নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নতুন বিকেলের খোজে!

ফুলকলির বিকেল

আমি আমার নিজের বিকেলের রাজা। বিকেল মানে আমার রাজত্ব। বিকেল মানে আমার ভালোবাসা। বিকেল মানেই আমি।

ফুলকলির বিকেল › বিস্তারিত পোস্টঃ

পৌষের শীতেও বাংলায় ছড়াচ্ছে উত্তাপ!

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:১৯

আবাহাওয়াবীদরা মনে করছেন , এবার স্মরণকালের সবচেয়ে বেশী শীত পরতে পারে সারাদেশে। এরই ধারাবাহিকতায় গত কয়েকদিনে দেশে শৈতপ্রবাহ বয়ে গেল। তবে শৈতপ্রবাহের ঠান্ডা হাওয়াও দেশের মানুষকে নাকাল করতে পারছে না যে, কারণ পুরো দেশজুড়ে ছড়াচ্ছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের উত্তাপ।

নির্বাচনটা বাংলাদেশের মানুষের কাছে সবসময়ই উৎসবের আমেজ নিয়ে আসে। এবার উৎসবের আমেজ এবং উত্তেজোনা অনেকটা বেশি। কারণ ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর অনেক ভোটারই এবার প্রথম ভোট দেয়ার সুযোগ পাবে। কারণ ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে অর্ধেকের বেশি আসনেই কোন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। বিনা ভোটেই সাংসদ হয়েছিল বর্তমান সরকারি দলের লোকজন। অবশ্য সেবার "তত্বাবধায়ক সরকারের" দাবিতে দেশের অন্যতম বড় রাজনৈতিক দল বিএনপি নির্বাচনে এসেছিল না।

তবে এবার নির্বাচনে এসেছে বিএনপি। কিন্তু তত্ববধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়নি। যেকারণে বেশিরভাগ নির্বাচন পর্যবেক্ষক মনে করছে নির্বাচন নিরপেক্ষ হবার সম্ভাবনা কম রয়েছে। যেহেতু নির্বাচন একটা রাজনৈতিক দলের সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এছাড়াও এবারের নির্বাচনে অন্যতম উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে আ'লীগের সাবেক বড় বড় নেতাদের বিএনপির সাথে জোট গঠন, যেতা আসলেই সরকারী দলের কপালে চিন্তার ভাজ তৈরি করেছে। পাশাপাশি বিগত দশ বছরে সরকারী দলের নেতা-কর্মীদের বিভিন্ন কর্মকান্ডও চোখ রাঙ্গাচ্ছে আ'লীগের দিকে। তাদের বেশ কিছু কর্মকান্ডের জন্য বড় বড় উন্নায়ন প্রজেক্টগুলো ঢাকা পড়ে যাচ্ছে।

সরকারি দল মনে করছে নির্বাচনে জনগণ তাদের উন্নায়নমুলক কর্মকান্ডগুলো দেখেই ভোট দিবে। তবে মোট ভোটারের ৬৫ শতাংশ ভোটার হচ্ছে ভাসমান ভোটার যাদের কাছে উন্নায়নের চেয়েও বড় বড় ইস্যু হচ্ছে , শিক্ষার্থীদের সড়ক আন্দোলন, কোটা বিরোধী আন্দোলন কিংবা ভ্যাট বিরোধী আন্দোলন ।

এসব কারনেই দুই দলই চেয়েছে এবার তরুণ ভোটারদের প্রলোভিত করতে । যেটা তাদের ইশতেহারে ফুটে উঠেছে। কিন্তু ইন্টারনেট এখন সবার হাতে হাতে থাকায় সহজে সাধারণ মানুষকে প্রলোভিত করা যায় না।

নির্বাচনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় থাকে "লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড।" যেটা এখনও নির্বাচন কমিশোন বা নির্বাচনকালীন সরকার নিশ্চিত করতে পারেননি। কারণ দেশের অন্যতম রাজনৈতিক দলের প্রধান বেগম খালেদা জিয়া জেলে। শুধু যে জেলে তাই নয় তাকে এক প্রকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকেও দূরে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি প্রচার-প্রচারণা শুরু হবার পর থেকেই বিভিন্ন প্রার্থীর উপর হামলা-মামলাই বলে দিচ্ছে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়নি।

এসব দেখে-শুনে শেষ পর্যন্ত ৩০ তারিখের নির্বাচন নিয়ে বেশিরভাগ পর্যবেক্ষকই শংকিত। নির্বাচনকালীন সহিংশতা নিয়ে ইতমধ্যেই বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য সতর্কতা জারি করেছে। তবে শেষ পর্যন্ত নির্বাচন আদোউ হবে কি হবে না কিংবা হলেও সুষ্ঠ হবে কি হবে না তা জানার জন্য অপেক্ষা করতে হবে ৩০ তারিখ ভোটের দিন পর্যন্ত। অবশ্যই সেদিন জানার সর্বোচ্চ সুযোগ পাবেন, কারণ সেদিন সারাদেশে রাষ্ট্রীয় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৪৪

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: দেখা যাবে ফলাফল যা হবে।

২| ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: আমার অনেক রাগ । রাগ কমানোর উপায় কি ?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.