| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বিশ্বায়নের এই যুগে নারীরা পা গুটিয়ে বসে থাকবে তা তো হতে পারে না। তাদের তো বিশ্বায়নের সাথে সাথেই বিশ্বায়িত হতে হবে। কিন্তু বিশ্বায়িত হতে গিয়ে নারীর বিশেষ বিশেষণটার বিশেষ কিছু বাকি আছে বলে আমি মনেকরি না। খোলামেলা বলতে গেলে নারী তার নারীত্ব হারিয়ে ফেলেছে। অন্যভাবে বা অনন্যভাবে বললেঃ নারীরা আজ বাজারের প্রতিযোগিতামূলক বিনামূল্যর পণ্য। যেটার সফল বাজারজাতকরণ করছে নারীরা।
নারীরা আজ তাদের লজ্জা বিকিয়ে দিয়ে বিশ্বায়িত হচ্ছে,যা একটা মানুষের সবচেয়ে বড় সম্পদ। আজ নারীদের বিচরণ সব জায়গায় হাট-বাজার,অফিস আদালত,আন্দোলন,মিছিল,মারামারি..........সব জায়গায় নারীদের পদচারনা। আমি সবখানে তাদের পদচারনা চাই। কিন্তু শালীনভাবে।
নারীরা না কি তাদের অধিকার আদায়ের জন্য সদা জাগ্রত? অনেক সময় তাদের মানব বন্ধন,সেমিনার,টকশো করতে দেখি। খুবই অবাক হয়ে সেই মানব বন্ধনরত নারীদের ভাচুয়ালি প্রশ্ন করি- আপনারা কিসের অধিকার চান? আপনারা তো নিজেরাই নিজেদের দিন দিন অবহেলিত জাতিতে পরিণত করছেন, নিজেদের পরিণত করছেন ভোগ্য পণ্যে। আপনারা তো নিজেরাই নিজেদের বিকিয়ে দিচ্ছেন পুরুষ পণ্য হিসেবে। কেন আপনাদের কাছে লজ্জা এত মূল্যহীন? কেন আজ আপনারা পুরুষদের সমান অদিকার চাচ্ছেন? কেন আপনাদের ইজ্জতকে আপনারা নর্দমার ড্রেনে বা ডাস্টবিনে অবলীলায় ফেলে দিচ্ছেন? আপনাদের প্রতিষ্ঠিত বা কায়েম করা কিছু অধিকার তুলে না ধরার লোভ সামলাতে পারলাম না।
টিভির এমন কোন বিজ্জাপন পাওয়া যাবে না যেখানে সুন্দর চেহারার অর্ধ উলঙ্গ মেয়ে নেই। বিজ্ঞাপন দেখে মনে হয় আসল পণ্য ঐ বিজ্ঞাপনি মেয়েটি। কেন টাকার বিনিময়ে আপনারা আপনাদের ইজ্জত বিক্রি করছেন? আপনাদের পোশাক এত পাতলা যে আপনাদের মহামূল্যবান সম্পদের যে কেউ সহজে হিসাব-নিকাস কসতে পারে,কবির দৃষ্টিতে তাকানোর কোন প্রয়োজন পরে না। কেন নামে মাত্র একটি ওড়না গলায় প্যাঁচীয়ে রাখেন? অনেকেই ওড়না ঝুলালেও আকর্ষণীয় করার খাতিরে বুকের অগ্রভাগ দেখাতে সদা প্রস্তুত। হাল্কাময় পাতলা জামা না পড়লে আপনাদের আধুনিক বলা মুস্কিল যা আপনাদের স্পর্শকাতর অঙ্গগুলোর ভুমিকা ছাড়াই বর্ণনা দিতে সক্ষম। এমন হাল্কা ও পাতলা কামিজ পরেন যে বহির্বাসের পিনের সংখ্যা বুঝতে কারো কষ্ট হয় না।
শপিং মলে আজকাল বেশির ভাগ ছেলেরা যায় কোন জড় পণ্য কিনতে না আপনাদের মত জীবিত পণ্য উপভোগ করার জন্য আর আপনারাও যান আপনাদের উপভোগ করাতে। আজ ধর্ষণ বেড়ে যাওয়ার কারণ আপনাদের বেহায়াপনা যেমন দায়ী তেমনি কিছু বেজন্মা পুরুষও। উপযুক্ত আইনের প্রয়োগ না থাকার কারণে, আজ আপনারা চলন্ত বাসে ও থানায় ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন। এমন কোন নজির দেখাতে পারবেন না যে শালিন পোশাক পরিহিতা কোন মেয়ের ধর্ষণ হয়েছে।
তাই আমার দৃষ্টিতে নারীরা আজ ভোগ্য পণ্য যা কোন দামে বিক্রি হয় না, এবং যার বাজারজাতকরন করছে নারীরা। নোংরা পোশাক ছেড়ে দিয়ে শালীন পোশাক পরেন সমাজের সব শ্রেণীর মানুষের সম্মান পাবেন। শালীন পোশাক পরে মানব বন্ধন থেকে শুরু করে চাকুরী-বাকুরি,অফিস-আদালত,মিছিল-মিটিং,হাট-বাজার যান,সমাজ টা বদলে যাবে। বুঝতে চেষ্টা করুন কোনটা আপনাদের আসল অধিকার। আপনারা আগে নিজেদের অঙ্গগুলোর অধিকার নিশ্চিত করুণ। এটাই প্রত্যেক মানুষের আসল অধিকার। নগ্ন পোশাক পরে আসল অধিকার কোন দিন নিশ্চিত হবে না। যে ডালটা কাটবেন সেই ডালে বসলে তো পরে যাবেন। বোকামি ছেড়ে দিন।
২|
০৯ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:০৫
রাজীব নুর বলেছেন: ব্যাপারটা খুব হাস্যকর।
যে কোনো তে সবার আগে একটা মেয়েকে সামনে আনা হয়।
টিভিতে যে কোনো বিজ্ঞাপনে মেয়ে। মেয়েরা কি এতই সস্তা?
০৯ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৩৪
ই রহমান বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:০৫
রাজীব নুর বলেছেন: ব্যাপারটা খুব হাস্যকর।
যে কোনো তে সবার আগে একটা মেয়েকে সামনে আনা হয়।
টিভিতে যে কোনো বিজ্ঞাপনে মেয়ে। মেয়েরা কি এতই সস্তা?