নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি লেখক কবি কিচ্ছু না। মনের কথাগুলো প্রকাশ করতে চাই। এই যা ......

ভাললাগে না

ভাললাগে না › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমার জীবন - ২

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১১:৪০

আগের ব্লগের মতই এটাও পাঠকের উদ্দেশ্যে লেখা না। শুধু মাত্র নিজের জীবনের ঘটনা গুলি সংরক্ষনের জন্য।

সময়টা ২০১৩ এর সেপ্টম্বর মাসের শেষের দিক। হঠাৎ করেই আম্মা জন্ডিসে আক্রান্ত হলেন। আমরা ধরেই নিলাম তার কোন ভাইরাস জনিত জন্ডিস। সেই ভাবেই মেডিসিন ডাক্তারের কাছে নাওয়া হল। ডাক্তার সেইভাবেই চিকিৎসা করছিলেন। কবিরাজিও কম করিনি আমরা। এরকম করেই ১মাস পার হয়ে গেল। তখন কুরবানী ঈদ ছিল তাই আর ডাক্তারের কাছে যাওয়া হল না।

ঈদের পরেই ডাক্তার বদলান হল। এই ডাক্তারও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। উনি আল্ট্রাসনোগ্রাফি করতে বললেন। আল্ট্রাসনোগ্রাফির ফল দেখে ডাক্তার রেফার করেদিলেন সার্জারি ডাক্তারের কাছে। তখন আমরা ভয় পেতে শুরু করলাম। উনি আবার সিটিস্ক্যান করতে বললেন। সেই দিনের ঘটনা এখনও মনে আছে আমার। এখানে ছোট্ট করে ১টা মজার ঘটনা বলি। এই দিন ডাক্তার দেখাতে যেয়ে আসরের নামাজে মসজিদ থেকে আমার স্যন্ডেল চুরি হয়ে যায়। এরকম ঘটনা আমার জীবনে ১ম ও এখন পর্যন্ত শেষ বারের মত হয়েছে।আব্বাকে সেটা আর জানন হয়নি ভয়ে। যারা আগের লিখা পড়েছেন তারা কিছুটা আন্দাজ করতে পারবেন। আব্বার ব্যাপারে পরে লিখব আবার।

ডাক্তার বলার সাথে সাথে আমরা আম্মাকে নিয়ে ডায়গনস্টিক সেন্টারে গেলাম। কিন্তু পেটের সিটিস্ক্যান করতে হয় খালি পেটে তাই পরের দিন যেতে বললেন। আমি আম্মা কে নিয়ে গেছিলাম পরের দিন।আর আমার ছোট ফুপুও সাথে ছিলেন। সকালে আমি আম্মা কেউই কিছু খাইনি। দেরী হচ্ছিল দেখে আম্মা আমাকে বাইরে খেয়ে আসতে বলল। এটা ভাবতে অবাক লাগে যে নিজে অসুস্থ হয়েও আম্মা আমার খেয়াল করতে ভূলেনি। রিপোর্ট দিল সেদিন রাতে।

এখানে আরক্টু কথা বলে রাখি, ডাক্তার দেখান, বিভিন্ন টেস্ট করান এসব ব্যাপারে আমাদের অনেক সাহায্য করছিলেন আমার ছোট ফুপা আর ছোট ফুপু। ছোট ফুপা আমাদের এই শহরের ডাক্তার, মেডিকেল, ক্লিনিকের সমাগম যে এলাকাতে সেখানে দীর্ঘদিন যাবত ঔষধের ব্যবসা করেছেন। তাই উনি ডাক্তারদের খুব ভাল করে চিনেন। উনার ব্যাপারে পরে আবার বলব।

সেই সিটিস্ক্যানের রিপোর্ট তুলে নিয়ে রাতে ফুপা নিজের বাসাই নিয়ে চলে যান। আর আমাদের বলেদেন নির্দিষ্ট সময়ে ডাক্তারের কাছে আসতে রিপোর্ট দেখানর জন্য। রাতে ফুপু আবার ফোন দেন তখন থেকেই আন্দাজ করতে পারছিলাম কিছু ১টা খারাপ খবর আছে। উনি বলেছিলেন দোয়া কর যে রিপোর্টে যেন ওটা পাথর থাকে। আমার ফুপাত বোন তখন ডাক্তারি পড়ছিলেন। তাই উনার মাধ্যমে ফুপু ফুপা আগেই বুঝে গেছিলেন, শুধু বাকি ছিল ডাক্তারের ফাইনাল কথা।

চলবে......

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.