গল্প এটুকুই। সিনেমার মাঝেই জানা যায় শুরুতে যে বুড়ো-বুড়িকে দেখা গেল তারাই অ্যালী এবং নোয়া - বয়সের কারণে অ্যালী স্মৃতি হারিয়ে ফেলেছে, গল্পটা শুনলে কিছুটা মনে পড়ে এবং এই কারণেই নোয়া প্রতিদিন তাকে একবার করে গল্পটা পড়ে শোনায়।

মূলত: গল্পের আগ্রহ মরে যায় সেখানেই কারণ শেষ পর্যন্ত অ্যালী এবং নোয়া'র মিল হলো নাকি বিচ্ছেদ - সেই প্রশ্নের জবাব পাওয়া যায় এখানেই। কিন্তু তারপরেও দর্শকের আকাঙ্খা - কিভাবে মিল হলো? লন কি বিনা প্রতিবাদেই ছেড়ে দিল অ্যালীকে?



দর্শকের এই আগ্রহকে ধরে রেখেছে সিনেমাটোগ্রাফার। দারুন সব লোকেশনে অসাধারণ সব ফটোগ্রাফি। রোমান্সের প্রতিটি মুহুর্তই অসাধারণ। আর আকর্ষনীয় চেহারার নোয়া এবং অ্যালীর কথা না বললেই নয়। পরিচালকের নাম নিক ক্যাসাভেটস।



রোটেন টমাটোস জানিয়েছে ৫২ শতাংশ ক্রিটিক এ্ই সিনেমা সম্পর্কে পজেটিভ মন্তব্য করেছেন। যদিও রজার এবার্ট নোটবুককে চারের মধ্যে সাড়ে তিন দিয়েছেন এর ফটোগ্রাফির জন্য, আমি বলবো আইএমডিবির ওভাররেটেড সিনেমাগুলোর মধ্যে দ্য নোটবুক আরেকটি নাম।



আরও রিভিউর জন্য: http://www.darashiko.com/

মন্তব্য ২৭ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (২৭) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১০:৩২

সুচিন্তিত মতবাদ বলেছেন: ভাইজানের পেশা কি ছিনেমা দেখা?

০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১১:৫২

দারাশিকো বলেছেন: ছি ছি কি লজ্জা দিচ্ছেন ভাই। সিনেমা দেখি তো খুব কম। এই পোস্টে যারা যারা কমেন্টাচ্ছে তাদের অনেকেই আমার থেকে বেশী সিনেমাখোর।

পেশার সুপারলেটিভ ডিগ্রি কি ভাই?

২| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১০:৩৪

বাদ দেন বলেছেন: মুভিটা খুব একটা ভাল লাগে নি এভ্যারেজ বলা যায় ।

তবে আপনার রিভিউ দারুন হয়েছে

৩| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১০:৩৭

বৃষ্টি ভেজা সকাল ১১ বলেছেন: দেখিনাই, টাইম নাই দেখার।

৪| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১০:৪০

আরিফ্ ৯১ বলেছেন: ওয়ান অফ মাই বেস্ট রোম্যান্টিক মুভিস আই হেভ এভার সীন। একা দেইখা সেই রকম ফিলিন্স পাইছি :)

৫| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১০:৪২

তাসনিয়া বলেছেন: মনে হয় আমি ছারা দুনিয়ার সবাই এই ছবি দেখছে!

০৯ ই এপ্রিল, ২০১১ সকাল ১০:০৩

দারাশিকো বলেছেন: মনে হৈলেও কথা সত্য না ;)

৬| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১০:৪৩

সন্ধ্যালোক বলেছেন: ভাল মুভি অনেক আগে দেখেছিলাম। :)

৭| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১০:৪৪

মাহ্‌মুদুর রহমান নাহিদ বলেছেন: অনেকেই movie টা অসাধারণ বলছে। আমার কাছে মোটামুটি লাগসছে।
হলিউডই রোমান্টিক movie দেখি না। কারন ওদের প্রেম কালচার আমাদের থেকে অনেক আলাদা। তাই মজা পাই না।

৮| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১০:৪৬

Neelpoddo বলেছেন: ছবিটি আমার অনেক ভাল লেগেছে।আমার মনে হয় সেরা রোমান্টিক ছবিগুলোর মধ্যে একদম প্রথম দিকেই থাকা উচিত এই ছবিটির। রিভিউটাও খুব ভাল লেগেছে আমার। ভাল থাকবেন। :) :)

৯| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১০:৪৭

সন্ধ্যালোক বলেছেন: যদি সম্ভব হয় এই টাইপের ভাল কিছু রোমান্টিক মুভির নাম দিয়েন।

আজকে ব্যপক রোমান্টিক মুডে আছি কিন্তু লাভ নাই :(
নু

১০| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১০:৫৬

শায়েরী বলেছেন: আমার ও এভ্যারেজ মনে হয়েছে

১১| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১১:১০

আধাঁরি অপ্সরা বলেছেন:

আমার কাছে মনে হৈছে ইলাস্টিকের মত এত না পেচালেও পারত! এভারেজই লেগেছে!!:)

১২| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১১:১৮

ইঞ্জিনিয়ার বলেছেন: কয়েকদিন আগে দেখলাম, ভালই লাগছে।

১৩| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১১:৩৫

ইঞ্জিনিয়ার বলেছেন: কয়েকদিন আগে দেখলাম, ভালই লাগছে।

১৪| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১১:৩৭

কাউসার রুশো বলেছেন: খুব খুব খুব ভালো লাগা একটা মুভি :)
নায়ক-নায়িকার নৌ ভ্রমণের দৃশ্যটা অসাধারন

০৯ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ৯:৪৭

দারাশিকো বলেছেন: সে আর বলতে ... সিনেমার এই অঙশে আমি ভাবতেসিলাম, পরিচালক ক্যামনে এতগুলো হাস নিয়া আসছে, সব আবার এক রকম দেখতে ;)

১৫| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১১:৩৮

ইঞ্জিনিয়ার বলেছেন: কয়েকদিন আগে দেখলাম, ভালই লাগছে।

১১ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:০৫

দারাশিকো বলেছেন: জ্বি জ্বি জ্বি

১৬| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১১:৫৮

দুখু মিয়া বলেছেন: গল্পটা বলা যাক। এক বুড়ো আর এক বুড়ি, বুড়ো বুড়িকে একটা গল্প পড়ে শোনায় - অ্যালি এবং নোয়া'র প্রেমের গল্প। সময়টা অনেক আগে, ৪০ এর দশকে। ধনীর দুলালী অ্যালি সিব্রুক নামক শহরে বেড়াতে এলে উচ্ছ্বল তরুন নোয়া তার প্রেমে পতিত হয়, নানান বীরত্ব প্রকাশ করে প্রেম নিবেদন করে, অ্যালীও ফিরিয়ে দেয় না। যৌবনের একদম প্রারম্ভে উদ্দাম প্রেমে মাতোয়ারা হয় দুজন। বাঁধ সাধে বড়লোক বাবা-মা। কন্যাকে বোঝানোর চেষ্টায় নোয়া'র সাথে অ্যালীর সাময়িক বিচ্ছেদ ঘটে এবং পরদিন অ্যালী তার বাবা-মা সহ সীব্রুক ছেড়ে চলে যায়।
তারপরের সময় কেটে যায় দ্রুত। নোয়া পুরো একটি বছর চিঠি লিখলেও তার একটিও পৌছায় না অ্যালীর মায়ের কারণে। সাতটি বছর কেটে যায়। আবার দেখা হয় নোয়ার সাথে অ্যালীর, কিন্তু তখন অ্যালী লন নামক এক ধনী সম্ভ্রান্ত ছেলের বাগদত্তা। নোয়ার সাথে দেখা করতে যায় অ্যালী, কিন্তু ফিরতে পারে না, পুরোনো সেই প্রেমের বাধনে বাধা পড়ে আবার। সুখে শান্তিতে বসবাস করতে থাকে তারা।
গল্প এটুকুই। সিনেমার মাঝেই জানা যায় শুরুতে যে বুড়ো-বুড়িকে দেখা গেল তারাই অ্যালী এবং নোয়া - বয়সের কারণে অ্যালী স্মৃতি হারিয়ে ফেলেছে, গল্পটা শুনলে কিছুটা মনে পড়ে এবং এই কারণেই নোয়া প্রতিদিন তাকে একবার করে গল্পটা পড়ে শোনায়।
মূলত: গল্পের আগ্রহ মরে যায় সেখানেই কারণ শেষ পর্যন্ত অ্যালী এবং নোয়া'র মিল হলো নাকি বিচ্ছেদ - সেই প্রশ্নের জবাব পাওয়া যায় এখানেই। কিন্তু তারপরেও দর্শকের আকাঙ্খা - কিভাবে মিল হলো? লন কি বিনা প্রতিবাদেই ছেড়ে দিল অ্যালীকে?

দর্শকের এই আগ্রহকে ধরে রেখেছে সিনেমাটোগ্রাফার। দারুন সব লোকেশনে অসাধারণ সব ফটোগ্রাফি। রোমান্সের প্রতিটি মুহুর্তই অসাধারণ। আর আকর্ষনীয় চেহারার নোয়া এবং অ্যালীর কথা না বললেই নয়। পরিচালকের নাম নিক ক্যাসাভেটস।

রোটেন টমাটোস জানিয়েছে ৫২ শতাংশ ক্রিটিক এ্ই সিনেমা সম্পর্কে পজেটিভ মন্তব্য করেছেন। যদিও রজার এবার্ট নোটবুককে চারের মধ্যে সাড়ে তিন দিয়েছেন এর ফটোগ্রাফির জন্য, আমি বলবো আইএমডিবির ওভাররেটেড সিনেমাগুলোর মধ্যে দ্য নোটবুক আরেকটি নাম।

০৯ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:০৫

দারাশিকো বলেছেন: ঘটনা কি বস? কাহিনী বৈলা দিসি বৈলা মাইন্ড করছেন?
স্যরি বস, ভেরী স্যরি

১৭| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ৩:৩৫

নিয়ম ভাঙার কারিগর বলেছেন: দেখছি। খ্রাপ না।


সুচিন্তিত মতবাদ বলেছেন: ভাইজানের পেশা কি ছিনেমা দেখা?
:D :D :D

১৮| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ৮:৩৩

মুনতা বলেছেন: একমত,ওভাররেটেড মনে হৈছে। যেরকম এক্সপেকটেশন নিয়ে দেখতে বসছিলাম তা পূরণ করতে পারে নাই।

কাহিনীটা আসলেই খুব বেশি সাদামাটা লাগছে।পিওর রোমান্টিক মুভির কাহিনী এক্সেপশনাল না হইলে ভালা লাগে না।

০৯ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১০:০২

দারাশিকো বলেছেন: একমত, সহমত :)
ফটোগ্রাফিরে প্লাস দিমু, সুপারলাইক দিমু ... স্টোরীরে না

১৯| ১০ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:০০

কাউসার রুশো বলেছেন: লেখক বলেছেন: সিনেমার এই অঙশে আমি ভাবতেসিলাম, পরিচালক ক্যামনে এতগুলো হাস নিয়া আসছে, সব আবার এক রকম দেখতে

হা হা হা

২০| ০৩ রা জুলাই, ২০১১ দুপুর ১:১৯

অনিমেষ হৃদয় বলেছেন: সিনেমাটোগ্রাফী আর অভিনয়ের জন্যেই সিনেমাটা ভাল লেগেছে। তবে কিছু কিছু জায়গা সত্যি টিপিক্যাল বাংলা টাইপ মনে হয়েছে... যেমন অ্যালির সাথে লন-এর সাথে কথাবার্তার এক একপর্যায়ে শট সরিয়ে নোয়াকে দেখানো হয়, আবার পরবর্তী শটে দেখানো হয় অ্যালি নোয়ার কাছেই ফিরে এসেছে। ঠিক কিভাবে এসেছে, লন-এর শেষ সিদ্ধান্ত কি ছিল, এসব পরিচালক স্কিপ করে গেছেন, যা আমার কাছে একদম ভাল লাগেনি :|

কিছুদিন আগে সমরেশ মজুমদারের কালবেলা দেখলাম... বেশ লেগেছে! বাংলা সিনেমার চিরকালীন ক্ষ্যাত ভাবটা নেই, বরং রোমান্টিক জায়গাগুলো যথেষ্ট ভাল করেছে। :D

০৩ রা জুলাই, ২০১১ দুপুর ২:৪১

দারাশিকো বলেছেন: বাহ, কালবেলা নামাইলাম পরশু দিন, কাল পরশুদিনের মধ্যে দেখে ফেলবো। এখন জেএফকে দেখতেসি, সিনেমাটা জটিল, সময় নিয়া দেখতেসি।

দেখা যাক কেমন লাগে সিনেমাটা :/

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.