নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ট্রুথ নেভার ডাই্‌জ

নিজের সম্পর্কে লেখার কিছু নেই । সাদামাটা ।

আহমেদ জী এস

পুরোপুরি একজন অতি সাধারন মানুষ । আমি যা আমি তাই ই । শয়তানও নই কিম্বা ফেরেশতা । একজন মানুষ আপনারই মতো দু'টো হাত, চোখ আর নিটোল একটা হৃদয় নিয়ে আপনারই মতো একজন মানুষ । প্রচন্ড রকমের রোমান্টিক আবার একই সাথে জঘন্য রকমের বাস্তববাদী...

আহমেদ জী এস › বিস্তারিত পোস্টঃ

কি কথা তাহার সাথে .....

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:৫১

কি কথা তাহার সাথে ..... ( একটি মিষ্টি অথচ অধরা ভালোবাসার গল্প )





রজনীগন্ধা,



কাল রাতে অতো মধুর আলাপের পরে সেই যে গেলেন, তারপরে আড়মোড়া ভেঙ্গেছে কি আপনার ?

আজকে সকালেই আমি আপনার শহরটিকে ছেড়ে যাচ্ছি, একথা তো আপনাকে আমি বলেছি তাইনা ? এখোন ট্রেনের দরজার কাছে দাঁড়িয়ে সিগারেট ফুঁকতে ফুঁকতে বাইরে চোখ ফেলতেই দেখি, রেলপথের ঢালুতে ঝোপঝাড়ে নাম না জানা রঙিন ফুল । বসন্তের শেষ বলেই হয়তো, অন্য সময় চোখে পড়েনা । তখোনই আপনার কথা আবার মনে হলো । নাম না জানা এক ফুল । নাহ.. ঠিক হলোনা মনে হয় ! আপনার নাম তো আমার জানাই আছে, আপনার আসল নামটি । কিন্তু এই চিঠির সম্বোধনে আমি আপনাকে ডেকেছি একটা ফুলের নামে । ফুলের নামে নাম দিয়েছি আপনার । আপনাকে দেখার কদিন পরেই, মনে মনে । আপনাকে দেয়া এ নামটি আপনি হয়তো কোনদিনও জানবেন না । কেন ? চিঠি আজকাল আর কে-ই বা লেখে ! এই ইলেক্ট্রনিক্স যুগে যন্ত্রে তোলা শব্দগুলো আজ আর হাতের লেখার উষ্ণতা নিয়ে কারো কাছে যায়না । নীল খামে আকাশ ভরা গন্ধ আজ আর কেউ খোঁজেও না । নীল চিঠির দোদুল হাওয়ায় দোলে শুধু কবিতা লেখা কিছু বোকা পুরুষেরা । তাই এটার ভাগ্যেও আপনার হাতের ছোঁয়া পাওয়া আর হয়ে উঠবেনা। এ চিঠিটি আপনাকে হয়তো আমার পোষ্ট করাই হবেনা কখোনও, বুঝলেন ?

আলভী সাহেব যখোন আমাকে ট্রেনে তুলে দিয়ে বিদায়ী হাত নাড়ছিলেন তখোন আমার কান অপেক্ষা করছিলো মুঠোফোনের একটি ঝংকারের জন্যে । তাই শুরুতেই জানতে চেয়েছি, আড়মোড়া ভাঙলো কিনা আপনার । কি জানি ভেঙেছে কিনা ! একটি ঝংকার যে এখোনও বেজে ওঠেনি, ধরে নিতেই পারি; ঘুমুচ্ছেন । আবার এ ও হতে পারে , আমার কথা মনেই পড়েনি আপনার । এই শেষেরটা হলে আমার কি দুঃখ পাওয়া উচিত ? নিজের কাছেই প্রশ্নটি কঠিন বটে । জবাবটি পেতে হলে আপনার সাথে গত মাসগুলোর কড়চা খতিয়ে দেখতে হবে যে !



সেদিন চায়ের কাপখানি তুলে দিতে আপনার হাত আতিথেয়তার সৌজন্যে আমার হাতের উপর যেটুকু প্রহর থাকার কথা , তার চেয়ে কয়েক পলক বেশী ছিলো । হয়তো আপনার দিক থেকে কিছু না ভেবেই ওটা হয়ে গেছে । কিন্তু আপনার হাতটি যে একটু কেঁপে উঠেছিলো ! সে কাঁপন আমাকেও যে ধরেছিলো একটু বেশী করে, তা কি করে অস্বীকার করি ? কোনও কোমল হাতের স্পর্শ যে আমি কখোনও পাইনি তা তো নয় । ঢের পেয়েছি । কিন্তু সেদিন আমার ওমোন হলো কেন ? আপনি উঠে চলে গেলেন আপনার মরালী গ্রীবাটি খানিকটা দুলিয়ে । হলদেটে নরম জমিনে জোনাকির মতো ঘাম চিকচিক করছিলো যেখানে । সে কারনে কী ?



কবিতার আসরে আলভী সাহেবের নেমন্তন্ন পেয়ে প্রায় তিনশো কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে প্রথমবার যখোন আপনার শহরে এসেছিলুম তখোন রাত দশটা পেড়িয়ে গেছে । রাতের খাবারের জন্যে আলভী সাহেবের জোরাজুরিতে তার বাসাতে না গিয়ে পারা গেলোনা । সেখানেই তো আপনাকে আমি প্রথম দেখলুম । নাকি আপনি আমাকে দেখলেন ?

পরে অবশ্য এর উত্তরটা পেয়েছি । আপনি আমাকে অনেক অনেক দিন পরে দেখলেন । আমিও আপনাকে । প্রথমদিনে আপনাকে তাই কেমন যেন চেনা চেনা মনে হয়েছিলো । অমায়িক , অসংকোচ এক নেমন্তন্নকারীর স্ত্রীকে প্রথম দর্শনেই কোথায় যেন দেখেছি , এমোন জিজ্ঞাসা শোভন নয় বলেই করিনি সেদিন । আলভী সাহেব আপনাকে ডাকছিলেন মিনু নাম ধরে । আপনার এ নামটি আমার জানা ছিলোনা । তাই নাম মিলিয়ে চিনে নিতে দেরী হয়েছিলো । সেদিনও ফিরে আসার আগে এককাপ চা আপনি আমাকে এগিয়ে দিয়েছিলেন । আপনার হাতখানি সেদিন আমার হাত ছুঁয়ে যায়নি যা গিয়েছিলো তৃতীয় বারে । কবিতার আসর শেষে ফিরে আসার দিনও আবার আলভী সাহেব নিয়ে গিয়েছিলেন আপনার ওখানে বিদায়ী ভোজের জন্যে । সাথে অবশ্য কবিতা সংঘের আরো কয়েকজন ছিলেন । আপনার সান্নিধ্য ভাগ হয়ে গিয়েছিলো সবার মাঝে । সে রাতে লালা ঝরানো খাবার বাদে যেটুকু বাড়তি জুটেছিলো আমার ভাগ্যে , তা আপনার বঙ্কিম চাহনী । সে চাহনী হঠাৎ হঠাৎ থমকে যাচ্ছিলো আমার মুখে । মনে হচ্ছিলো কিছু একটা খুঁজছেন । ভাবছেন, কি করে এটুকু জানলুম ? জেনেছি , কারন আমিও যে কিছু খুঁজছিলুম আপনার মুখে, চোখে ।

আমার নামটি আপনি জেনে থাকবেন আলভী সাহেবের কাছ থেকে । আপনার শহরের কবিতা সংঘের ত্রৈমাসিক অনুষ্ঠানের মধ্যমনি , মানে প্রধান অতিথি হয়ে যিনি আসছেন সে সংঘের সভাপতি পত্নীর তা না জানার কথা নয় । তাই আমাকে একেবারে না চেনার কথা নয় । শুধু আপনার নামটি আমার জানা হয়নি প্রথম দেখাতে । পরে ফিরে আসার পথে আপনার মুখখানি মেলাতে চেয়েছি স্মৃতির ফিকে হয়ে আসা মুখগুলোর সাথে । মেলাতে তেমোন কষ্ট হয়নি । কিন্তু অনেকটা সময় পার হয়ে গেছে বলে সন্দেহটাকেও কষ্ট করে সরাতে পারিনি । সেদিন যেন পানির গভীরে থাকা শৈবালের গা ছুঁয়ে উঠে আসা একটি ছোট্ট বুঁদবুঁদের মতো আপনি ভেসে উঠলেন স্মৃতির পুকুরে । তাহসিনা তাবাসসুম ? ভার্সিটির একই বিভাগে দু’বছরের জুনিয়র ? একটা চিরকূট পাঠিয়েছিলেন যিনি আমাকে একদিন ? যেখানে লেখা ছিলো –

“তাবাসসুম যে আপনার কথা খুব মনে করে, তা কি জানেন ?”



আজ স্বীকার করছি, আমি জানতুম । খুব ভালো করেই জানতুম । কিন্তু আপনাকে তা জানতে দিইনি । আমি যে তখোন অন্য কোথাও বাঁধা পড়ে আছি । পরে আরো একখানা চিরকূট এসেছিলো আপনার দিক থেকে আমার কোনও সাড়া না পেয়ে ।

লেখা – “ তাবাসসুম কি ভুল করে ফেলেছে কিছু ?”

এই প্রশ্নেরও কিছু উত্তর ছিলোনা আমার কাছে । জানি, আপনি সেদিন আমাকে দেবযানীর মতো অভিশাপ দিয়েছিলেন । আমার স্ত্রী যে আমাকে ছেড়ে গেছেন , তা কি এই অভিশাপের ফল ? সাহিত্য নিয়ে খানিকটা ঘাটাঘাটি করি বটে, তাই মনটা কোমল , নরম হতেই পারে । তাই বলে এরকম একটা কান্ডে বিশ্বাস করে বসবো এতোখানি অবুঝ হয়েছি কী ? আপনার কি মনে আছে, ভার্সিটির শেষ দিনটিতে সবাই যখোন বিদায় নেয়ার আয়োজনে আড্ডায় মশগুল আপনি বার কয়েক এসে দুর থেকে ঘুরে গেছেন । আপনার চোখমুখের লেখা অতো দুর থেকে আমার পড়া হয়ে ওঠেনি । অনাগ্রহ বলেই কি ? সেটাই বোধহয় আপনার সাথে আমার শেষ দেখা, তাইনা ? আজ এতো বছর পরে মনে হচ্ছে, সেদিন আপনার সামনে গিয়ে আমার কি কিছু বলা উচিত ছিলো ! কে জানে, অনাগ্রহ নয় আপনার প্রসারিত হাতে অপ্রাপ্তির ছোঁয়া বেশি কঠিন হয়ে লাগুক বলেই হয়তো সেদিন কিছু বলা হয়নি !

এতোদিন পরে আপনাকে হঠাৎ দেখে তাই কি ভাবালুতায় পেয়ে বসেছিলো আমাকে ? আপনাকেও কি ? আপনি বোধহয় আগের চেয়েও খানিকটা সুন্দর হয়েছেন । নাকি আমার কবি চোখ আপনাকে সুন্দর দেখছে !

সেদিনের কথা মনে আছে , দ্বিতীয়বার যখোন আপনার বাড়ীতে কবিতার আড্ডা বেশ জমে উঠেছিলো ? আমার কবিতার এই খন্ডটুকু আমি খুব আবেগ দিয়ে আবৃত্তি করছিলুম ?



“ যে জন দাঁড়ায় এসে অজ্ঞাতে সমুখে

সেদিন তারে দেখি নাই চোখে চোখ রেখে ,

আজ যেন সে–ই মর্ম মাঝে

দারুন মেঘের মতো

তুলে যায় সুন্দরের তরঙ্গ অপার যতো ।

সেদিনের ভুল আজ ভাসায় দুকূল

রুধিব তারে কি দিয়ে ?”



আপনি সবটা সময় ধরে তাকিয়ে ছিলেন আমার দিকে তারপরে নামিয়ে নিয়েছিলেন চোখ ? কেন ?

বহুদিন আগের এক চিরকূটে লেখা “ ভুল” শব্দটি সেদিন কি খুব বেজেছিলো আপনার কানে ? আর আমিও কি সেদিনের সেই চিরকূটের জবাব দিতে চাইছিলুম আজ এতোদিন পরে ?



তৃতীয়বার যখোন আবার আপনাদের কবিতা অনুষ্ঠানের নেমন্তন্নে গেলাম তা শেষ হলে বাড়ীর আড্ডাতে আলভী সাহেব জীবনানন্দকে নিয়ে পড়লেন । জীবনানন্দের প্রথম দিককার লেখা রবীন্দ্রনাথকে কেন আকৃষ্ট করেনি তাই নিয়ে আড্ডার শুরু । পরে সবাই জীবনানন্দ দাশের গ্রন্থিত – অগ্রন্থিত কবিতা নিয়ে কাঁটাচেরা করার ফাঁকে ফাঁকে একলাইন দু’লাইন আবৃত্তি করছিলেন তার কবিতা । আলভী সাহেব মনে হয় মনেপ্রানে কবি নইলে এতোবার শোনা বনলতা সেন কবিতাটি তার মুখে এতো মনোরম হয়ে উঠেছিলো যে কখোনও তেমোনটা আর কোথাও যেন শুনিনি । সে কি তার আবৃত্তির গুনে ? নাকি – “ এতোদিন কোথায় ছিলেন...” এই লাইনটি কানে বাজছিলো বলে ?

আমি ও তার রেশ ধরে “হাযার বছর শুধু খেলা করে” কবিতাটি আবৃত্তি করেছিলুম –

“...শরীরে ঘুমের ঘ্রান আমাদের – ঘুচে গেছে জীবনের সব লেনদেন:

“মনে আছে ?” শুধালো সে - বললাম আমি শুধু, “ বনলতা সেন ।”



আপনি সবাইকে চায়ের কাপ এগিয়ে দিচ্ছিলেন । আমাকে ও । আপনার হাত সেদিন যেটুকু সময় থাকার কথা , তারও বেশী সময় নিয়ে থমকে ছিলো আমার হাত ছুঁয়ে ।

আপনি কি আমাকে ঠিকঠিক চিনে উঠতে পেরেছিলেন সমস্ত সন্দেহ সরিয়ে ?

আপনি তেমোন কোনও ইঙ্গিত দেননি । আমার দিক থেকেও তাই । এই নিয়ে পাঁচবার আপনার সাথে দেখা । ঘুনাক্ষরেও কেউ কাউকে চিনি কিনা এমোন আকার –ইঙ্গিতও আমরা করিনি । জানা হয়নি , একজন তাহসিনা তাবাসসুম কি আজও কারো কথা মনে করে কিনা । কি তাজ্জব তাইনা ?

শুধু মুগ্ধ শ্রোতার মতো আপনি আমার কথা, আমার কবিতা শুনে গেছেন । আপনিও মাঝে মাঝে তাতে কথার ওম ছড়াচ্ছিলেন । গরম ভাতের ধোঁয়া ওঠার মতো উষ্ণতা উড়ছিলো যাতে ।

সেদিন হঠাৎ বানানো কবিতার লাইনের সাথে নতুন লাইন জুড়ে দেয়ার খেলা চলছিলো আলভী সাহেবের সাথে, আন্তক্ষরী খেলার মতো । আমার পালা এলে বললুম -

...............খেলার পুতুল ভেঙে সে আবার নতুন পুতুল

................চেয়েছিলো এতোদিন চুপিসারে .......



আমি এই লাইন দু’টি বলতেই আলভী সাহেবের আগেই আপনি বলে উঠেছিলেন -

.............. পৌষের হাটে খুঁজেছে সে তাই বারেবারে

...............একটি নতুন পুতুল

...............পুরনোর মতো ভালোবাসা যায় যারে ।



লাইন ক’টি বলেছিলেন আমার চোখ থেকে আপনার চোখ দু’টি না সরিয়েই , চোখে চোখ রেখে । আমার ভেতরে বাইরে পৌষের হাটের মতোই থরে থরে সেজে উঠেছিলো কষ্ট কষ্ট একটা সুখের পশরা ।

কেন এমোনটা বলেছিলেন ? শুধু বোঝাতে যে, তাহসিনা তাবাসসুম এখোনও কারো কথা খুব মনে করে ? আমিও যে আপনাকে একসময় মনে করতুম তা আপনি আজও জানেন না । জানানোর আগেই যে আপনি খসে পড়া তারার মতো মিলিয়ে গেলেন কোথায় যেন ।

তারপর ?

কয়েকবারের আসা যাওয়ার মাঝে আপনার সাথে মন ভিজে যাওয়া সময়গুলো কেটেছে । যার সোয়াদ লেগে ছিলো আপনার ভঙ্গিতেও । গ্রীবা বাঁকিয়ে দৃষ্টিবান ছুঁড়ে দেয়ার ভেতরেও । আমি মজে ছিলুম আপনার সবটুকুতে । বুঝতে পারছিলুম আপনার ভেতর ভেতর ও একটা ঝড় বইছে ।

নইলে ফোন করে জানতে চাইতেন না – এবারে আসছেন তো ?

আমি না এলে কি হবে, আমার এমোন প্রশ্নের জবাবে শুধু বলেছেন, না.... আপনি আসবেন কিনা জানলে আপনার পছন্দের খাবারগুলো বানিয়ে রাখতে আমার সুবিধে হতো ।

সে দিনগুলোতে জানতুম, আমার জন্যে একজোড়া প্রতীক্ষার চোখ জেগে থাকবে । যেখানে পৌষের আমন্ত্রন নেই, শরৎয়ের মুগ্ধতা আছে । সে চোখ বলবেনা ডেকে – তোমারে চাই । শুধু ডানা ঝাপটাবে অসহায় । এ বুঝি এক অন্যরকম ভালোবাসা । সেই দুই পাখির মতোন –

এমনি দুই পাখি দোঁহারে ভালোবাসে

...................................................

......................................................

নিরবে চোখে চোখে চায় ।

দুজনে কেহ কারে বুঝিতে নাহি পারে

বুঝাতে নারে আপনায় ।



আপনিও কি সে দিনগুলোতে আমার চোখে জোনাকির জ্বলা নেভা দেখেছেন ? অন্ধকারে অধীর বাতাস বয়ে যায় যেখানে ? দেখে থাকবেন হয়তো । নইলে কাল অতো কাছে এলেন-ই বা কেন ?

ঠোটে ঠোট রেখে নয় , আপনার তর্জনি রেখে কাল রাতে কেনই বা বলবেন - “কেউ যদি শুনে থাকে তুমি কী কয়েছো কথা” ?

ভালো যেমোন লাগছিলো ভয়ও হচ্ছিলো তেমোন, পাছে কবিতার শুদ্ধতায় স্খলন ঘটে যদি ! আপনাকে ছুঁয়ে দেয়ার তীব্র ইচ্ছেটাকে তাই বুকের পকেটে কড়কড়ে পাঁচটাকার নোটের মতোন ভাজ করে রেখে দিতে হয়েছে সযতনে ।



তাই চলে যাচ্ছি । রেলের কুউউ.. ঝিক..ঝিক শব্দের মতো আপনাকে পিছে ফেলে । আর দেখা হবেনা আমাদের কোথাও , কোনদিন । নতুন কেউ একজন আসবেন হয়তো কবিতা সংঘের আমন্ত্রনে , আমি থাকবোনা সেখানে । কবিতার ছন্দ ছিঁড়ে যেতে পারে এই ভয়ে । শুধু জানবেন না, আপনার আকাশে যেমোন রোদের খেলা তেমনি আমার আকাশেও । এটুকুই থাক শেষের না বলা কথা হয়ে ।

আপনার সেই বহু আগের চিরকূটের লেখাটি-ই আপনাকে ফিরিয়ে দিতে ইচ্ছে করছে আজ – “আমি কি ভুল করে ফেলেছি কিছু ?”



আপনার .........







ছবি - গুগল

মন্তব্য ৫২ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (৫২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ১১:৪০

অপূর্ণ রায়হান বলেছেন: কথামালা ভালো লাগলো ভ্রাতা ++++++++

ভালো থাকবেন :)

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:৩০

আহমেদ জী এস বলেছেন: অপূর্ন,


ধন্যবাদ সুন্দর এই প্রথম মন্তব্যটির জন্যে ।

আপনিও ভালো থাকুন ।

২| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:২৭

হাসান মাহবুব বলেছেন: প্লেটোনিক ভালোবাসার সমস্ত অনুঘটক নিয়ে পাঠককে বিষাদী করলেন।

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:৪১

আহমেদ জী এস বলেছেন: হাসান মাহবুব ,

এছাড়া আর কি উপায় ছিলো , বলুন ? দুই মেরুর বাসিন্দা দু'জন । চিরকাল তো দুরে দুরে থাকতেই হয় !

তাছাড়া এই প্লেটোনিক ভালোবাসার একটা মধুর আবেশ তো রেখে গেছি আমি ।

"আমি কি ভুল করে ফেলেছি কিছু ?" এই লাইনটিতেই তো সব কথারা কথা কয়ে গেছে ...........

৩| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:২৬

লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: দারুন লেখা --- সুন্দর লেখায় +++++

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:৪৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: লাইলী আরজুমান খানম লায়লা ,


"দারুন" বলা আর প্লাস দেয়াতে ভালো লাগলো । খুব খারাপ একটা লিখিনি মনে হয় !

শুভেচ্ছান্তে ।

৪| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:২৫

অন্ধবিন্দু বলেছেন:
নিছক প্রেমের গল্প নয়, গল্পের অন্ত অবধি স্বচ্ছ-নির্মল দৃশ্যপটে অভিমানী মানুষটির পরিণত অনুরাগ ভেসে ছিলো। বাঁধন হারা-উন্মাতাল নয়, সে অজৈবিকও নয়। অগোচরের মূর্ছনায় শিল্পিত অভিব্যক্তি। তীব্র ব্যাকুলতা তবুও বিস্তৃত প্রশান্তির নিঃশর্ত রিনিক ঝিনিক ...

মলা ঢেলা পাঠক আমি, কবিকেই বলি কি ছিলো ওতে
কবি সুধায় -

“তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি শত রূপে শতবার
জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার।
চিরকাল ধরে মুগ্ধ হৃদয় গাঁথিয়াছে গীতহার–
কত রূপ ধরে পরেছ গলায়, নিয়েছ সে উপহার
জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার।”

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:০৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: অন্ধবিন্দু ,

হা...হা...হা.. অন্ধই থেকে গেলেন ! অভিমানী মানুষটির দেখা পেলেন কই ?
বরং বাঁধন হারা-উন্মাতাল নয়, অজৈবিকও নয় এমোন একজনের দেখা হয়তো পেয়েছেন এখানে । যে আপনার কবির মতোই হৃদয়ের গোপনে কড়কড়ে পাঁচটাকার নোটের মতোন ভাজ করে রেখে দিয়েছে এই লাইনটি - " তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি শত রূপে শতবার..." ।

মলা ঢেলা এক পাঠকের মন্তব্যের এই মেলা রিনিক ঝিনিক মাথায় তুলে রাখলুম ।

৫| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৫:১৫

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: কুসুম কুসুম ভালোবাসায় ভালোলাগার গল্প। +++

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:২২

আহমেদ জী এস বলেছেন: বোকা মানুষ বলতে চায় ,

খুব সুন্দর বলেছেন - কুসুম কুসুম ভালোবাসা........ ।

কুসুম কুসুম ভালোবাসায় মেশানো শুভেচ্ছা মন্তব্যের জন্যে ।

৬| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:০২

প্রোফেসর শঙ্কু বলেছেন: বাহ। অচেনা অজানা কারো জন্য মন আনচান করে, ভালোবাসার বীজ আর্দ্র পরিবেশ পেয়ে বেড়ে ওঠে, আর পারস্পরিক কিছু অনুভূতি দোলা দিয়ে যায়। দারুণ লাগল।

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:৩১

আহমেদ জী এস বলেছেন: প্রোফেসর শঙ্কু ,

অচেনা অজানা কারো জন্য নয়, দুর দ্বীপবাসিনী কারো কায়া চোখের যমজ পেন্ডুলামে ধরা পড়লে ভালোবাসার বীজ এরকমই মননের আর্দ্র পরিবেশে চারাগাছ হয়ে ওঠে ।

ভালো লাগলো অনুপম এই মন্তব্যটি ।

শুভেচ্ছান্তে ।

৭| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:২৬

সুমন কর বলেছেন: চমৎকার লেখা। যদিও পড়ে মনটা বিষাদে ভরে গেল।

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২২

আহমেদ জী এস বলেছেন: সুমন কর ,


বিষাদে কেন ? নির্মল ভালোলাগায় ভরে যাবার কথা !

সব ভালোবাসারই কি মধুরেন সমাপয়েৎ হতে হবে ?

৮| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:২৪

বাংলার পাই বলেছেন: লেখাটা বিষাদের। পড়ে মন খারাপ হয়। কিন্তু একজন সার্থক লেখকের সার্থকতা এখানেই। শুভ কামনা রইলো।

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: বাংলার পাই ,

সুন্দর মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ ।

বিচ্ছেদটা হয়তো আসলে বিষাদ নয় , এ বিচ্ছেদ প্রগাঢ় অনুরাগ থেকে জন্ম নেয়া ।

শুভ কামনা আপনার জন্যেও । ভালো থাকুন ।

৯| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:১৬

অন্ধবিন্দু বলেছেন:
আহাহ... হারে ! দিলেন তো অন্ধ বানিয়ে !
লেখক এবং লিখা, থাকে তো খানিক অদেখা

কি কথা তাহার সাথে .... অধরা ;)

হাহ হাহ হা..... ভালো থাকবেন, আহমেদ জী এস।

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:১৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: অন্ধবিন্দু ,

অন্ধ না বানিয়ে উপায় কি ? লেখক না হয় খানিক অদেখা থাকতে পারে কিন্তু "লিখা" কি করে অদেখা হয় ? যদি সে অন্ধ না হয় ? B-) :((

আর কি কথা আপনার সাথে ? অধরা কিছু ?
নাহ... ধরাটা দিয়েই ফেলি - বেশ মজা লাগে আপনার মন্তব্যের উত্তর দিতে ।

আপনিও ভালো থাকুন আর সাথেই থাকুন ।

১০| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১:০৯

মামুন রশিদ বলেছেন: সুপ্রিয় আহমেদ জী এস ভাই,

মনের কোণে জমে থাকা গোপন কথাগুলো বিষাদরাঙা কালিতে লেখা হলো চিঠির পাতায় । সে চিঠি ডাকবাক্স ঘুরে আবার ফিরে আসবে নিজেরই কাছে । চিঠির উত্তর ধ্বনিত প্রতিধ্বনিত হবে কেবলই বুকের মাঝে, একাকী নিরজনে ।

আবেগী চিঠির শব্দের হাত ধরে সুন্দর এগিয়েছে গল্প । পাঠককে দুলিয়েছে ভালোবাসার দোলায় ।

ভালোলাগা, ভালোবাসা ।।

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:২৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: মামুন রশিদ ,

মনের কোণে জমে থাকা গোপন কথাগুলো বিষাদরাঙা কালিতে লেখা.... হুমমম এ তো প্রতিটি মানুষের জীবনের সত্যটিই ।
যে গোপন কথাটি একাকী নিরজনে ,ধ্বনিত প্রতিধ্বনিত হয় কেবল বুকের মাঝেই ।

আপনার এই নমনীয় মন্তব্যের ভালোবাসার দোলায় আমাকেও দুলিয়ে দিলেন, মামুন ।

অজস্র ভালোবাসা আপনাকেও ।

১১| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৩:১৭

স্বপ্নবাজ অভি বলেছেন: মিষ্ট এবং অধরা !!
শিরোনামেই বেদনার আভাস পেয়েছিলাম , চমৎকার লিখেছেন ভাইয়া !

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:১৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: স্বপ্নবাজ অভি ,

অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে ।

আসলেই তেমোন বেদনা কি ছিলো কিছু ?

শুভেচ্ছান্তে ।

১২| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ ভোর ৪:৪১

বৃতি বলেছেন: সুন্দর কথাগুচ্ছ। স্নিগ্ধপাঠ।

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:২৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: বৃতি ,

অধরা ভালোবাসার মধুরতা নিয়ে গল্প যে ! স্নিগ্ধ কথার গুচ্ছ নিয়ে লেখা । আর তাতেই তো তেমোন পাঠকের কাছে পাঠস্নিগ্ধ হতেই হয় ।

শুভেচ্ছান্তে ।

১৩| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:৩৪

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: প্রিয় ব্লগার, আপনার লেখাটি খুব ভালো লেগেছে। চমৎকার।
মানুষ না পাওয়ার স্মৃতি তুমি বেদনা নয়, এক নিঃসঙ্গ সাহসী অভিযাত্রী।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:৩৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: কাল্পনিক_ভালোবাসা ,

সব মানুষই কমবেশী এক নিঃসঙ্গ সাহসী অভিযাত্রী। এই অভিযাত্রাই হলো জীবন । এখানে বেদনা যেমোন আছে, সুখ ও তো আছে !

ভালোলেগেছে জেনে ভালো লাগলো ।

শুভেচ্ছান্তে ।

১৪| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:০৮

জুন বলেছেন: আপনার অধরা ভালোবাসার মিষ্টি গল্পটি মন ছুয়ে গেল। শুভেচ্ছা নিরন্তর আহমেদ জীএস ।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:৩৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: জুন ,


পাঠকের মন যাতে ছুঁয়ে যেতে পারে তেমন করে লেখার চেষ্টাই করেছি সাধ্যমতো । আপনার মন ছুঁয়ে গেছে জেনে ভালো লাগছে ।

নিরন্তর শুভেচ্ছা আপনাকেও ।

১৫| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ ভোর ৪:১০

জাফরুল মবীন বলেছেন: নান্দনিক ভালবাসার গল্পটি হৃদয় ছুঁয়ে গেল।ধন্যবাদ অাপনাকে এরকম একটি গল্প উপহার দেবার জন্য।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:৪০

আহমেদ জী এস বলেছেন: জাফরুল মবীন ,

আপনার এই নান্দনিক মন্তব্যটিও আমার উপহার হয়ে থাকলো ।

ভালো থাকুন দিনভর ।

১৬| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:২০

অপর্ণা মম্ময় বলেছেন: আবেগী লেখা নিঃসন্দেহে। এরকম ভাবে ভেবে বা কিছু পাওয়া না পাওয়ার মাঝের যে শূন্যস্থান সেটা নিয়ে তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করতেও কখনো কখনো ভালো লাগে তবে বাস্তবতা এই যে সে পথে ( সে ভাবনার পথে ) না যাওয়াই শ্রেয়, তাহলে আমৃত্যু অদৃশ্য কান্না কিনে নেয়া হবে, গলার কাছে একতাল কষ্ট জমিয়ে রাখা হবে!

শুভকামনা জী এস ভাই

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:৪৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: অপর্ণা মম্ময় ,

জীবন যখোন আপনাকে কান্নার শতেক কারন দেখায় তখোন আপনি হাযারো কারন দেখাবেন জীবনকে খুশিতে ভরে দেয়ার ।
এরকমের একটি আভাস কি এই গল্পে নেই ?

শূন্যস্থানটি ভরে দেয়ার এবং নেয়ার গল্পই তো এখানে ।

মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ । শুভ কামনা আপনাকেও ।

১৭| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:৫৬

জুলিয়ান সিদ্দিকী বলেছেন: অভিমান আর অভিমান। মানুষরা কবে বুঝতে শিখিবে অভিমান বড়দের জন্য নহে। :)

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:২১

আহমেদ জী এস বলেছেন: জুলিয়ান সিদ্দিকী ,

অভিমানের কি দেখলেন এখানে ? কোনও অভিমান-ই তো নেই দুজনার এই গল্পে ! বরং ভালোলাগা আছে অনেক ।

আর অভিমান কি বয়স মানে ? বয়সী অভিমানের সাথে হয়তো "খেদ" এর মিশেল থাকে কিছুটা, এই যা ।

ভালো থাকুন ।

১৮| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:৩৬

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

মিষ্টি প্রেমের সৃষ্টি ;)

অভিনন্দন, জনাব আহমেদ জী এস :)

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:৪৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: মাঈনউদ্দিন মইনুল ,

মন্তব্যে অভিনন্দনের বৃষ্টি ভালো লাগলো ।

শুভেচ্ছান্তে ।

১৯| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:২৫

ফা হিম বলেছেন: মনে তো হচ্ছে আদপেই কাউকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন, না হলে এত শুদ্ধ হবে কেন?

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২১

আহমেদ জী এস বলেছেন: ফা হিম ,


ভালোবাসা এতো শুদ্ধ হবে কেন ?
ভালোবাসা যেখানে গভীর , প্রানের টান যেখানে সত্যিকার হয়ে ওঠে ; শুদ্ধতা তো সেখানেই থাকে !

রবীন্দ্রনাথের কথাতেই বলি -
" যে আমারে দেখিবারে পায়
অসীম ক্ষমায়
ভালোমন্দ মিলায়ে সকলি ..."

এই বোধটুকু মনের পুঁজি না হলে ভালোবাসা শুদ্ধ হয়ে ওঠেনা । এ বোধটুকু সবার থাকেনা ।

না , ফা হিম ; আদপেই কাউকে উদ্দেশ্য করে এ আমার লেখা নয় । ভালোবাসাকে আমি হয়তো এমোনটা্-ই দেখতে চাই বলে লিখে ফেললুম হঠাৎ করেই ।

২০| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১৪

ইমিনা বলেছেন: ভালোবাসা কি তবে এমই হয়? /:) :( :((

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:২৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: ইমিনা ,

জ্বী , বড় ভালোবাসা এমনিই হয় ।
কাছেও টানে আবার দুরেও ঠেলে দেয়।

২১| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:৪৯

মাহমুদ০০৭ বলেছেন: মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:



মিষ্টি প্রেমের সৃষ্টি

লেখক বলেছেন: মাঈনউদ্দিন মইনুল ,



মন্তব্যে অভিনন্দনের বৃষ্টি


হাহাহ , যেমন মাইনুল ভাই তেমন জী এস ভাই । সমানে সমান ।/

বিষাদের নির্যাস পরম আনন্দে তুলে নিলাম ।

কিছু জায়গায় বলার কারিশমায় মুগ্ধতা থাকল।

ভাল থাকবেন ভাই ।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:০৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: মাহমুদ০০৭ ,

ব্লগের অনিবার্য ত্রুটির কারনে ব্লগ দেখা বা লগ-ইন হওয়া কষ্টকর হচ্ছিলো গত ক'দিন ধরে । এখোন পারলুম ।

সমানে সমান আর হতে পারলুম কই আমরা ? একজন "মঈনুদ্দিন " , একজন " আহমেদ" ; এইটুকু যদি সমান সমান হয় তবে ঠিক আছে !!!!!!

বিষাদের নির্যাস পিয়ে পিয়ে নীলকন্ঠ হলেন ?

ভালো আছি, আপনিও ভালো থাকুন ।

২২| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:০১

ডি মুন বলেছেন: বাহ

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:৪৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: ডি মুন ,

মন্তব্যে বলেছেন: বাহ ।
আমি বলি - আহ্‌ ....
কারন ব্লগে ঢুকতে, বেরুতে, এপাশ ওপাশ করতে নাকানি চুবানি খাচ্ছি, তাই আহ্‌.....

২৩| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:১৭

ডি মুন বলেছেন: হাহাহহাহ :)

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৪ দুপুর ১২:২৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: ডি মুন ,


:(

২৪| ০২ রা অক্টোবর, ২০১৪ সকাল ১১:৩৮

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: হা হা হা ...........। চমৎকার!

০২ রা অক্টোবর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২২

আহমেদ জী এস বলেছেন: দেশ প্রেমিক বাঙালী ,

কি চমৎকার ? লেখাটি নাকি হা...হা...হা.. বলতে পারাটি ??

২৫| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:৪৪

খেলাঘর বলেছেন:


নতুন করে সেই পুরান কথা

১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: খেলাঘর ,


বাহ ... বেশ বলেছেন ! পুরান কথাই নতুন করে বললেন ।
ধন্যবাদ ।

২৬| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:০০

আমি অথবা অন্য কেউ বলেছেন: Mon kharap kora sundor

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:৪৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: আমি অথবা অন্য কেউ


কি বলবো বলুন , এই মিষ্টি একটি গল্পে যদি মন খারাপ করে ফেলেন !!!

নতুন বছরটি যেন মন খারাপ করে না দিয়ে, দিনগুলো সুন্দর করে তোলে তেমন উইশ রইলো আপনার জন্যে ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.