| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মেডিকেল সাইন্স অনুযায়ী এমন বহু রোগী আছেন যাদের মধ্যে থাকে SUICIDAL TENDENCY। যেমন উদাহরণ হিসেবে সিজোফ্রেনিয়া রোগের কথা বলা যেতে পারে। এছাড়াও অনেক মানসিক রোগেই এটা দেখা দিতে পারে রোগের উপসর্গ হিসেবে।
খুন করলে শাস্তির বিধান ইসলামে আছে কিন্তু পাগল খুন করলে মাফ।
চুরি করলে হাত কাটার বিধান ইসলামে আছে কিন্তু দুরভিক্ষের সময় নিরুপায় হয়ে বাচার তাগিদে খাদ্যবস্তু চুরি করে মাফ পাওয়ার ঘটনা তো হযরত ওমর(রাঃ) এর সময়েই দেখতে পাই।
ইসলামে শাস্তি প্রযুক্ত হওয়ার আগে কিছু শর্ত পূরণ হওয়া আবশ্যক। মানসিক রোগের কারনে যদি কেউ আত্মহত্যা করে যার উপর ঐ রোগীর কোনও নিয়ন্ত্রন ছিল না তবে আশা করা যায় যে মহান আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিবেন।
তাই আত্মহত্যার কথা শুনা মাত্রই কাউকে জাহান্নামী আমরা যেন না বলি। কারন এর পিছনে কোনও মানসিক রোগ দায়ী কিনা তা মহান আল্লাহই ভালো বলতে পারবেন।
নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর বান্দাদের উপর জুলুম করেন না।আমরা নিজেরাই নিজেদের উপর জুলুম করি।
২|
২০ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ১১:৪৭
না পারভীন বলেছেন: পোস্টে সহমত। কে জান্নাতি আর কে জাহান্নামি চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত আল্লাহর হাতে।
৩|
২১ শে আগস্ট, ২০১৪ সকাল ৯:০৪
ডাইরেক্ট টু দ্যা হার্ট বলেছেন: আপনার ভাবনা ভাবায় এটা সত্য তবে মনে রাখতে হবে ধর্ম আত্মহত্যার বিষয় স্পষ্ট করেছেন কারণ এমন সব বিষয় গুলোতে ধর্ম অস্পষ্ট থাকলে কিংবা বিবচনার মত বিষয় প্রকাশ করলে কাজটাকে পরক্ষ্য সমর্থণ প্রকাশ হয়ে যাবে, কারণে এমন সব বিষয় গুলো নিয়ে ধর্মের প্রাথমিক শক্ত অবস্থান মানুষকে সতর্ক করবে,
সর্বোপরি কে জাহান্নামী আর কে জান্নাতি সেটা একমাত্র আল্লাই ভালো জানেন।
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ১১:২৯
এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল স্বর্ণা বলেছেন:
Good question.