নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ট্রুথ নেভার ডাই্‌জ

নিজের সম্পর্কে লেখার কিছু নেই । সাদামাটা ।

আহমেদ জী এস

পুরোপুরি একজন অতি সাধারন মানুষ । আমি যা আমি তাই ই । শয়তানও নই কিম্বা ফেরেশতা । একজন মানুষ আপনারই মতো দু'টো হাত, চোখ আর নিটোল একটা হৃদয় নিয়ে আপনারই মতো একজন মানুষ । প্রচন্ড রকমের রোমান্টিক আবার একই সাথে জঘন্য রকমের বাস্তববাদী...

আহমেদ জী এস › বিস্তারিত পোস্টঃ

জ্ঞান – জ্ঞান কি ? জ্ঞানী কে ??

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:৪১



জ্ঞান – জ্ঞান কি ? জ্ঞানী কে ??



“জ্ঞান” টা আসলে কি ?

জানা অর্থে যে জ্ঞান তা-ই কি প্রকৃত জ্ঞান ?

এ জানা তো হতে পারে নিছক কাল্পনিক, বানানো, কিম্বা নিজস্ব অবাস্তব জগতের অলীক কিছু । হতে পারে মানুষের হৃদয়বৃত্তির মায়া, স্বপ্ন, চিত্তবৃত্তির অভিব্যক্তিজাত কিছু । যেমন ভুত-প্রেত, জীন-পরী, এলিয়েন ইত্যাদি সম্পর্কে আমাদের জানা বা অর্জিত জ্ঞান কাল্পনিক, বাস্তব নয় । এই জানা কোনও মতেই জ্ঞান নয় । “আপনি যদি একজন ভালো স্ত্রী পান তবে আপনি জীবনে সুখি কিন্তু স্ত্রী খারাপ হলে আপনি দার্শনিক হয়ে উঠবেন ।” .......দার্শনিকদের (সক্রেটিস ) দেয়া এই জাতীয় তত্ত্ব-দর্শন আমরা জানি বটে তবে তা জ্ঞান নয় , ধারনা মাত্র । কারন এর প্রতিপাদ্য সর্বত্র প্রযোজ্য নয়, প্রতিভাত ও নয় ।

তাই পাঠ্যপুস্তক পড়া বিদ্বান ( অক্ষর জানা ) মাত্রই যে জ্ঞানী হবেন এটা একটা ধারনা । জ্ঞান নয় । ইদানিং কালের যুবসমাজের দিকে তাকিয়ে দেখুন, তারা হয়তো অনেক বই-ই পড়েছেন কিন্তু তাদের অধিকাংশকে কে কি “জ্ঞানী” বলতে ভরসা হয় ?





• শুধু অক্ষর জানা-ই প্রকৃত জ্ঞান নয় ......

শেখা, জানা ও বোঝা হলো জ্ঞানের তিনটি স্তর । পাঠশালায়, উচ্চতর বিদ্যালয়ে আমরা পড়ি বা শিখি বা এক কথায় বিবিধ অক্ষর জ্ঞান লাভ করি । লাভ করি কি করে এগুলো সাজিয়ে বাক্য তৈরী করতে হয় তার জ্ঞান । এ পড়া বা শেখাটাই কিন্তু প্রকৃত জ্ঞান নয় । মনে করুন প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থী হিসেবে আমরা পড়ি বা আমাদের শেখানো হয় এই বাক্যটি – “বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ”। এই গণতন্ত্রই বা কি জিনিষ কিম্বা রাষ্ট্রই বা কাকে বলে এ বিষয়ে আমাদের জানা থাকেনা । এগুলো জেনেই বা লাভ কি এ জাতীয় মাথাব্যথাও আমাদের হয়না । বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র না হয়ে অন্য কিছু হলে ক্ষতিটা – ই বা কি হতো তাও আমারা ভাবিনে । আমরা শুধু মুখস্থ করি । আরো একটু উঁচু ক্লাসে এই শেখানো বাক্যটি সম্পর্কে আরো কিছু জানা হয়ে যায় । এই জানাটা হয় আগ্রহ থেকে । এভাবে বয়স বাড়ার কিম্বা আরো কিছু শেখার সাথে সাথে আমরা গনতন্ত্র কি তা বুঝি । রাষ্ট্র-ই বা কি তা বুঝতে পারি । সঠিক গণতন্ত্র বা সফল রাষ্ট্রের সুফল-ই বা কি, কুফল-ই বা কি সে সম্পর্কে একটা ধারনাও তৈরী হয়ে যায় । এই শিক্ষা বা জানা আমাদের কুশলী করে, আমাদের নৈপুণ্য বাড়ায়, চেতনার প্রসার ঘটায় আর বাড়ায় বিদ্যা-বুদ্ধি । আমাদের এই “জানা” যদি অভিজ্ঞতার আলোকে বোধের আওতায় এসে জীবনের প্রয়োগিক ক্ষেত্রে সফলতার সাথে প্রযুক্ত হওয়ার উপযোগী হয় তবেই তাকে বলতে হয় “জ্ঞান” । আর যিনি তা বোঝেন ও এর প্রয়োগও করেন তিনিই তো জ্ঞানী ?

কখন চাষের জমিতে নিড়ানী দিতে হবে , আগাছা তুলতে হবে , কখন দিতে হবে সেচ , কখন দিতে হবে সার ; এ সব কি একজন লেখাপড়া না জানা সাধারন কৃষক কোনও বিদ্যাপীঠে শেখেন ? এ জ্ঞান তো তার জীবনের অভিজ্ঞতা লব্ধ । পরীক্ষনে, নিরীক্ষনে, পর্যবেক্ষনে, সমীক্ষনে চাষ সম্পর্কে প্রমানিত তার তত্ত্ব, তথ্য ও সত্যই তো চাষ সম্পর্কে তার প্রকৃত জ্ঞান ।

স্বতঃস্ফুর্ত ভাবে অর্জিত এই জ্ঞান-ই হলো, অভিজ্ঞতা । তাই শেখা ও জানার সাথে অভিজ্ঞতার মিশেল না হলে প্রকৃত জ্ঞানী হয়ে ওঠা সম্ভব নয় ।

বিদ্বানমাত্রই যেমন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ নন তেমনি কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ বা উপাচর্য কিম্বা অধ্যাপক মাত্রই শিক্ষার অলি-গলি-রাজপথ জানা সর্বজ্ঞ নন । আপনার অনেক কিছুই জানা আছে , শেখা আছে কিন্তু সমাজের কল্যান বা হিতার্থে সেই জানা ও শেখাকে প্রয়োগের পথটি আপনার জানা নেই কিম্বা ইচ্ছেও নেই । কারন প্রতিনিয়ত পাল্টে যাওয়া সমাজের গাঠনিক ও চারিত্রিক বিবর্তন সম্পর্কে আপনার অভিজ্ঞতা নেই । অনেকটা সেই “ষোলআনাই মিছে” কবিতার সাঁতার না জানা বাবুর মতো ।

এমোন হলে আপনাকে কি সত্যিকার অর্থে জ্ঞানী বলা যাবে ? কিম্বা অভিজ্ঞতা থাকলেও আপনি জনহিতার্থে তা প্রয়োগরহিত রয়েছেন । আপনার এই অবস্থান কি একজন জ্ঞানীর পরিচয় বহন করবে ?

শেখা, জানা ও বোঝা সমার্থক নয় । যা শেখা হয় তা-ই শিক্ষা । যা জানা হয়েছে তা-ই বিদ্যা বা জ্ঞান । আর এই শেখা ও জানা থেকে যা বোঝা গিয়েছে তা-ই বোধ । এই বোধ থেকেই আপনি আপনার চারধারে ঘটে যাওয়া বিষয়াবলী উপলব্ধি করে অভিজ্ঞতালব্ধ হন আর এটাই হলো পূর্ণ জ্ঞান যা প্রজ্ঞায় পরিনত হয় । জ্ঞান তাৎপর্যমন্ডিত হয়ে প্রজ্ঞায় রূপান্তর না পেলে বন্ধ্যাই থেকে যায় । উপলব্ধির স্তরে উন্নীত না হলে জ্ঞান মাত্রই বন্ধ্যা ।



• এই সব কটি অনুষঙ্গ চাই একসাথে ....

এই উপলব্ধি হবে কি করে ? একাডেমিক শিক্ষা কি এই উপলব্ধি তৈরী করে দিতে পারে ? ঘরে লব্ধ আজন্মলালিত বিশ্বাস আর সংস্কারই নিয়ন্ত্রন করে অধিকাংশ সাধারন মানুষের জীবন ও মনন । এ থেকেই আমাদের যে জ্ঞান তৈরী হয় তা-ই চিরকালের সত্য বা ফ্যাক্ট নয় । যেমন, খাবার খেতে খেতে হঠাৎ যদি বিষম লাগে ( গলায় আটকে যাওয়া ) তখন ছোটবেলা থেকেই আপনি শুনে এসেছেন – কে যেন আপনাকে গালমন্দ করছে কিম্বা কেউ আপনাকে স্মরণ করছে ; এই কথাটি। এটা একটা সংগৃহীত ছেলে ভোলানো বিশ্বাস, সত্য বা ফ্যাক্ট নয় । অনেকটা বড় হলে বিদ্যালয়ে আপনি এর ক্রিয়াবৈগুন্যজাত ব্যাখ্যা জেনে থাকেন হয়তো, কেন মানুষের বিষম লাগে । নতুবা জীবনভর এই বিশ্বাস বা তথাকথিত সত্যটি নিয়েই আপনাকে চলতে হয় । ঘরে লব্ধ এই সব জানা বা শেখা বিষয়গুলিই আপনার জ্ঞান নয় ।

একাডেমিক বিদ্যা আপনার এই জ্ঞানকে পরিশীলিত করে মাত্র উপলব্ধি তৈরী করে দিতে পারে না । যেমন একাডেমিক শিক্ষায় আপনি হয়তো জানেন – কী দুর্বিসহ বস্তিবাসীর জীবন । এই জানাটুকু আপনার পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান নয় । আপনি যতক্ষন না চোখ-কান খোলা রেখে, নিজস্ব বিদ্যা-বুদ্ধির সহযোগে একটি বস্তির সম্পূর্ণ চিত্র স্বশরীরে প্রত্যক্ষ করবেন তার আগে বস্তিবাসীর দুর্বিসহ জীবন কি জিনিষ তার আসল স্বাদ পাবেন না । স্বশরীরে এই যে দেখা ও বোঝা তা আপনার মন ও মননে যে অনুরনন তুলবে তা-ই আপনার অনুধাবন বা বোধ । এই বোধ থেকেই সৃষ্টি হবে আপনার উপলব্ধির । একাডেমিক বিদ্যায় যেটুকু আপনি জেনেছেন এবার পরীক্ষনে, নিরীক্ষনে, পর্যবেক্ষনে, সে জানা পূর্ণতার পথে । আর বস্তিবাসীর এই দুর্বিসহ জীবনের নেপথ্য কারন, কারনের কার্যকরন যদি আপনি বুঝে থাকেন এবং বস্তিবাসীর এই দুর্বিসহ অবস্থা থেকে তাদের পরিত্রানে আপনার অভিজ্ঞতার আলোকে যদি কোনও পথ বাৎলে দিতে পারেন তবেই আপনার জ্ঞান পূর্ণতা পাবে আর তখনই আপনাকে সত্যিকার অর্থে জ্ঞানী বলা যাবে । আর যদি এনজিও গুলোর মতো এই লব্ধ জ্ঞান থেকে ফায়দা লুটতে চান তবে কি আপনাকে জ্ঞানী বলা যাবে ? তখন হয়তো আপনাকে জ্ঞানপাপী বললে খুব একটা ভুল হবেনা বোধহয় ।

প্রচলিত ভাবে আমরা একাডেমিক কোনও ডিগ্রীধারীকে-ই সাধারনত জ্ঞানী বলে থাকি । প্রশ্ন , জ্ঞানীকে কি অবশ্যম্ভাবী ভাবে একাডেমিক হতেই হবে ? একাডেমিক সার্টিফিকেট ছাড়া কেউ কি জ্ঞানী হতে পারবেন না ? তাহলে এসময়কাল পর্য্যন্ত স্বীকৃত বেশ কিছু মনীষীবৃন্দ কোন একাডেমীর সর্ব্বোচ্য সার্টিফিকেট প্রাপ্ত ? কিম্বা তাদের ক’জনারই বা সামান্য একাডেমিক শিক্ষা গ্রহনের সুযোগ হয়েছে ?

আইনষ্টাই্ন প্রথমত কেবলমাত্র একজন গ্রাজুয়েট । আইজ্যাক নিউটন স্কুল থেকে বহিষ্কার করা এক মানুষ । সক্রেটিস এর গায়ে কোনও স্কুলের ছাপ মাত্র নেই । আমাদের নজরুল আর রবীন্দ্রনাথ এর কথাই ধরুন ! শিক্ষাজীবনে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ-ডি ছাপ মারা আছে তাদের গায়ে ?

সমাজে এ ধরনের অনেক মানুষ আছেন যাদের গায়ে একাডেমিক শিক্ষার চাদর জড়ানো নেই । আমাদের সীমিত জ্ঞানে এই সব সার্টিফিকেট বিহীন মানুষদের কারো কারো “কথা” বুঝতে না পেরে আমরা অহরহ তাদের পাগল আখ্যা দিই কিম্বা সমাজের জন্যে তাদের কে ক্ষতিকর ঠাওরাই । এ জন্যেই কোনও একটি কথার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বিচারের স্বার্থেই কথাটি কে বলছেন, কে তার ব্যাখ্যা কোন পরিস্থিতিতে করছেন ইত্যাদি পূঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে বিশ্লষন করা উচিৎ হয়ে পড়ে । এই যেমন , আমাদের রাষ্ট্রীয় বা সামাজিক জীবনে ঘটে যাওয়া কোন একটি ঘটনাকে হাযারো জন হাযারো ভাবে ব্যাখ্যা করেন । এর কোনটি যে সত্য আর কোনটি যে অসত্য ; কোনটি যে সৎ উদ্দেশ্য প্রনীত , কোনটি নয় তা বুঝে উঠতে হিমসিম খেতে হয় । ছড়িয়ে যায় বিভ্রান্তি ।

বোধ –মনন- প্রজ্ঞার যখন ঘাটতি হয় , অপরিপূর্ণ হয় তখনই এরকম বিভ্রান্তি ঘটে থাকে ।



• বোধশক্তি সবার তীক্ষ্ণ, তীব্র, যুক্তিসঙ্গত নয় । চাই মস্তিষ্কের চর্চ্চা ।

আর এ কারনেই “ম্যাচিয়্যুরিটি” বলতে সৃষ্টিতে বোধহয় একটি ব্যাপার আছে । অর্থাৎ একটি নির্দিষ্ট সময়ের আগে প্রকৃতিতে কোনও কিছুরই পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটেনা । মানুষের ক্ষেত্রে তার মস্তিষ্ক বিকাশেরও একটি পর্যায় আছে বয়সানুক্রমে । তার আগে তা পরিপূর্ণ বিকশিত হয়না । যেমন একজন আঠারো বছরের মানুষ ( ছেলে বা মেয়ে ) যতো সহজেই একটি টেলিভিষনের যান্ত্রিক ( মেকানিক্যাল )ও ক্রিয়াবৈগুন্যজাত ( ফাংশনাল ) কার্যক্রম বুঝতে পারবে , একজন সাত-আট বছরের ছেলে বা মেয়ের পক্ষে ততো সহজে তা বুঝে ওঠা সম্ভব নয় । হয়তো বুঝবেই না ! আবার অন্যদিকে একজন আঠারো বছরের বিজ্ঞান পড়ুয়া মানুষকে যতো সহজেই বিজ্ঞান বিষয়ক ব্যাপারগুলো বোঝানো যাবে, ততো সহজে তাকে সাহিত্য বিষয়ক ব্যাপারগুলো বোঝানো যাবেনা । কারন সাহিত্য বিষয়ে তার তেমন কোনও পূর্ব ধারনা নেই । বিপরীত ভাবে একজন আঠারো বছরের সাহিত্য পড়ুয়া মানুষকে যতো সহজেই সাহিত্য বিষয়ক ব্যাপারগুলো বোঝানো যাবে, ততো সহজে তাকে বিজ্ঞান বিষয়ক ব্যাপারগুলো বোঝানো যাবেনা ।

এর অর্থ এই যে , যে কোনও মানুষের মস্তিষ্ক বিকাশের সাথে সাথে তার লব্ধ জ্ঞান যা হতে পারে পরিবেশ থেকে শেখা, অভিজ্ঞতার মাধ্যমে অর্জিত, একাডেমিক শিক্ষা থেকে আহরিত ইত্যাদি তাকে বিশেষ শাখায় জ্ঞানী করে তোলে । যদি তার বোধশক্তি তীক্ষ্ণ - তীব্র হয় । আবার বোধশক্তি সবার তীক্ষ্ণ, তীব্র, যুক্তিসঙ্গতও হয় না । বোঝা না বোঝার এও একটা কারন ।



তাই কোনও বিষয়ে কথা বলতে গেলেই যে এ, কোনও মানুষকে একাডেমিক পান্ডিত্য অর্জন করতে হবে এমন কথা জরুরী নয় । যেমন একাডেমিক পান্ডিত্য জরুরী নয় একজন আগামাথা কৃষকের বেলা । পড়া তো দুরের কথা, এই কৃষকটি হয়তো কোনদিন কোনও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বা নিদেন পক্ষে কোনও কৃষি কলেজ দেখেই নি । অথচ সে তো বছরের পর বছর সাফল্যের সাথে ফসল উৎপাদন করে যাচ্ছে তার অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান থেকে । যে কৃষকের ছেলেটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্ব্বোচ্য এম.এ.জি বা পি.এইচ.ডি ডিগ্রীটি নিয়েছে সেই ছেলেটির পুঁথিগত জ্ঞান কি ফসল উৎপাদনে তার কৃষক পিতার অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানকে ছাড়িয়ে যেতে পেরেছে ? সে কৃষক পিতাটি তো ফসল ফলানোর কলাকৌশলের সাথে সাথে আকাশের দিকে তাকিয়েই বলে দিতে পারে দিনটি বীজ রোপনের উপযুক্ত কিনা ।

দেশের বিকাশমান গার্মেন্টস বা নীটওয়ার শিল্পের কজন সফল উদ্দোক্তা গার্মেন্টস বা নীটওয়ার শিল্পে; সীমেন্ট, টিন, ফার্নিচার, গ্লাসওয়্যার, রড ইত্যাদি শিল্পে সফলতাপ্রাপ্ত কজন উদ্দোক্তা স্ব-স্ব শিল্পের কোন শাখায় একাডেমিক সার্টিফিকেটধারী ?

মানুষ তৈরীর কারিগর বলে একদিন যাদের সামনে মাথা নুঁইয়ে আসতো আমাদের, তাঁদের কজনার সর্বোচ্য একাডেমিক সার্টিফিকেট আছে ?

এগুলো তো বাস্তব সত্য ।

একাডেমিক শিক্ষা অর্জন তাই জ্ঞানী হওয়ার পূর্বশর্ত কি ?



নিজ মাটি আর মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধ, নির্মোহ-নির্মল জীবন জিজ্ঞাসা , নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গী , বিশ্লেষনের ক্ষমতা, বিচারিক প্রজ্ঞা আর সর্বোপরি বিবেকবোধ আপনাকে সত্যিকারের জ্ঞানী করে তোলে ।



ছবি - ইন্টারনেট

মন্তব্য ৬০ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (৬০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:৫০

নিলু বলেছেন: লিখে যান

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৫৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: িনলু ,


লিখেই তো যাচ্ছি ।

ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্যে ।

২| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:২৪

এহসান সাবির বলেছেন: ভালো পোস্ট।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:০০

আহমেদ জী এস বলেছেন: এহসান সাবির ,


লেখাটি দেখেছেন দেখে খুশি হলুম ।

ভালো লাগার জন্যে ধন্যবাদ ।

৩| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:৩০

সুমন কর বলেছেন: সময় নিয়ে পড়ার মতো পোস্ট।

কেমন অাছেন?

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:৩১

আহমেদ জী এস বলেছেন: সুমন কর ,


সময় নিয়েই পড়ুন । ভাবনার বিষয়-আসয় আছে কিছু ।

জ্বী, ভালো তো থাকতেই হয়, তাইনা ? ভালো আছি , আপনিও নিশ্চয়ই ?

৪| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ৯:৩২

তুষার কাব্য বলেছেন: বেশ গুরুগম্ভীর পোস্ট... :)
জ্ঞান নিয়ে জ্ঞানীরাই বলুক আমরা শুধু শুনে যাই.. :D

শুভেচ্ছা বিজয়ের...

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:৫১

আহমেদ জী এস বলেছেন: তুষার কাব্য


শুনে , তা থেকে বুঝে আর নিজ উপলব্ধি থেকে যে বোধের জন্ম হবে তা-ই আপনার জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করে তুলবে । আপনার এই জ্ঞান তুষারের মতো জমাট বেঁধে প্রজ্ঞায় পরিনত হবে । আপনি হয়ে উঠবেন জ্ঞানী ।
মোটেও গুরুগম্ভীর পোষ্ট নয় । বুঝলেন ?

শুভেচ্ছা আপনাকেও ........



৫| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:০৪

খাটাস বলেছেন: বুঝলাম আমার বোধ শক্তি তত টা তীব্র নয়।
কিন্ত ভাল লাগা যে রয়েই গেল।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:০৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: খাটাস ,

বোধ শক্তি তীব্র বলেই তো ভালোলাগা রয়েই গেল।
অবোধ কেউ ভালোলাগা বোঝে কি ?

সুন্দর মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ ।

৬| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:৫৩

সোহানী বলেছেন: বিশ্লেষণ এ ভালো লাগা ....ও পোস্টে +++++++

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:২৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: সোহানী ,


বিশ্লেষণ এ ভালো লাগা দিয়েছেন কিন্তু বিশ্লেষণ করে রায় দেননি আসলেই "জ্ঞান" কি আর কে্-ই বা "জ্ঞানী " ।

মন্তব্য আর প্লাস দেয়ার জন্যে ধন্যবাদ ।


৭| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:০২

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:



বিশাল বিষয়.... সুন্দর আলোচনা....
ভালোলাগাসহ পিলাচ! :)

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:০২

আহমেদ জী এস বলেছেন: মাঈনউদ্দিন মইনুল ,


সব সময় সাথে থাকেন বলে সাহস করে কিছু লিখি ।
হ্যাঁ... বিষয়টি বিশাল-ই বটে । সে কারনেই আলোচনার পথ খুলে দিতে শেষে প্রশ্ন রেখেছি - একাডেমিক শিক্ষা অর্জন তাই জ্ঞানী হওয়ার পূর্বশর্ত কি ?


ভালো লাগার জন্যে আর সাথে প্লাস দেয়াতে ধন্যবাদ ।

৮| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:৪১

নেক্সাস বলেছেন: সুন্দর পোষ্ট।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:৪৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: নেক্সাস ,

হুমমমম......চায়ের কাপে ঝড় তোলার মতো বিষয় নিয়ে লেখা ।

মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ ।

৯| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:২১

আলম দীপ্র বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম । সময় করে পড়তে হবে :)

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:০৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: আলম দীপ্র


প্রিয়তে নেয়ার জন্যে ধন্যবাদ তবে ওখানেই যেন তা আবদ্ধ না থাকে । সময় করে পড়ে ফেলুন । খারাপ লাগবেনা মনে হয় ।

শুভেচ্ছান্তে ।

১০| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:৩৬

অপূর্ণ রায়হান বলেছেন: জ্ঞান ও জ্ঞানী নিয়ে চমৎকার বিশ্লেষণমূলক পোস্ট। তেমন কোন দ্বিমত নেই। অক্ষরজ্ঞান বা পুঁথিগত শিক্ষা ই মানুষকে জ্ঞানী করে তুলতে পারে না। ১০০% সহমত। তেমনি জানার কোন সীমা নেই, নেই জ্ঞানের পরিসীমা। যতই জানবেন, ততই শিখবেন - জ্ঞানী হবেন। জ্ঞানের চর্চাটাই বড় বিষয়, যা ধরে রাখা উচিৎ আমৃত্যু!


++++++++++++++++++

ভালো থাকবেন ভ্রাতা :)

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৫৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: অপূর্ণ রায়হান ,

"...যতই জানবেন, ততই শিখবেন - জ্ঞানী হবেন।"
কথাটির সাথে খানিকটা দ্বিমত করছি । জানা আর শেখা মানেই "জ্ঞান" নয় । আমার লেখাতে একথাটিই বলতে চেয়েছি , ব্যাখ্যাও করেছি ।
তবে এটা ঠিক আছে - যতই জানবেন, ততই শিখবেন । কিন্তু জ্ঞান হওয়াটা অপূর্ণই থেকে যাবে যদি না তা উপলব্ধির স্তরে পৌঁছায় ।

তাই বলেছি - চাই মস্তিষ্কের চর্চ্চা । এতে বোধ-বুদ্ধি জাগ্রত হবে যা জ্ঞানী হওয়ার পূর্ব শর্ত ।

মন্তব্য আর অনেকগুলো প্লাসের জন্যে শুকরিয়া ।
ভালো থাকুন ।

১১| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:০১

খেলাঘর বলেছেন:


OK

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৩০

আহমেদ জী এস বলেছেন: খেলাঘর ,


শুধুই OK ?

ওকে দেন ।

১২| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:২০

জুন বলেছেন: আমার মতে জ্ঞ্যান মানুষকে বিনয়ী করে তোলে কিন্ত বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় তাদের অহংকারী হতে ।
জ্ঞ্যান বিষয়ক সুন্দর পোষ্ট অনেক ভালোলাগা ।
+

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৫২

আহমেদ জী এস বলেছেন: জুন,


আপনার মত ঠিক আছে তবে আপনার দেখাটি বেশ সরলীকৃত হয়ে গেলো সবার মতো । আপনি তাদের অহঙ্কার দেখেছেন , জ্ঞানের পরিধি দেখেন নি । শুধু জেনেছেন এরা এরা প্রচন্ড জ্ঞানী, তাই না ? আপনি যাদের অহঙ্কারী হিসেবে দেখেছেন তারা প্রকৃত অর্থে মোটেও জ্ঞানী নন । হয়তো একাডেমিক শিক্ষায় তারা অতুচ্য , জ্ঞানে নয় । অনেক পড়াশোনা করলে জানা হয়তো হয়, কিন্তু বোধ-বুদ্ধি কিম্বা চরিত্র হয়না । ওগুলো তৈরী করে দেয়া যায় না । তাই তাদের অহঙ্কারী হতে দেখেন ।
এটা তো জানেন – ফলবতী বৃক্ষ নুয়ে পড়ে ফল ভারে ? তাই একজন প্রকৃত জ্ঞানীও জ্ঞানের ভারে নম্র হয়ে থাকেন । আর অল্প ফল নিয়ে তালগাছ ঘাড় কাৎ না করেই সোজা ঘাড় তেড়া করে রাখে । অল্পবিদ্যান বা জ্ঞানীর মাথা আপনি নোয়াতে পারবেন না কিছুতেই ।

ভালোলাগার কথা জানানোর জন্যে আর প্লাস দেয়াতে ধন্যবাদ ।

শুভেচ্ছান্তে ।

১৩| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:৪৯

ডি মুন বলেছেন:
চমৎকার পোস্ট

+++

এবং সমগ্র আলোচনার উপসংহারটুকুও আপনিই বলে দিয়েছেন শেষ প্যারায়।


নিজ মাটি আর মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধ, নির্মোহ-নির্মল জীবন জিজ্ঞাসা , নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গী , বিশ্লেষনের ক্ষমতা, বিচারিক প্রজ্ঞা আর সর্বোপরি বিবেকবোধ আপনাকে সত্যিকারের জ্ঞানী করে তোলে ।


সহম পোষণ করছি।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৫৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: ডি মুন ,

শুধু সহমতই নয় আরো কিছু আশা ছিলো কারন লেখাটির বক্তব্য একান্ত আমারই জিজ্ঞাসা । সাথে একটি ধারনাও দিতে চেয়েছি । এই ধারনার সাথে কিছু যোগ বিয়োগ করা গেলে ভালো হতোনা ?

উপসংহারের পরেও তো থাকে সংহার ; যেমোন পথের পরেও থাকে পথ.....

১৪| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:৫২

ডি মুন বলেছেন:
সহমত*


আরেকটি কথা ভীষণ ভালো লেগেছে। তা হলো -


উপলব্ধির স্তরে উন্নীত না হলে জ্ঞান মাত্রই বন্ধ্যা ।


সুন্দর পোস্টের জন্যে ধন্যবাদ
ভালো থাকুন
:)

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:১০

আহমেদ জী এস বলেছেন: ডি মুন ,


উদ্ধৃত লাইনটি ভীষন ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগছে ।

এই উপলব্ধিটুকুর জন্যে ধন্যবাদ আপনাকেও ।

১৫| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৩৪

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:


//একাডেমিক শিক্ষা অর্জন তাই জ্ঞানী হওয়ার পূর্বশর্ত কি?//


পূর্বশর্ত তো নয়ই, বরং অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত জ্ঞানার্জনের প্রতিবন্ধতা হয়ে দাঁড়ায়।

এবিষয়ে অন্তত কয়েকটি পোস্টে কিছু অনুভূতি জানাবার চেষ্টা করেছি। সময় এবং ইচ্ছে হলে ক্লিক করতে পারেন....

[এক] স্বশিক্ষিত ক্ষণজীবিরা সামু

[দুই] জ্ঞানী কে? ব্যক্তিগত ব্লগ

[তিন] ‘বিদ্যালয় আমারে শিক্ষিত হতে দিলো না’

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:২৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: মাঈনউদ্দিন মইনুল ,


মন্তব্যের জন্যে শুকরিয়া । লেখাগুলো দেখবো ।

সে বিদ্যালয় আর নেই যে কাউকে শিক্ষিত হতে দেবে ! শুধু সার্টিফিকেট দিতে পারবে , শিক্ষা নয় ।

১৬| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:০১

মামুন রশিদ বলেছেন: স্বতঃস্ফুর্ত ভাবে অর্জিত এই জ্ঞান-ই হলো, অভিজ্ঞতা । তাই শেখা ও জানার সাথে অভিজ্ঞতার মিশেল না হলে প্রকৃত জ্ঞানী হয়ে ওঠা সম্ভব নয় ।


চমৎকার পোস্ট! সহমত জানিয়ে গেলাম শ্রদ্ধেয় আহমেদ জী এস ভাই ।

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৩৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: মামুন রশিদ ,

অসংখ্য ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্যে ।

শুধু সহমত কেন ? কিছু কিছু দ্বিমত করলে আলোচনাটা জমতো ভালো । আরো কিছু জানা হতো, অভিজ্ঞতা হতো ।

ভালো থাকুন পুরোটা শীত জুড়ে ।

১৭| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ৯:৪৩

সোহানী বলেছেন: উত্তরটা কিন্তু আপনিই দিয়েছেন.....

একাডেমিক শিক্ষা অর্জন তাই জ্ঞানী হওয়ার পূর্বশর্ত কি ? না, অবশ্যই নয়।

নিজ মাটি আর মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধ, নির্মোহ-নির্মল জীবন জিজ্ঞাসা , নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গী , বিশ্লেষনের ক্ষমতা, বিচারিক প্রজ্ঞা আর সর্বোপরি বিবেকবোধ আপনাকে সত্যিকারের জ্ঞানী করে তোলে ।

- এতো চমৎকার বিশ্লেষনের পর কোন বিশ্লেষনেরই আর প্রয়োজন নেই।

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৫৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: সোহানী,

আবারো ফিরে আসার জন্যে ধন্যবাদ ।

শেষ লাইনটি দেখে আমারও আর বাড়তি বিশ্লেষন চাইবার প্রয়োজন নেই ।

শুভেচ্ছান্তে ।

১৮| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:৩০

এক দুর্বাসা বলেছেন: লেখাটা বেশ সময় নিয়ে পড়লাম, যতটুকু বুঝছি, এখানে নিজস্ব আঙ্গিকে "জ্ঞান" সম্পর্কে প্রচলিত দার্শনিক মতবাদটিই আলোচিত হয়েছে। আর মানব সভ্যতার উন্মেষ থেকে আজোবধি জ্ঞান চর্চার মৌলিক এই শাখায় যেমন চিন্তা, চেতনা আর বোধের নতুন নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে বা হচ্ছে , ঠিক তেমনি প্রতিটি আলোচিত বিষয়েরই আবার বিস্তর সীমা বদ্ধতা আর বৈপরীত্যও রয়ে গেছে বা যাচ্ছে।সেসব এখানে আলোচনা সময় সাপেক্ষ।
তবে, যেহেতু আমাদের অনেকেরই মৌলিক দর্শণের তেমন পূর্ব ধারণা নাই, সেই ক্ষেত্রে আপনার পোস্ট পড়ে "জ্ঞান" এর সরূপ, ধরণ, ব্যাপ্তি প্রভৃতি সম্পর্কে বিশদ ধারণা পেলাম। এই পোস্টের জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।ভালো থাকবেন সব সময়।

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:১৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: এক দুর্বাসা ,


খুব সুন্দর প্রেরনাদায়ক এই মন্তব্যটিতে ভালো লাগা জানাচ্ছি ।

একটু বলি – জ্ঞান সম্পর্কে প্রচলিত দার্শনিক মতবাদ নয়, বরং প্রচলিত ধারনাই আলোচিত হয়েছে ।
যে কোনও বিষয়েরই সীমা বদ্ধতা আর বৈপরীত্যও থাকে , এটি কিন্তু ঠিক বলেছেন । তবে জ্ঞানী হতে হলে মৌলিক দর্শনের পূর্ব ধারনা থাকতে হবে এমোন কথা নেই । প্রতিটি মানুষের ভেতরই একজন কমবেশী দার্শনিক বাস করে । চিন্তা, চেতনা আর বোধের উন্মোচনই তাকে দার্শনিক করে ।

আপনিও ভালো থাকুন । শুভেচ্ছান্তে ।

১৯| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:৩১

ইমিনা বলেছেন: নিজ মাটি আর মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধ, নির্মোহ-নির্মল জীবন জিজ্ঞাসা , নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গী , বিশ্লেষনের ক্ষমতা, বিচারিক প্রজ্ঞা আর সর্বোপরি বিবেকবোধ আপনাকে সত্যিকারের জ্ঞানী করে তোলে ।
........ আমি যেমনটি বিশ্বাস করি তেমটিই বলেছেন। অনেক ভালোলাগা জানিয়ে গেলাম :)

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:২১

আহমেদ জী এস বলেছেন: ইমিনা ,

ভালো লাগলো জেনে যে , আপনার বিশ্বাসের কথাটিই বলতে পেরেছি ।
একজন লিখিয়ে যখোন পাঠকের বিশ্বাস অর্জন করেন তখোন বুঝে নিতে হয় , তা লিখিয়ের প্রতি সম্মাননা ।

আপনার অনেক ভালো লেগেছে দেখে সাহসী হচ্ছি আরও ভালো লেখার ।

ভালো থাকুন । শুভেচ্ছান্তে ।

২০| ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:০৮

স্বপ্নবাজ অভি বলেছেন: খুব সুন্দর পোষ্ট !

২১ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:১৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: স্বপ্নবাজ অভি ,

ধন্যবাদ সুন্দর বলাতে ।

ভালো থাকুন ।

২১| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ ভোর ৬:১৮

রেজওয়ানা আলী তনিমা বলেছেন: শুধু অক্ষর জানা-ই প্রকৃত জ্ঞান নয় , খুব খাঁটি একটা কথা।

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:৪২

আহমেদ জী এস বলেছেন: রেজওয়ানা আলী তনিমা ,




পুরোনো বছরের বিদায়ী শুভেচ্ছা জানাচ্ছি মন্তব্যের জন্যে ।

শুধু অক্ষর জানা-ই প্রকৃত জ্ঞান নয়, এটা জেনেও আমরা হেন-তেন সার্টিফিকেটের বড়াই করি । এটাও ঠিক ।

নববর্ষের শুভেচ্ছা জানবেন ।

২২| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ৭:০৮

পথিক মানিক বলেছেন: বাহ !!! দারুন তো :)
ভালো লাগা রেখে গেলাম । চলুক .....

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:০০

আহমেদ জী এস বলেছেন: পথিক মানিক ,

অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে ভালোবাসা রেখে যাওয়াতে ।

নতুন বছরের ভালোবাসা রইলো আপনার জন্যেও ।

২৩| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:৩৮

অন্ধবিন্দু বলেছেন:
আহমেদ জী এস,
বেশ কিছু প্রশ্ন রেখেছেন, উত্তর সংযুক্ত করার চেষ্টাও করেছেন। তবে আমার পক্ষ থেকে উদাহরণসহ সংজ্ঞা টানতে “শিশু জিয়াদের” ঘটনাটি এখানে স্মরণ করলুম।

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:১৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: অন্ধবিন্দু ,

শুধু শিশু জিয়াদ এর ঘটনা কেন ? হাযারো উদাহরন আছে অজ্ঞানতার । এই যেমন মন্ত্রী পর্ষদের কারো কারো কথাবার্তা স্মরন করুন ! স্মরন করুন টিভি টক-শো'র মহাজ্ঞানীদের কথা ।

আমরাও অনেকেই এর বাইরে নই । নিজেদের জ্ঞানী ভাবি বটে, আসলে তা নই ।

তা ..." এতোদিন কোথায় ছিলেন ........"

নতুন বছরের শেষ হতে চলা প্রহরে আপনার জন্যে শুভেচ্ছা ।
নববর্ষ আপনার সমৃদ্ধি নিয়ে আসুক আরো ...আরো......

২৪| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ১২:৪৭

মাহমুদ০০৭ বলেছেন: আহমেদ জী এস ইয় পোস্ট।
অনেকে বিদ্যা আর জ্ঞান গুলিয়ে ফেলেন। যে কোন মানুষের দর্শন ও যুক্তিবিদ্যা চর্চা করা উচিত। এসব বোধ ও প্রজ্ঞা অর্জনের হাতিয়ার হিসেবে
কাজ করে।




জ্ঞানী বিনয়ী হয় সবাই জানি,বিনয়ী হওয়া সহজ নয়,অহঙ্কারকে পুরোপুরি জয় করে বিনয়ী হওয়া যায়। জ্ঞানসাধনাপথের অনেকটুকু পথ অতিক্রম করা পর্যন্ত অহংকার মানুষের সাথে থাকে।শেষ পর্যন্ত অহঙ্কার থাকলে বোঝা যাবে,সে পরিপূর্ণ হতে পারেনি।


নিজ মাটি আর মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধ জ্ঞানী হবার জন্য কতটা প্রাসঙ্গিক? নিজ এর পরিধি কতটুকু ? ব্যাখ্যা চাই।

ভাল থাকবেন ।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:৪৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: মাহমুদ০০৭ ,


প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি সাড়া দিতে অনিচ্ছাকৃত দেরীর জন্যে ।
এটা ঠিক বলেছেন - মানুষের দর্শন ও যুক্তিবিদ্যা চর্চা করা উচিত। তবে এটা ঠিক নয় যে, বিনয়ী হওয়া কষ্টকর । বিনয়ী হতে হলে “ নিজ” কে চিনতে হবে আগে । অবশ্য আপনি জানতে চেয়েছেন, এই “নিজ” এর পরিধি কতটুকু । বিশাল ব্যাপার, বোঝানো ও বোঝা । এই ছোট পরিসরে সম্ভব নয়, ক্ষমা চাই । তবে ছোট্ট করে বহুল উচ্চারিত সক্রেটিস এর দর্শনটি বলি ---- “নো দাইসেলফ” । আর বৌদ্ধধর্মে এই নিজ বা “আমি” বা গভীরের অর্থে “ অহং” কে বিসর্জন দিতে বলা হয়েছে শুদ্ধতম হয়ে উঠতে । এই অহং বা “ ইগো” তো আমারই ভেতর বিরাজিত ।
মাটি আর মানুষ কে যদি না-ই চিনতে পারি তবে আমার আমিকে চিনবো কি করে ? গভীর মমত্ববোধ থেকে যদি এই চেনা হয়ে যায় তবে নিজেকে চিনে ওঠা সহজ হয়, নিজের অবস্থান স্পষ্ট হয়ে ওঠে ।
এটাও হয়তো একটা দর্শন। আপনার সাথে না ও মিলতে পারে ।
তারপরেও ভালো লাগলো আপনার অনুসন্ধিৎসা ।
ভালো থাকুন । শুভেচ্ছান্তে ।

২৫| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ২:২৪

অন্ধবিন্দু বলেছেন:
~টিভি টক-শো'র মহাজ্ঞানীদের কথা~

বিদ্রূপ করলেন, আহমেদ জী এস। তবুও টক এবং শো করতে হয়...। চুপ থাকতে আপনিও পারছেন কোথায় ?

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:১৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: অন্ধবিন্দু ,


দুঃখিত, দেরী হওয়াতে ।
ওয়র্ক ষ্টেশানে ছিলুমনা গত ক'দিন ধরে ।

জ্বী, "টক" করতে গিয়ে টক কথা বলতেই হয় । "শো" করতে গিয়ে "শো-বিজনেস" ( এগুলোও একধরনের শো-বিজনেস ) এর "বিজনেস" টা ও মাথায় রাখতে হয় যাতে নিজের ভাগটা ঠিক থাকে ।
বিদ্রূপ আর কতটুকু করতে পারলুম, বলুন ! আপনিও বা চুপ থাকতে পারলেন কই ? কথা তো বলতেই হয় । মুখের কাজটা কি ?

ভালো আছেন তো !

২৬| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ২:৩৯

তাশমিন নূর বলেছেন: প্রথমেই আপানাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমার পোস্টে করা আপনার মন্তব্যের ঘরে এতো সুন্দর একটি লেখার লিঙ্ক যোগ করার জন্য। সম্পূর্ণ একমত পোষন করছি।

এক কথায়, আমাদের পরিপার্শ্ব দেখে কোন কিছু বুঝে নিয়ে সেটা নিজের মধ্যে নিয়ে নেয়ার এবং প্রয়োগ করার ক্ষমতা হল বুদ্ধিবৃত্তি। জ্ঞানী ব্যক্তি মাত্রই বুদ্ধিমান। আমি কিছুকাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছিলাম। সেই সূত্রে কিছু ট্রেনিং এর অভিজ্ঞতা আছে। একটা ট্রেনিং ছিল সৃজনশীল প্রশ্ন কিভাবে তৈরি করতে হবে এই বিষয়ক। সৃজনশীল প্রশ্নের প্রথম প্রশ্নটিকে বলা হয় জ্ঞানমূলক প্রশ্ন। মূলতঃ সেখানে কোন কিছুর তথ্য চাওয়া হয়। অর্থাৎ, সেই অনুযায়ী কোন তথ্য জানাটাই জ্ঞান। কিন্তু জ্ঞানের সংজ্ঞা আরও ব্যাপক। আপনার প্রবন্ধে আপনি সেটা সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেছেন।


সৃজনশীল প্রশ্নের বাকী তিনটি প্রশ্ন হল বর্ণনামূলক, অনুধাবনমূলক এবং উচ্চতর দক্ষতামূলক। এ থেকে বোঝা যায়- জানা, জেনে সেটা বিবৃত করা, অন্তর্নিহিত অর্থ অনুধাবন করা এবং বাস্তব জীবনে সেই জানাকে প্রয়োগ করাই প্রকৃত জ্ঞান। অনেক প্রীত হলাম আপনার প্রবন্ধ পাঠ করে। প্রিয়তে নিয়ে গেলাম।

ভালো থাকবেন।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৩:১০

আহমেদ জী এস বলেছেন: তাশমিন নূর ,

আপনি ট্রেইনিং করে যা শিখেছেন এবং তা থেকে আপনার ধারনা ও অনুভবের যে কথা বলেছেন এতেই আপনার পান্ডিত্ব প্রকাশ পেয়েছে ।

আর আমার মতো একজন "না-ট্রেইনিং" পাওয়া লোকের এই পোষ্টখানি , যা আপনার বোধ আর অভিজ্ঞতার সাথে মিলে গেছে ; তা প্রিয়তে নিয়ে সম্মানিত করলেন ।

আপনিও ভালো থাকুন ।

২৭| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:০২

দীপংকর চন্দ বলেছেন: পড়লাম।

নিজের চিন্তার সহস্র সীমাবদ্ধতাকে আবিষ্কার করলাম আবার।

অনেক অনেক ভালো লাগা জানবেন ভাই।

এবং শুভকামনা। অনিঃশেষ।

ভালো থাকবেন। সবসময়।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৩১

আহমেদ জী এস বলেছেন: দীপংকর চন্দ ,


খুব ভালো লাগলো আপনার মন্তব্য । নিজের সীমাবদ্ধতার কথা আমরা কজনই বা স্বীকার করার সাহস রাখি ? সে সাহসটুকু দেখতে পেয়ে ভালোলাগা বাড়লো ।

আপনার লেখা “আমার একটা পাপ ছিলো থেটিস” য়ে আমার মন্তব্যে করা আপনার জবাবটিও আপ্লুত করেছে আমাকে । যিনি এমন কবিতা লেখেন, জবাবেও যার কার্পণ্য নেই তিনি আর সামান্য থাকেন না , অসামান্য হয়ে ওঠেন ।

শুভেচ্ছা অনেক অনেক । ভালো থাকুন ।

২৮| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:৩৩

প্রোফেসর শঙ্কু বলেছেন: জ্ঞান কি? বিবেক, অক্ষরজ্ঞান, আর অনুভূতির পরিপক্কতার সুষম সমন্বয়। আমাদের জ্ঞান বলতে আদৌ কিছু আছে কিনা- সন্দেহে ভুগি অনেক সময়।

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:৩৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: প্রোফেসর শঙ্কু ,

জ্ঞান যে বিবেক, অক্ষরজ্ঞান, আর অনুভূতির পরিপক্কতার সুষম সমন্বয় সে কথাই লিখতে চেয়েছি আমি ।

আপনি "প্রোফেসর" হলেও জ্ঞান যে আদৌ নেই সে তো জানি-ই । :P !:#P

( এ প্রসঙ্গে যে একটি চুটকি আছে তা স্মরন করুন । )

২৯| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:১০

প্রোফেসর শঙ্কু বলেছেন: :) :) কোন কথা হবে না B-)

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:৪০

আহমেদ জী এস বলেছেন: প্রোফেসর শঙ্কু ,

কোন্ কথা হবেনা কেন ? কথা না হলে , না শুনলে জ্ঞান হবে কোত্থেকে ? :(

ঐ চুটকিটা জানেন না ? বলছি -
এক প্রোফেসর ছাত্রদের ফিলোসফি পড়াচ্ছিলেন । পড়াতে পড়াতে আবেগে আপ্লুত হয়ে ছাত্রদের বললেন, " জ্ঞান কতো বিশাল । মহা সমুদ্রের মতো । জ্ঞানের এই সমুদ্রের তীরে দাঁড়িয়ে আমার নিজেকে বালুকণার মতোই ক্ষুদ্র মনে হয় ! মনে হয় জ্ঞানের কিছুই জানিনে আমি !"
পিছন থেকে এক চ্যাংড়া ছেলে বলে উঠলো - " সে তো আমরা জানিই যে আপনি কিছুই জানেন না !!" :P :D :(( :((

সুতরাং ... কথা বলতেই হবে .....

৩০| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৯:৫৫

জীবন সাগর বলেছেন:
অসাধারণ একটা পোষ্ট পড়ার সুযোগ দিয়ে কৃতজ্ঞ করলেন।


এই শিক্ষা বা জানা আমাদের কুশলী করে, আমাদের নৈপুণ্য বাড়ায়, চেতনার প্রসার ঘটায় আর বাড়ায় বিদ্যা-বুদ্ধি । আমাদের এই “জানা” যদি অভিজ্ঞতার আলোকে বোধের আওতায় এসে জীবনের প্রয়োগিক ক্ষেত্রে সফলতার সাথে প্রযুক্ত হওয়ার উপযোগী হয় তবেই তাকে বলতে হয় “জ্ঞান” । আর যিনি তা বোঝেন ও এর প্রয়োগও করেন তিনিই তো জ্ঞানী ?

অসাধারণ সংজ্ঞায়িত করেছেন।
প্রিয় হয়ে থাকুক জানার অসীমতট

২৪ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১০:২১

আহমেদ জী এস বলেছেন: জীবন সাগর ,



ভালো লাগলো আপনাকে এখানে দেখে । মন্তব্যে ধন্যবাদ ।
ভালো থাকুন ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.