| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জিনিয়ো
আমার গায়ে যত দুঃখ সয় বন্ধুয়া রে করো তোমার মনে যাহা লয় নিঠুর বন্ধু রে, বলেছিলে আমার হবে মন দিয়াছি এই ভেবে সাক্ষী কেউ ছিলনা সেসময়। সাক্ষী শুধু চন্দ্র-তারা, একদিন তুমি পড়বে ধরা রে বন্ধু ত্রিভুবনের বিচার যেদিন হয়।।
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে মোটামুটি সকল শ্রেণির মানুষই বিশাল ক্ষিপ্ত। হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু না। এদেশের ছাত্র-ছাত্রীদের জীবনের সবচেয়ে বড় দুইটি পাবলিক পরীক্ষা, এসএসসি ও এইচএসসি উভয়েই সম্পুর্ণ সাজেশন নির্ভর। ফলে জিপিএ ৫ এর মহামারী কলেরার থেকে তীব্র হলেও, দেশ মেধাশুন্যের দিকে প্রতিবছর দুইবার লম্ফ মেরে এগিয়ে যাচ্ছে, এতে সমর্থন দিবে না এমন লোক হয়তো নেই। এরই মাঝে, দেশে সত্যিকার অর্থে যদি পাঠ্যবই আত্মস্থতা ও মেধা যাচাই জনক একটি পরীক্ষা থেকে থাকে, তা হলো বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা। তুমুল প্রতিযোগীতামুলক এ পরীক্ষায় বই এর প্রতিটি লাইন যেনো একেকটি প্রশ্ন। আর তাই, যে ছাত্রের পাঠ্যপুস্তকের উপর যতো বেশী আধিপত্য, যে যতো ভালো করে তার এইচএসসি এর দুইটা বছরকে কাজে লাগিয়েছে, বুঝে পড়াশুনা করেছে, তার জন্য ভালো একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে টিকতে পারার নিশ্চয়তা ততোই বেড়ে গিয়েছে।
কথা হলো, এসব ধ্রুব সত্যগুলো আবার কেনো বলছি? অবাক হয়ে বলছি, কারণ দেশের নীতি-নির্ধারক পর্যায়ের পদবীধারীদের এক অভূতপুর্ব সিদ্ধান্ত হতে যাচ্ছে মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষা বন্ধ করে দেয়া। এর বদলে তারা চাচ্ছেন, যাতে এসএসসি ও এইচএসসি এর রেজাল্ট, অর্থাৎ জিপিএর ভিত্তিতে মেডিকেল কলেজ গুলোতে ভর্তি নেয়া হয়। এর পেছনে তাদের যুক্তি -
গত বছর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ছাপাখানা থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের চেষ্টা, পরীক্ষার আগে ভুয়া প্রশ্নপত্র বেচাকেনাসহ নানা ধরনের সমস্যা হওয়ায় এবার পরীক্ষা না নেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন বেশির ভাগ অধ্যক্ষ। তাঁরা বলেছেন, ভর্তি পরীক্ষা না হলে কোচিং সেন্টারগুলোর দৌরাত্ম্য বন্ধ হবে। সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির প্রতিশ্রুতি দিয়ে যেসব কোচিং সেন্টার নানাভাবে শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের প্রতারণা করছে, তাও বন্ধ হবে।
কিন্তু প্রশ্নপত্র ফাঁস হবার জন্য তো দায়ী এর সাথে জড়িতরা! এখানে ভর্তি পরীক্ষার দোষটা কোথায়? ভর্তি পরীক্ষার্থীদেরই বা দোষটা কোথায়? আর কোচিং সেন্টার? তারা কোঁচিং সেন্টার গুলোর লাইসেন্স ক্যান্সেল করে দিক! আর না হয় কোচিং সেন্টার বন্ধের ঘোষনা দেয়া হোক। কিন্তু, ভর্তি পরীক্ষা বাতিলের সাথে এসবের কি সম্পর্ক? আবারও সেই পুরানো কথা বলতে হয়, “মাথা ব্যাথায় ঔষধ খাওয়া লাগে, নাকি মাথা কাটা লাগে?”
তাঁদের প্রস্তাব নিয়ে কিছু বিবেচনায় যাওয়া যাক। “তাঁদের” বলবার সময় চন্দ্রবিন্দু যোগ করবার কারণ, এ সিদ্ধান্ত ২২টি সরকারি মেডিকেল ও ২টি বেসরকারি মেডিকেলের অধ্যক্ষের এক সভায় নেয়া। তাঁদের প্রস্তাব ছিলো, এসএসসি ও এইচএসসি এর জিপিএ এর উপর ভিত্তি করে ভর্তি সম্পন্ন করা। গত কয়েক বছরের জিপিএ ৫ এর মেলা দেখা যাক।
এসএসসিঃ
২০১০ সালে জিপিএ ৫ পেয়েছে = ৬২ হাজার ১৩৪ জন।
২০১১ সালে জিপিএ ৫ পেয়েছে = ৭৬ হাজার ৭৪৯ জন
২০১২ সালে জিপিএ ৫ পেয়েছে = ৮২ হাজার ২১২ জন।
এইচএসসিঃ
২০১২ সালে জিপিএ ৫ পেয়েছে = ৬১ হাজার ১৬২ জন
২০১১ সালে জিপিএ ৫ পেয়েছে = ৩৯ হাজার ৭৬৯ জন
২০১০ সালে জিপিএ ৫ পেয়েছে = ২৮ হাজার ৬৭১ জন।
২০০৯ সালে জিপিএ ৫ পেয়েছে = ১৮ হাজার ২২২ জন
এটি ছিলো সমগ্র দেশের রেজাল্টের একটি ঝলক। এ ক্ষেত্রে নীতি-নির্ধারকদের একটি কথা উল্লেখযোগ্য -
প্রতিবছর ভর্তির জন্য ৫০-৬০ হাজার ছাত্রছাত্রীর পরীক্ষা নেওয়ার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা দরকার। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) যেখানে একটি আসনের বিপরীতে সর্বোচ্চ তিন-চারজনের পরীক্ষা নিচ্ছে, সেখানে গত বছর এমবিবিএস/বিডিএস কোর্সে তিন হাজার আসনের বিপরীতে ৫০ হাজার ছাত্রছাত্রীর পরীক্ষা নিতে হয়েছে।
প্রশ্ন হলো, ৫০-৬০ হাজার ছাত্রছাত্রীর পরীক্ষা নেয়া সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে, ৬১ হাজার ১৬২ জন (২০১২ সালের কথাই না হয় বললাম, আগামী বছর চক্রবৃদ্ধিহারে বাড়বে, জানা কথা) এর মধ্যে থেকে অধিকতর যোগ্য খুজে বের করা কতোটা যৌক্তিক, যেখানে কিনা সকলেই জিপিএ ৫ প্রাপ্ত? আর যারা জিপিএ ৫ এর থেকে কম পেয়েছে, তারা কি মেডিকেলে পড়বার যোগ্য নয়?
আমার একটি ব্যক্তিগত ব্যাপার শেয়ার করি। ২০১১ সালের ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর ছিলো ৬৯.৫। আমার জিপিএ ৫ ছিলো এবং আমি পেয়েছিলাম ৬০.৫, এবং আমি ঢাকা মেডিকেলে বর্তমানে পড়াশুনা করছি। আমারই ক্লাসমেট, রিয়াজুল ইসলাম শাওন। তার জিপিএ ছিলো মাত্র ৪.৫০। কিন্তু, ভর্তি পরীক্ষায় সে পেয়েছে ৬৬.৫ এবং সেও আমার সাথে এখন ঢাকা মেডিকেলে পড়ছে। আমার কথা এখানেই, যদি শুধু জিপিএ এর ভিত্তিতে ভর্তি নেয়া হয়, তাহলে “বাজে সিস্টেম” এর ভেতরে হারিয়ে যাওয়া প্রতিভাবান ছেলে-মেয়েগুলো কিভাবে নিজেদের যোগ্যতাকে প্রমান করবে?
আরেকটু ভুল যা বলা হয়েছে, তা হলো, বুয়েটে কখনোই প্রতি আসনের বিপরীতে ৩-৪ জন পরীক্ষার্থী থাকে না। ২০১১ সালেও ৮০০০ পরীক্ষার্থী প্রায় ১০০০ সীটের বিপরীতে পরীক্ষায় অংশ নেয়। ৮০০০ কে ১০০০ দিয়ে ভাগ দিলে উত্তর “আট” হয়। ২০১১-১২ সালে শাবিপ্রবিতে প্রতি আসনের বিপরীতে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ২৩ জন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক-ইউনিটেই প্রতি আসনের বিপরীতে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো ২৯ জন। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শুধু একটি ইউনিটেই যদি প্রতি সিটের বিপরীতে ২৯ জন অবস্থান নিতে পারে, সারা দেশে প্রায় সকল বিজ্ঞান শিক্ষার্থীই অংশ নেয়া ৩ হাজার সিটের বিপরীতে ৫০০০০, অর্থাৎ প্রতি সিটের বিপরীতে সাড়ে ১৬ জন অংশ নেয়া অযৌক্তিক, ব্যাখ্যা দিবেন কি তাঁরা?
আঞ্চলিক রেজাল্টঃ
২০১২ সালের এসএসসি রেজাল্টের ক্ষেত্রে আমরা জানতে পারি যে -
সব বোর্ডের মধ্যে ঢাকা বোর্ডে জিপিএ-৫ এর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৫ হাজার ৬২৯ জন। আর সবচেয়ে কম জিপিএ-৫ পেয়েছে সিলেট বোর্ড। এ বোর্ডটিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৬১১ জন।
তাহলে কি স্বাভাবিকভাবেই ঢাকার ছেলে-মেয়েরা অতিরিক্ত সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে না? সম্ভাব্যতা তো তাই বলে !
ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাঃ
বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের জিপিএ ৫ অনেকখানিই নির্ভর করে, প্র্যাক্টিকেলের নাম্বার এর উপর। আমি ২০১১ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করি। য়ামার সিট পরে ফার্মগেটের কোনো একটি কলেজে, নাম জানাতে ইচ্ছুক না হওয়ার সঙ্গত কারণ আছে। রসায়ন এর প্র্যাক্টিকেল মানেই ছিলো মামাদের কে ১০০-৫০ টাকার নোট ধরিয়ে দেয়া ও তারা লবন পরীক্ষা করে দিবেন। জীববিজ্ঞান প্র্যাক্টিকেলে তো তেলাপোকার মুখোপাংগ ও পরিপাক এর স্লাইড আগে থেকেই তৈরী থাকে, মামাকে ১০০-৫০ টাকা দেয়া লাগে আর কী! কাহিনী এখানেই শেষ নয়। একই এলাকায় দুইটি কলেজ, একের সিট আরেকটিতে পরেছে। তো ঐ কলেজে কড়া গার্ড দেয়ার কারণে, এ কলেজে প্র্যাক্টিকেলের নাম্বার কম করে দিয়েছে, ভাইবায় নাম্বার কম দিয়েছে। এই যে মানব আবেগে চলা রেজাল্ট, এই রেজাল্ট কিভাবে নির্ধারণ করবে, কে মেডিকেলে পড়বার যোগ্য, আর কে নয় ?
তারিক আদনান মুন – ভাইয়ার এ সম্পর্কিত লেখার লিঙ্ক দিলাম
লেখাটির লিংকঃ Click This Link
কোচিং সেন্টারঃ
আমার গ্রুপমেট, নাম শোয়েব। সে কাচিপাড়া নামের অতি দূরবর্তি একটি অতি অনাধুনিক গ্রাম থেকে পাশ করে এসেছে, যেখানে কি না ২০১১ সালে সেই একমাত্র জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ছাত্র এবং সেই সর্বপ্রথম। সে কোনো কোচিং করার সুযোগ পর্যন্ত পায় নি, আজ সে ঢাকা মেডিকেলের একজন গর্বিত ছাত্র।
কোচিং করাটা কখনোই নিজে পড়াশুনা করবার বিকল্প হতে পারে না। সহায়ক হতে পারে। কেউ যদি মনে করে, তার কোনো বড় ভাই-বোনের সাহায্য দরকার পড়াশুনার ক্ষেত্রে, সেটাও কি সরকার আইন করে বন্ধ করে দিবে? সরকার এর যদি মনে হয়, কোচিং ব্যাবসায়ীরা অতিরিক্ত অর্থ নিচ্ছে, তাহলে একটি অর্থের স্কেল তৈরী করে দিক, আর যদি অবৈধ মনে হয়, তাহলে বন্ধ করে দিক। কিন্তু, এরকম সম্ভাবনাময় ছেলে-মেয়েগুলোর ভবিষ্যত কেড়ে নেবার অধিকার তাদের কেউ দেয় নি, তারা যাতে ভুলে না যায়।
প্রশ্নপত্র বেঁচা-কেনাঃ
প্রশ্নপত্র বেঁচা কেনা? কিছু ব্যাপার স্পষ্ট হয়ে নেয়া ভালো। যতোটুকু জানি, বুয়েটের প্রশ্নপত্র ছাপা হয় পরীক্ষা যেদিন সেদিন মধ্যরাতে। অর্থাৎ, যদি ১০ তারিখে সকাল দশটায় পরীক্ষা হয়, তবে ১০ তারিখ মধ্য রাতে ছাপানো শুরু হয়। লোকমুখে এও শুনেছি, সদ্য ছাপাখানা থেকে প্রাপ্ত গরম প্রশ্নে পরীক্ষা দেবার সৌভাগ্যও তারা পেয়েছেন!
আর মেডিকেল? সারা বাংলাদেশের ২২টি সরকারি ও ৫৩টি বেসরকারি মেডিকেলে ভর্তির জন্য একই সময়ে একই প্রশ্নে পরীক্ষা হয়। ফলে, প্রশ্ন দু-একদিন আগেই ছাপানো হয় ও সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়া লাগে। ফলে, এ হাত ও হাত করে প্রশ্ন বেঁচা কেনা হয়ে থাকে, মাঝে মাঝে। কিন্তু, এর জন্য ভর্তি পরীক্ষা কি দায়ী? নাকি দায়ী এর সাথে সংস্লিষ্ট মানুষেরা? আপনারা তাদেরকে শুদ্ধ করেন। ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা হবার কথা ছিলো ২৩শে সেপ্টেম্বর, কিন্তু প্রশ্ন ফাঁস হবার গুজব উঠলে, নতুন প্রশ্নে ৩০ সেপ্টেম্বর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবং হঠাত নতুন প্রশ্ন ও সম্পুর্ণ ভিন্ন ফরম্যাটে প্রশ্ন সাহায্য করেছে, প্রকৃত মেধাকে খুজে বের করতে।
ইংলিশ মিডিয়ামঃ
কথা হলো, মেডিকেল কলেজে কি শুধু বাংলা মিডিয়ামের ছেলে-মেয়েদেরই পড়াতে চায় কিনা তাঁরা। এ লেখাটি আমার এক ক্লাসমেটের, যে কি না ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ে, এখন আমাদের সাথে ঢাকা মেডিকেলে অধ্যয়ন করছে।
আমি যখন জানতে পারলাম যে, তাঁরা এসএসসি ও এইচএসসি এর রেজাল্টের ভিত্তিতে মেডিকেল ভর্তি নিয়ে পরিকল্পনা করছেন, আমি অবাক হয়ে গেলাম। তাহলে ইংলিশ মিডিয়ামের ছাত্র-ছাত্রীদের কি হবে, যারা আমার মতো ডাক্তার হবার স্বপ্ন দেখে? নাকি আমাদের ডাক্তার হবার ইচ্ছেটা অপ্রয়োজনীয় কিংবা তারা আমাদের ব্যাপারে ভুলেই গেছেন? আমি মনে করি, ও-লেভেল এবং এ-লেভেলের রেজাল্টের সাথে এসএসসি ও এইচএসসি এর রেজাল্টের তুলনা করাটা অসম্ভব। কারণ -
১) মার্ক দেবার সিস্টেমটাই আলাদা। হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রীর একই জিপিএ রয়েছে, এ কারণে যা করা লাগবে, নম্বর দেখতে হবে। এখানেই আসল ঝামেলা। সব ছাত্র-ছাত্রীর বিষয় সংখ্যাও তো সমান না। আরও সমস্যা হলো, তুলনামুলক গ্রেডীং সিস্টেম। যেমন, ইংরেজীতে ৬০ পেলে এ গ্রেড, যেখানে ম্যাথ এ ৮০তে এ গ্রেড। এভাবে তো ইংলিশ মিডীয়ামের ছাত্র ছাত্রীরা সম্পুর্ণ অযাচিতভাবে পিছিয়ে পরবে।
এ লেভেলে আমাদের পছন্দ মতো আমাদের ৩-৫টি বিষয় থাকে, এবং প্রতি বিষয়ে ৬টি পেপার থাকে। এবং আমাদের পরীক্ষা হয় ৬০০ নম্বরের ভিত্তিতে। এ পৃথিবীতে এমন কেউ কি আছেন, যে কি না এই সিস্টেমের সাথে এসএসসি ও এইচএসসি রেজাল্টের তুলনা করতে পারেন?
৩) ও লেভেল/ এ লেভেলের সিলেবাস, এসএসসি/ এইচএসসি থেকে সম্পুর্ণ ভিন্ন। তাহলে, কিভাবে আপনি দুইটি সম্পুর্ণ আলাদা সিলেবাস এর স্টুডেন্টদের রেজাল্টের মাঝে তুলনা করবেন? অথচ, ভর্তি পরীক্ষার আগে আমরা এইচএসসি সিলেবাস পড়বার ৩-৪ মাস সময় পাই এবং একটি “একই” পরীক্ষায় অংশগ্রহন করি। অর্থাৎ, সম্পুর্ণ সমান প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহন করেই আমরা মেডিকেল্র পড়বার প্রত্যাশা করি।
প্রতিবছরই অনেক সমস্যা সম্মুখীন হয়েও এ লেভেলের ছাত্রছাত্রীরা মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে, এবং কেউ কেউ সফল ও হয়। আমি নিজেই তাদের একজন জলজ্যান্ত প্রমান, ইংলিশ মিডীয়ামের হয়েও আমি এখন ঢাকা মেডিকেলে পড়ছি। কিন্তু, ভর্তি পরীক্ষা বন্ধ করে দেবার মানে হলো, সেই শেষ সুযোগটুকুও কেড়ে নেয়া আমাদের থেকে। আমি মনে করি, একজন বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে, আমার ছোটো ভাই-বোনদেরও সম্পুর্ণ অধিকার আছে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে, নিজ যোগ্যতায় মেডিকেলে অধ্যয়ন করবার।
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন-পত্রঃ
অনেকের মাঝে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন নিয়ে একটা চিন্তা কাজ করে, তা হলো, মুখস্ত নির্ভর এ নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার মানে কী। মেডিকেল অধ্যয়নরত ছাত্র হিসেবেই বলছি, মেডিকেলে প্রচুর তথ্য আপনাকে মাথায় রাখতে। ইয়া মোটা মোটা বই এর এতো তথ্য আপনাকে মাথায় রাখতেই হবে, এটি বিশ্বাস করেই তো একজন ছাত্র মেডিকেলে পড়তে আসতে চায়। তবে, শুধু মুখস্ত করে কেউ ভালো ডাক্তার হতে পারবে না, পরীক্ষায় ভালো নাম্বার পেতে পারে। কারণ, বিভিন্ন প্যাথলজিকেল কন্ডিশনে অনেক অনেক ডায়াগনোসিস এর যৌক্তিক বিন্যাস-সমাবেশ করে আপনাকে চিকিৎসা করতে হবে। এতো বড় দায়ীত্ব নিতে হবে যাকে, তাকে মাথায় পড়া রাখবার মেন্টালিটি নিয়েই তো আসতে হবে! তবে, ২০১১-১২ সালের ভর্তি পরীক্ষায় সম্পুর্ন ভিন্ন ফরম্যাটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়, যাতে কি না মুখস্ত নির্ভরতার বদলে কনসেপ্ট এর উপর জোর দেয়া হয়। এ উদ্যোগকে আমি বিশাল ভাবে সাধুবাদ জানাই।
শেষ কথাঃ
সবশেষে কথা একটাই, অনিয়মের এই দেশে, একটা মাত্র সুনিয়ম এখনও শিক্ষা ক্ষেত্রে বাকি আছে, তা হলো এই ভর্তি পরীক্ষা। যেখানে কিনা, সমান মেধার প্রতিযোগীতায়, নিজের যোগ্যতা প্রমান করবার সুযোগ দেয়া হয়ে থাকে। শুধু মাত্র কোচিং ব্যবসায়ীদের প্রতারনার দোহাই দিয়ে হাজারও পরিশ্রমী ছাত্র-ছাত্রীদের কপাল পোড়াবেন না। কোচিং তো এখন ক্লাস ওয়ানের ভর্তি পরীক্ষার জন্যও করানো হয়, তাই বলে কি ক্লাস ওয়ানেও ভর্তি পরীক্ষা হবে না? সব ভর্তি পরীক্ষা বাদ দিয়ে কি তবে টাকা ওয়ালাদের রাস্তা আরও সুগম করে দিতে চান? ভর্তি পরীক্ষা হবে না, ফলে অসৎ শিক্ষকদের দৌরাত্ম্য বেড়ে যাবে, টাকার বিনিময়ে তখন জিপিএ ৫ হবে বড়লোকের হাতের মোয়া। ধনীদের ডাক্তার আর গরীবদের রোগী বানানোর এই প্রস্তাব আপনারা বন্ধ করুন। পরিশ্রমী ও প্রকৃত মেধাবীদের ডাক্তার হবার পথ দয়া করে রোধ করবেন না। মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা বন্ধ করে আরেকটি কালো অধ্যায় সূচনা করবেন না।
মূল ব্লগ Click This Link
বাকি অংশ আমার কথা
কয় দিন ধরে প্রচণ্ড রাগ লাগছিল কারন এই দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ভাগ্য কিছু শুয়োরের বাচ্চার হাতে। তারা সারা বছর নাকে তেল দিয়ে ঘুমায় আর পরীক্ষার আগে উদ্ভট নিয়ম চালু করে। এক বার ও ভাবে না এই সব ছোট ছোট ছেলে মেয়ে দের কি হবে??
এই দেশের পরীক্ষা সিস্টেম এর কারনে কোচিং চালু আছে
২/৩ তা পদক্ষেপ নিলেই কোচিং বন্ধ হয়ে যাবে। আপনে কি জানেন মেডিকেলে চান্স পাওয়ার জন্য ৩ টা সাবজেক্ট এর ৬ পার্ট এর ১২-১৬ টা বই পড়তে হয় ?? এছাড়া ইংলিশ ,সাধারন গ্যান তো আছেই। এবং এক এক বই এর এক এক রাইটার এক এক তথ্য দিছে??
মাত্র একটা উদাহরণ দেই
বায়লজি বইতে দেয়া বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ৩৯০ ন্যানোমিটার
কেমিস্ট্রিতে এক পার্ট এ দেয়া ৩৮০
আরেকটাতে দেয়া ৪০০
ফিজিক্স এ দেয়া ৪১০
আরেক পার্টে দেয়া ৩৮৫
পরীক্ষায় আসলে কি করবেন??
গতবার পরীক্ষায় প্রশ্ন আসছে ১৯৮৮ সালের সিলেবাস থেকে। বুঝেন অবস্থা । আসছে কালা জ্বরের পরজীবী নিয়ে। এই গুলা আছে মেডিকেল ফাস্ট ইয়ারে
১ ভর্তি পরীক্ষার আগে পরীক্ষা কমিটি ঠিক করে দিবে কোন কোন বই থেকে প্রশ্ন আসবে। নির্দিষ্ট ৬ টা বই
২ সকল প্রশ্ন আগের রাতে ছাপান হবে
৩ পরীক্ষা কেন্দ্রীয় ভাবে শুধু ২-৩ জায়গায় হবে
এর চে ভালো কোন সিস্টেম হতে পারে কি বলেন ??
আমার নিজের এক ফ্রেন্ড এর কথা বলি
ও কলেজে ২ বছর কিছু পরে নাই
টেস্টে আটকায়ে গেল
পরে স্যারদের হাত পা ধরে পার করল
পরীক্ষার আগে দেখি ১০ পাতার একটা সুপার সর্ট সাজেশন ৫০০০ টাকায় কিনে আনল
বাংলা থেকে ম্যাথ সব
ঐ পোলা এ + পাইসে
আপনি বিশ্বাস করতে পারেন??
কিন্তু ভর্তি পরীক্ষায় ঐ পোলা সারা বাংলাদেশে কোন জায়গায় ওয়েটিং এ আসলো না
আমার আরেক ফ্রেন্ড কলেজে সব সময় ভাল করত
সারা বছর পড়ল । অর সারা জীবন সখ ডাক্তারিতে পড়া
পাইল ৪.৮!!!
কিন্তু ও হাল ছাড়ল না
গতবার একটুর জন্য মেডিকেল এ চান্স পায় নাই
এই বার ১ বছর দরজা জানালা বন্ধ করে পড়ছে
এখন পরীক্ষার দেড় মাস আগে নতুন নিয়ম!!!
আগের বার পরীক্ষার ১ মাস আগে জানাইসিল যারা আগে মেডিকেলে ভর্তি হয়ে আছে এবং আবার পরীক্ষা দিতেছে তাদের ৫ মার্ক কাটবে। ঐ প্রস্তাবটা ভাল ছিল কারন ঐ টার ফলে কোন মেডিকেল এ আসন শূন্য থাকবে না। কিন্তু পরীক্ষার দেড় মাস আগে কেন ?
এই বার আবার বলছে যারা ২য় টাইম পরীক্ষা দিবে, কোথাও আগে চান্স পাক বা না পাক তাদের ৫ মার্ক কাটবে!!!
এইটা কেমন কথা!!!
তারা যদি আগের বছর মেডিকেল পরীক্ষার পর এই সিদ্ধান্ত জানাইত তাহলে অনেক ছেলে মেয়েই অন্য কোথাও ভর্তি হয়ে যেত । মেডিকেল এ আর পরীক্ষা দিত না
আগে সব সময় যারা ১ম টাইম পরীক্ষা দিত, মেডিকেলের ৮০ পারসেন্ট সীট তারা নিত
কিন্তু ২০০৭ সালে প্রশ্ন ফাস হয়ে যারা ভাল তারা কেউ চান্স পাইল না
তাই ২০০৭ এর ব্যাচ ২০০৮ এ পরীক্ষা দিয়ে ৮০ পারসেন্ট মেডিকেল সীট দখলে নিল আর নতুনরা খাইল বাঁশ
তখন থেকে ৮০-৯০ পারসেন্ট সেকেন্ড টাইম চান্স পাইতেসে
যদি নতুন নিয়ম করবে তাহলে আগে বলবে
এখন সব প্রস্তুতি শেষ
শেষ মুহূর্তে বলছে কেন??
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৩:৫৬
জিনিয়ো বলেছেন: ঠিক বলছেন
২|
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ২:০৬
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলের ভিত্তিতে মেডিকেলে ভর্তিই ভালো একটা সমাধান বলে মনে হচ্ছে। কারণ সেখানে সাদামাটা ফলাফল নয়, চতুর্থ বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বরসহ অনেকগুলো দিক বিবেচনায় আনা হবে। সবচেয়ে বড়ো বিষয়, এটি চালু হলে টাকাখোর কোচিং সেন্টারগুলো ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
দুঃখিত, আপনার বা জনৈক নিশমের যুক্তিগুলো তেমন একটা শক্ত মনে হচ্ছে না।
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৩:৩৮
জিনিয়ো বলেছেন: আপনে আশা করি এই দেশে এইচ এস সি পরীক্ষা দিসেন। আপনি জানেন এই দেশে খাটা কেমনে দেখা হয়। একই প্রশ্ন (ফিজিক্স হোক কেমিস্ট্রি হোক ) নটরডেমের স্যার এক নাম্বার দিবে আর চুয়াডাঙ্গার স্যার এক নাম্বার দিবে। আপনি কি বলতে পারবেন কে বেশি মেধাবি??? পারবেন না কারণ এক মাত্র এম সি কিউ ছাড়া এটা বুঝা সম্ভব না। আর এই বার গোল্ডেন পাইছে ১০ হাজার । সবারি ইচ্ছা মেডিকেল,বুয়েট,ঢাকা ইউনিতে পড়া । কাকে চান্স দিবেন??
এমেরিকায় স্যাট, জি আর ই এর মাধ্যমে ভার্সিটিতে ভর্তি করা হয়। ঐ পদ্ধতির ৯০ পারসেন্ট থাকে এম সি কিউ ।
আর এই দেশের এইচ এস সি পরীক্ষা পদ্ধতি যে কি পরিমান ফাউল সেটা আপনাকে আশা করি বুঝায়ে বলতে হবে না। আপনার কি ধারনা যারা গোল্ডেন পায় সবাই খুব ভালো স্টুডেন্ট?? ৫০% ডাবল গোল্ডেন পোলাপান কোথাও চান্স পায় না। না বুয়েট, না মেডিকেল, না কোন ভাল ভার্সিটি। আহসান উল্লাহ তে সব গোল্ডেন ভর্তি হয়। কারণ কি জানেন?? কারন হইল তারা আগডুম বাগডুম করে গোল্ডেন পাইছে। কিন্তু বেসিক জিরো। আর একটা স্টুডেন্ট খুব ভালো পরীক্ষা দিয়েও এ + নাও পেটে পারে কি যদি বেসিক ভালো থাকে তাহলে মেডিকেল, ভার্সিটিতে চান্স পাবে।
অন্তত আপনার কাছ থেকে এই ধরনের প্রশ্ন আশা করি নাই
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৩:৫৮
জিনিয়ো বলেছেন: আমি ১০০ টা গোল্ডেন পাওয়া ছেলে নিয়ে আসব আর ১০০ টা এ + ও পায় নাই ছেলে আনতে পারব
এবং ঐ গোল্ডেন গুলার চে এ + না পাওয়া গুলার বেসিক ভালো থাকবে
এই দেশের শিক্ষা ব্যাবস্থা এমন ই
৩|
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ২:১৩
তীর্থযাত্রী বলেছেন: ফিউশন ফাইভ বলেছেন: এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলের ভিত্তিতে মেডিকেলে ভর্তিই ভালো একটা সমাধান বলে মনে হচ্ছে। কারণ সেখানে সাদামাটা ফলাফল নয়, চতুর্থ বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বরসহ অনেকগুলো দিক বিবেচনায় আনা হবে। সবচেয়ে বড়ো বিষয়, এটি চালু হলে টাকাখোর কোচিং সেন্টারগুলো ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
ফিফা ভাই, আপ্নে এটা কি বললেন ! তাহলে ছাগুদের ফোকাস, রেটিনার কি হপে?
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ ভোর ৪:০৭
জিনিয়ো বলেছেন: আপনের যদি মাথা ব্যাথা হয় তাহলে কি মাথা কাটবেন নাকি ওষুধ খাবেন??
আর পরীক্ষা কমিতির মাথা ব্যাথা তারা কাটতেসে পা
তাদের মেইন সমস্যা হল প্রশ্ন ফাস নিয়ে
সেইটার ব্যাবস্থা না নিয়ে বলতেসে পরীক্ষা পদ্ধতি বাদ!!!
এইচ এস সির সিস্টেম হল রিটেন। আপনে বই এর ৪০% পরবেন। আপনে এ+
কিন্তু ভার্সিটির পরীক্ষা পধতি থাকে এম সি কিউ
ঐ প্রশ্ন আপনে আগ যে ৪০% পরছেন ঐ খান থেকে থাকে না
ওইটা বাদে বাকি ৬০% থেকে থাকে
পোলাপান কোচিং না করে যাবে কোথায়??
একটা ভার্সিটির কোন রুল নাই যে প্রশ্ন কোন বই থেকে থাকবে
এমন কি মেডিকেল ও কোন রুল মানে না
আর একটা কোচিং সেন্টার এ মাত্র ৩ মাস কোচিং করে স্টুডেন্ট দিতেসে ১৫ হাজার টাকা
সরকার তো এইটা বলতে পারে সর্বচ্চ ৫ হাজার এর বেশি নিবে না
আর নিচের নিয়ম গুলা মানলে কোচিং ও বন্ধ হবে আবার মেধাবি স্টুডেন্ট ও চান্স পাবে
৪|
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ২:৩২
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
তীর্থযাত্রী@
জামায়াত ও শিবিরের বড়ো একটি আয়ের উৎস এই কোচিং সেন্টারগুলো - রেটিনা, ফোকাস, ইনডেক্স, কনক্রিট, কনটেস্ট, রেডিয়েন্ট, সোনালিকা, সাকসেস, রেডিয়াম ও কনসেপ্ট। গত বছরের এক হিসেব থেকে জানি, বছরে এই কোচিং সেন্টারগুলো থেকে জামায়াত-শিবিরের তহবিলে যায় প্রায় ৩০ কোটি টাকা। তার চেয়েও উদ্বেগজনক তথ্য হচ্ছে, কোচিং সেন্টারগুলোকে শিবিরের রিক্রুটিং সেন্টার হিসেবে কাজে লাগানো হয়।
আরো জানতে এই প্রতিবেদনটি পড়ুন। দেখতে পারেন এটিও।
৫|
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ২:৪০
বোহেমিয়ান বলেছেন: আবার আবেদন নিতে চান যাদের এসএসসি ও এইচএসসি মিলিয়ে জিপিএ ৮ পয়েন্ট আছে
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ ভোর ৪:০৭
জিনিয়ো বলেছেন: কি বললেন বুঝলাম না
৬|
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ২:৪৭
তীর্থযাত্রী বলেছেন: ফিফা ভাই, আমি এদের সম্পর্কে মোটামুটি ওয়াকিবহাল। এদের সাথে ফাইট করেই তো এতো দূর এসেছি। ব্লগে ফাইট করা শুরু করলাম তো মাত্র।
আপনার হয়তো জানা আছে, শুধু কোচিং ব্যবসা এদের মুল আয়ের উৎস না। কোচিং ব্যবসার অন্তরালে এদের আছে প্রশ্ন পত্র ফাসের ব্যবসা। যে সরকার ক্ষমতায় থাকুক না কেন, প্রশাসনে জামাতের লোকের সহযোগিতায় এরা প্রশ্নপত্র ফাসের ব্যবসাও করে। আমাদের দেশে বেশিরভাগ প্রশ্নপত্র ফাস করে এই শিবির চক্র। প্রশ্নপত্র ফাস করে এরা এদের কর্মীদের বিনামুল্যে সরবারহ করে এবং এদের কর্মী ছাড়া বাকীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে থাকে। এভাবে এরা জাতি কে আস্তে আস্তে মেধাহীন করে দিতে চাই।
এই উদ্যোগে আশা করি ছাগুদের এই ব্যবসায় বিশাল ধ্বস নামবে।
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৩:৫৩
জিনিয়ো বলেছেন: ভাই আপনের কি ধারনা আমি কোচিং এর পক্ষে কথা বলতেসি??
এই দেশের পরীক্ষা সিস্টেম এর কারনে কোচিং চালু আছে
২/৩ তা পদক্ষেপ নিলেই কোচিং বন্ধ হয়ে যাবে। আপনে কি জানেন মেডিকেলে চান্স পাওয়ার জন্য ৩ টা সাবজেক্ট এর ৬ পার্ট এর ১২-১৬ টা বই পড়তে হয় ?? এছাড়া ইংলিশ ,সাধারন গ্যান তো আছেই। এবং এক এক বই এর এক এক রাইটার এক এক তথ্য দিছে??
মাত্র একটা উদাহরণ দেই
বায়লজি বইতে দেয়া বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ৩৯০ ন্যানোমিটার
কেমিস্ট্রিতে এক পার্ট এ দেয়া ৩৮০
আরেকটাতে দেয়া ৪০০
ফিজিক্স এ দেয়া ৪১০
আরেক পার্টে দেয়া ৩৮৫
পরীক্ষায় আসলে কি করবেন??
১ ভর্তি পরীক্ষার আগে পরীক্ষা কমিটি ঠিক করে দিবে কোন কোন বই থেকে প্রশ্ন আসবে। নির্দিষ্ট ৬ টা বই
২ সকল প্রশ্ন আগের রাতে ছাপান হবে
৩ পরীক্ষা কেন্দ্রীয় ভাবে শুধু ২-৩ জায়গায় হবে
এর চে ভালো কোন সিস্টেম হতে পারে কি বলেন ??
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ ভোর ৪:১৩
জিনিয়ো বলেছেন: আর একটা কথা কই
প্রশ্ন কি এই সব কোচিং সেন্টার করে??
না
তাহলে এরা পায় কেমনে??
যারা প্রশ্ন করে তারাই প্রশ্ন কোচিং সেন্টারে বিক্রি করে
তারা আবার বিক্রি করে
এই দেশে কারা প্রশ্ন ফাস করে, কোন মন্ত্রি, কোন কোচিং সেন্টার সবাই জানে তাও ব্যাবস্থা নেয় না কেন??
প্রশ্ন পত্র তৈরিতে স্বচ্ছতা নেই, প্রশ্ন বিলি বণ্টনে স্বচ্ছতা নেই এই কারনে প্রশ্ন ফাস হয়
প্রশ্ন যদি আগের রাতে ছাপান হয় এবং কেন্দ্রীয় ভাবে পরীক্ষা নেয়া হয় আর প্রশ্ন কোন নির্দিষ্ট ৬-১০ টা বই থেকে আসবে সেটা তারা ঠিক করে তাহলে এই সব কোচিং এম্নিতেই থাকবে না
৭|
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ২:৫৯
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: সময়োপযোগি পোস্ট। পরীক্ষা সিস্টেম ই থাকুক, তবে আইন করে কোচিং সেন্টারগুলো বন্ধ করে দেয়া হোক।
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৩:৪১
জিনিয়ো বলেছেন: সহমত
৮|
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৩:০৯
কোডনেম ৬৬৬ বলেছেন: সরকার আইন করে একাডেমিক কোচিং বন্ধ করতে পারলে ভর্তি কোচিং কেন বন্ধ করতে পারবে না? কোচিং বন্ধের জন্য ভর্তি পরীক্ষা বাতিল করা অনেকটা 'মাথা ব্যথার জন্য মাথা কেটে ফেলার' মত।
আমার মতে
১। আইন করে সকল ভর্তি কোচিং বন্ধ করে দেয়া হোক।
২।ভর্তি পরীক্ষা চালু রাখা হোক। কারণ আমাদের hsc এবং ssc মোটেও মেধা যাচাই করার মত স্ট্যান্ডার্ডে নেই। আগে বোর্ড থেকে স্ট্যান্ড করত ২০ জন, স্টার মার্কস পেত অল্প কজন।আর এখন তেল আর ঘি একই দর। যে ছেলে আগের সিস্টেমে স্ট্যান্ড করত সেও এ প্লাস,যে টেনেটুনে ২য় ডিভিশন পেত সেও এ প্লাস। এটাতে কোন মেধা যাচাই হয় না।
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৩:৪০
জিনিয়ো বলেছেন: ভর্তি পরীক্ষা চালু রাখা হোক। কারণ আমাদের hsc এবং ssc মোটেও মেধা যাচাই করার মত স্ট্যান্ডার্ডে নেই। আগে বোর্ড থেকে স্ট্যান্ড করত ২০ জন, স্টার মার্কস পেত অল্প কজন।আর এখন তেল আর ঘি একই দর। যে ছেলে আগের সিস্টেমে স্ট্যান্ড করত সেও এ প্লাস,যে টেনেটুনে ২য় ডিভিশন পেত সেও এ প্লাস। এটাতে কোন মেধা যাচাই হয় না।
আপনে বুঝতে পারচেন ব্যাপার টা
৯|
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ ভোর ৫:০১
ব্লগার নষ্ট ছেলে বলেছেন: ফিউশন ফাইভ
বলেছেন : জামায়াত ও শিবিরের
বড়ো একটি আয়ের উৎস
এই
কোচিং সেন্টারগুলো -
রেটিনা, ফোকাস,
ইনডেক্স, কনক্রিট,
কনটেস্ট, রেডিয়েন্ট,
সোনালিকা, সাকসেস,
রেডিয়াম ও কনসেপ্ট।
আপনি কি পোস্টে কী লেখা আছে সেটা বুঝে কমেন্ট করেছেন, সেটা নিয়েই সন্দেহ হচ্ছে। এই পোস্টের কোথাও আমি কোচিং সেন্টারের পক্ষে দেয়া কোন যুক্তি পাইনি। আপনি পেয়ে থাকলে আশাকরি আমার মত আধা কানাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেবেন। আপনি যেসব কোচিং সেন্টারের নাম উল্লেখ করেছেন, দেশে কি এগুলো ছাড়া আর কোন কোচিং সেন্টার নাই যেখান থেকে ছেলে মেয়েরা মেডিকেল এ চান্স পায়? আপনার কমেন্ট পড়ে মনে হল আপনি যে ১০ টি জামাতি কোচিং সেন্টারের নাম উল্লেখ করেছেন, সেগুলো যেন ব্যবসা না করতে পারে তারজন্যই ভর্তি পরীক্ষা নেয়া বন্ধ করে দেয়া উচিত। তাহলে সরকার এগুলো বন্ধ করছে না কেন? (আপনাদের দৃষ্টিতে) বর্তমান 'প্রগতিশীল' সরকার কোচিং বাণিজ্য বন্ধ করবে বলে অনেক লাফালাফি করেছিলো। আপনি কি দয়া করে বলবেন, সরকার কয়টা কোচিং সেন্টার বন্ধ করতে পেরেছে? বন্ধ করতে পারছেনা বলেই কি ভর্তি পরীক্ষা বন্ধ করে দেয়ার প্ল্যান করা হচ্ছে? আমার ধারণা আপনি সায়েন্স এর স্টুডেন্ট না, কারণ সায়েন্স এর স্টুডেন্ট হলে এইচএসসি পরীক্ষায় প্র্যাকটিক্যালের নাম্বার নিয় টিচারদের মধ্যে কী ধরণের ব্যবসা চলে তা আপনার জানার কথা। আপনি যদি প্রশ্ন করেন আমি জানি কিনা, সেজন্যে বলে রাখি, আমি এবার ঢাকার একটা কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছি। ফার্মগেটের কাছাকাছি একটা কলেজে আমাদের সিট পড়েছিলো। আমাদের কলেজে আমরাই প্রথম ব্যাচ, এ কারণে প্র্যাকটিক্যালের চারটা বিষয়ের মোট ২০০ নম্বরের জন্য সেন্টার থেকে দেড় লাখ টাকা দাবি করা হয়। শেষে ৮০ হাজার টাকায় কলেজ থেকে সবকিছু 'ম্যানেজ' করে আমাদের কলেজের সায়েন্স এর ৭২ জন ছাত্রের প্র্যাকটিক্যালের ১৬০ নম্বর নিশ্চিত করা হয়। এই সিস্টেম প্রায় সারা দেশেই চলছে। আমি এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছি নেত্রকোনার একটা স্কুল থেকে, সেখানেও প্র্যাকটিক্যালের জন্য একই সিস্টেম। যত বেশি টাকা, তত বেশি নম্বর। প্র্যাকটিক্যালে টাকার জোরে ২৫ পেয়ে গেলে বাকি ৭৫ এর মধ্যে ৫৫ পেলেই এ প্লাস পাওয়া যায়। আর বোর্ডের খাতা কিভাবে দেখা হয়, তা খোঁজ নিয়ে দেখবেন আশা করি। জনাব ফিফা, আমাকে দয়া করে বলবেন কি, টাকা দিয়ে ২০০ নম্বর কিনে যে 'ভালো' রেজাল্ট করেছে, আর টাকা দিতে পারেনি বলে যে 'ভালো' রেজাল্ট করতে পারেনি, তাদের মধ্যে আসলে কে 'ভালো'? এই দুই 'ভালো'র মধ্য থেকে আপনি সত্যিকারের 'ভালো'কে খুঁজে বের করবেন কিভাবে? আপনার জবাবটা যদি হয় 'লিখিত পরীক্ষার খাতা দেখে', তাহলে জানিয়ে রাখি, দুই বছর পড়াশোনা না করে নির্বাচনী পরীক্ষার পরের তিনমাস পড়েও অনেকে জিপিএ ফাইভ পায়, আবার সারাবছর পড়াশোনা করেও জিপিএ ফাইভ পায়না- এমন স্টুডেন্ট অনেক আছে, আমার নিজের কলেজেই এরকম অনেককে দেখেছি। এদের মধ্যে কার 'ব্যাসিক' ভালো বলে আপনার ধারণা? আর পরীক্ষা দেয়ার সময় আমরা ৮০-৮৫% নম্বর পেয়ে এ প্লাস পাওয়ার চিন্তা করে খাতায় লিখেছি, ৯০-৯৫ পাওয়ার চিন্তা করে নয়। এই অবস্থায় আসলে কে 'মেডিকেলে পড়ার যোগ্য', তা খুঁজে বের করার জন্য ভর্তি পরীক্ষার বিকল্প কোন কিছুর সন্ধান আপনার কাছে থেকে থাকলে আশা করি তা এই মূর্খকে জানাবেন।
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ ভোর ৫:২৪
জিনিয়ো বলেছেন: জটিল বলছেন আপনি
আমার নিজের এক ফ্রেন্ড এর কথা বলি
ও কলেজে ২ বছর কিছু পরে নাই
টেস্টে আটকায়ে গেল
পরে স্যারদের হাত পা ধরে পার করল
পরীক্ষার আগে দেখি ১০ পাতার একটা সুপার সর্ট সাজেশন ৫০০০ টাকায় কিনে আনল
বাংলা থেকে ম্যাথ সব
ঐ পোলা এ + পাইসে
আপনি বিশ্বাস করতে পারেন??
কিন্তু ভর্তি পরীক্ষায় ঐ পোলা সারা বাংলাদেশে কোন জায়গায় ওয়েটিং এ আসলো না
আমার আরেক ফ্রেন্ড কলেজে সব সময় ভাল করত
সারা বছর পড়ল । অর সারা জীবন সখ ডাক্তারিতে পড়া
পাইল ৪.৮!!!
কিন্তু ও হাল ছাড়ল না
গতবার একটুর জন্য মেডিকেল এ চান্স পায় নাই
এই বার ১ বছর দরজা জানালা বন্ধ করে পড়ছে
এখন পরীক্ষার দেড় মাস আগে নতুন নিয়ম!!!
আগের বার পরীক্ষার ১ মাস আগে জানাইসিল যারা আগে মেডিকেলে ভর্তি হয়ে আছে এবং আবার পরীক্ষা দিতেছে তাদের ৫ মার্ক কাটবে। ঐ প্রস্তাবটা ভাল ছিল কারন ঐ টার ফলে কোন মেডিকেল এ আসন শূন্য থাকবে না। কিন্তু পরীক্ষার দেড় মাস আগে কেন ?
এই বার আবার বলছে যারা ২য় টাইম পরীক্ষা দিবে, কোথাও আগে চান্স পাক বা না পাক তাদের ৫ মার্ক কাটবে!!!
এইটা কেমন কথা!!!
তারা যদি আগের বছর মেডিকেল পরীক্ষার পর এই সিদ্ধান্ত জানাইত তাহলে অনেক ছেলে মেয়েই অন্য কোথাও ভর্তি হয়ে যেত । মেডিকেল এ আর পরীক্ষা দিত না
আগে সব সময় যারা ১ম টাইম পরীক্ষা দিত, মেডিকেলের ৮০ পারসেন্ট সীট তারা নিত
কিন্তু ২০০৭ সালে প্রশ্ন ফাস হয়ে যারা ভাল তারা কেউ চান্স পাইল না
তাই ২০০৭ এর ব্যাচ ২০০৮ এ পরীক্ষা দিয়ে ৮০ পারসেন্ট মেডিকেল সীট দখলে নিল আর নতুনরা খাইল বাঁশ
তখন থেকে ৮০-৯০ পারসেন্ট সেকেন্ড টাইম চান্স পাইতেসে
যদি নতুন নিয়ম করবে তাহলে আগে বলবে
এখন সব প্রস্তুতি শেষ
শেষ মুহূর্তে বলছে কেন??
১০|
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ ভোর ৬:০২
ইলুসন বলেছেন: পোস্টের সাথে পুরোপুরি একমত। এসএসসি, এইসএসসি রেজাল্টের ভিত্তিতে কিছুতেই ভর্তি নেয়া উচিৎ হবে না।
ফিফার করা কমেন্ট দেখে অনেক খারাপ লাগলো। কিছু ছাগু নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে বাচ্চা ছেলে মেয়েগুলোকে গিনিপিগ বানাতে হবে? ইসলামি ব্যাংক থেকে শুরু করে আরো অনেক প্রতিষ্ঠানই তো জামাতে ইসলামি নিয়ন্ত্রিত, সেগুলো বন্ধ করে দেয় না কেন সরকার?
আমার পোস্টটি দয়া করে পড়ে দেখবেন।
Click This Link
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ৭:৪১
জিনিয়ো বলেছেন: ধন্যবাদ
১১|
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ ভোর ৬:৩৬
রাজর্ষি রায় বলেছেন: কঠিন সহমত। আমি নিজে এইচ এস সি তে প্রাক্টিকেলে নিগ্রহের শিকার। যার কারণে বুয়েটে এপ্লাই করার ইচ্ছাটাও কবর দিতে হয়েছিল। ২০০৬ সালের মেডিকেল এর প্রশ্ন ফাঁস তো ইতিহাস। তবু এট লিস্ট কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে বের হতে পেরেছি ভর্তি পরীক্ষার জোরে । সেটাও বন্ধ হলে তো এই যুগের "অত্যাধিক সহজ জি পি এ পাঁচ" না পাওয়া বাকি লক্ষ লক্ষ কুলাঙ্গার ছাত্রদের থাপ্রায়ে দেশ থেকে বাইর কইরা দিলেই পারে !
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ৭:৫১
জিনিয়ো বলেছেন: তাদের যুক্তি হল বুয়েটে ১৯ থাকে তাই তারাও গোল্ডেন ছাড়া নিবে না
কিন্তু আমার কথা হল এই ডিসিশন আগে দিল না কেন??
এক বছর ধরে দৈনিক ৬-১২ ঘণ্টা পড়ার পর এখন এই কথা কেন??
আর বুয়েটের এই পদ্ধতি আগে থেকে চলে আসতেসে
আগে ছিল ১৭ টার পড় ১৮ এই ভাবে
কিন্তু গতবার ও যেখানে ৪ পাইলে পরীক্ষা দিতে দিসে এইবার দিবে না কেন??
আমার এক ফ্রেন্ড এ + পায় নাই কিন্তু খুব পড়ালেখা করল এক বছর
ও চান্স পাইলে অর মেধার জোরে পাবে
কিন্তু যদি পরীক্ষায় না দিতে পারে শুধু মাত্র এ+ না থাকার কারনে তাহলে ও বলছে সুইসাইড করবে
১২|
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:৩৮
চলতি নিয়ম বলেছেন: আমি ভর্তি পরীক্ষার পক্ষে আবার কোচিং ও বন্ধ করার পক্ষে!! তারা একটু বলবেন কি বর্তমানের মত ভর্তি পরীক্ষা থাকলে কোচিং বন্ধ করা সম্ভব কিভাবে? আমার উত্তর শেষে আছে।
আমি ১০০০০০ টাকা খরচ করার চাইতে ২০০/১০০০ টাকা খরচ করার পক্ষে।
@ লেখক, আপনি শুধু আপনার বন্ধুদের উদাহরণ দিচ্ছেন কিন্তু যারা ডাবল এ+ পেয়েছে এবং শুধু মাত্র টাকার অভাবে কোচিং করতে পারেনি তাদের অনেকেই কোনভাবেই আপনার বলা এ+ নাপাওয়া দের চাইতে কম মেধাবী নয়। এমনকি শত শত জায়গায় ভর্তি পরীক্ষা দেয়াও তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। ভেবেদেখেছেন কি তারা কি করবে?
১২ বছরের মূল্যায়নের চাইতে ৩ মাসের মূল্যায়ন কতটা যৌক্তিক মনে করেন?
শুধুমাত্র জিপিএ দিয়ে হয়তো জাজ করা সম্ভব নয় কিন্তু প্রাপ্ত নম্বর দিয়ে সম্ভব।
সবশেষে এই ভর্তি পরীক্ষা (২ বা ৩ টা মাত্র, একই সিট প্লানে, ১/২ ঘন্টার MCQ) যদি HSC শেষ হবার ১ সপ্তাহের মধ্যে সেন্ট্রালি নিয়ে রাখা যায় এবং ফলাফল দেয়া হবে HSC এর রেজাল্টের পরে। তবেই শুধু মাত্র সব ছাত্রই লাভবান হতে পারে।
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:১৬
জিনিয়ো বলেছেন: আগে ব্লগ পড়েন টার পড় কমেন্ট করেন
আমি কি কোথাও বলছি কোচিং ভালো??
আর শত শত জায়গায় পরীক্ষা দেয়ার কথা ও তো আমি বলি নাই ভালো
মেডিকেলে সেন্ট্রালি মাত্র একটা পরীক্ষা হয়
১২ বছরের মূল্যায়ন যদি খুব ভালো হইত তাহলে গতবার ৫০ পারসেন্ট গোল্ডেন স্টুডেন্ট কোন ভালো জায়গায় চান্স পায়নাই কেন??
প্রাপ্ত নাম্বার দিয়ে কেন মূল্যায়ন সম্ভব না সেটা কি আমি ব্যাখ্যা করি নাই??
পৃথিবীর সব চে আদর্শ পরীক্ষা ধরা হয় স্যাট কে
আমেরিকার বড় বড় প্রফেসর থেকে শুরু করে ডঃ জাফর ইকবাল পর্যন্ত বলছেন যে রইতেন দ্বারা মেধা যাচাই সম্ভব না অনন্ত ভার্সিটিতে ভর্তির ক্ষেত্রে
স্যাট এর ৯০ পারসেন্ট এম সি কিউ
আর বাকি ১০ পারচেন্ট থাকে রিটেন যা সুনির্দিষ্ট ইন্সট্রাকশন থাকে কি ভাবে নাম্বার দিতে হবে এবং ৩ জন শিক্ষক খাতা দেখেন
এই সব সিস্টেম আমাদের দেশে চালু করুক সমস্যা নাই কিন্তু তারা তো আবাল সিস্টেম চালু করতেছে
আমি নটরডেম থেকে শুরু করে বহু শিক্ষককে দেখসি খাতা দেখতে
তারা কথা বলছে আর খাতা দেখছে
প্রাইভেট পড়াচ্ছে আর টিক দিচ্ছে
একটা খাতায় পায় ২০-৫০ টাকা
খাতা ভালো মত পড়ার সময় কই তাদের??
আর আপনে ১ লক্ষ টাকা খরচ করার কথা কই দেখলেন বলবেন কি??
১৩|
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:৫২
আমার জীবন বলেছেন: ভর্তি পরীক্ষা বাদ দিলে ভর্তি এখন ছাত্রলীগ আর ভবিষ্যতে ছাত্রদল ও শিবিরের আয়ের উৎস হয়ে যাবে। দূর্নীতিতে বাংলাদেশ আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে।
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:০০
জিনিয়ো বলেছেন: ঠিক বলছেন
১৪|
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:২৬
বোহেমিয়ান বলেছেন: বাছাই কর্লে তো এ প্লাসের মধ্যেই সব সিট পূরন হইয়ে যাবে।আবেদনের জন্য নূন্যতম ৮ পয়েন্ট চাওয়ার কোনো মানে হয় না।
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:০৩
জিনিয়ো বলেছেন: এইটা তো তাদের ব্যর্থতা
আমরা কেন দায়ভার নিব??
৮০ হাজার পরীক্ষা দিক তাতে সমস্যা কি???
যে যোগ্য সে চান্স পাবে
আগের বার ৫৪ হাজার পরীক্ষা দিয়েছে । তাতে কোন সমস্যা ছিল না। এখন কেন এই সমস্যা ?
১৫|
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:২৭
ইমুব্লগ বলেছেন: আমার কাছে এই পদ্ধতিটাকে সঠিক মনে হচ্ছে।
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:০১
জিনিয়ো বলেছেন: আপনে কি ব্লগে কি লেখা আছে পরছেন??
১৬|
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:২৭
রিয়াজুল ইস্লাম বলেছেন: ভর্তি পরীক্ষা উঠিয়ে জিপিএএর ভিত্তিতে ভর্তি নিলে প্রকৃত মেধাবীরা বাদ পড়বে এটা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার।
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:৪৩
জিনিয়ো বলেছেন: ঠিক বলছেন
আমার একতাই কথা
যে নিয়ম ই তারা করুক আগে কেন জানাবে না ???????
শেষ মুহূর্তে পরীক্ষার আগে কেন??
গত বার মেডিকেল এক্সাম এর পর তারা জানাইত যে শুধু এ+ বা গোল্ডেন পরীক্ষা দিবে
তারা তো বলছে আগের নিয়ম ভাল থাকবে
এখন শেষ মুহূর্তে যদি বলে " যারা এ+ না ৪.৯ পাইলেও পরীক্ষা দিতে পারবে না তারা এখন এক মাসে কি করবে ?? "
১৭|
০৯ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:২১
নিশম বলেছেন: ফিফা'র কাছে প্রশ্ন রইলো,
" সবচেয়ে বড়ো বিষয়, এটি চালু হলে টাকাখোর কোচিং সেন্টারগুলো ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যাবে "
এটা কি আপনি ভেবে বলেছেন নাকি বলার দরকার তাই বলেছেন? ধরলাম, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা হলো না। ভর্তি কোচিং বন্ধ করে দিলো, খুব ভালো। যেহেতু এসএসসি, এইচএসসি এর ভিত্তিতে তখন মেডীকেল ভর্তি নেয়া হবে, তাহলে কি তখন এসএসসি, এইচএসসি সংস্লিষ্ট একাডেমিক কোচিং গুলোর ব্যবসা আরও বেড়ে যাবে না? সেই কোচিং গুলো বন্ধ করে দেবার জন্য কি এই পাবলিক পরীক্ষা দুটিও বন্ধ করে দেয়া হবে ??
আপনি যে কয়েকটা কোচিং এর নাম বলেছেন, একমাত্র রেটিনা ছাড়া কোনোটিই জাতে উঠতে পারেনি। বাকি যে রমরমা ব্যবসা চালাচ্ছে, অন্যান্য কোচিং গুলো, সেগুলোও কি জামাত-শিবিরের? খোজ নেয়া হোক, বন্ধ করা হোক। আমি তো লেখাতে সম্পুর্ণ স্পষ্ট ভাবে বলে দিয়েছি, যদি সরকারের মনে হয় বেশী অর্থ নেয়া হচ্ছে, একটা স্কেল দাড় করিয়ে দিক। যদি বিশেষজ্ঞ্রা মনে করে, এটা বন্ধ করা দরকার, ঘোষনা দিয়ে কোচিং বন্ধ করে দিক। কিন্তু "সমান" প্রতিযোগীতা, আবার বলি ভাই, "সমান প্রশ্ন, সমান মুল্যায়ন" এর যে প্রতিযোগীতা, সেটা বাদ দিয়ে কিভাবে আবেগ নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষার রেজাল্টের উপর ভিত্তি করে, দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা ভাগ্যের উপর ছেড়ে দিতে চাচ্ছেন? ভাগ্যই তো, কারণ জিপিএ ৫ পুরোই ভাগ্য নিয়ন্ত্রিত। আমি যে রুমে পরীখা দিয়েছিলাম, ৫০টা ছেলের একটা ছেলেও ফিজিক্সে এ প্লাস পায়নি। কারণ কি? সবাই খারাপ পরীক্ষা দিয়েছিলো ? না, একই স্যারের কাছে একটা বান্ডীল একই ভাবে মুল্যায়িত হয়েছে। আমি খুব অবাক হয়েছি, যেই ফিফা এতো যুক্তি দিয়ে কথা বলেন, তিনি কিভাবে "শিবিরের মুনাফা" রোধ কল্পে ভর্তি পরীক্ষার বিরুদ্ধে অবস্থান নেন ! শিবির উচ্ছেদ কি এতোই কঠিন ? আজকে দেশে ধর্ম বেঁচে খাওয়া রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হোক, সব কিন্তু সেখানেই শেষ হয়ে যায়। যাক, আমার আর বলার কিছু নেই।
০৯ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:৩৮
জিনিয়ো বলেছেন: আমি আশা করসিলাম ফিফা আবার কমেন্ট করে জবাব দিবে কিন্তু কোন রেসপন্স পাইলাম না
এই দেশের মানুষ শিক্ষা ব্যাবস্থা নিয়ে কত টুকু ভাবে বা চিন্তা করে টা কমেন্ট গুলা থেকে বুঝা গেল
আমরা কি কার কাছ থেকে কোন সাপোর্ট ই পাব না?????
আমাদের লাইফ কি কত গুলা নাম সর্বস্ব বুদ্ধিজীবীর একটা ডিসিশন এ ধ্বংস হয়ে যাবে??
১৮|
০৯ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:৪০
জিনিয়ো বলেছেন: নিশম কে এগেইন থ্যাংকস কিন্তু তোমার ব্লগ টা সবার মাঝে যদি ছড়িয়ে দিতে না পার তাহলে কিন্তু কোন লাভ হবে না
১৯|
১৮ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৪:২৫
ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন বলেছেন: পোস্টে প্লাস, পরীক্ষা না হলে ভার্সিটি থেকে শুরু বুয়েট সবকিছুর ভর্তি মেট্রিক ইন্টারের রাজাল্ট অনুযায়ী হোক, ওগুলার কোচিং নিয়ে মাথা ব্যাথা কই?
১৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:০১
জিনিয়ো বলেছেন: ঠিক বলেছেন
কিন্তু অস্বাস্থ্য কর মন্ত্রী তো বুঝেন না
২০|
১৯ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:৫৫
যাযাবর৮১ বলেছেন:
ঈদ মোবারক
ক্লান্ত দিনের প্রহর শেষে
বাঁকা চাঁদ উঠলো মিষ্টি হেসে।
আনন্দ সুখ প্রাণের মাঝেতে
কত প্রাণ কাঁদে সকাল সাঁঝেতে!
দীনহীন জনের মুখের হাসি
আমরা যেন সবাই ভালবাসি,
তাদের মুখে যত ফুটবে হাসি
ততোই বাড়বে ঐ ঈদের খুশি।
********************
পূর্ণতার মাঝে জীবন সাজুক
অপূর্ণতার মাঝে পূর্ণতা আসুক।
শুভকামনা সর্বক্ষণ
থাকুক সুস্থ দেহ মন। ![]()
২০ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ২:০৯
জিনিয়ো বলেছেন: এই পোস্টের সাথে কি সম্পর্ক ??
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ২:০০
আমার জীবন বলেছেন: সরকার করার মত কাজ খুইজা না পাইয়া আকাম কৈরা বেড়াইতাছে..